• ই-পেপার

‘ভারত-নেপালের পারস্পরিক সম্পর্ক আরো শক্তিশালী হওয়ার সুযোগ তৈরি হয়েছে’

ভারতের সঙ্গে বিরোধ মেটাতে তৃতীয় পক্ষের দরকার নেই :  নেপালের পররাষ্ট্রমন্ত্রী

অনলাইন ডেস্ক
ভারতের সঙ্গে বিরোধ মেটাতে তৃতীয় পক্ষের দরকার নেই :  নেপালের পররাষ্ট্রমন্ত্রী
ছবি : পিটিআই

নেপালের পররাষ্ট্রমন্ত্রী শিশির খনাল জানিয়েছেন, ভারতের সঙ্গে সীমান্ত বিরোধ নিষ্পত্তিতে নেপাল কোনো তৃতীয় পক্ষের মধ্যস্থতা চাইছে না। রবিবার (৭ জুন) নয়াদিল্লিতে নেপাল দূতাবাসে আয়োজিত এক সংবাদ স্পষ্টভাবে একথা জানান তিনি। খবর দ্য হিন্দু

পররাষ্ট্রমন্ত্রী শিশির খনাল নিশ্চিত করেছেন যে নেপাল ও ভারতের মধ্যবর্তী সীমান্ত সমস্যা সম্পূর্ণ দ্বিপাক্ষিক বিষয়। এটি কোনো আন্তর্জাতিক মঞ্চে না নিয়ে সরাসরি কূটনৈতিক আলোচনার মাধ্যমে সমাধান করতে চায় নেপাল।

নেপালের পররাষ্ট্রমন্ত্রী শিশির খানাল বলেছেন, কাঠমান্ডু কালাপানি-লিপুলেখ-লিম্পিয়াধুরা ত্রি-সংযোগস্থলে নেপালের দাবি প্রতিষ্ঠায় মনোনিবেশ করছে এবং তৃতীয় পক্ষের কাছে ‘মধ্যস্থতা চাইছে না’। 

 খানাল আরো বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী বলেন্দ্র শাহের নতুন সরকার নেপাল-ভারত সম্পর্ককে ‘পুরনো বোঝা’ দিয়ে বেঁধে রাখার পক্ষে নয়। নেপাল বর্তমানে সম্পূর্ণ নতুন এক রাজনৈতিক বাস্তবতাকে নিয়ে সামনে এগোতে চায়।’

‘আমরা কূটনৈতিক প্রক্রিয়ার মাধ্যমে আমাদের বিরোধ নিষ্পত্তি করতে চাই। আমরা শুধু দেখতে চাই যে যুক্তরাজ্যের গ্রন্থাগার বা জাদুঘরে থাকা কিছু নথিপত্র আমরা পেতে পারি কি না। আমাদের অবস্থান এমন ছিল না যে আমরা মধ্যস্থতা চাইছিলাম।’ প্রধানমন্ত্রী বালেন্দ্র শাহ সংসদে যে মন্তব্য করেছিলেন তার ব্যাখ্যা দিতে গিয়ে জনাব খানাল একথা বলেন। 

এদিকে প্রধানমন্ত্রী বালেন্দ্র শাহ সংসদে বলেছিলেন, ভারতের সঙ্গে কালাপানি-লিম্পিয়াধুরা-লিপুলেক বিরোধ নিয়ে নেপাল যুক্তরাজ্য ও চীনের সঙ্গে যোগাযোগ করছে। 

গাজায় পুলিশ ফাঁড়িতে ইসরায়েলি হামলা, নিহত ৫

অনলাইন ডেস্ক
গাজায় পুলিশ ফাঁড়িতে ইসরায়েলি হামলা, নিহত ৫
সংগৃহীত ছবি

গাজার দক্ষিণাঞ্চলীয় খান ইউনিস শহরের একটি পুলিশ ফাঁড়িতে ভয়াবহ হামলা চালিয়েছে ইসরায়েল বহিনী। আল-মাওয়াসি এলাকায় ওই ফাঁড়িতে হামলায় অন্তত পাঁচজন নিহত এবং গুরুতর আহত হয়েছেন অন্তত ১২ জন।

স্থানীয় সংবাদমাধ্যমের বরাতে আলজাজিরা বলছে, হামলার লক্ষ্যবস্তু হওয়া পুলিশ ফাঁড়িটি অত্যন্ত জনবহুল একটি এলাকায় অবস্থিত। যেখানে যুদ্ধের কারণে বাস্তুচ্যুত হাজারো ফিলিস্তিনি তাঁবুতে আশ্রয় নিয়ে বসবাস করছে। চারপাশের সড়ক ও অবকাঠামোর বড় অংশ ধ্বংস হয়ে যাওয়ায় এলাকাটি ঘনবসতিপূর্ণ শরণার্থী শিবিরে পরিণত হয়েছে।

হামলার সময় ঘটনাস্থলে বিপুলসংখ্যক মানুষ উপস্থিত ছিল। গাজার স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক বিবৃতিতে বলা হয়েছে, নিহতদের মধ্যে এমন কয়েকজন বেসামরিক নাগরিকও রয়েছে যারা ঘটনাক্রমে ওই এলাকায় অবস্থান করছিল।

এ ছাড়া হামলায় অন্তত ১২ জন ফিলিস্তিনি গুরুতর আহত হয়েছে। তাদের খান ইউনিসের কুয়েতি হাসপাতাল এবং নাসের হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

ইউক্রেনের পারমাণবিক জ্বালানি সংরক্ষণ কেন্দ্রে রুশ ড্রোন হামলা

অনলাইন ডেস্ক
ইউক্রেনের পারমাণবিক জ্বালানি সংরক্ষণ কেন্দ্রে রুশ ড্রোন হামলা

ইউক্রেনের চেরনোবিল পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের কাছে ব্যবহৃত পারমাণবিক জ্বালানি সংরক্ষণ কেন্দ্রে ড্রোন হামলা চালিয়েছে রাশিয়া। এতে কেন্দ্রের একটি স্থাপনা ক্ষাতিগ্রস্ত হলেও ওই এলাকায় বিকিরণের মাত্রা স্বাভাবিক রয়েছে বলে জানিয়েছে দেশটির কর্তৃপক্ষ।

ইউক্রেনের জেনারেল স্টাফ এবং রাষ্ট্রীয় পারমাণবিক সংস্থা পৃথক বিবৃতিতে জানায়, হামলায় ব্যবহৃত জ্বালানি গ্রহণ ও সংরক্ষণের জন্য ব্যবহৃত একটি ভবনের অংশবিশেষ ধ্বংস হয়েছে। তবে হামলার সময় সেখানে কোনো ব্যবহৃত পারমাণবিক জ্বালানি সংরক্ষিত ছিল না।

কর্তৃপক্ষ জানায়, হামলার ফলে সৃষ্ট আগুন দ্রুত নিয়ন্ত্রণে আনা হয়েছে এবং এতে কোনো হতাহতের ঘটনা ঘটেনি। হামলার শিকার স্থাপনাটি চেরনোবিল বিদ্যুৎকেন্দ্র থেকে প্রায় ১৫ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত। 

ইউক্রেনের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আন্দ্রি সিবিহা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম এক্সে লিখেছেন, ইউক্রেনের পারমাণবিক স্থাপনাগুলোকে ঝুঁকির মুখে ফেলার ঘটনা রুশ বাহিনীর জন্য নতুন নয়। পারমাণবিক নিরাপত্তাকে কেন্দ্র করে রাশিয়ার হুমকি ও চাপ প্রয়োগ পদ্ধতিগত, ইচ্ছাকৃত এবং সম্পূর্ণ অগ্রহণযোগ্য।

এর আগে ২০২৫ সালের ফেব্রুয়ারিতে চেরনোবিলের ক্ষতিগ্রস্ত চুল্লির ওপর নির্মিত সুরক্ষা কাঠামোতে একটি রুশ ড্রোন আঘাত হেনেছিল বলে ইউক্রেন অভিযোগ করেছিল।

তবে এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত প্রকাশ্যে কোনো মন্তব্য করেনি রাশিয়া। এর আগে ১৯৮৬ সালে চেরনোবিলেই বিশ্বের সবচেয়ে ভয়াবহ পারমাণবিক দুর্ঘটনা ঘটেছিল। সেই অভিযোগও অস্বীকার করেছিল মস্কো।

এদিকে ইউক্রেন ও রাশিয়া দীর্ঘদিন ধরেই দক্ষিণ-পূর্ব ইউক্রেনে অবস্থিত ইউরোপের বৃহত্তম পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র জাপোরিঝঝিয়া কেন্দ্রকে লক্ষ্য করে হামলার অভিযোগ একে অপরের বিরুদ্ধে তুলে আসছে। বর্তমানে কেন্দ্রটি রুশ নিয়ন্ত্রণে রয়েছে।

বিশ্লেষকদের মতে, চলমান যুদ্ধের মধ্যে পারমাণবিক স্থাপনাগুলো ঘিরে যেকোনো হামলা বা দুর্ঘটনার আশঙ্কা ইউরোপসহ আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের জন্য বড় উদ্বেগের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।

