• ই-পেপার

হাতুরাসিংহের সহকারী হলেন নিক পোথাস

চ্যাম্পিয়ন্স লিগ ফাইনাল

পিএসজির রাজত্ব নাকি আর্সেনালের অপেক্ষার অবসান

অনলাইন ডেস্ক
পিএসজির রাজত্ব নাকি আর্সেনালের অপেক্ষার অবসান
সংগৃহীত ছবি

আজ ফুটবল বিশ্ব তাকিয়ে আছে এক ম্যাচের দিকে। ইউরোপীয় ক্লাব ফুটবলের সবচেয়ে মর্যাদাপূর্ণ আসরের ফাইনালে মুখোমুখি হচ্ছে ফরাসি জায়ান্ট প্যারিস সেইন্ট জার্মেই (পিএসজি) ও ইংল্যান্ডের ঐতিহ্যবাহী ক্লাব আর্সেনাল। একপক্ষের লক্ষ্য আধিপত্যের নতুন ইতিহাস লেখা, অন্যপক্ষের স্বপ্ন প্রথমবারের মতো ইউরোপের সিংহাসনে বসা।

আজ রাত ১০টায় বুদাপেস্টের পুসকাস অ্যারেনায় শুরু হবে মহারণ। শিরোপা ধরে রেখে নিজেদের শক্তির বার্তা আরো জোরালো করতে চায় পিএসজি। অন্যদিকে দুই দশকের অপেক্ষা শেষে আবার ফাইনালে ওঠা আর্সেনাল চাইছে বহু কাঙ্ক্ষিত ইউরোপসেরার ট্রফিতে প্রথমবারের নিজেদের নাম লিখতে।

একসময় ইউরোপ জয় করতে বিশ্বের সেরা সেরা তারকাদের ভিড় করিয়েছিল পিএসজি। নেইমার, কিলিয়ান এমবাপ্পে ও লিওনেল মেসির মতো মহাতারকারাও ক্লাবটিকে এনে দিতে পারেননি কাঙ্ক্ষিত সাফল্য। অথচ তাদের বিদায়ের পরই যেন বদলে যায় পুরো গল্প।

স্প্যানিশ কৌশলী লুইস এনরিকের নেতৃত্বে নতুন রূপে আবির্ভূত হয় প্যারিসের দলটি। গত মৌসুমে প্রথমবারের মতো চ্যাম্পিয়নস লিগ জয়ের পর এবারও তারা পৌঁছে গেছে ফাইনালে। আজ জিততে পারলে রিয়াল মাদ্রিদের পর দ্বিতীয় দল হিসেবে টানা দুইবার ইউরোপসেরা হওয়ার গৌরব অর্জন করবে তারা।

গত মৌসুমের সেমিফাইনালে আর্সেনালের স্বপ্ন ভেঙেছিল পিএসজিই। দুই লিগ মিলিয়ে জয় তুলে নিয়ে ফাইনালে যায় ফরাসি ক্লাবটি। তবে এক বছরে বদলে গেছে অনেক কিছু। দীর্ঘ ২২ বছর পর ইংলিশ লিগের শিরোপা পুনরুদ্ধার করেছে আর্সেনাল। দলে এসেছে ছন্দ, গভীরতা ও আত্মবিশ্বাস। সেই কারণেই এবার প্রতিপক্ষকে হালকাভাবে নেওয়ার সুযোগ নেই পিএসজির।

ফাইনালে পিএসজির সবচেয়ে বড় ভরসা উসমান দেম্বেলে ও খিচা কাভারাস্কেইয়া। গতি, দক্ষতা আর গোল করার সামর্থ্যে এই দুজন প্রতিপক্ষের রক্ষণভাগে আতঙ্ক ছড়াতে সক্ষম।

