• ই-পেপার

যুক্তরাষ্ট্রের ভোটযুদ্ধে গুরুত্বপূর্ণ যত সংখ্যা

ইরানি সাংবাদিককে ছুরিকাঘাত, দুই রোমানীয় নাগরিকের কারাদণ্ড

অনলাইন ডেস্ক
ইরানি সাংবাদিককে ছুরিকাঘাত, দুই রোমানীয় নাগরিকের কারাদণ্ড
ছবি : রয়টার্স

যুক্তরাজ্যের লন্ডনে কর্মরত এক ইরানি সাংবাদিককে ছুরিকাঘাত করার দায়ে দুই রোমানীয় নাগরিককে দীর্ঘমেয়াদী কারাদণ্ড দিয়েছেন ব্রিটিশ আদালত। প্রসিকিউটরদের মতে, দণ্ডপ্রাপ্ত এই ব্যক্তিরা ইরান সরকারের ‘প্রক্সি’ বা ভাড়াটে শক্তি হিসেবে এই হামলা চালিয়েছিল।

গত ২০২৪ সালের মার্চ মাসে দক্ষিণ-পশ্চিম লন্ডনে নিজ বাড়ির সামনে হামলার শিকার হন পুরিয়া জারাতিফুকোলাই (পুরিয়া জেরাতি)। তিনি ইরান সরকারের সমালোচক হিসেবে পরিচিত এবং সৌদি অর্থায়নে পরিচালিত টেলিভিশন মাধ্যম ‘ইরান ইন্টারন্যাশনাল’-এর একজন ব্রিটিশ-ইরানি সাংবাদিক। হামলার সময় তার পায়ে তিনবার ছুরিকাঘাত করা হয়েছিল। লন্ডনের উলউইচ ক্রাউন কোর্টে দীর্ঘ বিচার প্রক্রিয়া শেষে শুক্রবার (৩ জুলাই) বিচারক ববি চিমা-গ্রাব এই রায় ঘোষণা করেন। সাজাপ্রাপ্ত দুই আসামি হলেন জর্জ স্টানা (২৫) ও  নন্দিতো বাদেয়া (২১)।

অভিযুক্তরা আদালতে নিজেদের নির্দোষ দাবি করলেও গত জুনে তারা দোষী সাব্যস্ত হন। রায় ঘোষণার সময় বিচারক স্পষ্ট করে বলেন, এই হামলাটি যে একটি বিদেশি শক্তির স্বার্থে চালানো হয়েছিল, সে বিষয়ে আদালত পুরোপুরি নিশ্চিত।

রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী ডানকান অ্যাটকিনসন জুরিদের জানান, ইরান রাষ্ট্রের পক্ষে কাজ করা একটি তৃতীয় পক্ষ এই হামলার নির্দেশ দিয়েছিল। মূলত ‘ইরান ইন্টারন্যাশনাল’ মাধ্যমটি তেহরান সরকারের তীব্র সমালোচনা করার কারণে ইরান সরকার এটিকে একটি ‘সন্ত্রাসী সংগঠন’ হিসেবে ঘোষণা করেছে। তবে এই হামলায় কোনো ধরনের সম্পৃক্ততার কথা অস্বীকার করেছে ইরান। এই ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে ডেভিড আন্দ্রেই নামে তৃতীয় এক ব্যক্তি রোমানিয়াতে গ্রেপ্তার হলেও এই বিচার প্রক্রিয়ায় তাকে অন্তর্ভুক্ত করা হয়নি।

আদালতের এই রায়ে স্বস্তি প্রকাশ করেছে ইরান ইন্টারন্যাশনাল কর্তৃপক্ষ। এক বিবৃতিতে তাদের মুখপাত্র বলেন, মামলাটির নিষ্পত্তি হওয়ায় আমরা আনন্দিত। এই প্রচেষ্টার জন্য পুলিশ ও ব্রিটিশ সরকারকে ধন্যবাদ। পুরিয়ার ওপর হামলাটি ছিল অত্যন্ত ভয়াবহ, যা তার পরিবার এবং সহকর্মীদের জন্য ছিল অত্যন্ত মর্মান্তিক।

