• ই-পেপার

যুদ্ধে কতটা সফল ইরান?

এক্স-৫৯ কুয়েস্ট : সুপারসনিক বিমানে শব্দ কমাতে নাসার বড় পরীক্ষা

অনলাইন ডেস্ক
এক্স-৫৯ কুয়েস্ট : সুপারসনিক বিমানে শব্দ কমাতে নাসার বড় পরীক্ষা
সংগৃহীত ছবি

সান ডিয়েগোতে অনুষ্ঠিত এআইএএ অ্যাভিয়েশন ফোরাম-এ নাসার পরীক্ষামূলক সুপারসনিক বিমান ‘নাসা এক্স-৫৯ কুয়েস্ট’ নিয়ে নতুন তথ্য জানিয়েছেন পরীক্ষামূলক পাইলট জিম ‘ক্লু’ লেস। গত সপ্তাহে শব্দের গতির চেয়ে দ্রুত উড়ে যাওয়ার পর তিনি আশা প্রকাশ করেছেন, এই বিমান ভবিষ্যতে প্রচলিত সুপারসনিক বিমানের তুলনায় অনেক কম শব্দ তৈরি করতে পারবে।

লক্ষ্য হলো সুপারসনিক উড্ডয়নকে আর কানে ফাটানো ‘সনিক বুম’ নয়, বরং হালকা একটি ‘থাম্প’ শব্দে রূপ দেওয়া, যা অনেকটা গাড়ির দরজা বন্ধ হওয়ার শব্দের মতো শোনাবে।

শুক্রবার দক্ষিণ ক্যালিফোর্নিয়ার মোহাভি মরুভূমির আকাশে বিমানটি ম্যাক ১.১ গতিতে উড়েছে। এই গতিতে এর গতি ছিল ঘণ্টায় প্রায় ১,১৪৭ কিলোমিটার। একই সময় এটি প্রায় ৪৩,৪০০ ফুট উচ্চতায় ছিল।

পরবর্তী কয়েক দিনের মধ্যে একই ধরনের গতিতে আরো কয়েকটি পরীক্ষা চালানো হবে। এরপর ধাপে ধাপে বিমানটিকে ম্যাক ১.৪ গতিতে নেওয়া হবে, যা এই পরীক্ষার মূল লক্ষ্য।

লেস জানান, এই পর্যায়েই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ফল পাওয়া যাবে। বিমানটি সত্যিই কম শব্দে সুপারসনিক উড়ান দিতে পারে কি না, তা তখন বোঝা যাবে।

নাসা এক্স-৫৯ কুয়েস্ট তৈরি করা হয়েছে একটি বিশেষ নকশায়। এর লক্ষ্য হলো সুপারসনিক গতিতে উড়ার সময় যে শক্তিশালী 'সনিক বুম' তৈরি হয়, সেটি কমিয়ে আনা।

সাধারণ সুপারসনিক বিমানে যখন গতি শব্দের চেয়ে বেশি হয়, তখন বাতাসে শক্তিশালী শক ওয়েভ তৈরি হয়। এই তরঙ্গগুলো একত্র হয়ে নিচে এসে পড়ে একটি প্রচণ্ড শব্দ তৈরি করে, যা বজ্রপাতের মতো শোনায়।

কিন্তু এই বিমানের নকশা এমনভাবে করা হয়েছে যাতে শক ওয়েভগুলো ছড়িয়ে যায় এবং শব্দ অনেক হালকা হয়।


পাইলট জিম লেস জানান, বিমানটি যে শব্দের গতির চেয়ে দ্রুত যাচ্ছে সেটা তিনি তখন প্রথম বুঝতে পারেন যখন তিনি সামনের দিকের শক ওয়েভের ছায়া দেখতে পান। সূর্যের অবস্থান তখন এমন ছিল যে এটি খালি চোখে দেখা সম্ভব হয়েছিল। এটি খুব বিরল ঘটনা।

তিনি আরো বলেন, বিমানের যন্ত্রে কিছু তথ্য ভুলভাবে ধরা পড়েছিল। সেখানে ম্যাক ১.৩ পর্যন্ত গতি দেখাচ্ছিল, যা পরে সংশোধন করা হবে।

