• ই-পেপার

শিরোপা নির্ধারণী ম্যাচে আবাহনীর লক্ষ্য ২৮৩

ম্যারাডোনাকে জয় উৎসর্গ করলেন মেসি

ক্রীড়া ডেস্ক
ম্যারাডোনাকে জয় উৎসর্গ করলেন মেসি

ফুটবল ইতিহাসের এক পরম বৃত্ত সম্পূর্ণ হলো আটলান্টায়। আরও একটি মহাকাব্যিক জয়ে শিরোপা ধরে রাখার মিশনে শেষ ধাপে পা রাখল আর্জেন্টিনা। পিছিয়ে পড়ার পরও আক্রমণাত্মক ফুটবলের পসরা সাজিয়ে ইংল্যান্ডকে হারিয়ে ফাইনালে জায়গা করে নিয়েছে লিওনেল স্কালোনির শিষ্যরা। আর চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী ইংলিশদের বিপক্ষে ২-১ ব্যবধানের এই অবিস্মরণীয় জয়কে আর্জেন্টিনার প্রয়াত ফুটবল কিংবদন্তি দিয়েগো আরমান্দো ম্যারাডোনাকে উৎসর্গ করেছেন অধিনায়ক লিওনেল মেসি।

টানা দ্বিতীয় এবং শেষ চার আসরের মধ্যে তৃতীয়বারের মতো বিশ্বকাপের ফাইনালে জায়গা করে নিয়েছে লাতিন পরাশক্তিরা। এই ম্যাচের স্কোরলাইন যেন ফুটবল রোমান্টিকদের ফিরিয়ে নিয়ে গেছে ঠিক ৪০ বছর আগে, ১৯৮৬ সালের মেক্সিকো বিশ্বকাপে। সেবার কোয়ার্টার-ফাইনালে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে জাদুকরী ফুটবল উপহার দিয়েছিলেন ম্যারাদোনা। ফকল্যান্ড যুদ্ধের ক্ষত বুকে নিয়ে ২-১ গোলের সেই ঐতিহাসিক জয়ের পথে ম্যারাদোনা করেছিলেন ইতিহাসের অন্যতম বিতর্কিত ‘হ্যান্ড অব গড’ এবং শতাব্দীর সেরা ‘গোল অব দ্য সেঞ্চুরি’।

চলতি বিশ্বকাপে হয়তো ম্যারাদোনার মতো একক কোনো জাদুকরী মুহূর্তের অবতারণা করতে হয়নি, তবে পিছিয়ে পড়ার পর যেভাবে পুরো দল নিজেদের উজাড় করে দিয়েছে, তা কোনো অংশে কম নয়। প্রতিপক্ষের জালে একের পর এক আক্রমণ শানিয়ে নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই জয় ছিনিয়ে এনেছেন মেসিরা।

বিশেষ করে পিছিয়ে পড়ার পর ম্যাচের বাকি সময়ে প্রায় ৮৮ শতাংশ বল পজেশন নিজেদের নিয়ন্ত্রণে রেখে ইংলিশ ডিফেন্সকে রীতিমতো চূর্ণবিচূর্ণ করে দেয় আর্জেন্টিনা। ম্যাচের শেষ মুহূর্তে এনজো ফের্নান্দেজ ও লাউতারো মার্তিনেজের করা দুটি গোলেই জাদুকরের মতো অবদান রাখেন অধিনায়ক লিওনেল মেসি।

ম্যাচ শেষে ‘টিওয়াইসি স্পোর্টস’-এর মুখোমুখি হয়ে রোমাঞ্চকর এই জয় নিয়ে কথা বলতে গিয়ে অবধারিতভাবেই নিজের মেন্টর ও প্রিয় ‘দিয়েগো’র প্রসঙ্গ টানেন মেসি।

