• ই-পেপার

বিশ্বকাপে কেমন হতে পারে ব্রাজিলের একাদশ

লিডের স্বপ্ন দেখছে বাংলাদেশ

ক্রীড়া ডেস্ক
লিডের স্বপ্ন দেখছে বাংলাদেশ
ছবি : মীর ফরিদ, সিলেট থেকে

সিলেট টেস্টের দ্বিতীয় দিনে দাপট দেখাচ্ছে বাংলাদেশের বোলাররা। চা বিরতিতে যাওয়ার আগে সফরকারীদের ২০৬ রানে ৮ উইকেটে তুলে নিয়ে লিডের স্বপ্ন দেখছে স্বাগতিকরা। প্রথম ইনিংসে ২৭৮ রান করা বাংলাদেশের চেয়ে এখনো ৭২ রানে পিছিয়ে আছে পাকিস্তান। 

দিনের শুরু থেকেই দারুণ বোলিং করেন তাসকিন আহমেদ। দ্বিতীয় ওভারেই আব্দুল্লাহ ফজলকে ফিরিয়ে পাকিস্তানকে প্রথম ধাক্কা দেন তিনি। পরে আজান আওয়াইকেও আউট করে শুরুতেই চাপে ফেলে দেন সফরকারীদের।

এরপর আক্রমণে এসে ম্যাচের মোড় ঘুরিয়ে দেন মেহেদী হাসান মিরাজ। প্রথমে শান মাসুদ, পরে সৌদ শাকিলকে ফিরিয়ে পাকিস্তানের মিডল অর্ডারে ধস নামান তিনি।

তবে একপ্রান্তে লড়াই চালিয়ে যান বাবর আজম। ৬৩ বলে ফিফটি তুলে নেওয়া এই ব্যাটার সালমান আগাকে সঙ্গে নিয়ে গড়েন গুরুত্বপূর্ণ জুটি। কিন্তু সেটিও বেশিক্ষণ টেকেনি।

প্রথমে নাহিদ রানার বলে মিড অনে ক্যাচ দিয়ে ৬৮ রানে ফেরেন বাবর। এরপর তাইজুল ইসলাম একে একে ফিরিয়েছেন সালমান আগা, মোহাম্মদ রিজওয়ান ও হাসান আলীকে।

বিশেষ করে রিজওয়ানকে বোল্ড করে বড় ধাক্কা দেন তাইজুল। আর হাসান আলীর ক্যাচ লং অনে দারুণভাবে তালুবন্দি করেন নাহিদ রানা।

চা বিরতিতে পাকিস্তানের সংগ্রহ ৮ উইকেটে ২০৬ রান। এখন বাংলাদেশের লক্ষ্য দ্রুত বাকি দুই উইকেট তুলে নিয়ে লিড নেওয়া।

মেসিকে কেন বার বার ‘সরি’ বলতেন কাসেমিরো

ক্রীড়া ডেস্ক
মেসিকে কেন বার বার ‘সরি’ বলতেন কাসেমিরো
ছবি : সংগৃহীত

রিয়াল মাদ্রিদ ও বার্সেলেনার এল ক্লাসিকো মানেই ছিল উত্তেজনা, লড়াই আর তারকাদের দ্বৈরথ। আর সেই লড়াইয়ের সবচেয়ে বড় নাম ছিলেন লিওনেল মেসি। এবার আর্জেন্টাইন মহাতারকাকে নিয়ে নিজের অভিজ্ঞতার কথা জানিয়েছেন সাবেক রিয়াল তারকা কাসেমিরো।

সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডের এই ব্রাজিলিয়ান মিডফিল্ডার জানান, মেসিকে রাগিয়ে দিতে ভয় পেতেন তিনি। তাই মাঠে খুব বেশি চাপ সৃষ্টি করতেন না।

কাসেমিরো বলেন, ‘প্রতিবার আমরা যখন একে অপরের মুখোমুখি হতাম, আমি খুব বেশি কথা বলতাম না বা বেশি চাপ দিতাম না। কারণ আমি চাইতাম না মেসি রেগে যাক।’

হাসতে হাসতে তিনি আরো যোগ করেন, “আমি ট্যাকল করার পরই বলতাম, ‘সরি, সরি।’ কারণ তাকে থামানো অসম্ভব। বার্সেলোনা হয়তো খারাপ খেলছে, কিন্তু তারপরও মেসি একটা গোল করবে আর দল তিন পয়েন্ট নিয়ে মাঠ ছাড়বে।”

২০১৫ থেকে ২০২২ পর্যন্ত রিয়াল মাদ্রিদের হয়ে খেলেছেন কাসেমিরো। এই সময়ে অসংখ্য এল ক্লাসিকোয় মুখোমুখি হয়েছেন মেসির। রিয়ালের জার্সিতে ৩৩৬ ম্যাচ খেলে ৩১ গোল ও ২৯ অ্যাসিস্ট করেছেন ব্রাজিলিয়ান এই মিডফিল্ডার।

রিয়ালে ফিরতে যে চার শর্ত দিলেন মরিনহো

ক্রীড়া ডেস্ক
রিয়ালে ফিরতে যে চার শর্ত দিলেন মরিনহো
ছবি : রয়টার্স

রিয়াল মাদ্রিদের ‘ত্রাতা’ হয়ে ফিরতে চান জোসে মরিনহো। স্প্যানিশ জায়ান্টদের সঙ্গে ইতোমধ্যেই আগামী মৌসুমের পরিকল্পনা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করেছেন পর্তুগিজ এই কোচ।

ক্লাব সূত্রের বরাতে বিখ্যাত ক্রীড়া সাংবাদিক ফেব্রিজিও রোমানো জানিয়েছেন, চারটি বিষয় নিয়ে মরিনহো ও রিয়াল কর্তৃপক্ষের মধ্যে আলোচনা হয়েছে। 

এর মধ্যে দলে কোন খেলোয়াড়দের রাখা হবে তার নিয়ন্ত্রণ দিতে হবে ‘স্পেশাল ওয়ান’কে। একই সঙ্গে কাদের বিক্রি করা হতে পারে, নতুন মৌসুমে কী ধরনের বিনিয়োগ হবে এবং কোচ হিসেবে কতটা ক্ষমতা পাবেন— এ চার বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়েছে দুই পক্ষের। 

সাম্প্রতিক সময়ে রিয়ালের ড্রেসিংরুমে অস্থিরতা, খেলোয়াড়দের মধ্যে দ্বন্দ্ব এবং ধারাবাহিক হতাশাজনক পারফরম্যান্সে ক্লাবটি কঠিন সময় পার করছে। তবে এমন পরিস্থিতিতেও মরিনহো নিজেকে প্রস্তুত মনে করছেন। তার বিশ্বাস, কঠিন এই সময় থেকে দলকে টেনে তুলতে পারবেন তিনিই।

রিয়াল মাদ্রিদে মরিনহোর প্রথম অধ্যায় ছিল ২০১০ থেকে ২০১৩ সাল পর্যন্ত। সেই সময় একটি লা লিগা সহ ২টি শিরোপা জিতে দলটির প্রতিযোগিতামূলক মান ও মানসিকতা বদলে দেন তিনি। পরবর্তীতে সেই ভিত্তির ওপর দাঁড়িয়েই রিয়াল একের পর এক চ্যাম্পিয়ন্স লিগ জেতে বলে মনে করেন অনেক ফুটবল বিশ্লেষক।

এখন আবারও বার্নাব্যুতে ফিরতে পারেন ‘দ্য স্পেশাল ওয়ান’। ফুটবল দুনিয়ায় জোর গুঞ্জন, সবকিছু ঠিক থাকলে খুব শিগগিরই মরিনহোর প্রত্যাবর্তনের আনুষ্ঠানিক ঘোষণা আসতে পারে। 
 

বাবর-সালমানকে ফিরিয়ে ম্যাচের নাটাই হাতে নিল বাংলাদেশ

ক্রীড়া ডেস্ক
বাবর-সালমানকে ফিরিয়ে ম্যাচের নাটাই হাতে নিল বাংলাদেশ
ছবি : মীর ফরিদ

সিলেট টেস্টের দ্বিতীয় দিনে বড় জুটি গড়ার আগেই বাবর আজম ও সালমান আগাকে ফিরিয়ে ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ নিজেদের হাতে তুলে নিয়েছে বাংলাদেশ।

প্রথম সেশনে ৪ উইকেট হারানোর পর পাকিস্তানের আশা হয়ে দাঁড়িয়েছিলেন বাবর। ইতিবাচক ব্যাটিংয়ে দ্রুত রান তুলছিলেন তিনি। ৬৩ বলে তুলে নেন ক্যারিয়ারের ৩১তম টেস্ট ফিফটি।

লাঞ্চের পরও সালমান আঘাকে নিয়ে ঘুরে দাঁড়ানোর চেষ্টা করেন পাকিস্তানের সাবেক অধিনায়ক। দুজনের জুটিতে আসে ৬৩ রান। 

তবে দ্রুতই ম্যাচে আবারও আঘাত হানে বাংলাদেশ। নাহিদ রানার ফুল লেংথ ডেলিভারিতে ফ্লিক করতে গিয়ে মিড অনে সহজ ক্যাচ তুলে দেন বাবর। ৬৮ রান করে ফিরে যান পাকিস্তানের সবচেয়ে নির্ভরযোগ্য ব্যাটার।

এরপর আর বেশিক্ষণ টিকতে পারেননি সালমান আঘাও। তাইজুল ইসলামর বলে সুইপ করতে গিয়ে ব্যাকওয়ার্ড স্কয়ার লেগে ক্যাচ দেন মুমিনুল হকের হাতে। ২১ রান করে সাজঘরে ফেরেন তিনি।

এর আগে দিনের শুরুতেই পাকিস্তানের দুই ওপেনারকে ফিরিয়ে দারুণ সূচনা এনে দেন তাসকিন আহমেদ। পরে মেহেদী হাসান মিরাজ ফেরান শান মাসুদ ও সৌদ শাকিলকে।

দ্রুত উইকেট হারিয়ে বড় চাপে পড়ে গেছে পাকিস্তান। এখন ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ অনেকটাই বাংলাদেশের হাতে।