• ই-পেপার

দ্রগবার ‘অ্যাসিস্টে’ মুগ্ধ প্যারিস!

বার্সা নাকি পিএসজি, চ্যাম্পিয়নস লিগে কার হয়ে জেতা কেমন ছিল জানালেন এনরিকে

ক্রীড়া ডেস্ক
বার্সা নাকি পিএসজি, চ্যাম্পিয়নস লিগে কার হয়ে জেতা কেমন ছিল জানালেন এনরিকে
সংগৃহীত ছবি

উয়েফা চ্যাম্পিয়ন্স লিগের বহুল প্রতীক্ষিত ফাইনালের আগে আত্মবিশ্বাসী হলেও অতীত নিয়ে ভাবতে রাজি নন পিএসজি কোচ লুইস এনরিকে। আর্সেনালের বিপক্ষে মহারণের আগে নিজের লক্ষ্য স্পষ্ট করে দিয়েছেন স্প্যানিশ এই কৌশলী। পিএসজির সঙ্গে টানা দ্বিতীয়বার ইউরোপ সেরার মুকুট জিততে চান বলে জানিয়েছেন তিনি। 

সংবাদ সম্মেলনে এনরিকে বলেন, ‘প্রথম ট্রফিটা (২০১৫ সালে বার্সেলোনার হয়ে) ছিল অসাধারণ এবং ভোলার মতো নয়। কিন্তু এখন আমার সেটা মনেও পড়ে না। ওটা ইতিহাসের অংশ। দ্বিতীয় ট্রফিটাই (গত মৌসুমে পিএসজির হয়ে) সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ।’ 

তবে ফাইনাল সামনে থাকলেও দল এখনই সেটি নিয়ে অতিরিক্ত ভাবছে না বলে জানান তিনি। এনরিকের মতে, বড় ম্যাচের সেরা প্রস্তুতি হচ্ছে প্রতিদিনের ম্যাচে শতভাগ মনোযোগ দেওয়া।

তিনি বলেন, ‘সত্যি বলতে, আমরা এখনো ফাইনাল নিয়ে আলোচনা করিনি। সবচেয়ে ভালো প্রস্তুতি হলো আগামীকালের ম্যাচে পুরো মনোযোগ দেওয়া। ফাইনালে সবকিছু নির্ভর করবে ছোট ছোট মুহূর্তের ওপর, ঠিক যেমনটা হয়েছিল লিভারপুল বা বায়ার্ন মিউনিখের বিপক্ষে ম্যাচগুলোতে। আমাদের ভুলে গেলে চলবে না, ফাইনালে ওঠাটাই কত বড় সৌভাগ্যের বিষয়।’

গত মৌসুমে ইন্টার মিলানকে ৫-০ গোলে হারিয়ে শিরোপা জয়ের স্মৃতি নিয়েও খুব একটা আগ্রহ দেখাননি এনরিকে। তার মতে, অতীত নিয়ে বেশি ভাবলে মনোযোগ নষ্ট হয়।

এনরিকে বলেন, ‘আমি কিছুই মনে রাখতে চাই না। অতীত নিয়ে পড়ে থাকলে মনোযোগ সরে যায়। আমি বিশ্বাস করি, আমরা আবারো চ্যাম্পিয়ন্স লিগ জিততে সক্ষম। এটাই আমার অনুপ্রেরণা। আমি চাই খেলোয়াড় থেকে শুরু করে সমর্থক—সবাই প্রস্তুত থাকুক।’

লিডের স্বপ্ন দেখছে বাংলাদেশ

ক্রীড়া ডেস্ক
লিডের স্বপ্ন দেখছে বাংলাদেশ
ছবি : মীর ফরিদ, সিলেট থেকে

সিলেট টেস্টের দ্বিতীয় দিনে দাপট দেখাচ্ছেন বাংলাদেশের বোলাররা। চা বিরতিতে যাওয়ার আগে সফরকারীদের ২০৬ রানে ৮ উইকেট তুলে নিয়ে লিডের স্বপ্ন দেখছেন স্বাগতিকরা। প্রথম ইনিংসে ২৭৮ রান করা বাংলাদেশের চেয়ে এখনো ৭২ রানে পিছিয়ে আছে পাকিস্তান। 

দিনের শুরু থেকেই দারুণ বোলিং করেন তাসকিন আহমেদ। দ্বিতীয় ওভারেই আব্দুল্লাহ ফজলকে ফিরিয়ে পাকিস্তানকে প্রথম ধাক্কা দেন তিনি। পরে আজান আওয়াইকেও আউট করে শুরুতেই চাপে ফেলে দেন সফরকারীদের।

এরপর আক্রমণে এসে ম্যাচের মোড় ঘুরিয়ে দেন মেহেদী হাসান মিরাজ। প্রথমে শান মাসুদ, পরে সৌদ শাকিলকে ফিরিয়ে পাকিস্তানের মিডল অর্ডারে ধস নামান তিনি।

তবে এক প্রান্তে লড়াই চালিয়ে যান বাবর আজম। ৬৩ বলে ফিফটি তুলে নেওয়া এই ব্যাটার সালমান আগাকে সঙ্গে নিয়ে গড়েন গুরুত্বপূর্ণ জুটি। কিন্তু সেটিও বেশিক্ষণ টেকেনি।

প্রথমে নাহিদ রানার বলে মিড অনে ক্যাচ দিয়ে ৬৮ রানে ফেরেন বাবর। এরপর তাইজুল ইসলাম একে একে ফিরিয়েছেন সালমান আগা, মোহাম্মদ রিজওয়ান ও হাসান আলীকে।

বিশেষ করে রিজওয়ানকে বোল্ড করে বড় ধাক্কা দেন তাইজুল। আর হাসান আলীর ক্যাচ লং অনে দারুণভাবে তালুবন্দি করেন নাহিদ রানা।

চা বিরতিতে পাকিস্তানের সংগ্রহ ৮ উইকেটে ২০৬ রান। এখন বাংলাদেশের লক্ষ্য দ্রুত বাকি দুই উইকেট তুলে নিয়ে লিড নেওয়া।

মেসিকে কেন বার বার ‘সরি’ বলতেন কাসেমিরো

ক্রীড়া ডেস্ক
মেসিকে কেন বার বার ‘সরি’ বলতেন কাসেমিরো
ছবি : সংগৃহীত

রিয়াল মাদ্রিদ ও বার্সেলেনার এল ক্লাসিকো মানেই ছিল উত্তেজনা, লড়াই আর তারকাদের দ্বৈরথ। আর সেই লড়াইয়ের সবচেয়ে বড় নাম ছিলেন লিওনেল মেসি। এবার আর্জেন্টাইন মহাতারকাকে নিয়ে নিজের অভিজ্ঞতার কথা জানিয়েছেন সাবেক রিয়াল তারকা কাসেমিরো।

সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডের এই ব্রাজিলিয়ান মিডফিল্ডার জানান, মেসিকে রাগিয়ে দিতে ভয় পেতেন তিনি। তাই মাঠে খুব বেশি চাপ সৃষ্টি করতেন না।

কাসেমিরো বলেন, ‘প্রতিবার আমরা যখন একে অপরের মুখোমুখি হতাম, আমি খুব বেশি কথা বলতাম না বা বেশি চাপ দিতাম না। কারণ আমি চাইতাম না মেসি রেগে যাক।’

হাসতে হাসতে তিনি আরো যোগ করেন, “আমি ট্যাকল করার পরই বলতাম, ‘সরি, সরি।’ কারণ তাকে থামানো অসম্ভব। বার্সেলোনা হয়তো খারাপ খেলছে, কিন্তু তারপরও মেসি একটা গোল করবে আর দল তিন পয়েন্ট নিয়ে মাঠ ছাড়বে।”

২০১৫ থেকে ২০২২ পর্যন্ত রিয়াল মাদ্রিদের হয়ে খেলেছেন কাসেমিরো। এই সময়ে অসংখ্য এল ক্লাসিকোয় মুখোমুখি হয়েছেন মেসির। রিয়ালের জার্সিতে ৩৩৬ ম্যাচ খেলে ৩১ গোল ও ২৯ অ্যাসিস্ট করেছেন ব্রাজিলিয়ান এই মিডফিল্ডার।

রিয়ালে ফিরতে যে চার শর্ত দিলেন মরিনহো

ক্রীড়া ডেস্ক
রিয়ালে ফিরতে যে চার শর্ত দিলেন মরিনহো
ছবি : রয়টার্স

রিয়াল মাদ্রিদের ‘ত্রাতা’ হয়ে ফিরতে চান জোসে মরিনহো। স্প্যানিশ জায়ান্টদের সঙ্গে ইতিমধ্যেই আগামী মৌসুমের পরিকল্পনা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করেছেন পর্তুগিজ এই কোচ।

ক্লাব সূত্রের বরাতে বিখ্যাত ক্রীড়া সাংবাদিক ফেব্রিজিও রোমানো জানিয়েছেন, চারটি বিষয় নিয়ে মরিনহো ও রিয়াল কর্তৃপক্ষের মধ্যে আলোচনা হয়েছে। 

এর মধ্যে দলে কোন খেলোয়াড়দের রাখা হবে তার নিয়ন্ত্রণ দিতে হবে ‘স্পেশাল ওয়ান’কে। একই সঙ্গে কাদের বিক্রি করা হতে পারে, নতুন মৌসুমে কী ধরনের বিনিয়োগ হবে এবং কোচ হিসেবে কতটা ক্ষমতা পাবেন—এ চার বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়েছে দুই পক্ষের। 

সাম্প্রতিক সময়ে রিয়ালের ড্রেসিংরুমে অস্থিরতা, খেলোয়াড়দের মধ্যে দ্বন্দ্ব এবং ধারাবাহিক হতাশাজনক পারফরম্যান্সে ক্লাবটি কঠিন সময় পার করছে। তবে এমন পরিস্থিতিতেও মরিনহো নিজেকে প্রস্তুত মনে করছেন। তার বিশ্বাস, কঠিন এই সময় থেকে দলকে টেনে তুলতে পারবেন তিনিই।

রিয়াল মাদ্রিদে মরিনহোর প্রথম অধ্যায় ছিল ২০১০ থেকে ২০১৩ সাল পর্যন্ত। সেই সময় একটি লা লিগাসহ ২টি শিরোপা জিতে দলটির প্রতিযোগিতামূলক মান ও মানসিকতা বদলে দেন তিনি। পরবর্তী সময়ে সেই ভিত্তির ওপর দাঁড়িয়েই রিয়াল একের পর এক চ্যাম্পিয়ন্স লিগ জেতে বলে মনে করেন অনেক ফুটবল বিশ্লেষক।

এখন আবারও বার্নাব্যুতে ফিরতে পারেন ‘দ্য স্পেশাল ওয়ান’। ফুটবল দুনিয়ায় জোর গুঞ্জন, সবকিছু ঠিক থাকলে খুব শিগগিরই মরিনহোর প্রত্যাবর্তনের আনুষ্ঠানিক ঘোষণা আসতে পারে।