kalerkantho

শনিবার । ০৭ ডিসেম্বর ২০১৯। ২২ অগ্রহায়ণ ১৪২৬। ৯ রবিউস সানি ১৪৪১     

বাবরি মসজিদের বরাদ্দ জমি যেখানে চান মুসলিম নেতারা

কালের কণ্ঠ অনলাইন   

১৩ নভেম্বর, ২০১৯ ১৮:৩৩ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



বাবরি মসজিদের বরাদ্দ জমি যেখানে চান মুসলিম নেতারা

বাবরি মসজিদ মামলার রায়ে বলা হয়েছে, মুসলমানদের পাঁচ একর জমি দেওয়া হবে। সেই রায়ের পরিপ্রেক্ষিতেই মুসলিম পক্ষের প্রধান আইনজীবী ইকবাল আনসারি এবং আরো কয়েকজন স্থানীয় মুসলিম নেতা দাবি করেছেন, অযোধ্যায় অধিগ্রহণ করা ৬৭ একর জমির মধ্যেই মসজিদ নির্মাণের জন্য জমি বরাদ্দ দিতে হবে। 

১৯৯১ সালে অযোধ্যার রাম মন্দির-বাবরি মসজিদ সংলগ্ন বিতর্কিত স্থানসহ পুরো জমি অধিগ্রহণ করে ভারতের কেন্দ্রীয় সরকার। আনসারি বলেন, তারা যদি আমাদের জমি দিতেই চান, তাহলে তাদের অবশ্যই আমাদের সুবিধার কথাও মাথায় রাখা উচিত। আমরা চাই অধিগ্রহণ করা ৬৭ একর জমির মধ্যেই আমাদের জমি দেওয়া হোক। তবেই আমরা তা নেব। নইলে আমরা এই প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করব। 

তিনি আরো বলেন, অনেকেই বলছেন এই জায়গার পুরো বাইরে চলে যান। সেখানে গিয়ে মসজিদ নির্মাণ করুন। এটি ন্যায্য কথা নয়। সুপ্রিম কোর্টের রায়ের পর ইকবাল আনসারি বলেন, তিনি ওই রায় পুনর্বিবেচনার জন্যে আবেদন করবেন না।

স্থানীয় মুসলিম নেতা মাওলানা জালাল আশরাফ বলেন, মসজিদ নির্মাণের জন্য মুসললিমরা নিজেরাই জমি কিনতে পারে। এর জন্য তারা সরকারের উপর নির্ভরশীল না।

তিনি আরো বলেন, আদালত বা সরকার যদি আমাদের অনুভূতি কিছুটা হলেও বুঝতে চায়। তবে অধিকৃত জমির মধ্যে থেকেই পাঁচ একর জমি দিক আমাদের। কারণ সুফি সাধক কাজী কুদওয়াহসহ অনেক মুসলিমেরই এই জায়গাতে কবরস্থান ও দরগা রয়েছে। 

একই মত প্রকাশ করেন অল ইন্ডিয়া মিলি কাউন্সিলের সাধারণ সম্পাদক খালেক আহমেদ খানও।

মুসলিম পক্ষের একজন বাদি হাজি মেহবুব বলেন, আমরা এই প্রলোভনটি গ্রহণ করব না। তাদের অবশ্যই পরিষ্কার করে জানাতে হবে যে, তারা আমাদের কোথায় জমি দিচ্ছেন।

অযোধ্যা পুর কর্পোরেশনের হাজি আসাদ আহমেদ সাফ জানিয়ে দেন, বাবরি মসজিদের বদলে মুসলিম সম্প্রদায় কোনো অন্য জমি চায় না। তিনি বলেন, আদালত বা সরকার যদি মসজিদের জন্য জমি দিতে চায়, তবে তাদের অবশ্যই অধিগ্রহণ করা ৬৭ একর জমির মধ্যে থেকেই আমাদের দিতে হবে, আর তা না হলে আমাদের ওই অনুদান চাই না।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা