• ই-পেপার

পণ্যবাহী জাহাজে হামলার পর ইরানে যুক্তরাষ্ট্রের পাল্টা হামলা

ভেনেজুয়েলায় ভূমিকম্পে নিখোঁজ ৫০ হাজারের বেশি মানুষ

অনলাইন ডেস্ক
ভেনেজুয়েলায় ভূমিকম্পে নিখোঁজ ৫০ হাজারের বেশি মানুষ

ভেনিজুয়েলায় জোড়া শক্তিশালী ভূমিকম্পে নিহতের সংখ্যা বেড়ে ৯২০ জনে পৌঁছেছে। একই সঙ্গে ৫০ হাজারেরও বেশি মানুষ নিখোঁজ রয়েছেন বলে জানিয়েছে জাতিসংঘ। বেঁচে থাকা মানুষদের খুঁজে বের করার অভিযান এখনও চলছে। উদ্ধারকাজে সহায়তার জন্য বিভিন্ন দেশের উদ্ধারকারী দলও ভেনিজুয়েলায় পৌঁছেছে।

রাজধানী কারাকাসের একটি ক্ষতিগ্রস্ত এলাকা পরিদর্শনে গেলে অন্তর্বর্তী প্রেসিডেন্ট ডেলসি রদ্রিগেজের বিরুদ্ধে ক্ষোভ প্রকাশ করেন স্থানীয় বাসিন্দারা। সরকারের ধীরগতির ত্রাণ ও উদ্ধার তৎপরতা নিয়ে জনমনে অসন্তোষ বাড়ছে।

জাতিসংঘের মানবিক সহায়তা প্রধান টম ফ্লেচার জানান, বুধবার সন্ধ্যায় মাত্র এক মিনিটের ব্যবধানে ৭.২ ও ৭.৫ মাত্রার দুটি ভূমিকম্প আঘাত হানে। এতে দেশের উত্তরাঞ্চলের বহু ভবন ধসে পড়ে।

রাজধানী কারাকাসের কাছের উপকূলীয় লা গুয়াইরা অঞ্চল সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। শক্তিশালী ভূমিকম্পে সেখানে একের পর এক ভবন ধসে পড়েছে এবং ব্যাপক ধ্বংসযজ্ঞের সৃষ্টি হয়েছে।

এদিকে ভেনিজুয়েলার উত্তর উপকূলে শুক্রবার (২৬ জুন) ৪.৯ মাত্রার আরো একটি ভূমিকম্প আঘাত হেনেছে। ইউরোপীয় ভূমিকম্প পর্যবেক্ষণ সংস্থা (ইএমএসসি) জানিয়েছে, সর্বশেষ ভূমিকম্পটির কেন্দ্র ছিল উত্তর ভেনিজুয়েলার মারাকাই শহর থেকে প্রায় ৬১ কিলোমিটার উত্তর-পশ্চিমে। তাৎক্ষণিকভাবে ক্ষয়ক্ষতি বা হতাহতের কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি।

তবে সংবাদ সংস্থা রয়টার্সের বরাত দিয়ে জানা গেছে, ভূমিকম্পের কম্পন মারাকাই ও রাজধানী কারাকাসেও অনুভূত হয়েছে।

এ পর্যন্ত অন্তত ৩ হাজার ৩৬০ জন আহত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে। এ ছাড়া ১৭২ জনের বেশি মানুষ এখনও ধ্বংসস্তূপের নিচে আটকা পড়ে আছেন। ভেনিজুয়েলা সরকারের তথ্য অনুযায়ী, নিখোঁজ মানুষের সংখ্যা ৫০ হাজারেরও বেশি।

শুক্রবার স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী দিওসদাদো ক্যাবেলো জানান, সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত লা গুয়াইরা রাজ্যের কয়েকটি এলাকায় প্রবেশ সীমিত করা হবে। উদ্ধারকাজে সহায়তা করতে স্থানীয় বাসিন্দারা নিজেরাই সংগঠিত হচ্ছেন। তারা খাদ্য ও অন্যান্য জরুরি সামগ্রী সংগ্রহের পাশাপাশি জীবিতদের খোঁজে কাজ করছেন। অনেকেই নিজেদের ব্যক্তিগত গাড়িকে অস্থায়ী অ্যাম্বুলেন্স হিসেবে ব্যবহার করছেন।

সরকার এক্স (সাবেক টুইটার)সহ কয়েকটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের ওপর আরোপিত বিধিনিষেধ শিথিল করায় ক্ষতিগ্রস্ত এলাকার মানুষ এখন নিখোঁজ স্বজনদের খোঁজে তথ্য আদান-প্রদান করতে পারছেন।

 

 