৬৩০ কোটি ডলারের প্রতিরক্ষা সরঞ্জাম কিনছে ভারত

অনলাইন ডেস্ক
৬৩০ কোটি ডলারের প্রতিরক্ষা সরঞ্জাম কিনছে ভারত
ছবি: রয়টার্স

ভারত তাদের সশস্ত্র বাহিনীর জন্য প্রায় ৬৩০ কোটি ডলার (প্রায় ৭৮ হাজার কোটি টাকা/) মূল্যের নতুন সামরিক সরঞ্জাম কেনার নীতিগত অনুমোদন দিয়েছে। শুক্রবার দেশটির সরকার এ তথ্য জানিয়েছে। কেনা হবে ক্ষেপণাস্ত্র, ইলেকট্রনিক যুদ্ধ ব্যবস্থা, কামিকাজে ড্রোনসহ আধুনিক বিভিন্ন সামরিক সরঞ্জাম।

সরকারের এক বিবৃতিতে বলা হয়েছে, প্রতিরক্ষামন্ত্রীর নেতৃত্বে গঠিত ডিফেন্স অ্যাকুইজিশন কাউন্সিল (ডিএসি) এই অনুমোদন দিয়েছে। এই কাউন্সিলে দেশটির শীর্ষ সামরিক কর্মকর্তারাও সদস্য হিসেবে রয়েছেন। সরকারের হিসাবে, পুরো প্রকল্পের সম্ভাব্য ব্যয় হবে প্রায় ৬৩০ কোটি মার্কিন ডলার। তবে সরকার এখনো জানায়নি, এই সরঞ্জামগুলো কবে কেনা হবে। এগুলো বিদেশ থেকে আমদানি করা হবে, নাকি ভারতের ভেতরেই তৈরি করা হবে, সে বিষয়েও কোনো তথ্য দেওয়া হয়নি। সরকার জানিয়েছে, এই পরিকল্পনার আওতায় ভারতীয় সেনাবাহিনীর জন্য ড্রোন প্রতিরোধ ব্যবস্থা, ইলেকট্রনিক যুদ্ধ ব্যবস্থা, মাঝারি পাল্লার ভূমি থেকে আকাশে নিক্ষেপযোগ্য ক্ষেপণাস্ত্র, বহনযোগ্য ট্যাংক, বিধ্বংসী ক্ষেপণাস্ত্র এবং জেটচালিত কামিকাজে ড্রোন ব্যবস্থা কেনা হবে। এর পাশাপাশি ডিএসি নতুন ধরনের নৌ-মাইন এবং জাহাজ থেকে পরিচালিত ড্রোন কেনার অনুমোদন দিয়েছে। সমুদ্র প্রতিরক্ষা আরো শক্তিশালী করা এবং নজরদারির সক্ষমতা বাড়ানোর জন্য একটি বিশেষ পরীক্ষাকেন্দ্রও গড়ে তোলা হবে। একই সঙ্গে ভারতীয় বিমানবাহিনীর জন্য উচ্চ উচ্চতায় দীর্ঘ সময় উড়তে সক্ষম একটি চালকবিহীন উড়োজাহাজ (ইউএভি) প্ল্যাটফর্ম কেনার পরিকল্পনাও রয়েছে। এটি মূলত গোয়েন্দা তথ্য সংগ্রহ এবং দূর থেকে নজরদারির কাজে ব্যবহার করা হবে।