উড্ডয়নের সময় একটি এফ-১৫বি যুদ্ধবিমান খুব কাছ থেকে নাসা এক্স-৫৯ কুয়েস্ট–কে অনুসরণ করছে। এই যুদ্ধবিমান নিজেই শক্তিশালী শব্দ তৈরি করে, ফলে মূল বিমানের শব্দ অনেক সময় আড়াল হয়ে যায়।

পরবর্তীতে যুদ্ধবিমানটি আরো দূরে সরিয়ে নেওয়া হবে, যাতে স্থলভাগে থাকা যন্ত্রপাতি আসল শব্দ সঠিকভাবে মাপতে পারে।

নাসা জানায়, এই প্রকল্পের পরবর্তী ধাপে বিমানটি জনবসতিপূর্ণ এলাকার ওপর দিয়ে উড়ানো হতে পারে। এর মাধ্যমে সাধারণ মানুষের প্রতিক্রিয়া নেওয়া হবে যে তারা এই 'হালকা সুপারসনিক শব্দ' গ্রহণ করেন কি না।

এই তথ্য ব্যবহার করে ভবিষ্যতে যুক্তরাষ্ট্রের ফেডারেল এভিয়েশন প্রশাসন এবং আন্তর্জাতিক সংস্থাগুলো সুপারসনিক উড্ডয়নের নতুন নিয়ম তৈরি করতে পারে।

নাসার প্রকল্প ব্যবস্থাপক ক্যাথি বাম বলেন, সাধারণত পরীক্ষামূলক বিমান নির্দিষ্ট সীমিত এলাকায় পরীক্ষা করা হয়। কিন্তু এই প্রকল্পে বিমানটি মানুষের বসবাসের এলাকাতেও উড়তে পারে, যা একে আরো গুরুত্বপূর্ণ ও সংবেদনশীল করে তুলেছে।

তিনি বলেন, সব সিস্টেম এমনভাবে তৈরি করা হচ্ছে যাতে বাস্তব পরিস্থিতিতেও নিরাপত্তা নিশ্চিত থাকে।

নাসা এক্স-৫৯ কুয়েস্ট প্রকল্পের মূল লক্ষ্য হলো ভবিষ্যতে সুপারসনিক বিমানকে আরো ব্যবহারযোগ্য করা, যেখানে বিমান খুব দ্রুত চলবে, কিন্তু নিচে থাকা মানুষ কানে ফাটানো শব্দ শুনবে না।

এই প্রযুক্তি সফল হলে ভবিষ্যতে দীর্ঘ দূরত্বের বিমান ভ্রমণ অনেক দ্রুত এবং তুলনামূলকভাবে কম শব্দে সম্ভব হতে পারে।

চীনের বিরুদ্ধে যেভাবে অপ্রতিরোধ্য হয়ে উঠছে তাইওয়ান

অনলাইন ডেস্ক
চীনের বিরুদ্ধে যেভাবে অপ্রতিরোধ্য হয়ে উঠছে তাইওয়ান
রয়টার্স ছবি

চীন তাইওয়ানকে নিজেদের মূল ভূখণ্ডের একটি বিচ্ছিন্ন প্রদেশ ও অবিচ্ছেদ্য অংশ মনে করলেও তাইওয়ান নিজেদের একটি স্বায়ত্তশাসিত ও গণতান্ত্রিক সার্বভৌম রাষ্ট্র হিসেবে দাবি করে। এ নিয়ে দীর্ঘ দিনের বিপরীতমুখী অবস্থানের মধ্যে দিনি দিন অপ্রতিরোধ্য হয়ে উঠছে তাইওয়ান। 

তারই অংশ হিসেবে এবার সম্ভাব্য চীনা আগ্রাসন মোকাবেলায় বিশ্বের অন্যতম কার্যকর দূরপাল্লার রকেট ব্যবস্থা ব্যবহার করে সামরিক মহড়া চালিয়েছে তাইওয়ান। যুক্তরাষ্ট্রে তৈরি অত্যাধুনিক হিমার্স (হাই মোবিলিটি আর্টিলারি রকেট সিস্টেম) রকেট ব্যবস্থা ব্যবহারের মাধ্যমে দ্বীপটিকে এমন এক প্রতিরক্ষা বলয়ে পরিণত করা হচ্ছে, যা দীর্ঘ সময় ধরে প্রতিরোধ গড়ে তুলতে সক্ষম।

