• ই-পেপার

বিশ্বজুড়ে ৩০টিরও বেশি নির্বাচনে প্রভাব খাটিয়েছে ইসরায়েলি প্রতিষ্ঠান

জ্বালানির দাম বাড়ায় পাকিস্তানে বাড়ল গণপরিবহনের ভাড়া

অনলাইন ডেস্ক
জ্বালানির দাম বাড়ায় পাকিস্তানে বাড়ল গণপরিবহনের ভাড়া
ছবি: রয়টার্স

পেট্রোল ও ডিজেলের দাম বাড়ার পর পাকিস্তানজুড়ে গণপরিবহনের ভাড়া বাড়ানো হয়েছে। জ্বালানির খরচ বেড়ে যাওয়ায় পরিবহন মালিকেরা নতুন ভাড়া নির্ধারণ করেছেন বলে জানিয়েছে দেশটির সংবাদমাধ্যম দ্য এক্সপ্রেস ট্রিবিউন।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, এখন এক স্টপেজ থেকে আরেক স্টপেজ পর্যন্ত গণপরিবহনের সর্বনিম্ন ভাড়া নির্ধারণ করা হয়েছে ৫০ পাকিস্তানি রুপি। শুধু যাত্রী পরিবহনের ভাড়াই নয়, পণ্য পরিবহনের খরচও বেড়েছে। করাচি থেকে পেশোয়ার পর্যন্ত পণ্যবাহী ট্রেইলারের ভাড়া বেড়ে ৭ লাখ পাকিস্তানি রুপি হয়েছে। এতে ব্যবসায়ীদের মধ্যে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। তাদের আশঙ্কা, পরিবহন খরচ বাড়লে পণ্যের দামও বাড়তে পারে এবং এতে দেশের মূল্যস্ফীতি আরো বেড়ে যেতে পারে। রাওয়ালপিন্ডিতে স্থানীয় পরিবহনের ভাড়া যাত্রীপ্রতি ২০ পাকিস্তানি রুপি বাড়ানো হয়েছে। শহরের আশপাশের এলাকায় চলাচলকারী যানবাহনের ভাড়া বেড়েছে ৩০ পাকিস্তানি রুপি। একই সঙ্গে যাত্রীদের সঙ্গে থাকা লাগেজের জন্যও অতিরিক্ত টাকা নেওয়া শুরু করেছেন পরিবহন মালিকেরা।

দ্য এক্সপ্রেস ট্রিবিউনের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এখন থেকে আট বছর বা তার বেশি বয়সী শিশুদেরও আলাদা ভাড়া দিতে হবে। এছাড়া দীর্ঘপথের বাসে যাত্রীপ্রতি টিকিটের দাম ১০০ থেকে ২৫০ পাকিস্তানি রুপি পর্যন্ত বাড়ানো হয়েছে। রাওয়ালপিন্ডি থেকে মুর্রি রুটে শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত কোচের ভাড়াও বাড়ানো হয়েছে। নতুন ভাড়া অনুযায়ী, যাত্রীদের এখন ৭০০ পাকিস্তানি রুপি দিতে হবে। এদিকে স্থানীয় পর্যায়ে চলাচলকারী কিংকি রিকশা, বাইক ট্যাক্সি এবং মোটরসাইকেলের ভাড়াও বেড়েছে। পাশাপাশি পণ্য পরিবহনে ব্যবহৃত লোডার রিকশার ভাড়া ৫০০ পাকিস্তানি রুপি পর্যন্ত বাড়ানো হয়েছে। পেট্রোলিয়ামের দামের সর্বশেষ বৃদ্ধির পর এসব নতুন ভাড়া কার্যকর করা হয়েছে। এর ফলে পাকিস্তানে চলমান মূল্যস্ফীতির মধ্যে সাধারণ যাত্রী, ব্যবসায়ী এবং বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের খরচ আরো বেড়ে গেছে।

এর আগে আন্তর্জাতিক বাজারে অপরিশোধিত তেলের দাম বাড়ার কারণে পাকিস্তানে পেট্রোল ও ডিজেলের দাম বাড়ার সম্ভাবনার খবর প্রকাশিত হয়েছিল। এআরওয়াই নিউজের এক প্রতিবেদনে সূত্রের বরাত দিয়ে বলা হয়, পেট্রোলের দাম প্রতি লিটারে ১৩ পাকিস্তানি রুপি এবং ডিজেলের দাম ১৪ পাকিস্তানি রুপি পর্যন্ত বাড়তে পারে।