অন্যদিকে আর্সেনালের আক্রমণভাগও কম শক্তিশালী নয়। বুকায়ো সাকার সৃজনশীলতা, কাই হাভার্টজের অভিজ্ঞতা এবং ভিক্টর ইয়োকেরেসের শক্তিশালী উপস্থিতি যে কোনো মুহূর্তে ম্যাচের মোড় ঘুরিয়ে দিতে পারে।

মাঝমাঠে ডেক্লান রাইস, মার্টিন জুবিমেন্দি ও মার্টিন ওডেগার্ডের সমন্বয় আর্সেনালকে দিয়েছে নতুন ভারসাম্য। ফলে ম্যাচটি কেবল দুই দলের নয়, দুই ফুটবল দর্শনেরও লড়াই হয়ে উঠতে যাচ্ছে।

ফাইনালের আগে পিএসজি কোচ লুইস এনরিকে প্রতিপক্ষকে যথেষ্ট সম্মান জানিয়ে বলেছেন, আর্সেনাল তাদের কোচ মিকেল আরতেতার চিন্তা ও ব্যক্তিত্বের প্রতিফলন।

অন্যদিকে আর্সেনাল ফরোয়ার্ড কাই হাভার্টজের কণ্ঠে শোনা গেছে দৃঢ় প্রত্যয়। তার বিশ্বাস, মাঠের লড়াইয়েই প্রমাণ হবে কে এগিয়ে।

একদিকে টানা দ্বিতীয় শিরোপার হাতছানি, অন্যদিকে প্রথম ইউরোপজয়ের স্বপ্ন। দুই দলের সামর্থ্য, আত্মবিশ্বাস ও আক্রমণাত্মক ফুটবল দর্শন মিলিয়ে আজকের ফাইনালে ফুটবলপ্রেমীরা দেখবে রোমাঞ্চকর এক লড়াই।

২০৩০ বিশ্বকাপেও খেলবে রোনালদো : পর্তুগিজ কোচ

ক্রীড়া ডেস্ক
২০৩০ বিশ্বকাপেও খেলবে রোনালদো : পর্তুগিজ কোচ
ক্রিস্টিয়ানো রোনালদো। সংগৃহীত ছবি

বয়স এখন ৪১। ২০৩০ বিশ্বকাপের সময় ক্রিস্টিয়ানো রোনালদোর বয়স হবে ৪৫ বছর। আয়োজক দেশগুলোর একটি পর্তুগাল হওয়ায় তখনও জাতীয় দলে তার থাকা নিয়ে প্রশ্ন উঠলেও, সেই সন্দেহ একেবারেই উড়িয়ে দিয়েছেন পর্তুগাল জাতীয় দলের কোচ রবার্তো মার্তিনেজ।

স্প্যানিশ রেডিও ক্যাডেনা সেরে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে মার্তিনেজ স্পষ্ট জানিয়ে দেন, ২০৩০ বিশ্বকাপে রোনালদোর খেলা নিয়ে তিনি আত্মবিশ্বাসী।

তিনি বলেন, ‘কেউই সন্দেহ করতে পারে না যে রোনালদো ২০৩০ বিশ্বকাপে খেলতে পারে। সে এমন এক বিশ্বাস ও মানসিকতা অর্জন করেছে।’

২০০৩ সালে মাত্র ১৮ বছর বয়সে পর্তুগাল জাতীয় দলে অভিষেক হয় রোনালদোর। এরপর দুই দশকেরও বেশি সময় ধরে তিনি দেশের ইতিহাসে সর্বোচ্চ ম্যাচ খেলা এবং সর্বোচ্চ গোলদাতা হিসেবে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করেছেন।

জাতীয় দলের হয়ে তার ম্যাচ সংখ্যা ২২৬ এবং গোল ১৪৩, দুই ক্ষেত্রেই তিনি সবার চেয়ে অনেক এগিয়ে।