বার্তা সংস্থা রয়টার্স বলছে, বুধবার দেশটির পশ্চিম উপকূলে অনুষ্ঠিত এই মহড়ায় দ্রুত আঘাত হেনে অবস্থান পরিবর্তনের সক্ষমতা বা ‘শুট-অ্যান্ড-স্কুট বা গুলি করে পালিয়ে যাওয়ার’ কৌশল প্রদর্শন করা হয়।

তাইওয়ানের সামরিক বাহিনী জানায়, মধ্যাঞ্চলের তাইচুং এলাকায় পরিচালিত এই মহড়ার উদ্দেশ্য ছিল হিমার্স-এর গতিশীলতা ও যুদ্ধক্ষেত্রে টিকে থাকার সক্ষমতা তুলে ধরা। রকেট নিক্ষেপের পর দ্রুত স্থান পরিবর্তনের মাধ্যমে শত্রুপক্ষের রাডার ও পাল্টা হামলা এড়ানোর সক্ষমতা প্রদর্শন করা হয়েছে।

মহড়ার পর ইউনিট কমান্ডার কো মিং-পিন বলেন, ‘আমাদের হিমার্স ইউনিট শক্তিশালী যুদ্ধ সক্ষমতা প্রদর্শন করেছে এবং সফলভাবে প্রশিক্ষণ সম্পন্ন করেছে।’

ইউক্রেন-রাশিয়া যুদ্ধে ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হিমার্স বর্তমানে বিশ্বের অন্যতম কার্যকর দূরপাল্লার রকেট ব্যবস্থা হিসেবে পরিচিত। তাইওয়ান গত বছর প্রথমবারের মতো পূর্ব উপকূলে এই অস্ত্রের পরীক্ষামূলক উৎক্ষেপণ করেছিল। তবে পশ্চিম উপকূলে এবারই প্রথম এটি মোতায়েন করা হলো।

প্রসঙ্গত, চীনের মুখোমুখি অবস্থানে রয়েছে তাইওয়ানের পশ্চিম উপকূল, যা যেকোনো আক্রমণের ক্ষেত্রে চীনা সেনাবাহিনীর অবতরণের প্রচেষ্টার জন্য সবচেয়ে সম্ভাব্য স্থান হিসেবে দেখা হয়। ফলে ওই এলাকায় এই মহড়ার বিশেষ গুরুত্ব রয়েছে।

বর্তমানে নিজেদের প্রতিরক্ষা কৌশল আধুনিকায়ন করছে তাইওয়ানের সামরিক বাহিনী। তাদের লক্ষ্য ছোট হলেও অত্যন্ত কার্যকর ও গতিশীল অস্ত্রব্যবস্থা ব্যবহার করা হচ্ছে। এতে দ্বীপটিকে এমন এক প্রতিরক্ষা বলয়ে পরিণত করা হচ্ছে, যা আক্রমণ করা কঠিন এবং দীর্ঘ সময় ধরে প্রতিরোধ গড়ে তুলতে সক্ষম। যাকে ‘পর্কুপাইন স্ট্র্যাটেজি বা সজারু কৌশল’ নামে অভিহিত করেছেন সামরিক বিশ্লেষকেরা।

প্রায় ৩০০ কিলোমিটার পাল্লার হিমার্স রকেট ব্যবস্থার মাধ্যমে চীনের দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলীয় ফুজিয়ান প্রদেশের উপকূলীয় লক্ষ্যবস্তুতেও আঘাত হানা সম্ভব।

এছাড়াও তাইওয়ানের নিজস্বভাবে উন্নত থান্ডারবোল্ট-২০০০ রকেট লঞ্চার ব্যবস্থার সঙ্গে সমন্বয় করে এটি ব্যবহার করা হবে বলে সামরিক সূত্র জানিয়েছে।

এদিকে, তাইওয়ানকে নিজেদের ভূখণ্ডের অংশ হিসেবে দাবি করে আসছে চীন। শুধু তাই নয়, প্রয়োজনে শক্তি প্রয়োগের মাধ্যমে দ্বীপটির পূর্ণ নিয়ন্ত্রণে নেওয়ারও হুমকি দিয়েছে।

তবে চীনের সার্বভৌমত্বের দাবি প্রত্যাখ্যান করে তাইওয়ান সরকার বলেছে, দ্বীপটির ভবিষ্যৎ নির্ধারণের অধিকার শুধুমাত্র তাইওয়ানের জনগণেরই রয়েছে।

সাম্প্রতিক এই মহড়া তাইওয়ান প্রণালি ঘিরে চলমান ভূরাজনৈতিক উত্তেজনার মধ্যে আঞ্চলিক নিরাপত্তা পরিস্থিতিকে নতুন করে আলোচনায় নিয়ে এসেছে।

খারাপ সময়ে মমতা দিদির সঙ্গ ছাড়ায় অপরাধবোধ হচ্ছে : শতাব্দী রায়

অনলাইন ডেস্ক
খারাপ সময়ে মমতা দিদির সঙ্গ ছাড়ায় অপরাধবোধ হচ্ছে : শতাব্দী রায়

পশ্চিমবঙ্গের বীরভূমের তৃণমূল সাংসদ শতাব্দী রায় বলেছেন, তৃণমূলের সঙ্গে সম্পর্ক ছেদ করায় কোনো অপরাধবোধ নেই। শুধু একটি বিষয়েই অপরাধবোধ কাজ করছে—খারাপ সময়ে দিদির সঙ্গত্যাগ। কলকাতাভিত্তিক ‘এই সময় অনলাইন’কে দেওয়া সাক্ষাৎকারে তিনি এ কথা বলেন।

এখনো তৃণমূল নেত্রীর সঙ্গে মানসিকভাবে আষ্টেপৃষ্ঠে জড়িয়ে উল্লেখ করে শতাব্দী রায় বলেন, ‘এই মুহূর্তে নেত্রী মমতার পাশে থাকা কষ্টের কিন্তু দিদিই সেই জায়গায় নিয়ে গেল আমাদের। আমার দুঃখটা যদি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় আগে কেয়ার করতেন, তাহলে এটা হতো না।’

কোন পরিস্থিতিতে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া—তা জানিয়েছে এই সাংসদ বলেন, ‘ভোটের রেজাল্টের পরে যখন কালীঘাটের বাড়িতে বৈঠক ডাকা হলো, আমরা গিয়েছিলাম। কিন্তু সেখানেও হার নিয়ে কোনো বিশ্লেষণ নেই। দিদির মনে হচ্ছে, উনি হারেননি। 

কিন্তু দলের ভেতরে হার নিয়ে কথা বলতেই হবে। কিন্তু সেখানে তো উনি জিজ্ঞেস করবেন, তোমার এলাকার কেন এ রকম ফল হলো। সে রকম কোনো আলোচনা নেই। শুধু বলছেন, চিঠি লেখো। দু-একজন বলতে গেল। থামিয়ে দেওয়া হলো বলে যোগ করেন তিনি।

গত সোমবার তৃণমূলের যে কজন সাংসদ লোকসভার স্পিকারকে চিঠি দিয়ে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির নেতৃত্বাধীন এনডিএ সরকারকে সমর্থনের কথা জানিয়েছেন। তাঁদের মধ্যে শতাব্দী অন্যতম। 

অস্ট্রেলিয়ার ৫০ বছরের জনপ্রিয় বারবিকিউ ব্র্যান্ডের 'দুঃখজনক' পরিসমাপ্তি

অনলাইন ডেস্ক
অস্ট্রেলিয়ার ৫০ বছরের জনপ্রিয় বারবিকিউ ব্র্যান্ডের 'দুঃখজনক' পরিসমাপ্তি
ছবি : রয়টার্স

অস্ট্রেলিয়ার পরিচিত বারবিকিউ ও আউটডোর ফার্নিচার বিক্রেতা ‘বার্বিকিউস গ্যালোর’ বন্ধ হয়ে যাচ্ছে। দীর্ঘদিন ধরে ব্যবসা টিকিয়ে রাখার চেষ্টা করা হলেও শেষ পর্যন্ত সব চেষ্টা ব্যর্থ হয়েছে। এতে প্রায় ৫০০ জন কর্মী চাকরি হারিয়েছেন।

১৯৭৭ সালে ম্যাক্স ম্যাসন এই প্রতিষ্ঠানটি প্রতিষ্ঠা করেন। ধীরে ধীরে এটি অস্ট্রেলিয়ায় বারবিকিউ ও আউটডোর জীবনযাপনের পণ্যের একটি বড় ব্র্যান্ডে পরিণত হয়। কিন্তু সাম্প্রতিক বছরগুলোতে বিক্রি কমে যাওয়া, ব্যাবসায়িক চাপ এবং অর্থনৈতিক সমস্যার কারণে কম্পানিটি সংকটে পড়ে।

চলতি বছরের ফেব্রুয়ারিতে প্রতিষ্ঠানটি স্বেচ্ছায় প্রশাসনের (ভলান্টারি অ্যাডমিনিস্ট্রেশন) অধীনে যায়। এরপর ব্যবসা বাঁচানোর জন্য একটি উদ্ধার পরিকল্পনা তৈরি করা হয় এবং বিনিয়োগকারী ও বিভিন্ন পক্ষের সঙ্গে আলোচনা শুরু হয়। তবে শেষ পর্যন্ত সেই আলোচনা সফল হয়নি।

কম্পানি জানিয়েছে, গত কয়েক সপ্তাহে ভাড়া মালিক ও সরবরাহকারীদের সঙ্গে নতুন করে চুক্তি করার চেষ্টা করা হলেও কোনো সমাধানে পৌঁছানো যায়নি। ফলে ব্যবসা বন্ধ করে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

পরিকল্পনা অনুযায়ী, আগামী সপ্তাহ থেকে কম্পানির মালিকানাধীন ৬২টি স্টোর ধাপে ধাপে বন্ধ করা শুরু হবে। পাশাপাশি ফ্র্যাঞ্চাইজি মালিকানাধীন ২৭টি স্টোরের জন্য কিছু ‘ট্রানজিশনাল ব্যবস্থা’ রাখা হবে, যাতে তারা সীমিতভাবে কার্যক্রম চালিয়ে যেতে পারে।

কোম্পানির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, সব কর্মীর বেতন, সুবিধা ও পাওনা সম্পূর্ণভাবে পরিশোধ করা হবে। এছাড়া কর্মীদের বকেয়া অধিকার নিয়ে কোনো সমস্যা থাকবে না বলেও নিশ্চিত করা হয়েছে।

গ্রাহকদের জন্যও কিছু নিয়ম রাখা হয়েছে। গিফট ভাউচার এখনও জুন মাসের শেষ পর্যন্ত ব্যবহার করা যাবে। তবে শর্ত হলো, ভাউচারের প্রতি ১ ডলারের জন্য গ্রাহককে নিজে ২ ডলার অতিরিক্ত খরচ করতে হবে। অর্থাৎ, ৫০ ডলারের ভাউচার ব্যবহার করতে হলে গ্রাহককে নিজের পক্ষ থেকে ১০০ ডলার খরচ করে মোট ১৫০ ডলারের কেনাকাটা করতে হবে।

আরো পড়ুন
‘স্বর্ণের আকাশচুম্বী দামের কারণে চুরি-ডাকাতি বেড়ে গেছে’

‘স্বর্ণের আকাশচুম্বী দামের কারণে চুরি-ডাকাতি বেড়ে গেছে’

কোম্পানির সম্পদ বিক্রি শুরু হবে আগামী ১৬ জুন থেকে।

অর্থনৈতিক বিশ্লেষক রজার মন্টগোমারি বলেছেন, বর্তমান অর্থনৈতিক পরিস্থিতি দুর্বল ব্যবসাগুলোর জন্য টিকে থাকা কঠিন করে তুলেছে। তার ভাষায়, 'এটি একটি আইকনিক অস্ট্রেলিয়ান ব্র্যান্ডের দুঃখজনক শেষ অধ্যায়। যদি অস্ট্রেলিয়ানদের কাছেই বারবিকিউ বিক্রি না করা যায়, তাহলে আর কোথায় বিক্রি করা সম্ভব?'