গত এক দশকে ভারত তাদের সামরিক সরঞ্জামের জন্য রাশিয়ার ওপর নির্ভরতা কমানোর চেষ্টা করছে। দীর্ঘদিন ধরে রাশিয়া ছিল ভারতের সবচেয়ে বড় প্রতিরক্ষা সরঞ্জাম সরবরাহকারী। কিন্তু এখন নয়াদিল্লি যুক্তরাষ্ট্র ও ফ্রান্সসহ অন্য দেশ থেকেও অস্ত্র ও সামরিক প্রযুক্তি কিনছে। একই সঙ্গে দেশীয় প্রতিরক্ষা শিল্পকে শক্তিশালী করতে নিজস্ব উৎপাদনও বাড়ানো হচ্ছে। বর্তমানে ভারতের প্রতিরক্ষা বাজেট প্রায় ৮ হাজার ৫০০ কোটি ডলার। সাম্প্রতিক বছরগুলোতে দেশটি ধারাবাহিকভাবে প্রতিরক্ষা খাতে বড় বিনিয়োগ করছে। বিশ্লেষকদের মতে, গত বছর পারমাণবিক অস্ত্রধারী প্রতিবেশী পাকিস্তানের সঙ্গে চার দিনের সংঘাত ভারতের সামনে প্রতিরক্ষা সক্ষমতা আরো শক্তিশালী করার প্রয়োজনীয়তা স্পষ্ট করে তোলে। সেই অভিজ্ঞতার পর সামরিক বাহিনীকে আরো আধুনিক ও প্রযুক্তিনির্ভর করে গড়ে তোলার উদ্যোগ জোরদার করেছে নয়াদিল্লি।

শুধু স্থল ও বিমানবাহিনী নয়, ভারত তাদের নৌবাহিনীকেও দ্রুত আধুনিক করার চেষ্টা করছে। এর অন্যতম কারণ ভারত মহাসাগরের গুরুত্বপূর্ণ নৌপথে চীনের বাড়তে থাকা উপস্থিতি ও প্রভাব। এই পরিস্থিতিতে সমুদ্রে নিজেদের সক্ষমতা আরো বাড়াতে নতুন যুদ্ধজাহাজ, সাবমেরিন ও অন্যান্য সামরিক সরঞ্জাম সংগ্রহে গুরুত্ব দিচ্ছে ভারত। এরই অংশ হিসেবে গত ডিসেম্বরে দেশটি অন্তত ৭৫টি যুদ্ধজাহাজ ও সাবমেরিন নির্মাণ ও সংগ্রহের কার্যক্রম শুরু করে। এর বেশির ভাগই ভারতের নিজস্ব কারখানায় তৈরি হবে। এর আগে চলতি বছরের শুরুতেও ভারত প্রায় ৩ হাজার ৯০০ কোটি ডলার মূল্যের প্রতিরক্ষা সরঞ্জাম কেনার অনুমোদন দেয়। সেই তালিকায় ফ্রান্স থেকে রাফাল যুদ্ধবিমান কেনার সিদ্ধান্তও ছিল।

ইরানি বিমান ইস্যুতে সৌদি স্থাপনায় হামলার হুমকি হুথিদের

অনলাইন ডেস্ক
ইরানি বিমান ইস্যুতে সৌদি স্থাপনায় হামলার হুমকি হুথিদের
ছবি: রয়টার্স

ইয়েমেনের সশস্ত্র গোষ্ঠী হুথিরা দাবি করেছে, সৌদি আরবের যুদ্ধবিমান একটি ইরানি বেসামরিক বিমানকে সানা আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে নামতে বাধা দেওয়ার চেষ্টা করেছে। শুক্রবার দেওয়া এক বিবৃতিতে হুথিদের সামরিক মুখপাত্র ইয়াহিয়া সারিয়া এ অভিযোগ করেন।

তার দাবি, ইরানি বিমানটি ইয়েমেনের রাজধানী সানার উদ্দেশে উড়ে আসার সময় হুথি বাহিনী সৌদি যুদ্ধবিমানের মুখোমুখি হয়। এ ঘটনাকে তিনি ইয়েমেনের আকাশসীমা লঙ্ঘন হিসেবে উল্লেখ করেন। এ ঘটনার জেরে সৌদি আরবকে কঠোর হুঁশিয়ারিও দিয়েছে ইরান-সমর্থিত হুথি গোষ্ঠী। তারা বলেছে, সৌদি আরব যদি ভবিষ্যতেও ইয়েমেনের আকাশসীমা লঙ্ঘন করে, তাহলে সৌদি আরবের বিমানবন্দর, স্থলভাগ ও সমুদ্রে থাকা গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনাগুলো লক্ষ্য করে হামলা চালানো হবে। ইয়াহিয়া সারিয়া আরো বলেন, যেকোনো ধরনের ঝুঁকি থাকলেও সানা ও তেহরানের মধ্যে বিমান চলাচল চালু থাকবে। এই রুটে ফ্লাইট বন্ধ করা হবে না বলেও তিনি জানান। এর আগে শুক্রবার হুথি-নিয়ন্ত্রিত টেলিভিশন চ্যানেল আল মাসিরাহ জানায়, একটি ইরানি যাত্রীবাহী বিমান সানা আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে নিরাপদে অবতরণ করেছে। পরে একই বিমান হুথিদের একটি সরকারি প্রতিনিধিদলকে নিয়ে ইরানের রাজধানী তেহরানের উদ্দেশে রওনা হয়। প্রতিবেদনে বলা হয়, ওই প্রতিনিধিদল ইরানের প্রয়াত সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনির জানাজায় অংশ নিতে তেহরানে গেছে। এছাড়া বিমানে ২০০ জনের বেশি রোগীও ছিলেন, যারা চিকিৎসার উদ্দেশ্যে ইরানে যাচ্ছিলেন।

উল্লেখ্য, ২০১৫ সালে ইরান-সমর্থিত হুথিরা ইয়েমেনের রাজধানী সানার নিয়ন্ত্রণ নেওয়ার পর সৌদি আরবের নেতৃত্বে একটি সামরিক জোট দেশটিতে সামরিক অভিযান শুরু করে। এরপর থেকেই ইয়েমেনে দীর্ঘদিন ধরে সংঘাত চলছে। এদিকে হুথিদের অভিযোগ ও হুমকির জবাবে শনিবার ভোরে সৌদি নেতৃত্বাধীন সামরিক জোট একটি বিবৃতি দেয়। সেখানে বলা হয়, সৌদি আরবকে লক্ষ্য করে হুথিদের দেওয়া এসব বক্তব্য আসলে ইয়েমেনের সাধারণ মানুষের বিরুদ্ধে তাদের বিভিন্ন লঙ্ঘনের ঘটনা থেকে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের দৃষ্টি অন্যদিকে সরিয়ে নেওয়ার চেষ্টা। জোটটি আরো জানায়, সৌদি আরবের বিরুদ্ধে যেকোনো ধরনের হামলার চেষ্টা কিংবা ইয়েমেনের সার্বভৌমত্ব লঙ্ঘনের ঘটনায় তারা কঠোর জবাব দেবে। প্রয়োজনে এমন শক্তি ব্যবহার করা হবে, যা এর আগে কখনো দেখা যায়নি বলেও সতর্ক করেছে তারা।

ইয়েমেনের চলমান যুদ্ধে হুথিরা একাধিকবার ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন ব্যবহার করে হামলা চালিয়েছে। এর আগে তারা সৌদি আরবের তেল স্থাপনা, বিমানবন্দর এবং অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামো লক্ষ্য করে একাধিক হামলার দায় স্বীকার করেছে।

ট্রাম্প-নেতানিয়াহুর ফোনালাপ, দ্রুত সাক্ষাতের সিদ্ধান্ত

অনলাইন ডেস্ক
ট্রাম্প-নেতানিয়াহুর ফোনালাপ, দ্রুত সাক্ষাতের সিদ্ধান্ত
ছবি : রয়টার্স

যুক্তরাষ্ট্রের ২৫০তম স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে ফোন করে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু। শুক্রবারের (৩ জুলাই) এই ফোনালাপে দুই নেতা অদূর ভবিষ্যতে যুক্তরাষ্ট্রে সশরীরে সাক্ষাৎ করতে সম্মত হয়েছেন বলে নেতানিয়াহুর কার্যালয় থেকে জানানো হয়েছে।

গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধ শুরু করার পর থেকে নেতানিয়াহু ওয়াশিংটনে যাননি। সাম্প্রতিক সময়ে দুই দেশের সম্পর্কে নানা টানাপোড়েন চললেও, এই ফোনকলের মাধ্যমে বরফ গলতে শুরু করেছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। ফোনালাপে নেতানিয়াহু যুক্তরাষ্ট্রকে ‘বৈশ্বিক স্বাধীনতার রক্ষাকর্তা’ হিসেবে অভিহিত করেন এবং দুই দেশের মধ্যকার ঘনিষ্ঠ সম্পর্ককে অত্যন্ত গুরুত্ব দেন। অন্যদিকে, প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প সম্প্রতি এক পডকাস্টে নেতানিয়াহুর সাথে তার সম্পর্ক ভালো দাবি করে বলেন, ‘আমরা একসঙ্গে খুব ভালো কাজ করেছি। আমি বিবিকে (নেতানিয়াহু) খুব পছন্দ করি। আমি একজন যুদ্ধকালীন রাষ্ট্রপতি এবং তিনি একজন যুদ্ধকালীন প্রধানমন্ত্রী।’

গত ১ জুন লেবাননে হামলার জন্য নেতানিয়াহুকে ‘পুরোপুরি পাগল’ বলেছিলেন ট্রাম্প। একটি মার্কিন সূত্র অনুযায়ী, ট্রাম্প নেতানিয়াহুকে সতর্ক করে বলেছিলেন যে ট্রাম্প পাশে না থাকলে নেতানিয়াহু জেলে থাকতেন এবং তার কারণেই সবাই এখন ইসরায়েলকে ঘৃণা করছে। পরে ট্রাম্প ‘দ্য পোস্ট’ পত্রিকার কাছে স্বীকার করেন যে তিনি এই ধরণের কড়া ভাষা ব্যবহার করেছিলেন। এই উত্তেজনার পর, গত ২৬শে জুন লেবানন ও যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে একটি ত্রিপক্ষীয় চুক্তি স্বাক্ষর করে ইসরায়েল, যার লক্ষ্য ছিল অঞ্চলে শান্তি ফিরিয়ে আনা। গত ৮ই জুন আরেকটি ফোনালাপে ট্রাম্প সতর্ক করেছিলেন যে, তেহরানের সাথে পূর্ণাঙ্গ যুদ্ধ শুরু করলে ইসরায়েল মার্কিন সমর্থন হারাতে পারে এবং তাকে একা ফেলে রাখা হতে পারে। তবে সম্প্রতি যুক্তরাষ্ট্র-ইরান সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত হওয়ার পর এই অসন্তোষ অনেকটাই কমে এসেছে।

এদিকে, গত বৃহস্পতিবার নিউইয়র্ক টাইমসে প্রকাশিত একটি প্রতিবেদনকে সম্পূর্ণ ‘ভুয়া খবর’ বলে উড়িয়ে দিয়েছেন নেতানিয়াহু। ওই প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছিল, গত ৮ এপ্রিলের যুদ্ধবিরতি আলোচনার সময় ইরানের শীর্ষ আলোচকদের ওপর হামলার পরিকল্পনা করছিল ইসরায়েল। শুক্রবার সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম এক্স-এ এক বিবৃতিতে নেতানিয়াহু একে ‘বাস্তবতার সম্পূর্ণ মনগড়া বিবরণ’ বলে উল্লেখ করেন।

আঞ্চলিক সূত্রগুলোর মতে, গত ১১ এপ্রিল ইসলামাবাদে প্রথম দফার আলোচনার সময় ইরানি প্রতিনিধিদল নিরাপত্তার অভাব বোধ করছিল, তবে ওয়াশিংটনের আশ্বাসে তারা আশ্বস্ত হয়। শুক্রবারের এই সর্বশেষ ফোনালাপ নিয়ে হোয়াইট হাউসের পক্ষ থেকে তাৎক্ষণিকভাবে কোনো আনুষ্ঠানিক মন্তব্য বা বিস্তারিত বিবরণ প্রকাশ করা হয়নি। তবে একজন ইসরায়েলি কর্মকর্তা জানিয়েছেন, পূর্বের মতবিরোধ সত্ত্বেও যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল সম্পর্ক এখনও অত্যন্ত শক্তিশালী রয়েছে।