জাপানে গৃহসঙ্গীর ঠোঁট সেলাইয়ের অভিযোগে নারী গ্রেপ্তার

অনলাইন ডেস্ক
জাপানে গৃহসঙ্গীর ঠোঁট সেলাইয়ের অভিযোগে নারী গ্রেপ্তার
সংগৃহীত ছবি

জাপানে এক নারীকে নির্মমভাবে নির্যাতনের অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগ, তার দুই ঠোঁট সুচ-সুতা দিয়ে সেলাই করে দেওয়া হয়েছিল। কথা বলতে না পারায় তিনি একটি চিরকুটে লিখেছিলেন, ‘সাহায্য করুন।’ সেই চিরকুটের মাধ্যমেই ঘটনাটি প্রকাশ্যে আসে।

পুলিশ জানিয়েছে, ঘটনাটি জাপানের ইবারাকি প্রিফেকচারে ঘটেছে। ভুক্তভোগী নারী মুখে আঘাতের চিহ্ন ঢাকতে একটি সাদা মাস্ক পরে কাছের একটি দোকানে যান। সেখানে তিনি একটি কাগজে লেখা বার্তা দোকানের এক কর্মীর হাতে তুলে দেন। বার্তাটি পড়ে ওই কর্মী দ্রুত পুলিশকে খবর দেন। ঘটনার পর ৪৯ বছর বয়সী মাসায়ে সাকুরাইকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। তার বিরুদ্ধে অভিযোগ, তিনি তার ৪২ বছর বয়সী একই বাড়ির বাসিন্দা নারীর দুই ঠোঁট সুচ ও সুতা দিয়ে সেলাই করে দিয়েছিলেন। পুলিশের ধারণা, গত ২৯ জুন দুই নারী যে বাড়িতে একসঙ্গে থাকতেন সেখানেই এই নির্যাতনের ঘটনা ঘটে।

তদন্তে জানা গেছে, ঘটনার পরদিন বিকেলে মাসায়ে সাকুরাই বাড়িতে না থাকায় ভুক্তভোগী সেখান থেকে পালিয়ে যেতে সক্ষম হন। এরপর তিনি কাছের একটি দোকানে গিয়ে সাহায্য চান। কথা বলতে না পারায় তিনি শুধু একটি চিরকুটে নিজের অসহায় অবস্থার কথা লিখে জানান। পুলিশ এখন তদন্ত করে দেখছে, ওই বাড়ির ভেতরে ঠিক কী ঘটেছিল। ঘটনার সময় সেখানে আর কারা উপস্থিত ছিলেন, সেটিও খতিয়ে দেখা হচ্ছে। পাশাপাশি এই হামলার আগে দীর্ঘদিন ধরে ভুক্তভোগীকে ভয়ভীতি দেখানো বা নির্যাতন করা হয়েছিল কি না, তাও তদন্ত করা হচ্ছে। খবরে বলা হয়েছে, ২০২৫ সালের এপ্রিল থেকে ওই নারী মাসায়ে সাকুরাইয়ের সঙ্গে ওই বাড়িতে বসবাস করছিলেন। পরে তিনি পুলিশকে জানান, দীর্ঘদিন ধরে ভয়ের কারণে তিনি বাড়ি ছেড়ে বের হতে পারেননি।

এদিকে ঘটনাটি প্রকাশের পর বাড়িটি নিয়ে নতুন নতুন তথ্য সামনে আসছে। এতে স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যেও উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। স্থানীয় সংবাদ মাধ্যমকে কয়েকজন বাসিন্দা জানান, মাসায়ে সাকুরাই এমন মানুষদের ওই বাড়িতে থাকতে দিতেন, যাদের থাকার অন্য কোনো জায়গা ছিল না বা যারা বাড়ি থেকে পালিয়ে এসেছিলেন। তাদের মধ্যে কয়েকজন বলেন, তিনি সেখানে থাকা মানুষদের কাজ খুঁজে পেতেও সাহায্য করতেন। পুলিশ এখন ওই বাড়িতে বসবাস করতেন বলে ধারণা করা অন্য ব্যক্তিদেরও জিজ্ঞাসাবাদ করছে। তবে মাসায়ে সাকুরাই অভিযোগ স্বীকার করেছেন কি না, সে বিষয়ে পুলিশ এখনো কিছু জানায়নি। এ ঘটনায় অন্য কেউ জড়িত ছিলেন কি না, তাও নিশ্চিত করা হয়নি। পুলিশ বলছে, মামলার তদন্ত এখনো চলছে এবং ঘটনার অনেক বিষয় খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

ইসরায়েলে সাধারণ নির্বাচন অক্টোবরে, বড় পরীক্ষার মুখে নেতানিয়াহু

অনলাইন ডেস্ক
ইসরায়েলে সাধারণ নির্বাচন অক্টোবরে, বড় পরীক্ষার মুখে নেতানিয়াহু
ছবি : রয়টার্স

ইসরায়েলে আগামী ২৭ অক্টোবর জাতীয় নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। দেশটির সংসদ (নেসেট) রবিবার এই নির্বাচনের তারিখ ঘোষণা করেছে। এই নির্বাচনকে গাজায় যুদ্ধ শুরুর পর প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর নেতৃত্বের ওপর জনগণের রায় হিসেবে দেখা হচ্ছে।

আগামী শুক্রবার বর্তমান সংসদের শেষ অধিবেশন অনুষ্ঠিত হবে। এর মাধ্যমে নেতানিয়াহুর কট্টর-ডানপন্থী জোট সরকার টানা চার বছরের পূর্ণ মেয়াদ শেষ করবে। গত প্রায় ৫০ বছরে এটিই ইসরায়েলের প্রথম সরকার, যা পূর্ণ মেয়াদ সম্পন্ন করতে যাচ্ছে।

দেশটির সংসদ এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, ‘বর্তমান নেসেট (ইসরায়েলের সংসদ) তার পূর্ণ মেয়াদ শেষ করবে বলেই আশা করা হচ্ছে। আইন অনুযায়ী আগামী সাধারণ নির্বাচন ২৭ অক্টোবর অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে। সংসদের মেয়াদ কমানোর কোনো পরিকল্পনা না থাকায় নেসেট বিলুপ্ত করার জন্য আলাদা কোনো আইন পাস করার প্রয়োজন নেই।’

ইসরায়েলের দীর্ঘতম সময় ক্ষমতায় থাকা প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু জুন মাসে ঘোষণা দেন, তিনি আগামী নির্বাচনে আবারও প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন। তবে ২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর হামাসের নেতৃত্বে চালানো হামলার পর থেকে এই নেতা তীব্র সমালোচনার মুখে রয়েছেন। 

ইসরায়েলের ইতিহাসে সবচেয়ে প্রাণঘাতী ওই হামলার জন্য সমালোচকরা একাধিক নিরাপত্তা ব্যর্থতার দায় নেতানিয়াহুর সরকারের ওপর চাপিয়েছেন। তাদের অভিযোগ, এসব ব্যর্থতার সুযোগে গাজার সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলো ইসরায়েলের অত্যাধুনিক সীমান্ত প্রতিরক্ষাব্যবস্থা ভেদ করে ২৫১ জনকে জিম্মি করতে সক্ষম হয়েছিল।

রাজনৈতিক প্রতিদ্বন্দ্বিতা

ইসরায়েলের সাবেক সেনাপ্রধান গাদি আইজেনকোট প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর অন্যতম প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী হিসেবে উঠে এসেছেন। ইসরায়েলি সংবাদমাধ্যম চ্যানেল ১৩-এর প্রকাশিত এক জরিপে দেখা গেছে, আইজেনকোটের ইয়াশার পার্টি সামান্য ব্যবধানে নেতানিয়াহুর লিকুদ পার্টির চেয়ে এগিয়ে রয়েছে।

আইজেনকোট এর আগে নেতানিয়াহুর যুদ্ধকালীন মন্ত্রিসভার সদস্য ছিলেন। তবে গাজা যুদ্ধে সরকারের লক্ষ্য অর্জনে সম্পূর্ণ ব্যর্থতার অভিযোগ তুলে তিনি ২০২৪ সালের জুনে পদত্যাগ করেন। ২০২৩ সালের ডিসেম্বরে গাজায় ইসরায়েলের সামরিক অভিযানের সময় তার ছেলে নিহত হন।

শুক্রবার সংসদ অধিবেশন স্থগিত হওয়ার আগে সরকার বেশ কয়েকটি আইন পাস করতে চাইছে। নেতানিয়াহু আশা করছেন, এই আইনগুলো তার নির্বাচনী সম্ভাবনাকে শক্তিশালী করবে। প্রস্তাবিত বিলগুলোর মধ্যে রয়েছে বিচার বিভাগ সংস্কারসংক্রান্ত আইন এবং বাধ্যতামূলক সামরিক সেবায় অংশ না নেওয়া অতি গোঁড়া ইহুদিদের বিরুদ্ধে জারি করা আটকাদেশ স্থগিত করার একটি বিল।

