• ই-পেপার

মার্কিনদের স্বাস্থ্য তথ্য হাতিয়ে নিতে চীনের প্রচেষ্টার ব্যাপারে সতর্কতা

পাকিস্তানে ভারি বৃষ্টিতে বাড়ির ছাদ ধসে নিহত ১১

অনলাইন ডেস্ক
পাকিস্তানে ভারি বৃষ্টিতে বাড়ির ছাদ ধসে নিহত ১১
ছবি : রয়টার্স

পাকিস্তানের উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলে ভারি বৃষ্টির কারণে কাঁচা বাড়ির ছাদ ধসে ১১ জন নিহত হয়েছেন। মঙ্গলবার পুলিশ ও উদ্ধারকারী কর্মকর্তারা এ তথ্য জানান। প্রাদেশিক জরুরি পরিষেবার কর্মকর্তা বিলাল ফাইজি বলেন, খাইবার পাখতুনখোয়া প্রদেশের কোহাত জেলায় সোমবার রাতে এ দুর্ঘটনা ঘটে।

তিনি জানান, উদ্ধারকর্মীরা ধ্বংসস্তূপ থেকে ১১টি মরদেহ উদ্ধার করেছেন। নিহতদের মধ্যে অধিকাংশই নারী ও শিশু। পরে মরদেহগুলো দাফনের জন্য স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হয়। এদিকে, সোমবার গিলগিট-বালতিস্তান অঞ্চলেও ভারি বৃষ্টিপাত হয়েছে। আঞ্চলিক জরুরি পরিষেবা জানিয়েছে, এতে ভূমিধসের কারণে বেশ কয়েকটি সড়ক বন্ধ হয়ে গেছে এবং অনেক বাড়িঘর ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

ভূমিধস ও আকস্মিক বন্যার ঝুঁকি বেড়ে যাওয়ায় সরকার পর্যটকদের উত্তর পাকিস্তানে ভ্রমণ না করার পরামর্শ দিয়েছে। পাকিস্তানে বর্ষা মৌসুমে প্রায়ই ভারী বৃষ্টির কারণে বন্যা ও ভূমিধস দেখা দেয়, যা প্রাণহানি ও ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতির কারণ হয়।

২০২২ সালে দেশটিতে রেকর্ড পরিমাণ মৌসুমী বৃষ্টি ও ভয়াবহ বন্যায় প্রায় এক-তৃতীয়াংশ এলাকা পানিতে তলিয়ে যায়। ওই দুর্যোগে ১,৭৩৯ জন নিহত হন এবং প্রায় ৩০ বিলিয়ন ডলারের ক্ষতি হয়।
 

ভারত একটি নিরাপদ-শান্তিপূর্ণ ও ন্যায়সঙ্গত বিশ্বের জন্য কাজ করবে : জয়শঙ্কর

অনলাইন ডেস্ক
ভারত একটি নিরাপদ-শান্তিপূর্ণ ও ন্যায়সঙ্গত বিশ্বের জন্য কাজ করবে : জয়শঙ্কর

ভারতের বিদেশমন্ত্রী ড. সুব্রমণিয়ম জয়শঙ্কর বলেছেন, ‘ভারত একটি নিরাপদ, শান্তিপূর্ণ ও ন্যায়সঙ্গত বিশ্বের জন্য কাজ করবে। যেখানে বিশ্বের দক্ষিণাঞ্চলের কণ্ঠস্বর সমানভাবে শোনা যাবে।’

সোমবার (১৩ জুলাই, ২০২৬) জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদ নির্বাচনে ভারতের আনুষ্ঠানিক প্রচার অভিযান শুরু করার সময় তিনি এ মন্তব্য করেন।

তিনি বলেন, ‘সংঘাতদীর্ণ ও অস্থিতিশীল বর্তমান বিশ্ব ব্যবস্থায় জাতিসংঘের ভূমিকা আগের তুলনায় অনেক বেশি গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে। এ পরিস্থিতিতে ভারত, আস্থা, অখণ্ডতা ও নিয়ম-বিধির ওপর নির্ভর করে বিশ্ব শান্তি, নিরাপত্তা ও ভারসাম্য যুক্ত উন্নয়নের লক্ষ্যে যে মতাদর্শ নিয়ে এগিয়ে চলেছে।’

মন্ত্রী বলেন, ‘জাতিসংঘ শান্তি মিশন চালু হওয়ার পর থেকে ভারত ৫০টি মিশনে প্রায় তিন লাখ কর্মীকে পাঠিয়েছে। বর্তমানে ১০টি শান্তিরক্ষা বাহিনীতে চার হাজার ৩০০ জনের বেশি কর্মী নিযুক্ত রয়েছেন।’

ভারত নির্বাচিত হলে ২০২৮ থেকে তাদের কার্যকালের মেয়াদ হবে ২’বছরের। এর আগে ভারত, নিরাপত্তা পরিষদের অস্থায়ী সদস্য হিসেবে আট বার দায়িত্ব পালন করে। এর মধ্যে সাম্প্রতিকতম হল, ২০২১-২২ সালে।   

এদিকে বিদেশমন্ত্রী ড. এস জয়শঙ্কর নিউ ইয়র্কে জাতিসঙ্ঘের মহাসচিব অ্যান্তোনিও গুতারেসের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন। সামাজিক মাধ্যমের এক বার্তায় ড. জয়শঙ্কর বলেন, তাদের মধ্যে পশ্চিম এশিয়া, ইউক্রেন এবং সুদান সহ আন্তর্জাতিক নানা ঘটনাবলি নিয়ে আলোচনা হয়েছে।

সরকারে বড় রদবদল, নতুন প্রধানমন্ত্রী খুঁজছে ইউক্রেন

অনলাইন ডেস্ক
সরকারে বড় রদবদল, নতুন প্রধানমন্ত্রী খুঁজছে ইউক্রেন
ছবি : রয়টার্স

ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি প্রধানমন্ত্রী ইউলিয়া সভিরিদেঙ্কোকে বরখাস্ত করার পর দেশটির পার্লামেন্টে নতুন সরকার গঠনের প্রস্তুতি চলছে। এ সপ্তাহেই এ বিষয়ে ভোট হওয়ার কথা রয়েছে। জেলেনস্কি বলেছেন, সরকারের কাজে নতুন চিন্তা ও নতুন গতি আনতেই এই পরিবর্তন করা হচ্ছে।

রবিবার এক ঘোষণায় তিনি জানান, মাত্র এক বছর দায়িত্ব পালনের পর সভিরিদেঙ্কোকে প্রধানমন্ত্রীর পদ থেকে সরিয়ে দেওয়া হবে। তার এই আকস্মিক সিদ্ধান্তের পর নতুন প্রধানমন্ত্রী কে হবেন, তা নিয়ে জল্পনা শুরু হয়েছে।

তবে সমালোচকদের মতে, রাশিয়ার সঙ্গে যুদ্ধের গুরুত্বপূর্ণ সময়ে সরকারের শীর্ষ পর্যায়ে এমন পরিবর্তন রাজনৈতিক অস্থিরতা তৈরি করতে পারে। এমন সময়ে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে, যখন ইউক্রেন রাশিয়ার আরো তীব্র হামলার মুখোমুখি হচ্ছে।

সংসদ সদস্যরা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে জানিয়েছেন, প্রধানমন্ত্রী ইউলিয়া সভিরিদেঙ্কোর সম্ভাব্য উত্তরসূরিদের মধ্যে রয়েছেন রাষ্ট্রায়ত্ত তেল ও গ্যাস কম্পানি নাফতোগাজের প্রধান সেরহি কোরেৎসকি, জ্বালানিমন্ত্রী দেনিস শ্মিহাল এবং বর্তমান প্রতিরক্ষামন্ত্রী মিখাইলো ফেদোরভ। দেনিস শ্মিহাল এর আগে ছয় মাস প্রতিরক্ষামন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করেছিলেন। নতুন প্রধানমন্ত্রী হিসেবে এই তিনজনের নাম সবচেয়ে বেশি আলোচনায় রয়েছে।

প্রধানমন্ত্রী ইউলিয়া সভিরিদেঙ্কোকে সরানোর ঘোষণা দেওয়ার পর প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি সম্ভাব্য উত্তরসূরিদের সঙ্গে বৈঠকের ছবি প্রকাশ করেছেন। ইউক্রেনের রাজনৈতিক ব্যবস্থায় প্রেসিডেন্ট প্রধানমন্ত্রী পদে একজনকে মনোনয়ন দেন। এরপর প্রধানমন্ত্রী মন্ত্রিসভার অধিকাংশ সদস্য নির্বাচন করেন। তবে প্রধানমন্ত্রী ও মন্ত্রিসভার সদস্যদের সংসদের অনুমোদন পেতে হয়।

জেলেনস্কি বলেছেন, তিনি সরকার ও আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী সংস্থার শীর্ষ পর্যায়ে পরিবর্তন আনতে চান। তার মতে, এর মাধ্যমে ইউক্রেন মিত্র দেশগুলোর কাছ থেকে আরো বেশি আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা পাওয়ার প্রচেষ্টা জোরদার করতে পারবে, ইউরোপীয় ইউনিয়নের সদস্যপদ অর্জনের লক্ষ্য এগিয়ে নিতে পারবে এবং আগামী শীতে রাশিয়ার সম্ভাব্য বিদ্যুৎ অবকাঠামো হামলার জন্য আরো ভালোভাবে প্রস্তুতি নিতে পারবে।

ইউক্রেনের রাষ্ট্রায়ত্ত তেল ও গ্যাস কম্পানি নাফতোগাজের প্রধান সেরহি কোরেৎস্কিকে অনেকেই নতুন প্রধানমন্ত্রী হওয়ার সম্ভাব্য শীর্ষ প্রার্থী হিসেবে দেখছেন। তিনি নিয়োগ পেলে সরকারের নেতৃত্বে একজন অভিজ্ঞ প্রযুক্তিনির্ভর প্রশাসক আসবেন।

বিশ্লেষকদের মতে, এতে রাশিয়ার হামলায় ক্ষতিগ্রস্ত জ্বালানি অবকাঠামো পুনর্গঠন ও জ্বালানি নিরাপত্তা জোরদারের ওপর আরো বেশি গুরুত্ব দেওয়া হতে পারে। রুশ হামলায় ইউক্রেনের অনেক শহর ও জনপদ প্রায়ই বিদ্যুৎ ও তাপ সরবরাহ থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ে।

কিয়েভভিত্তিক রাজনৈতিক বিশ্লেষক ভলোদিমির ফেসেঙ্কো বলেছেন, সরকার পুনর্গঠনের অংশ হিসেবে সংকট মোকাবেলায় দক্ষ আরো কয়েকজন কর্মকর্তাও মন্ত্রিসভায় স্থান পেতে পারেন। তাদের মধ্যে খারকিভের মেয়র ইহোর তেরেখভের নামও আলোচনায় রয়েছে। খারকিভ শহরটি নিয়মিত রুশ হামলার শিকার হয়।

বর্তমান প্রতিরক্ষামন্ত্রী মিখাইলো ফেদোরভকেও প্রধানমন্ত্রীর জন্য শক্তিশালী প্রার্থী হিসেবে দেখা হচ্ছে। তিনি ইউক্রেনের যুদ্ধকালীন বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ কর্মসূচির নেতৃত্ব দিচ্ছেন। তবে বিশ্লেষক ফেসেঙ্কোর মতে, ফেদোরভকে প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় থেকে সরিয়ে দিলে সেনাবাহিনীর চলমান গুরুত্বপূর্ণ সংস্কার কার্যক্রম ব্যাহত হতে পারে। এ নিয়ে বিরোধী দলের কয়েকজন আইনপ্রণেতাও উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন।

ইউক্রেন বর্তমানে দূরপাল্লার হামলা চালিয়ে রাশিয়ার তেল খাত ও সামরিক সরবরাহ ব্যবস্থার ওপর চাপ সৃষ্টি করছে। প্রতিরক্ষামন্ত্রী মিখাইলো ফেদোরভ জানুয়ারিতে দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকে সেনাবাহিনীর প্রযুক্তিগত আধুনিকায়নের নেতৃত্ব দিচ্ছেন। জনবল সংকট মোকাবেলায় সেনা নিয়োগ ব্যবস্থায় সংস্কারের প্রতিশ্রুতিও দিয়েছেন তিনি।

বিরোধী দল হলোস পার্টির আইনপ্রণেতা ইন্না সোভসুন বলেছেন, প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ে নতুন করে অস্থিরতা তৈরি হওয়ার সম্ভাবনায় তিনি উদ্বিগ্ন।

ফেসবুকে দেওয়া এক পোস্টে তিনি বলেন, ‘আগে দেনিস শ্মিহাল ছয় মাস মন্ত্রী ছিলেন। তিনি কিছু পরিকল্পনা শুরু করেছিলেন, কিন্তু পরে তাকে সরিয়ে দেওয়া হয়। যদি মিখাইলো ফেদোরভের ক্ষেত্রেও একই ঘটনা ঘটে, তাহলে তা মোটেও ভালো হবে না।’

তার মতে, যুদ্ধ চলাকালে প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের নেতৃত্বে বারবার পরিবর্তন গুরুত্বপূর্ণ সংস্কার ও সামরিক কার্যক্রমকে ক্ষতিগ্রস্ত করতে পারে।

যুদ্ধকালীন সরকারে নতুন রদবদলের পথে ইউক্রেন

ইউক্রেনে নতুন সরকার গঠনের জন্য সংসদীয় প্রক্রিয়া মঙ্গলবার থেকেই শুরু হতে পারে। প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কির প্রধানমন্ত্রী পরিবর্তনের ঘোষণা যুদ্ধ চলাকালে সরকারের শীর্ষ পর্যায়ে ধারাবাহিক রদবদলের সর্বশেষ উদাহরণ। এর আগে গত বছরের শেষ দিকে জেলেনস্কি দীর্ঘদিনের শীর্ষ কর্মকর্তা আন্দ্রি ইয়েরমাককে সরিয়ে জনপ্রিয় গোয়েন্দা সংস্থার এক প্রধানকে নিয়োগ দেন। ইয়েরমাক একটি বড় দুর্নীতি তদন্তের সঙ্গে জড়িয়ে পড়ার পর এই পরিবর্তন আনা হয়েছিল।

বিশ্লেষকদের মতে, যুদ্ধের সময় সরকারে এসব পরিবর্তনের লক্ষ্য হলো প্রশাসনের কার্যকারিতা বাড়ানো এবং রাশিয়ার বিরুদ্ধে যুদ্ধের চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় নেতৃত্বকে আরো শক্তিশালী করা।

ইউক্রেনে চলমান তথাকথিত ‘মাইডাস’ দুর্নীতি তদন্তে বেশ কয়েকজন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তার নাম উঠে এসেছে। এই তদন্ত এখনো চলমান এবং তা প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কির প্রশাসনের ওপর চাপ সৃষ্টি করছে।

তবে কিয়েভ ইন্টারন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব সোসিওলজির তথ্য অনুযায়ী, গত এক বছরে জেলেনস্কির প্রতি জনগণের আস্থা মোটামুটি স্থিতিশীল থেকেছে এবং তা প্রায় ৬০ শতাংশের কাছাকাছি রয়েছে। বর্তমানে ইউক্রেনে সামরিক আইন জারি থাকায় নির্বাচন অনুষ্ঠিত হচ্ছে না। ফলে নেতৃত্বে পরিবর্তন আনার জন্য মন্ত্রিসভা পুনর্গঠন বা রদবদল জেলেনস্কির হাতে থাকা গুরুত্বপূর্ণ রাজনৈতিক উপায়গুলোর একটি।

তবে বিরোধী দলের আইনপ্রণেতা ও সাবেক পার্লামেন্ট স্পিকার দিমিত্রো রাজুমকভ মনে করেন, এই পরিবর্তন বড় কোনো ইতিবাচক ফল বয়ে আনবে না।

রয়টার্সকে তিনি বলেন, জেলেনস্কির প্রশাসন দীর্ঘদিন ধরেই সীমিত সংখ্যক ঘনিষ্ঠ ও অনুগত ব্যক্তির ওপর নির্ভর করে আসছে। তার মতে, বর্তমান রদবদলও মূলত একই ব্যক্তিদের মধ্যে পদ পরিবর্তনের ঘটনা।

ইরানের এই পাহাড়ে কী আছে, যা ধ্বংস করতে চান ট্রাম্প

অনলাইন ডেস্ক
ইরানের এই পাহাড়ে কী আছে, যা ধ্বংস করতে চান ট্রাম্প

ইরানের অন্যতম সুরক্ষিত ভূগর্ভস্থ স্থাপনা ‘পিক্যাক্স মাউন্টেন’ সম্পূর্ণ ধ্বংস করে দেওয়ার হুঁশিয়ারি দিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। সোমবার (১৩ জুলাই) এক সাক্ষাৎকারে তিনি ইরানকে সতর্ক করে দিয়ে বলেন, যুক্তরাষ্ট্র দেশটিতে কঠোর আঘাত হানা অব্যাহত রাখবে এবং  শিগিরই এই স্থাপনায় হামলা চালানো হতে পারে।

‘হিউ হিউইট শো’ নামক এক রেডিও অনুষ্ঠানে দেওয়া সাক্ষাৎকারে ট্রাম্প সরাসরি এই হুমকি দেন। ট্রাম্প বলেন, ‘আমরা পিক্যাক্স মাউন্টেন নিশ্চিহ্ন করে দেব। ইরানিদের প্রস্তুত থাকতে বলুন।’ তিনি আরো জানান যে মার্কিন প্রশাসন এই পাহাড়টি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছে। ইরানের পারমাণবিক পরিস্থিতি ভালো নয় দাবি করে মার্কিন প্রেসিডেন্ট বলেন, ‘যখনই আমরা তাদের পারমাণবিক তৎপরতার কথা শুনি, তখনই তা উড়িয়ে দিই। তাই তারা এখন এ নিয়ে কথা বলতে পছন্দ করে না।’ ইরানকে কোনো ছাড় দেওয়া হবে না উল্লেখ করে ট্রাম্প বলেন, ‘আজ রাতেও আমরা তাদের ওপর খুব কঠিন আঘাত হানব এবং আগামীকালও তা অব্যাহত থাকবে। আর এ ব্যাপারে তাদের কিছুই করার থাকবে না।’

পিক্যাক্স মাউন্টেন হলো ইরানের নাতাঞ্জ ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণ কেন্দ্রের কাছে অবস্থিত একটি অত্যন্ত সুরক্ষিত ও সংবেদনশীল স্থান। পাহাড়ের মাটির গভীরে তৈরি এই সুড়ঙ্গ কমপ্লেক্সটি এতটাই সুরক্ষিত যে সামরিক বিশেষজ্ঞদের মতে—মার্কিন অস্ত্রাগারের সবচেয়ে শক্তিশালী বাংকার-বাস্টার বোমা দিয়েও এটি ধ্বংস করা প্রায় অসম্ভব। ট্রাম্প এখন সেই অসম্ভব স্থাপনাটিই গুঁড়িয়ে দেওয়ার দাবি করছেন।

দুই দেশের মধ্যে সাম্প্রতিক ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলার বিনিময়ের পর পারস্য উপসাগরে ইরানের ওপর আবারও কড়াকড়ি আরোপ করছে মার্কিন প্রশাসন। ট্রাম্প ঘোষণা করেন, যুক্তরাষ্ট্র পারস্য উপসাগরে ইরানি জাহাজ চলাচলের ওপর পুনরায় অবরোধ জারি করছে। একই সঙ্গে ট্যাক্সের বিনিময়ে হরমুজ প্রণালি দিয়ে আন্তর্জাতিক জাহাজ চলাচল সচল রাখার বিষয়টি নিশ্চিত করবে।

মার্কিনদের স্বাস্থ্য তথ্য হাতিয়ে নিতে চীনের প্রচেষ্টার ব্যাপারে সতর্কতা | কালের কণ্ঠ