রোনালদোর নেতৃত্বেই ২০১৬ সালে প্রথমবারের মতো ইউরোপিয়ান চ্যাম্পিয়নশিপ জেতে পর্তুগাল। এর আগে ২০০৬ বিশ্বকাপে সেমিফাইনালে পৌঁছে তারা ১৯৬৬ সালের পর বিশ্বকাপে নিজেদের সেরা সাফল্য অর্জন করে।

২০২২ কাতার বিশ্বকাপে ঘানার বিপক্ষে পেনাল্টি থেকে গোল করে ইতিহাস গড়েন রোনালদো। তিনি প্রথম ফুটবলার হিসেবে পাঁচটি ভিন্ন বিশ্বকাপে গোল করার অনন্য কীর্তিও স্থাপন করেন।

রোনালদোর দীর্ঘ ক্যারিয়ার নিয়ে মার্তিনেজ বলেন, অনেক খেলোয়াড় বড় সাফল্যের পর মোটিভেশন হারিয়ে ফেললেও রোনালদো ব্যতিক্রম। তার ভাষায়, রোনালদো এমন একজন, যিনি সাফল্যের পরও একই ক্ষুধা ধরে রেখেছেন।

তিনি আরো বলেন, ‘তার দীর্ঘ সময় ধরে খেলার পেছনে মূল কারণ এই লক্ষ্য ও মানসিকতা। জেনেটিক সুবিধা আছে, নিজের শরীরের যত্নও অসাধারণ, কিন্তু সবচেয়ে বড় বিষয় তার মানসিক শক্তি।’

আসন্ন ৪৮ দলের বিশ্বকাপে গ্রুপ ‘কে’-তে খেলবে পর্তুগাল। ১৭ জুন হিউস্টনে ডিআর কঙ্গোর বিপক্ষে ম্যাচ দিয়ে তাদের বিশ্বকাপ অভিযান শুরু হওয়ার কথা।

বৈভবের ঝড় ম্লান, গিল–সুদর্শনের বিশ্বরেকর্ডে ফাইনালে গুজরাট

অনলাইন ডেস্ক
বৈভবের ঝড় ম্লান, গিল–সুদর্শনের বিশ্বরেকর্ডে ফাইনালে গুজরাট
সেঞ্চুরির পর গিল। ছবি : সংগৃহীত।

লক্ষ্য ছিল ২১৫ রানের। কিন্তু টি-টোয়েন্টির যুগে এই রান আর ততটা ‘বড়’ নয়। মুলানপুরের পিসিএ স্টেডিয়ামে তারই প্রমাণ মিলল। অনায়াসেই সেই লক্ষ্য টপকে গেল গুজরাট টাইটান্স। দলের সাত উইকেটে জয়ে মুখ্য ভূমিকা নিলেন অধিনায়ক শুভমান গিল, তার দুর্দান্ত সেঞ্চুরির সৌজন্যে। ফলে রবিবারের আইপিএল ফাইনালে হাইভোল্টেজ লড়াই। ‘কিং’ বনাম ‘প্রিন্স’-এর বহুল প্রতীক্ষিত দ্বৈরথ।

শুক্রবার ফাইনালে ওঠার লড়াইয়ে দু’বার টস হল। প্রথমে টস জিতলেও দ্বিতীয়বার টস হওয়ায় হেরে যান গুজরাট অধিনায়ক। আসলে প্রথমে গিলকে কয়েনটি স্পিন করতে বলেন ম্যাচ রেফারি। কিন্তু রিয়ান পরাগ যে হেড কল করেছেন, তা কানে পৌঁছয়নি তার। টেল পড়ায় গিল জিতেও যান। কিন্তু রেফারি রিয়ানের কল শুনতে পাননি বলে গিলকে ফের টস করতে বলেন। ঘটনায় বেশ বিরক্তই হন গুজরাট ক্যাপ্টেন। কিন্তু নিয়ম মেনে তিনি ফের টস করতে বাধ্য হন। এবার রিয়ান হেড কল করেন। হেডই পড়ে। ফলে টস জিতে প্রথমে ব্যাটিংয়ের সিদ্ধান্ত নেয় রাজস্থান।

প্রথমে ব্যাটিং নিলেও শুরুটা কিন্তু জমাতে পারল না রাজস্থান। সাত তাড়াতাড়ি ফিরলেন যশস্বী জয়সওয়াল (১) এবং ধ্রুব জুরেল (৭)। এরপর রবীন্দ্র জাডেজার সঙ্গে বৈভব সূর্যবংশীর ১২৭ রানের গুরুত্বপূর্ণ জুটি রাজস্থানকে লড়াকু স্কোরে পৌঁছে দেয়। 

জাড্ডু অপরাজিত থাকেন ৩৫ বলে ৪৫ রানে। তার আগে অবশ্য ক্রিকেটবিশ্ব আরও একবার সাক্ষী থাকল বৈভব-তাণ্ডবে। এদিন অবশ্য অনেক ‘পরিণত’ বৈভবকে দেখা গেল। ৩১ বলে হাফসেঞ্চুরি করল বাঁহাতি তারকা। যা আইপিএলে তার সবচেয়ে মন্থর পঞ্চাশ। আগের ম্যাচে ২৯ বলে ৯৭ রানের বিধ্বংসী ইনিংস খেললেও, এদিন দলের স্বার্থে তাকে অনেক বেশি ধীরস্থির হয়ে ব্যাট করেছে সে। অর্ধশতরান আসে ১৩তম ওভারে। তবে পঞ্চাশের পরই গিয়ার বদলে আগ্রাসী মেজাজে ব্যাট করতে শুরু করে বৈভব। এক সময় মনে হচ্ছিল সেঞ্চুরি সময়ের অপেক্ষা। কিন্তু কাগিসো রাবাডার শর্ট বলে থার্ডম্যান অঞ্চলে প্রসিদ্ধ কৃষ্ণের হাতে ক্যাচ দিয়ে থামতে হয় তাকে। ১৫ বছরের এই ব্যাটারের ৪৭ বলে ৯৬ রানের ইনিংসকে সম্মান জানাতে গোটা মাঠ দাঁড়িয়ে অভিবাদন জানায়। শেষদিকে ডোনোভান ফেরেরা রশিদ খানকে শেষ ওভারে চারটি ছক্কা মেরে দলকে ২০০ রানের গণ্ডি পার করান।

২১৫ রানের বড় লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে শুরু থেকে আগ্রাসী মনোভাব দেখায় গুজরাট। প্রথম ওভারেই জফ্রা আর্চারকে চারটি চার মেরে চাপে ফেলে দেন ওপেনাররা। নান্দ্রে বার্গার ও ব্রিজেশ শর্মাও রানের গতি আটকাতে পারেননি। পাওয়ার প্লে শেষ হতেই গুজরাট তুলে ফেলে ৬৯ রান। এরপরও থামেনি দাপট। সময়ের সঙ্গে আরও একপেশে হয়ে ওঠে ম্যাচ। নবম ওভারেই শতরানের জুটি গড়ে তোলেন শুভমান গিল ও সাই সুদর্শন। টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটে এই জুটির এটি ১১তম শতরান। যা একটি নজিরবিহীন রেকর্ড।

রান আটকাতে স্পিনারদের আক্রমণে আনলেও উলটো ফল হয়। রবীন্দ্র জাডেজা ও যশ রাজ পুঞ্জার বলেও কেমন যেন ম্যাড়ম্যাড়ে। মনে হচ্ছিল, কোনও উইকেট না হারিয়েই ম্যাচ শেষ করে দেবে গুজরাট। কিন্তু হঠাৎই ‘অদ্ভুত’ বিদায় সুদর্শনের। আগের ম্যাচের মতো এবারও হিট উইকেট তিনি। চার পেলেও লাভ হয়নি। বল বাউন্ডারিতে গেলেও তার আগেই ব্যাট লেগে স্টাম্প ভেঙে যায়। হতাশায় মাথায় হাত দেন সুদর্শন, আর অন্য প্রান্তে থাকা গিলও অবাক হয়ে হাঁটু গেড়ে বসে পড়েন। ৩২ বলে ৫৮ রানের ঝকঝকে ইনিংস খেলেন তিনি।