আর্জেন্টাইন অধিনায়ক বলেন, ‘কোনো সন্দেহ নেই, দিয়েগো ওপর থেকে আজকের ম্যাচটি খুব উপভোগ করছেন। কারণ, আজকের দিনটি তার জন্য খুবই বিশেষ ও আবেগের একটি দিন। তাকে এই আনন্দ দিতে পারা এবং ওপর থেকে তিনি যেভাবে চান সেভাবে এটি উদযাপন করতে পারাটা সত্যিই দারুণ এক অনুভূতি। তাকে এই মুহূর্তটা উপভোগ করতে দিন, কারণ এই জয় তার জন্য আমাদের এক পরম উপহার।’

টানা দুটি বিশ্বকাপের ফাইনালে খুব কম দলই খেলতে পারে : মেসি

ক্রীড়া ডেস্ক
টানা দুটি বিশ্বকাপের ফাইনালে খুব কম দলই খেলতে পারে : মেসি
ছবি : রয়টার্স

ফুটবল বিশ্বে আরো একবার প্রত্যাবর্তনের মহাকাব্য লিখল আর্জেন্টিনা। শুধু ম্যাচ জয়ই নয়, ইংলিশদের সোনালী প্রজন্মের সোনালী স্বপ্ন চূরমার করে দিয়ে টানা দ্বিতীয়বারের মতো বিশ্বকাপের ফাইনালে পা রাখল লিওনেল মেসির দল। আটলান্টার মার্সিডিজ-বেঞ্জ স্টেডিয়ামে রোমাঞ্চকর দ্বিতীয় সেমি-ফাইনালে ইংল্যান্ডকে ২-১ গোলে হারিয়েছে তিনবারের বিশ্ব চ্যাম্পিয়নরা। আর এমন মহাগুরুত্বপূর্ণ জয়ের পর মাঠের ভেতরে যেমন উল্লাস চলেছে, মাঠের বাইরে তেমনই নিন্দুকদের এক হাত নিয়েছেন আলবিসেলেস্তে অধিনায়ক।

ম্যাচ শেষে জনপ্রিয় ক্রীড়া মাধ্যম ‘টিওয়াইসি স্পোর্টস’-কে দেওয়া সাক্ষাৎকারে আর্জেন্টিনার মহাতারকা সাফ জানিয়ে দিয়েছেন, কেউ পছন্দ করুক বা না করুক—যোগ্য দল হিসেবেই আবারও ফাইনালে উঠেছে তারা।

নিন্দুকদের কড়া জবাব দিয়ে মেসি বলেন, ‘একটি বিশ্বকাপ জয়ের পর আবারও বিশ্বকাপের ফাইনালে পৌঁছানো সত্যিই বিশেষ কিছু। মানুষ যা-ই বলুক না কেন, তা পছন্দ করুক বা না করুক, গত চার বছর ধরে আমরাই সেরা ছিলাম। আজও আমরা বিশ্বের সেরা দুই দলের একটি।’

সমালোচকদের উদ্দেশে নিজের ঝাঁঝালো বক্তব্য থামাননি এলএমটেন। তিনি আরও যোগ করেন, ‘এটি প্রমাণ করে যে আমরা যা কিছু অর্জন করেছি তা কোনো কাকতালীয় ব্যাপার নয় এবং কেউ আমাদের এমনিতেই কিছু উপহার দেয়নি। টানা দুটি বিশ্বকাপের ফাইনালে ওঠা এমন একটি কীর্তি যা খুব কম দলই করে দেখাতে পারে, আর এই দলটাই তা করে দেখিয়েছে।’

অথচ ম্যাচের ৫৫ মিনিটে অ্যান্থনি গর্ডনের গোলে যখন ইংল্যান্ড এগিয়ে যায়, তখন থ্রি-লায়ন্স শিবিরের চোখেমুখে ছিল ফাইনালের স্বপ্ন। প্রায় ৩০ মিনিট সেই লিড ধরেও রেখেছিল তারা। কিন্তু নাটকীয়তার তখনো অনেক বাকি ছিল। ৮৫ মিনিটে মেসির জাদুকরি অ্যাসিস্ট থেকে দূরপাল্লার বুলেট গতির শটে আর্জেন্টিনাকে সমতায় ফেরান এনজো ফার্নান্দেজ।