কয়েক দিনের ব্যবধানে আবারও ভূমিকম্পে কাঁপল ভেনেজুয়েলা

অনলাইন ডেস্ক
কয়েক দিনের ব্যবধানে আবারও ভূমিকম্পে কাঁপল ভেনেজুয়েলা
ছবি : রয়টার্স

ভেনেজুয়েলার উত্তর উপকূলে শুক্রবার (২৬ জুন) ৪.৯ মাত্রার একটি ভূমিকম্প আঘাত হেনেছে। এর কয়েক দিন আগে, বুধবার সন্ধ্যায় দেশটিতে দুটি শক্তিশালী ভূমিকম্পে নিহতের সংখ্যা অন্তত ৯২০ জনে দাঁড়িয়েছে। এ ছাড়া রাজধানী কারাকাসের বেশ কিছু এলাকা ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়।

ইউরোপীয় ভূমিকম্প পর্যবেক্ষণ সংস্থা (ইএমএসসি) জানিয়েছে, সর্বশেষ ভূমিকম্পটির কেন্দ্র ছিল উত্তর ভেনেজুয়েলার মারাকাই শহর থেকে প্রায় ৬১ কিলোমিটার উত্তর-পশ্চিমে। তাৎক্ষণিকভাবে ক্ষয়ক্ষতি বা হতাহতের কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি। তবে সংবাদ সংস্থা রয়টার্সের বরাত দিয়ে জানা গেছে, ভূমিকম্পের কম্পন মারাকাই ও রাজধানী কারাকাসেও অনুভূত হয়েছে।

বুধবারের দুটি শক্তিশালী ভূমিকম্পের পর দক্ষিণ আমেরিকার দেশ ভেনেজুয়েলা এখনো চরম বিপর্যয়ের মধ্যে রয়েছে। রিখটার স্কেলে ভূমিকম্প দুটির মাত্রা ছিল যথাক্রমে ৭.২ ও ৭.৫। ভূমিকম্পে নিহতের সংখ্যা আরো বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

মার্কিন ভূতাত্ত্বিক জরিপ সংস্থা (ইউএসজিএস) ধারণা করছে, শেষ পর্যন্ত মৃতের সংখ্যা ১০ হাজার ছাড়িয়ে যেতে পারে। এ পর্যন্ত অন্তত ৩ হাজার ৩৬০ জন আহত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে। এ ছাড়া ১৭২ জনের বেশি মানুষ এখনো ধ্বংসস্তূপের নিচে আটকা পড়ে আছেন। ভেনেজুয়েলা সরকারের তথ্য অনুযায়ী, নিখোঁজ মানুষের সংখ্যা ৫০ হাজারেরও বেশি।

শুক্রবার স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী দিওসদাদো ক্যাবেলো জানান, সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত লা গুয়াইরা রাজ্যের কয়েকটি এলাকায় প্রবেশ সীমিত করা হবে। উদ্ধারকাজে সহায়তা করতে স্থানীয় বাসিন্দারা নিজেরাই সংগঠিত হচ্ছেন। তারা খাদ্য ও অন্যান্য জরুরি সামগ্রী সংগ্রহের পাশাপাশি জীবিতদের খোঁজে কাজ করছেন।

অনেকেই নিজেদের ব্যক্তিগত গাড়িকে অস্থায়ী অ্যাম্বুলেন্স হিসেবে ব্যবহার করছেন। সরকার এক্স (সাবেক টুইটার)সহ কয়েকটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের ওপর আরোপিত বিধিনিষেধ শিথিল করায় ক্ষতিগ্রস্ত এলাকার মানুষ এখন নিখোঁজ স্বজনদের খোঁজে তথ্য আদান-প্রদান করতে পারছেন। ২০২৪ সালের বিতর্কিত প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের পর এসব প্ল্যাটফরমের ওপর নানা ধরনের সীমাবদ্ধতা আরোপ করা হয়েছিল।

২৫ বছর বয়সী জেনিফার প্যালাসিওস জানান, উদ্ধারকাজের বেশির ভাগই স্থানীয় বাসিন্দারা নিজেদের উদ্যোগে চালিয়ে যাচ্ছেন। তিনি বলেন, ‘এলাকার মানুষই ধ্বংসস্তূপের নিচ থেকে অনেককে জীবিত উদ্ধার করেছে।’

জেনিফারের ছয় বছর বয়সী ছেলেসহ তার আরো পাঁচজন আত্মীয় এখনো ধ্বংসস্তূপের নিচে চাপা পড়ে আছেন। তিনি বলেন, ‘ধ্বংসাবশেষ সরাতে আমাদের জরুরি ভিত্তিতে ক্রেন দরকার। এখনো অনেক মানুষ আটকা পড়ে আছে।’
 

ইতালিতে একই পরিবারের তিন বাংলাদেশিকে ছুরিকাঘাতে হত্যা

অনলাইন ডেস্ক
ইতালিতে একই পরিবারের তিন বাংলাদেশিকে ছুরিকাঘাতে হত্যা
সংগৃহীত ছবি

ইতালির রাজধানী রোমে একই পরিবারের তিন বাংলাদেশি নাগরিককে ছুরিকাঘাতে হত্যা করা হয়েছে। শুক্রবার (২৬ জুন) স্থানীয় সময় রাত প্রায় ৯টার দিকে শহরের পশ্চিমাঞ্চলের কাসালোত্তি এলাকার ভিয়া মন্তিলিও সড়কের একটি অ্যাপার্টমেন্টে এ ঘটনা ঘটে।

নিহতরা হলেন নোয়াখালীর বসুরহাটের বাসিন্দা কামাল, তার স্ত্রী এবং তাদের পাঁচ বছর বয়সী মেয়ে। হামলায় তাদের ১৮ বছর বয়সী ছেলে গুরুতর আহত হয়েছেন। তাকে দ্রুত হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসকরা জানান, তার অবস্থা বর্তমানে স্থিতিশীল এবং তিনি আশঙ্কামুক্ত।

স্থানীয় গণমাধ্যমের তথ্য অনুযায়ী, এক অজ্ঞাত ব্যক্তি ধারালো অস্ত্র নিয়ে পরিবারের সদস্যদের ওপর হামলা চালায়। হামলায় অতিরিক্ত রক্তক্ষরণে কামাল, তার স্ত্রী ও ছোট মেয়ে ঘটনাস্থলেই মারা যান। এ সময় প্রাণ বাঁচাতে বাসা থেকে বেরিয়ে আশপাশের লোকজনের কাছে সাহায্য চাইতে যান পরিবারের ১৮ বছর বয়সী ছেলে। কিন্তু হামলাকারী তাকেও ছুরিকাঘাত করে দ্রুত ঘটনাস্থল ছেড়ে পালিয়ে যায়। প্রতিবেশীরা বিষয়টি টের পেয়ে জরুরি সেবায় খবর দিলে পুলিশ, অ্যাম্বুলেন্স এবং ইতালির কারাবিনিয়েরি বাহিনীর সদস্যরা ঘটনাস্থলে পৌঁছান। পরে নিহত তিনজনের মরদেহ উদ্ধার করা হয় এবং আহত তরুণকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। তার শরীরেও ছুরির আঘাত ছিল। তবে সেই আঘাত প্রাণঘাতী ছিল না। 

ঘটনার পর পুরো এলাকায় নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করেছে রোম পুলিশ। হত্যাকাণ্ডে জড়িত ব্যক্তিকে শনাক্ত ও গ্রেপ্তারে অভিযান চলছে। পাশাপাশি ঘটনার প্রকৃত কারণ জানতে তদন্ত শুরু করেছেন আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা বাহিনীর সদস্যরা।

তদন্ত কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, কী কারণে এই হত্যাকাণ্ড ঘটেছে তা এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি। এটি ব্যক্তিগত বিরোধ, ডাকাতির চেষ্টা নাকি অন্য কোনো উদ্দেশ্যে সংঘটিত হয়েছে- সব সম্ভাবনা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। ইতালির সংবাদ সংস্থা আনসা ও এজিআই জানিয়েছে, তিনজনই বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত ছিলেন। তাদের প্রত্যেকের শরীরে ছুরির আঘাত ছিল এবং সেই আঘাতেই তাদের মৃত্যু হয়েছে। এই পরিকল্পিত হত্যাকাণ্ডের কারণ এখনো পুরোপুরি অজানা। এতে তদন্তকারীরা দ্বন্দ্বে পড়েছেন। স্থানীয় পুলিশ জানিয়েছে, পরিবারের সদস্যদের বিরুদ্ধে আগে কোনো অপরাধের রেকর্ড ছিল না।

এদিকে ফরেনসিক বিশেষজ্ঞরা ঘটনাস্থল থেকে বিভিন্ন আলামত সংগ্রহ করছেন। তদন্তের স্বার্থে ফ্ল্যাটটি ঘিরে রাখা হয়েছে। আশপাশের সিসিটিভি ক্যামেরার ফুটেজও সংগ্রহ করা হচ্ছে, যাতে হামলাকারীর পরিচয় শনাক্ত করা যায়।