এরপর গিল নিজের ছন্দ বজায় রেখে রবীন্দ্র জাডেজাকে চার মেরে সেঞ্চুরি পূর্ণ করেন। দুর্দান্ত এই ইনিংসে ৫৩ বলে ১০৪ রান করেন তিনি। ছিল ১৫টি চার ও ৩টি ছয়। তবে ১৫তম ওভারে আর্চারের বলে এলবিডব্লিউ হয়ে ফিরতে হয় গুজরাট অধিনায়ককে। শেষদিকে ওয়াশিংটন সুন্দর (১৬) আউট হলেও ম্যাচ জেতাতে কোনও সমস্যা হয়নি। জস বাটলার ও রাহুল তেওতিয়া ৮ বল বাকি থাকতে দলকে জয়ের লক্ষ্যে পৌঁছে দেন

আবারও রিয়ালের কোচ মরিনহো

অনলাইন ডেস্ক
আবারও রিয়ালের কোচ মরিনহো

নতুন মেয়াদে আবারও রিয়াল মাদ্রিদের প্রধান কোচ হলেন জোসে মরিনহো। প্রায় ১৩ বছর পর ক্লাবটিতে ফিরে ৩ বছরের চুক্তি করেছেন অভিজ্ঞ পর্তুগিজ কোচ। ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসি তাদের এক প্রতিবেদনে এ খবর জানিয়েছে।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এখনই এই বিষয়ে আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দেবে না রিয়াল মাদ্রিদ। আগামী ৭ জুন রিয়াল মাদ্রিদের প্রেসিডেন্সিয়াল নির্বাচন হওয়ার কথা রয়েছে। এরপর মরিনহোকে নতুন কোচ হিসেবে আনুষ্ঠানিক পরিচয় করিয়ে দেওয়া হবে।

এর আগে ২০১০ থেকে ২০১৩ পর্যন্ত সময়ে রিয়ালের ডাগআউটে ছিলেন স্পেশাল ওয়ানখ্যাত এই কোচ। সেবার তার কোচিংয়ে স্প্যানিশ লা লিগা, কোপা দেল রে ও স্প্যানিশ সুপার জিতেছিল রিয়াল।

গত জানুয়ারিতে জাভি আলোন্সো চাকরি হারানোর পর রিয়ালের ভারপ্রাপ্ত দায়িত্ব নিয়েছিলেন আলভারো আরবেলোয়া। এবার পূর্ণকালীন মেয়াদে কোচ নিয়োগ দিলো জায়ান্ট ক্লাবটি।

গত বছরের সেপ্টেম্বরে দুই বছরের চুক্তিতে বেনফিকায় ফিরে গিয়েছিলেন মরিনিয়ো। সেটির এক বছরও পূর্ণ হওয়ার আগেই স্পেনে চলে আসবেন তিনি।

২০১৩ সালে রিয়ালের দায়িত্ব ছাড়ার পর চেলসিতে ফিরেছিলেন মরিনিয়ো। তার কোচিংয়ে ইংলিশ প্রিমিয়ার লিগ ও ইএফএল কাপ জিতেছিল লন্ডনের ক্লাবটি। 

এরপর ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডের দায়িত্ব নিয়ে ইউরোপা লিগ, ইএফএল কাপ ও কমিউনিটি শিল্ড ট্রফি ঘরে তোলেন মরিনিয়ো। পরে টটেনহ্যাম, রোমা, ফেনারব্যাচ ও বেনফিকার ডাগআউটে দাঁড়ান তিনি।

হাতুরাসিংহের সহকারী হলেন নিক পোথাস | কালের কণ্ঠ