মার্কিন কর্মকর্তাদের নতুন আতঙ্ক ইসরায়েলের গুপ্তচরবৃত্তি

অনলাইন ডেস্ক
মার্কিন কর্মকর্তাদের নতুন আতঙ্ক ইসরায়েলের গুপ্তচরবৃত্তি
সংগৃহীত ছবি

সম্প্রতি মধ্যপ্রাচ্যে চলমান সংঘাত নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ও ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর মধ্যে বাড়ছে মতবিরোধ। ঠিক এমন সময়ে মার্কিন শীর্ষ কর্মকর্তাদের ওপর গুপ্তচরবৃত্তি চালানের অভিযোগ উঠেছে ইসরায়েলের বিরুদ্ধে। দেশটির ‘নিয়ন্ত্রণহীন’ গোয়েন্দা কার্যক্রমের তীব্রতায় এখন নতুন আতঙ্ক তৈরি হয়েছে মার্কিন প্রতিরক্ষা দপ্তরে। ফলে তেলআবিবের এসব তৎপরতার বিরুদ্ধে কাউন্টার ইন্টেলিজেন্স বা পাল্টা গোয়েন্দা ঝুঁকির মাত্রা সর্বোচ্চ পর্যায়ে উন্নীত করেছে পেন্টাগন।

ইরান ও লেবানন যুদ্ধকে ঘিরে ওয়াশিংটন ও তেল আবিবের মধ্যে ক্রমবর্ধমান মতপার্থক্যের প্রেক্ষাপটে এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে বলে জানা গেছে।মার্কিন সংবাদমাধ্যম এনবিসি নিউজ বর্তমান ও সাবেক মার্কিন কর্মকর্তাদের বরাতে জানিয়েছে, পেন্টাগনের ডিফেন্স ইন্টেলিজেন্স এজেন্সি (ডিআইএ) সম্প্রতি ইসরায়েলের হুমকির মাত্রা ‘উচ্চ’ থেকে ‘সংকটজনক’ পর্যায়ে উন্নীত করেছে।

এর কারণ হিসেবে বলা হয়েছে, ইসরায়েলি গোয়েন্দা সংস্থাগুলো আঞ্চলিক সংঘাত নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের সংবেদনশীল নীতিনির্ধারণী আলোচনা সম্পর্কে তথ্য সংগ্রহের চেষ্টা করছে বলে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।

গোয়েন্দা তৎপরতা

গালফ নিউজ বলছে, সাত পৃষ্ঠার একটি মূল্যায়ন প্রতিবেদনে এমন কয়েকটি ঘটনার উল্লেখ করা হয়েছে, যা মার্কিন প্রতিরক্ষা মহলে উদ্বেগ বাড়িয়েছে। কর্মকর্তাদের মতে, ইসরায়েলের কিছু গোয়েন্দা তৎপরতা মিত্র দেশের মধ্যে সাধারণত যে মাত্রার গোয়েন্দা কার্যক্রম দেখা যায়, তার চেয়েও বেশি আক্রমণাত্মক ছিল।

অন্যদিকে, নিউইয়র্ক টাইমস জানিয়েছে, সাম্প্রতিক মার্কিন গোয়েন্দা মূল্যায়নে আশঙ্কা প্রকাশ করা হয়েছে যে, ইরান-সংক্রান্ত আলোচনায় যুক্ত মার্কিন শীর্ষ কর্মকর্তাদের ওপর নজরদারি বাড়িয়েছে ইসরায়েলি গোয়েন্দা সংস্থাগুলো।

প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের বিশেষ দূত স্টিভ উইটকফ, পেন্টাগনের নীতিবিষয়ক প্রধান এলব্রিজ কোলবি এবং মধ্যপ্রাচ্যবিষয়ক জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা মাইকেল ডিমিনো সম্ভাব্য নজরদারির লক্ষ্যবস্তু হতে পারেন বলে ধারণা করা হয়েছে।

মার্কিন কর্মকর্তাদের উদ্বেগ

নিউইয়র্ক টাইমসের প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে, পেন্টাগনের ডিফেন্স ইন্টেলিজেন্স এজেন্সির (ডিআইএ) এক পর্যালোচনায় কয়েকটি কথিত গুপ্তচরবৃত্তির ঘটনার উল্লেখ রয়েছে। এর মধ্যে ইসরায়েলে অবস্থানরত মার্কিন প্রতিরক্ষা কর্মীরা তাদের ডিভাইসে যোগাযোগ পর্যবেক্ষণ করতে সক্ষম সফটওয়্যার শনাক্ত করেছেন বলে অভিযোগ রয়েছে।

এ ছাড়া অতীতের আরো কিছু ঘটনাকে মার্কিন গোয়েন্দা কর্মকর্তারা ইসরায়েলের আক্রমণাত্মক গোয়েন্দা তৎপরতার প্রমাণ হিসেবে বিবেচনা করছেন।

একজন জ্যেষ্ঠ মার্কিন কর্মকর্তা নিউইয়র্ক টাইমসকে বলেন, বর্তমান প্রশাসনের সময়ে ইসরায়েলের গোয়েন্দা কার্যক্রমের তীব্রতা ছিল ‘নিয়ন্ত্রণহীন’।

পোলার্ডকাণ্ড

এই অভিযোগ নতুন করে ১৯৮৫ সালের বহুল আলোচিত ‘জনাথন পোলার্ড’ গুপ্তচরবৃত্তি কেলেঙ্কারির স্মৃতি ফিরিয়ে এনেছে। মার্কিন নৌবাহিনীর গোয়েন্দা বিশ্লেষক পোলার্ড ইসরায়েলের হয়ে গুপ্তচরবৃত্তির অভিযোগে গ্রেপ্তার হন এবং পরে ৩০ বছর কারাভোগ করেন। ঘটনাটি যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল সম্পর্কের ইতিহাসে সবচেয়ে বড় গুপ্তচরবৃত্তি কেলেঙ্কারি হিসেবে বিবেচিত হয়।

তবে এনবিসি নিউজের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, হুমকির মাত্রা বাড়ানো হলেও দুই দেশের মধ্যে চলমান গোয়েন্দা তথ্য বিনিময় এখনো বন্ধ করা হয়নি। বরং মার্কিন কর্মকর্তাদের নিরাপত্তা সতর্কতা জোরদার করাই এই পদক্ষেপের মূল উদ্দেশ্য বলে মনে করা হচ্ছে।

অভিযোগ অস্বীকার

তবে এসব অভিযোগ দৃঢ়ভাবে অস্বীকার করেছে হোয়াইট হাউস ও ইসরায়েল। হোয়াইট হাউসের এক কর্মকর্তা এনবিসি নিউজকে বলেন, ‘পুরো প্রতিবেদনটি মিথ্যা এবং এমন একজন সূত্রের ওপর ভিত্তি করে তৈরি, যার প্রকৃত পরিস্থিতি সম্পর্কে কোনো ধারণা নেই।’

ওয়াশিংটনে ইসরায়েলি দূতাবাসও একই ধরনের প্রতিক্রিয়া জানিয়েছে। দূতাবাসের এক মুখপাত্র বলেন, ‘ইসরায়েল কোনো মার্কিন প্রতিষ্ঠান বা সরকারি কর্মকর্তার বিরুদ্ধে গোয়েন্দা তথ্য সংগ্রহ করে না। আমাদের গোয়েন্দা কার্যক্রম শত্রুদের বিরুদ্ধে পরিচালিত হয়, মিত্রদের বিরুদ্ধে নয়।’

সম্পর্কের নতুন উত্তেজনা

সম্প্রতি মধ্যপ্রাচ্যের চলমান সংঘাত নিয়ে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প ও ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর মধ্যে মতবিরোধ বাড়ছে। ঠিক এরই মধ্যে এমন অভিযোগগুলো সামনে এসেছে বলে জানিয়েছেন বিশ্লেষকরা।

প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, ট্রাম্প যেখানে ইরানের সঙ্গে বৃহত্তর সমঝোতার জন্য কূটনৈতিক আলোচনায় গুরুত্ব দিচ্ছেন, সেখানে নেতানিয়াহু আরও কঠোর সামরিক পদক্ষেপ, ইরানের বিরুদ্ধে অতিরিক্ত হামলা এবং লেবাননে হিজবুল্লাহর ওপর চাপ অব্যাহত রাখার পক্ষে অবস্থান নিয়েছেন।

সম্প্রতি লেবানন ইস্যুতে ট্রাম্প ও নেতানিয়াহুর মধ্যে উত্তপ্ত ফোনালাপের বিষয়টিও প্রকাশ্যে আসে। যদিও ট্রাম্প দাবি করেন, মতপার্থক্য থাকা সত্ত্বেও দুই নেতা একসঙ্গে কাজ করে যাচ্ছেন।

সাম্প্রতিক ইরান ও লেবানন ইস্যুতে দুই মিত্র দেশের অবস্থান যত ভিন্নমুখী হচ্ছে, গোয়েন্দাসংক্রান্ত অবিশ্বাসও ততই যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল সম্পর্কের নতুন উত্তেজনার কারণ হয়ে উঠছে।