এরপরই আসে সেই মাহেন্দ্রক্ষণ। ইনজুরি টাইমের দ্বিতীয় মিনিটে মেসির নিখুঁত মাপা ক্রস থেকে মরণকামড় বসান লাউতারো মার্তিনেজ। তার দুর্দান্ত হেডে বল জালে জড়াতেই আর্জেন্টিনার প্রত্যাবর্তনের গল্প পূর্ণতা পায়। আর এই গোলের ওপর ভর করেই চলতি বিশ্বকাপের নকআউটের টানা চতুর্থ ম্যাচে রূপকথার মতো ঘুরে দাঁড়িয়ে ফাইনালের টিকিট নিশ্চিত করলেন মেসি-মার্তিনেজরা।

দলের এমন অবিশ্বাস্য কামব্যাকের পর সতীর্থদের প্রশংসায় ভাসাতে কার্পণ্য করেননি অধিনায়ক। মেসি বলেন, ‘এটা সত্যিই অবিশ্বাস্য। এই দলটি অসাধারণ। আজও আমরা শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত হাল ছাড়িনি। পিছিয়ে পড়ার পরও নিজেদের স্বাভাবিক খেলাটা খেলেছি, বিশ্বাস হারাইনি। প্রতিপক্ষকে তাদের অর্ধে চেপে ধরেছিলাম। এই জয়ের আনন্দ ভাষায় প্রকাশ করা কঠিন।’

মেগা ফাইনালের আগে কোটি কোটি আর্জেন্টাইন সমর্থকদের উদ্দেশে এক আবেগঘন বার্তাও দিয়েছেন মেসি। ২০২২ কাতার বিশ্বকাপের স্মৃতি মনে করিয়ে দিয়ে তিনি সবাইকে এই পরম মুহূর্তটি উপভোগ করার আহ্বান জানান।

সমর্থকদের উদ্দেশে মেসি বলেন, ‘আমাদের মতো আপনারাও এই মুহূর্তটা মনভরে উপভোগ করুন। আমরা আবারও বিশ্বকাপের ফাইনালে, আবার বিশ্বের সেরা দুই দলের একটি। চার বছর বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন হিসেবে কাটিয়েছি, এখন আবারও শিরোপার লড়াইয়ে। শেষ ধাপে পৌঁছাতে পেরেছি, এটাই আমরা সবাই চেয়েছিলাম। বাকিটা ঈশ্বরের ইচ্ছা।’

পেলে-কাফু-রোনালদোদের রেকর্ডে ভাগ বসালেন মেসি

ক্রীড়া ডেস্ক
পেলে-কাফু-রোনালদোদের রেকর্ডে ভাগ বসালেন মেসি

বয়সটা কেবলই একটা সংখ্যা, ফুটবল বিশ্বে এই প্রবাদটি যেন বারবার প্রমাণ করে চলেছেন লিওনেল মেসি। ৩৯ বছর বয়সে এসেও তিনি আর্জেন্টিনার সেই অবিকল্প পথপ্রদর্শক, যার মায়াবী ছোঁয়ায় ইংল্যান্ডের বিপক্ষে মহাকাব্যিক জয় তুলে নিয়ে আরও একটি বিশ্বকাপের ফাইনালে পা রাখল আলবিসেলেস্তেরা।

ক্যারিয়ারের এই সায়াহ্নে এসে মেসির পারফরম্যান্স কেমন হবে, তা নিয়ে টুর্নামেন্ট শুরুর আগে অনেকের মনেই ছিল রাজ্যের সংশয়। তবে মাঠের খেলায় সব সংশয় তুড়ি মেরে উড়িয়ে দিয়েছেন ফুটবল ইতিহাসের এই একক বিস্ময়। কিলিয়ান এমবাপ্পের সঙ্গে যৌথভাবে ৮ গোল করে এখন পর্যন্ত টুর্নামেন্টের সর্বোচ্চ গোলদাতাও এই আর্জেন্টাইন ১০ নম্বর জার্সিধারী।

আগামী রোববার নিউ ইয়র্কের মেটলাইফ স্টেডিয়ামে স্পেনের বিপক্ষে স্বপ্নের ফাইনালে মাঠে নামবেন মেসি। আর এই ম্যাচটিতে মাঠে নামার মাধ্যমেই বিশ্ব ফুটবলের এমন এক এলিট গ্রুপ বা অভিজাত ক্লাবে নাম লেখাতে যাচ্ছেন তিনি, যেখানে পৌঁছাতে পেরেছেন ইতিহাসের হাতেগোনা মাত্র কয়েকজন ফুটবলার।

মেসির ফুটবল ক্যারিয়ারের প্রথম বিশ্বকাপ ফাইনাল ছিল ২০১৪ সালে ব্রাজিলের মারাকানায়। সেবার অতিরিক্ত সময়ের গোলে জার্মানির কাছে হেরে অশ্রুসিক্ত নয়নে মাঠ ছাড়তে হয়েছিল তাকে। এরপর দীর্ঘ আট বছরের অপেক্ষা শেষে ২০২২ সালে কাতারে ফ্রান্সকে টাইব্রেকারে হারিয়ে নিজের সেই আজন্ম লালিত সোনালী ট্রফি জয়ের স্বপ্ন পূরণ করেন মেসি। আর এবার ২০২৬ সালে এসে নিজের ক্যারিয়ারের দ্বিতীয় টানা এবং সবমিলিয়ে তৃতীয় বিশ্বকাপ ফাইনাল খেলতে যাচ্ছেন এলএমটেন।

বিশ্বকাপের ইতিহাসে তিন বা ততোধিক ফাইনালের মঞ্চে পা রাখা ফুটবলারের সংখ্যা অনেক কম। ফুটবল ইতিহাসের পাতায় এবার সেই তালিকায় রাজকীয় প্রবেশ ঘটল মেসির। এর আগে ব্রাজিলের কিংবদন্তি ডিফেন্ডার কাফু একমাত্র ফুটবলার হিসেবে টানা তিনটি বিশ্বকাপ ফাইনাল (১৯৯৪, ১৯৯৮ এবং ২০০২) খেলেছেন এবং তিনটিতেই মাঠে সক্রিয়ভাবে অংশ নিয়েছেন।

এ ছাড়া ব্রাজিলের পেলে ও রোনালদো নাজারিও এবং পশ্চিম জার্মানির লোথার ম্যাথিউস ও পিয়েরে লিটবারস্কিও তিনটি বিশ্বকাপ ফাইনালের স্কোয়াডে ছিলেন। তবে পেলে, রোনালদো কিংবা জার্মান তারকাদের কেউই চোট অথবা কোচের কৌশলগত সিদ্ধান্তের কারণে তাদের দলের হয়ে তিনটি ফাইনালের প্রতিটি ম্যাচে মাঠে নামার সুযোগ পাননি।

সেখানেই অনন্য মেসি। স্পেনের বিপক্ষে ফাইনালের মঞ্চে বুটজোড়া গলিয়ে মাঠে নামার সঙ্গে সঙ্গেই কাফুর পর ইতিহাসের দ্বিতীয় খেলোয়াড় হিসেবে তিনটি ভিন্ন বিশ্বকাপের ফাইনালে সরাসরি মাঠে লড়াই করার রাজকীয় কীর্তি গড়বেন আধুনিক ফুটবলের এই মহানায়ক।

আর্জেন্টাইন ডিফেন্ডারকে চড় মারলেন বেলিংহাম

ক্রীড়া ডেস্ক
আর্জেন্টাইন ডিফেন্ডারকে চড় মারলেন বেলিংহাম
সংগৃহীত ছবি

জয়ের খুব কাছে গিয়েও এভাবে স্বপ্নভঙ্গ হবে, তা হয়তো ঘুণাক্ষরেও ভাবেননি ইংলিশ সমর্থকরা। সেমিফাইনালের মহারণে আর্জেন্টিনার বিপক্ষে ২-১ ব্যবধানের এই নাটকীয় হার যেন কিছুতেই মেনে নিতে পারছেন না ইংল্যান্ডের ফুটবলাররা। আর সেই চরম হতাশা আর ক্ষোভের বহিঃপ্রকাশ ঘটল মাঠের ভেতরেই, যা রূপ নিল অনাকাঙ্ক্ষিত এক মারামারিতে।

ম্যাচ শেষের বাঁশি বাজার পরপরই মেজাজ হারিয়ে আর্জেন্টিনার তরুণ ডিফেন্ডার ভ্যালেন্টিন বারকোর মাথায় চড় মেরে বসেন ইংলিশদের পোস্টার বয় জুড বেলিংহাম। রিয়াল মাদ্রিদ তারকার এমন অপেশাদার আচরণে ফুটবল বিশ্বে এখন তোলপাড় চলছে।

আটলান্টার মার্সিডিজ-বেঞ্জ স্টেডিয়ামে বুধবারের থ্রিলার সেমিফাইনালে একপর্যায়ে জয়ের সুবাস পাচ্ছিল থ্রি-লায়ন্সরাই। কিন্তু শেষ মুহূর্তে দৃশ্যপটে লিয়োনেল মেসির জাদুকরি আবির্ভাব। এলএমটেনের দুটি দুর্দান্ত অ্যাসিস্টে মাত্র ৭ মিনিটের ব্যবধানে এনজো ফার্নান্দেজ ও লাউতারো মার্তিনেস গোল করে আর্জেন্টিনার ফাইনালের টিকিট নিশ্চিত করেন। আর তাতেই মুহূর্তের মধ্যে হৃদয়ভঙ্গ হয় ইংল্যান্ডের।

ম্যাচ শেষের পর মাঠের এক কোণে যখন বিষণ্ণ মনে দাঁড়িয়ে ছিলেন বেলিংহাম, ঠিক তখনই সেখানে উল্লাসে মাতেন আর্জেন্টাইন তরুণ তুর্কি ভ্যালেন্টিন বারকো। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ভিডিওতে দেখা যায়, উদযাপনের একপর্যায়ে বেলিংহাম ও ইংল্যান্ড শিবিরকে লক্ষ্য করে কিছু একটা মন্তব্য করেন বারকো। আর তাতেই নিজের আবেগ ধরে রাখতে না পেরে ক্ষিপ্ত হয়ে বারকোর মাথায় আঘাত করেন বেলিংহাম। পাল্টা জবাবে বেলিংহামকে ধাক্কা দেন বারকোও। পরিস্থিতি আরো উত্তপ্ত হওয়ার আগেই অবশ্য সতীর্থরা এসে দুজনকে দুদিকে সরিয়ে নেন।

গোটা টুর্নামেন্ট জুড়ে ইংল্যান্ডের ত্রাতা হয়ে থাকা বেলিংহামের এমন কাণ্ডে বইছে সমালোচনার ঝড়। ম্যাচ শেষে সংবাদমাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে নিজের হতাশা লুকাতে পারেননি এই মিডফিল্ডার। তিনি বলেন, ‘দিনটি আমাদের জন্য অত্যন্ত দুঃখের। আমরা শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত লড়েছি, কিন্তু দুর্ভাগ্যবশত সফল হতে পারিনি।’

এদিকে ম্যাচ হারার পর ইংলিশ ডাগআউটেও শুরু হয়েছে কাঠগড়া খাড়া করা। শেষ মুহূর্তের রক্ষণাত্মক কৌশলের জন্য তীব্র সমালোচনার মুখে পড়েছেন প্রধান কোচ টমাস টুখেল। তবে নিজের সিদ্ধান্তকে সুরক্ষিত করে টুখেল জানান, দলের রক্ষণভাগকে সামাল দেওয়ার জন্যই তিনি সেই মুহূর্তে কৌশল পরিবর্তন করেছিলেন।

সেমিফাইনালের এই দুঃস্বপ্ন ভুলে ইংল্যান্ডকে অবশ্য দ্রুতই মাঠে ফিরতে হচ্ছে। বিশ্বকাপ অভিযান এখনই শেষ হচ্ছে না হ্যারি কেইনদের। আগামী শনিবার তৃতীয় স্থান নির্ধারণী ম্যাচে ফ্রান্সের মুখোমুখি হবে থ্রি-লায়ন্সরা। 

শিরোপা নির্ধারণী ম্যাচে আবাহনীর লক্ষ্য ২৮৩ | কালের কণ্ঠ