নেতানিয়াহুর বিরোধীরা মনে করেন, গাজা যুদ্ধ পরিচালনায় তার ভূমিকা প্রমাণ করে যে, তিনি আর প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালনের উপযুক্ত নন। তাদের মতে, ইসরায়েলের সামরিক অভিযান শুরু হওয়ার প্রায় তিন বছর পরও ঘোষিত লক্ষ্য অনুযায়ী হামাসকে পুরোপুরি পরাজিত করা যায়নি। একই সময়ে, বিশ্বের বেশ কয়েকটি শীর্ষ মানবাধিকার সংস্থা গাজায় ইসরায়েলের কর্মকাণ্ডকে গণহত্যার অভিযোগের সঙ্গে যুক্ত করেছে।

নেতানিয়াহু বর্তমানে দুর্নীতির অভিযোগে বিচারাধীন। এসব মামলায় দোষী সাব্যস্ত হলে তার সর্বোচ্চ ১০ বছরের কারাদণ্ড হতে পারে। সমালোচকদের অভিযোগ, তিনি প্রধানমন্ত্রীর পদে থেকে নিজের বিচার প্রক্রিয়াকে প্রভাবিত করার চেষ্টা করছেন।
 

জর্দানসহ উপসাগরীয় দেশগুলোতে ইরানের হামলার নিন্দায় আরব পার্লামেন্ট

অনলাইন ডেস্ক
জর্দানসহ উপসাগরীয় দেশগুলোতে ইরানের হামলার নিন্দায় আরব পার্লামেন্ট
সংগৃহীত ছবি

কাতার, ওমান, কুয়েত, সংযুক্ত আরব আমিরাত, বাহরাইন ও জর্দানের ওপর ইরানের চালানো ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলার তীব্র নিন্দা জানিয়েছে আরব পার্লামেন্ট। সংস্থাটি বলেছে, এসব হামলা শুধু সংশ্লিষ্ট দেশগুলোর নিরাপত্তার জন্য নয়, পুরো মধ্যপ্রাচ্যের স্থিতিশীলতার জন্যও বড় হুমকি।

রবিবার প্রকাশিত এক বিবৃতিতে আরব পার্লামেন্টের স্পিকার মোহাম্মদ বিন আহমেদ আল ইয়ামাহি বলেন, ইরানের এই হামলা আরব দেশগুলোর সার্বভৌমত্ব ও ভৌগোলিক অখণ্ডতার স্পষ্ট লঙ্ঘন। একই সঙ্গে এটি আন্তর্জাতিক আইন এবং জাতিসংঘ সনদেরও লঙ্ঘন। তিনি বলেন, সাম্প্রতিক এই হামলার ফলে মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনা আরো বেড়ে যেতে পারে। এতে এ অঞ্চলে শান্তি, নিরাপত্তা ও স্থিতিশীলতা প্রতিষ্ঠার চলমান প্রচেষ্টাও বাধাগ্রস্ত হতে পারে। আরব পার্লামেন্ট হামলার শিকার দেশগুলোর প্রতি পূর্ণ সমর্থন জানিয়েছে। একই সঙ্গে নিজেদের ভূখণ্ড, নাগরিক এবং বাসিন্দাদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে তারা যে পদক্ষেপ নিচ্ছে, তার প্রতিও সমর্থন প্রকাশ করেছে।

আল ইয়ামাহি বলেন, কোনো আরব দেশের সার্বভৌমত্ব বা ভৌগোলিক অখণ্ডতার ওপর হামলা পুরো আরব বিশ্বের নিরাপত্তার জন্য হুমকি। তাই এ ধরনের ঘটনার বিরুদ্ধে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়কে কঠোর ও কার্যকর অবস্থান নিতে হবে। আরব পার্লামেন্ট জাতিসংঘ এবং জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদের প্রতিও দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছে। তাদের মতে, আরো হামলা ঠেকানো, দায়ীদের জবাবদিহির আওতায় আনা এবং আন্তর্জাতিক আইন কার্যকর রাখতে দ্রুত উদ্যোগ নেওয়া জরুরি। বিবৃতিতে মোহাম্মদ বিন আহমেদ আল ইয়ামাহি আরো বলেন, মধ্যপ্রাচ্যে ক্রমবর্ধমান উত্তেজনার মধ্যে নতুন কোনো সংঘাত এড়াতে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়কে আরো সক্রিয় হতে হবে। একই সঙ্গে আঞ্চলিক ও বৈশ্বিক শান্তি এবং স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে সমন্বিত উদ্যোগ জোরদার করারও আহ্বান জানান তিনি।
 

বিশ্বজুড়ে ৩০টিরও বেশি নির্বাচনে প্রভাব খাটিয়েছে ইসরায়েলি প্রতিষ্ঠান | কালের কণ্ঠ