• ই-পেপার

সমুদ্রের নয়া ইস্ট ইন্ডিয়া কম্পানি চীন!

ট্রাম্প ঘনিষ্ঠ মার্কিন সিনেটর লিন্ডসে গ্রাহামের ‘হঠাৎ মৃত্যু’

অনলাইন ডেস্ক
ট্রাম্প ঘনিষ্ঠ মার্কিন সিনেটর লিন্ডসে গ্রাহামের ‘হঠাৎ মৃত্যু’
ছবি : রয়টার্স

যুক্তরাষ্ট্রের সাউথ ক্যারালাইনার রিপাবলিকান সিনেটর লিন্ডসে গ্রাহাম মারা গেছেন। শনিবার (১১ জুলাই) সন্ধ্যায় শেষনিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। তিনি মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের ঘনিষ্ঠ সহযোগী ছিলেন। মৃত্যকালে তার বয়স হয়েছিল ৭০ বছর। সিনেটরের কার্যালয় থেকে দেওয়া এক বিবৃতিতে এই তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে

সিনেটর গ্রাহামের কার্যালয়ের বিবৃতিতে বলা হয়েছে, হঠাৎ অসুস্থতার পর সিনেটর লিন্ডসে গ্রাহাম পরলোকগমন করেছেন। এই কঠিন সময়ে তার পরিবার সকলের প্রার্থনার জন্য কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছে এবং এই মুহূর্তে একান্ত ব্যক্তিগত সময় কাটানোর অনুরোধ জানাচ্ছে।

লিন্ডসে গ্রাহাম ব্যক্তিগত জীবনে কখনো বিয়ে করেননি। তিনি যুক্তরাষ্ট্রের রাজনীতিতে অত্যন্ত প্রভাবশালী ও পরিচিত এক ব্যক্তিত্ব ছিলেন। তার এই আকস্মিক প্রয়াণে মার্কিন রাজনৈতিক অঙ্গনে গভীর শোকের ছায়া নেমে এসেছে।

কাতারের সাবেক আমির শেখ হামাদ বিন খলিফা আল থানি মারা গেছেন

অনলাইন ডেস্ক
কাতারের সাবেক আমির শেখ হামাদ বিন খলিফা আল থানি মারা গেছেন
রয়টার্স ছবি

কাতারের সাবেক আমির শেখ হামাদ বিন খলিফা আল থানি মারা গেছেন। বার্তা সংস্থা রয়টার্স বলছে, মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৭৪ বছর।

রবিবার সকালে দেশটির সর্বোচ্চ সরকারি দপ্তর আমিরি দিওয়ান এক বিবৃতিতে কাতারের ইতিহাসের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ নেতা হিসেবে উল্লেখ করে তার মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করেছে।

শেখ হামাদ বিন খলিফা আল থানি ১৯৯৫ থেকে ২০১৩ সাল পর্যন্ত কাতারের আমির হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। 

২০১৩ সালে তিনি স্বেচ্ছায় ক্ষমতা ছেড়ে দিয়ে তার চতুর্থ ছেলে এবং বর্তমান আমির শেখ তামিম বিন হামাদ আল থানির কাছে সিংহাসন হস্তান্তর করেন। মধ্যপ্রাচ্যে শান্তিপূর্ণভাবে ক্ষমতা হস্তান্তরের বিরল উদাহরণ হিসেবে সেই পদক্ষেপ ব্যাপকভাবে আলোচিত হয়।

তবে শেখ হামাদ বিন খলিফা আল থানির নেতৃত্বে কাতার জ্বালানি খাত, অর্থনীতি, অবকাঠামো এবং আন্তর্জাতিক কূটনীতিতে উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি অর্জন করে।

একতরফা চুক্তির যুগ শেষ : গালিবাফ

অনলাইন ডেস্ক
একতরফা চুক্তির যুগ শেষ : গালিবাফ
ছবি : রয়টার্স

ইরানের পার্লামেন্টের স্পিকার ও প্রধান আলোচক মোহাম্মদ বাকের গালিবাফ বলেছেন, ‘একতরফা চুক্তির যুগ শেষ হয়ে গেছে এবং প্রতিশ্রুতি ভঙ্গের মূল্য দিতে হবে।’

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক পোস্টে তিনি লেখেন, ‘আমরা আগেই বলেছিলাম—প্রতিশ্রুতি রক্ষা করুন, নইলে এর মূল্য দিতে হবে। বাস্তবতা এখন দরজায় কড়া নাড়ছে।’

গালিবাফের পোস্টের সঙ্গে সমঝোতা স্মারকের (এমওইউ) ৫ নম্বর অনুচ্ছেদের একটি ছবি যুক্ত ছিল। 

0

ওই অনুচ্ছেদে হরমুজ প্রণালি পুনরায় খুলে দেওয়ার বিষয়টি উল্লেখ রয়েছে। সেখানে ইসলামি প্রজাতন্ত্র ইরান প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেবে—এই অংশটি বিশেষভাবে হাইলাইট করা হয়।

এদিকে ইরানে তৃতীয় দফার হামলা শুরু করেছে বলে জানিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। মার্কিন সামরিক বাহিনীর সেন্ট্রাল কমান্ড (সেন্টকম) দাবি করেছে, হরমুজ প্রণালিতে সাইপ্রাসের পতাকাবাহী একটি বাণিজ্যিক জাহাজে ইরানের ইসলামি বিপ্লবী গার্ড বাহিনী (আইআরজিসি) হামলা চালিয়েছে। এরপর তারা রবিবার দেশটির বিভিন্ন স্থানে এই হামলা শুরু করে।

হামলায় ইরানের দক্ষিণাঞ্চলের আসালুয়েহ ও বন্দর-ই-দায়ের এলাকার বাসিন্দারা কয়েকটি বিস্ফোরণের শব্দ শুনেছেন। বুশেহর প্রদেশের বন্দর-ই-দায়েরে পাঁচটি বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটেছে। আর আসালুয়েহে বিস্ফোরণ হয়েছে চারটি।

এ ছাড়া বন্দরনগরী আব্বাস ও সিরিকে তিনটি করে বিস্ফোরণ হয়েছে। আর বন্দরনগরী চাবাহারে অন্তত দুটি বিস্ফোরণের শব্দ শোনা গেছে।  সম্প্রচারমাধ্যমটি আরো জানিয়েছে, দক্ষিণের হরমুজগান প্রদেশের বন্দরনগরী জাসকে ১০টির বেশি বিস্ফোরণের শব্দ শোনা গেছে।

এদিকে পাল্টা হামলা অব্যাহত রেখেছে ইরানও। কুয়েত, বাহরাইন, কাতার ও জর্ডানে অবস্থিত মার্কিন সামরিক স্থাপনাগুলোতে একাধিক দফায় ড্রোন ও ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছে ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পস (আইআরজিসি)। সেখান অবস্থিত মার্কিন সামরিক স্থাপনাগুলো ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বলে এক বিবৃতিতে জানিয়েছে সংস্থাটি।

কানাডার সালসা উৎসবে বন্দুক হামলায় নিহত ২, হামলাকারী পলাতক

অনলাইন ডেস্ক
কানাডার সালসা উৎসবে বন্দুক হামলায় নিহত ২, হামলাকারী পলাতক
সংগৃহীত ছবি

কানাডার টরন্টো শহরে একটি সালসা উৎসবে বন্দুক হামলায় দুজন নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় আরো অন্তত চারজন আহত হয়েছেন। হামলার পর সন্দেহভাজন ব্যক্তি ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে গেছে। তাকে ধরতে অভিযান চালাচ্ছে পুলিশ।

টরন্টো পুলিশ জানিয়েছে, শনিবার সেন্ট ক্লেয়ার অ্যাভিনিউতে আয়োজিত ‘সালসা অন সেন্ট ক্লেয়ার’ উৎসবে এই গুলির ঘটনা ঘটে। পুলিশ ঘটনাস্থলে গুলিবিদ্ধ অবস্থায় ছয়জনকে উদ্ধার করে। পরে তাদের মধ্যে দুজনকে মৃত ঘোষণা করা হয়। আহতদের বর্তমান অবস্থা বা তাদের মধ্যে কেউ গুরুতর অবস্থায় আছেন কি না, সে বিষয়ে বিস্তারিত জানানো হয়নি।

পুলিশ এক্সে দেওয়া এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, ঘটনার তদন্ত এখনো চলছে। এ কারণে এলাকাজুড়ে বিপুলসংখ্যক পুলিশ সদস্য মোতায়েন রাখা হয়েছে। ঘটনাস্থলে থাকা বার্তা সংস্থা এএফপির এক সাংবাদিক জানান, উৎসব চলাকালীন হঠাৎ গুলির শব্দ শোনা যায়। এরপর ঘটনাস্থলে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। অন্টারিও প্রদেশের প্রিমিয়ার ডাগ ফোর্ড এ ঘটনায় শোক প্রকাশ করেছেন। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক পোস্টে তিনি বলেন, সেন্ট ক্লেয়ার উৎসবে ঘটে যাওয়া এই ‘অর্থহীন সহিংসতায়’ তিনি গভীরভাবে মর্মাহত। তিনি বলেন, এই হামলায় দুজনের প্রাণ গেছে এবং আরো অনেকে আহত হয়েছেন।

টরন্টোর এই হামলার ঘটনা কানাডায় সাম্প্রতিক কয়েকটি বন্দুক হামলার মধ্যে সর্বশেষ। উল্লেখ্য যে, এর আগে গত মাসের শেষ দিকে মন্ট্রিয়লে একটি বন্দুক হামলায় এক পুলিশ কর্মকর্তাসহ দুজন নিহত হন। হামলাকারী পরে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর গুলিতে নিহত হন। এ ছাড়া চলতি বছরের ফেব্রুয়ারিতে কানাডার পশ্চিমাঞ্চলের ছোট খনিশহর টাম্বলার রিজের একটি বিদ্যালয়ে বন্দুক হামলার ঘটনা ঘটে। ওই হামলায় আটজন নিহত হন। নিহতদের মধ্যে হামলাকারীর মা ও সৎ ভাইও ছিলেন। ওই ঘটনায় আরো ২৭ জন আহত হন। পরে হামলাকারী নিজেই নিজের জীবন শেষ করেন।
 

সমুদ্রের নয়া ইস্ট ইন্ডিয়া কম্পানি চীন! | কালের কণ্ঠ