রোম পুলিশের এক জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা বলেন, ঘটনাটি অত্যন্ত নৃশংস। অপরাধীকে দ্রুত আইনের আওতায় আনতে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে তদন্ত ও অভিযান চালানো হচ্ছে। স্থানীয় সংবাদমাধ্যম ইল মেসাজ্জেরোর তথ্য অনুযায়ী, পুলিশ প্রথমে সন্দেহ করছে যে ঘটনায় পরিবারের পরিচিত কেউ বা কোনো পারিবারিক বন্ধু জড়িত থাকতে পারেন। তবে কর্তৃপক্ষ বলেছে, এটি এখনো নিশ্চিত নয়, শুধু তদন্তের একটি সম্ভাব্য দিক। আর হত্যাকারী এখনো ধরা পড়েনি বলে তদন্তের বিস্তারিত তথ্য গোপন রাখা হচ্ছে।

ফ্রান্সের সঙ্গে কূটনৈতিক সম্পর্ক ছিন্ন করল বুর্কিনা ফাসো

অনলাইন ডেস্ক
ফ্রান্সের সঙ্গে কূটনৈতিক সম্পর্ক ছিন্ন করল বুর্কিনা ফাসো
ছবি : রয়টার্স

সাবেক ঔপনিবেশিক শাসক ফ্রান্সের সঙ্গে কূটনৈতিক সম্পর্ক ছিন্ন করেছে বুরকিনা ফাসোর শাসক জান্তা। দেশটি প্যারিসের বিরুদ্ধে তাদের স্বার্থের বিরুদ্ধে ক্রমাগত কাজ করার অভিযোগ তুলেছে। ২০২২ সালের সেপ্টেম্বরে অভ্যুত্থানের মাধ্যমে ক্ষমতায় আসা ক্যাপ্টেন ইব্রাহিম ত্রাওরের নেতৃত্বাধীন সরকার শুক্রবার (২৬ জুন) থেকে এ সিদ্ধান্ত কার্যকর করার ঘোষণা দেয়।

সরকারি বিবৃতিতে বলা হয়, ফ্রান্স বুর্কিনা ফাসোর বিরুদ্ধে ‘নব্য-ঔপনিবেশিক’ নীতি অনুসরণ করছে। এ ছাড়া দেশটি অভিযোগ করেছে, ফ্রান্স সন্ত্রাসী গোষ্ঠী ও ধ্বংসাত্মক কর্মকাণ্ডে জড়িত নেটওয়ার্ককে সমর্থন দিচ্ছে, যার কারণে বুর্কিনা ফাসো ও সাহেল অঞ্চলে অস্থিরতা বেড়েছে। এর আগে থেকেই সামরিক সরকার সমালোচকদের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান এবং ফ্রান্সসহ পশ্চিমা দেশগুলোর প্রতি কঠোর নীতি অনুসরণ করে আসছে।

বুর্কিনা ফাসোসহ পশ্চিম আফ্রিকার কয়েকটি দেশ গত এক দশক ধরে আল-কায়েদা ও দায়েশ-সংশ্লিষ্ট জঙ্গিগোষ্ঠীর হামলায় ব্যাপক সহিংসতার মুখে রয়েছে।

সরকার জানিয়েছে, ফ্রান্সের সঙ্গে কূটনৈতিক সম্পর্ক ছিন্ন করার সিদ্ধান্তটি শুধুমাত্র দুই দেশের সরকারি ও কূটনৈতিক সম্পর্কের ক্ষেত্রেই প্রযোজ্য। তবে এর ফলে বুর্কিনা ফাসো ও ফরাসি জনগণের মধ্যে দীর্ঘদিনের ঐতিহাসিক, সাংস্কৃতিক, সামাজিক ও মানবিক সম্পর্কের ওপর কোনো প্রভাব পড়বে না।

সাম্প্রতিক বছরগুলোতে আফ্রিকার কয়েকটি সাবেক ফরাসি উপনিবেশে ফ্রান্সবিরোধী মনোভাব বেড়েছে। একই সঙ্গে এই অঞ্চলে রাশিয়া ও চীনের প্রভাবও বৃদ্ধি পাচ্ছে। ফ্রান্স একসময় উত্তর, মধ্য ও পশ্চিম আফ্রিকার বড় অংশ শাসন করত। স্বাধীনতার পরও দেশটি বিভিন্ন সময়ে সামরিক হস্তক্ষেপ এবং রাজনৈতিক প্রভাবের মাধ্যমে ওই অঞ্চলে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে।

ফ্রান্স আগে ‘ফ্রাঙ্কাফ্রিক’ নামে পরিচিত নীতির মাধ্যমে ফরাসিভাষী আফ্রিকার দেশগুলোতে রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক প্রভাব বজায় রাখার চেষ্টা করত। তবে প্যারিস এখন সেই নীতি থেকে সরে আসার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে।