• ই-পেপার

বাবর-সালমানকে ফিরিয়ে ম্যাচের নাটাই হাতে নিল বাংলাদেশ

মেসিকে কেন বার বার ‘সরি’ বলতেন কাসেমিরো

ক্রীড়া ডেস্ক
মেসিকে কেন বার বার ‘সরি’ বলতেন কাসেমিরো
ছবি : সংগৃহীত

রিয়াল মাদ্রিদ ও বার্সেলেনার এল ক্লাসিকো মানেই ছিল উত্তেজনা, লড়াই আর তারকাদের দ্বৈরথ। আর সেই লড়াইয়ের সবচেয়ে বড় নাম ছিলেন লিওনেল মেসি। এবার আর্জেন্টাইন মহাতারকাকে নিয়ে নিজের অভিজ্ঞতার কথা জানিয়েছেন সাবেক রিয়াল তারকা কাসেমিরো।

সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডের এই ব্রাজিলিয়ান মিডফিল্ডার জানান, মেসিকে রাগিয়ে দিতে ভয় পেতেন তিনি। তাই মাঠে খুব বেশি চাপ সৃষ্টি করতেন না।

কাসেমিরো বলেন, ‘প্রতিবার আমরা যখন একে অপরের মুখোমুখি হতাম, আমি খুব বেশি কথা বলতাম না বা বেশি চাপ দিতাম না। কারণ আমি চাইতাম না মেসি রেগে যাক।’

হাসতে হাসতে তিনি আরো যোগ করেন, “আমি ট্যাকল করার পরই বলতাম, ‘সরি, সরি।’ কারণ তাকে থামানো অসম্ভব। বার্সেলোনা হয়তো খারাপ খেলছে, কিন্তু তারপরও মেসি একটা গোল করবে আর দল তিন পয়েন্ট নিয়ে মাঠ ছাড়বে।”

২০১৫ থেকে ২০২২ পর্যন্ত রিয়াল মাদ্রিদের হয়ে খেলেছেন কাসেমিরো। এই সময়ে অসংখ্য এল ক্লাসিকোয় মুখোমুখি হয়েছেন মেসির। রিয়ালের জার্সিতে ৩৩৬ ম্যাচ খেলে ৩১ গোল ও ২৯ অ্যাসিস্ট করেছেন ব্রাজিলিয়ান এই মিডফিল্ডার।

রিয়ালে ফিরতে যে চার শর্ত দিলেন মরিনহো

ক্রীড়া ডেস্ক
রিয়ালে ফিরতে যে চার শর্ত দিলেন মরিনহো
ছবি : রয়টার্স

রিয়াল মাদ্রিদের ‘ত্রাতা’ হয়ে ফিরতে চান জোসে মরিনহো। স্প্যানিশ জায়ান্টদের সঙ্গে ইতোমধ্যেই আগামী মৌসুমের পরিকল্পনা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করেছেন পর্তুগিজ এই কোচ।

ক্লাব সূত্রের বরাতে বিখ্যাত ক্রীড়া সাংবাদিক ফেব্রিজিও রোমানো জানিয়েছেন, চারটি বিষয় নিয়ে মরিনহো ও রিয়াল কর্তৃপক্ষের মধ্যে আলোচনা হয়েছে। 

এর মধ্যে দলে কোন খেলোয়াড়দের রাখা হবে তার নিয়ন্ত্রণ দিতে হবে ‘স্পেশাল ওয়ান’কে। একই সঙ্গে কাদের বিক্রি করা হতে পারে, নতুন মৌসুমে কী ধরনের বিনিয়োগ হবে এবং কোচ হিসেবে কতটা ক্ষমতা পাবেন— এ চার বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়েছে দুই পক্ষের। 

সাম্প্রতিক সময়ে রিয়ালের ড্রেসিংরুমে অস্থিরতা, খেলোয়াড়দের মধ্যে দ্বন্দ্ব এবং ধারাবাহিক হতাশাজনক পারফরম্যান্সে ক্লাবটি কঠিন সময় পার করছে। তবে এমন পরিস্থিতিতেও মরিনহো নিজেকে প্রস্তুত মনে করছেন। তার বিশ্বাস, কঠিন এই সময় থেকে দলকে টেনে তুলতে পারবেন তিনিই।

রিয়াল মাদ্রিদে মরিনহোর প্রথম অধ্যায় ছিল ২০১০ থেকে ২০১৩ সাল পর্যন্ত। সেই সময় একটি লা লিগা সহ ২টি শিরোপা জিতে দলটির প্রতিযোগিতামূলক মান ও মানসিকতা বদলে দেন তিনি। পরবর্তীতে সেই ভিত্তির ওপর দাঁড়িয়েই রিয়াল একের পর এক চ্যাম্পিয়ন্স লিগ জেতে বলে মনে করেন অনেক ফুটবল বিশ্লেষক।

এখন আবারও বার্নাব্যুতে ফিরতে পারেন ‘দ্য স্পেশাল ওয়ান’। ফুটবল দুনিয়ায় জোর গুঞ্জন, সবকিছু ঠিক থাকলে খুব শিগগিরই মরিনহোর প্রত্যাবর্তনের আনুষ্ঠানিক ঘোষণা আসতে পারে। 
 

বিশ্বকাপে কেমন হতে পারে ব্রাজিলের একাদশ

ক্রীড়া ডেস্ক
বিশ্বকাপে কেমন হতে পারে ব্রাজিলের একাদশ
ছবি : এআই

২০২৬ বিশ্বকাপকে সামনে রেখে নতুন রূপে দল সাজাচ্ছেন কার্লো আনচেলত্তি। দীর্ঘদিনের ব্যর্থতা কাটিয়ে ষষ্ঠ বিশ্বকাপ জয়ের স্বপ্ন দেখছে ব্রাজিল। আর সেই লক্ষ্য নিয়েই সম্ভাব্য একাদশ নিয়ে শুরু হয়েছে আলোচনা।

ব্রাজিলের দায়িত্ব নেওয়ার পর আনচেলত্তি আক্রমণাত্মক ৪-৪-২ ছকে দল সাজানোর পরিকল্পনা করছেন বলে জানা গেছে। মাঠে সেটি অনেক সময় ৪-২-৪ রূপও নিতে পারে।

সম্ভাব্য একাদশে গোলপোস্টের নিচে দেখা যেতে পারে আলিসন বেকারকে। রক্ষণে থাকতে পারেন দানিলো, মারকিনিওস, গ্যাব্রিয়েল মাগালহায়েস ও অ্যালেক্স সান্দ্রো।

মিডফিল্ডে অভিজ্ঞ কাসেমিরোর সঙ্গে দায়িত্ব পালন করতে পারেন ব্রুনো গিমারাইস।

আক্রমণভাগে সবচেয়ে বেশি নজর থাকবে ভিনিসিয়ুস জুনিয়রের দিকে। জাতীয় দলে এখনো ক্লাবের মতো ধারাবাহিক হতে পারেননি তিনি। তবে আনচেলত্তির অধীনে আবারও নিজের সেরা ছন্দে ফিরবেন বলেই আশা ব্রাজিল সমর্থকদের।

ডানদিকে থাকতে পারেন রাফিনিয়া। স্ট্রাইকার হিসেবে সম্ভাব্য পছন্দ জোয়াও পেদ্রো ও মাথিউস কুনহা। আর নেইমার থাকলে কুনহার জায়গাটা দখল করতে পারেন তিনি। 

এদিকে চোটের কারণে বিশ্বকাপ মিস করতে পারেন তরুণ প্রতিভা এস্তেভাও। একই সমস্যায় ছিটকে গেছেন এদের মিলিতাওও। আর হাঁটুর চোটে বছরের বাকি সময় মাঠের বাইরে থাকবেন রদ্রিগো।

সব মিলিয়ে নতুন কোচ, নতুন পরিকল্পনা আর তারকায় ভরা আক্রমণভাগ নিয়ে বিশ্বকাপে নামতে যাচ্ছে ব্রাজিল। এবার লক্ষ্য একটাই, দীর্ঘ ২৪ বছরের অপেক্ষা শেষে আবারও বিশ্বসেরা হওয়া।

বাবরের নতুন মাইলফলক, ছুঁলেন স্টিভ স্মিথকে

ক্রীড়া ডেস্ক
বাবরের নতুন মাইলফলক, ছুঁলেন স্টিভ স্মিথকে
বাবর আজম। ছবি : মীর ফরিদ, সিলেট থেকে

বাংলাদেশের বিপক্ষে সিলেট টেস্টে ব্যাট হাতে আরেকটি বড় মাইলফলক ছুঁয়েছেন বাবর আজম। আইসিসি বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপ ইতিহাসে সর্বাধিক ফিফটির তালিকায় এবার স্টিভ স্মিথকে ছুঁয়ে ফেলেছেন পাকিস্তানের সাবেক অধিনায়ক।

বাংলাদেশের বিপক্ষে দ্বিতীয় ও শেষ টেস্টে ক্যারিয়ারের ৩১তম টেস্ট ফিফটি তুলে নেন বাবর। একই সঙ্গে এটি ছিল বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপে তার ২০তম অর্ধশতক।

এই কীর্তিতে বাবর এখন যৌথভাবে তৃতীয় স্থানে আছেন। তার সঙ্গে রয়েছেন অস্ট্রেলিয়ার স্টিভ স্মিথ ও ইংল্যান্ডের জাক ক্রলি।

মাত্র ৩৯ টেস্ট খেলেই এই মাইলফলকে পৌঁছেছেন ডানহাতি এই ব্যাটার। তালিকায় বাবরের ওপরে আছেন শুধু জো রুট ও মার্নাস লাবুশেন। রুটের ফিফটির সংখ্যা ২২, আর লাবুশেন আছেন সবার ওপরে ২৪টি অর্ধশতক নিয়ে।

বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপে সর্বাধিক ফিফটি:

১. মার্নাস লাবুশেন – ২৪
২. জো রুট – ২২
৩. বাবর আজম – ২০
৩. স্টিভ স্মিথ – ২০
৩. জাক ক্রলি – ২০। 

সিলেটে দলের চাপে দায়িত্বশীল ব্যাটিংয়ে ফিফটির পর বেশি এগোতে পারলেন না তিনি। নাহিদ রানার বলে মুশফিকের হাতে ক্যাচ দিয়ে ৬৮ রান করে ফেরেন বাবর আজম।