• ই-পেপার

এক ম্যাচ হাতে রেখেই ভারতের সিরিজ জয়

বিশ্বকাপ ইতিহাসে সবচেয়ে বেশিবার সেমিফাইনালে উঠেছে কোন দল

ক্রীড়া ডেস্ক
বিশ্বকাপ ইতিহাসে সবচেয়ে বেশিবার সেমিফাইনালে উঠেছে কোন দল

বড় দলগুলো বড় স্বপ্ন নিয়ে বিশ্বকাপ খেলতে যায়। আরো স্পষ্ট করে বললে, তাদের মূল লক্ষ্য থাকে শিরোপা জয়। 

তবে সেমিফাইনালে নিয়মিত জায়গা করে নেওয়াও একটি দলের ধারাবাহিক সাফল্যের বড় প্রমাণ। সেই বিচারে বিশ্বকাপ ইতিহাসের সবচেয়ে সফল দল জার্মানি। 

চলমান ২৩তম বিশ্বকাপ আসরের মধ্যে সর্বোচ্চ ১২ বার সেমিফাইনালে খেলেছে জার্মানি। তবে চারবারের বিশ্ব চ্যাম্পিয়নরা সর্বশেষ তিন আসরে শেষ চারে জায়গা করে নিতে পারেনি। জার্মানরা এবার প্যারাগুয়ের কাছে টাইব্রেকারে হেরে রাউন্ড অব ৩২ পর্ব থেকে ছিটকে গেছে।

দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ৮ বার করে সেমিফাইনালে উঠেছে ব্রাজিল ও ফ্রান্স। রেকর্ড পাঁচবারের বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন ব্রাজিল সর্বশেষ শেষ চারে উঠেছিল ২০১৪ সালে, নিজেদের মাঠ মিনেইরাওয়ে। ওই ম্যাচে জার্মানির কাছে ৭-১ গোলে বিধ্বস্ত হওয়ার ক্ষত এখনো তাদের বয়ে বেড়াতে হচ্ছে। 

আর ঘণ্টাখানেক পরেই ফ্রান্স অষ্টমবারের মতো বিশ্বকাপের সেমিফাইনাল খেলতে নামবে। ডালাসে ফরাসিদের প্রতিপক্ষ স্পেন। 

চারবারের বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন ইতালি এ নিয়ে তিন বিশ্বকাপের মূল পর্বে খেলার যোগ্যতা অর্জন করতে পারেনি। তবে সেমিফাইনালে ইতালিয়ানদের ইতিহাস বেশ সমৃদ্ধ। তারা শেষ চারে খেলেছে ৭ বার।

এ ছাড়া বর্তমান বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন আর্জেন্টিনা এ নিয়ে ষষ্ঠবারের মতো সেমিফাইনালে উঠেছে। এর আগে পাঁচবার সেমিফাইনালে উঠে তারা প্রতিবারই জিতেছে। এবার ফাইনালে ওঠার লড়াইয়ে তাদের প্রতিপক্ষ ইংল্যান্ড।

সবচেয়ে বেশিবার সেমিফাইনালে ওঠা ৫ দল
জার্মানি        ১২ বার
ব্রাজিল        ৮ বার
ফ্রান্স           ৮ বার    
ইতালি        ৭ বার
আজেন্টিনা   ৬ বার

বাংলাদেশ অ্যাথলেট দলকে ব্রিটিশ হাইকমিশনের সংবর্ধনা

ক্রীড়া ডেস্ক
বাংলাদেশ অ্যাথলেট দলকে ব্রিটিশ হাইকমিশনের সংবর্ধনা
ছবি : বাসস

২০২৬ সালের কমনওয়েলথ গেমসে অংশ নিতে যাওয়া বাংলাদেশ অ্যাথলেট দলের সাফল্য কামনা করেছেন বাংলাদেশে নিযুক্ত ব্রিটিশ হাইকমিশনার সারাহ কুক। চলতি মাসের শেষের দিকে স্কটল্যান্ডের গ্লাসগোতে অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া কমনওয়েলথ গেমসের প্রতিযোগী বাংলাদেশি অ্যাথলেটদের জন্য একটি সংবর্ধনার আয়োজন করে ঢাকাস্থ ব্রিটিশ হাইকমিশন। 

সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে হাইকমিশনার সারাহ কুক বলেন, কমনওয়েলথ গেমস ‘সত্যিই বিশেষ কিছু’। কারণ এটি অভিন্ন মূল্যবোধে ঐক্যবদ্ধ বিভিন্ন দেশের এক বৈচিত্র্যময় পরিবারকে একত্রিত করে।

তিনি বলেন, ‘বাংলাদেশ থেকে এই চমৎকার অ্যাথলেট দলটি আর মাত্র কয়েক দিন পরেই গ্লাসগোর উদ্দেশে রওনা হবে। আমি তাদের শুভ কামনা জানাই।’

২০১৪ সালের পর এ নিয়ে তৃতীয়বারের মতো যুক্তরাজ্যের গ্লাসগোতে এই ইভেন্ট অনুষ্ঠিত হচ্ছে। এটি কমনওয়েলথের প্রতি ব্রিটেনের প্রতিশ্রুতি এবং মানুষকে ঐক্যবদ্ধ, অনুপ্রাণিত ও ইতিবাচক পরিবর্তনের দিকে ধাবিত করার ক্ষেত্রে খেলাধুলার শক্তিকে পুনর্ব্যক্ত করে। 

অনুষ্ঠানে বাংলাদেশি অ্যাথলেটদের নিষ্ঠা, কঠোর পরিশ্রম ও সাফল্যের প্রশংসা করা হয় এবং আন্তর্জাতিক অঙ্গনে দেশের প্রতিনিধিত্ব করার প্রস্তুতি নেওয়ার সময় তাদের প্রতি আন্তরিক শুভকামনা জানানো হয়।

বাংলাদেশ এই প্রতিযোগিতায় অ্যাথলেটিকস, বক্সিং, আর্টিস্টিক জিমন্যাস্টিকস এবং সাঁতার—এই চারটি ইভেন্টে অংশ নেবে।

অনুষ্ঠানটি আধুনিক কমনওয়েলথের মূল্যবোধ ধারণের পাশাপাশি বাংলাদেশ ও যুক্তরাজ্যের মধ্যকার দীর্ঘদিনের অংশীদারির বিষয়টিও ফুটিয়ে তুলেছে।

টি-টোয়েন্টিতে ভালো কিছু করার প্রত্যয় মোসাদ্দেকের

টি-টোয়েন্টিতে ভালো কিছু করার প্রত্যয় মোসাদ্দেকের

দীর্ঘ চার বছর পর অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে ওয়ানডে সিরিজ দিয়ে জাতীয় দলে ফিরেন অলরাউন্ডার মোসাদ্দেক হোসেন।  দলে জায়গা পেয়েই ব্যাট-বল হাতে দুর্দান্ত পারফরম্যান্সে হন সিরিজসেরা। তাতেই জিম্বাবুয়ে সফরে টি-টোয়েন্টি দলে ডাক পান এই অলরাউন্ডার। ওয়ানডের মতো টি-টোয়েন্টির প্রত্যাবর্তনও স্মরণীয় করে রাখতে চান মোসাদ্দেক। তিনি জানান, দলের প্রয়োজনে অবদান রাখতে দৃঢ়প্রতিজ্ঞ।

বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) দেওয়া এক ভিডিও বার্তায় মোসাদ্দেক বলেন, ‘নিজের কাছে আমার প্রত্যাশা অনেক বেশি। দলে ফেরার পর আমি ভালো খেলেছি এবং এখন আমাকে আরো ভালো খেলতে হবে। দলের প্রয়োজনে নিজের সেরাটা খেলতে হবে।’

টি-টোয়েন্টি সিরিজে খেলার সুযোগ পেলে দলের জন্য অবদান রাখতে চান মোসাদ্দেক উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘বুলাওয়ের কন্ডিশন হারারে থেকে বেশ আলাদা। বাতাস বেশি এবং পরিবেশও ভিন্ন। খেলার সুযোগ পেলে দলের জন্য ভালো কিছু করার এবং দলের জয়ে অবদান রাখাই আমার প্রধান লক্ষ্য। ব্যক্তিগতভাবে দলের প্রয়োজনে যেকোনো ভূমিকাতেই আমি অবদান রাখতে চাই।’

আগামীকাল থেকে বুলাওয়েতে শুরু হওয়া তিন ম্যাচের টি-টোয়েন্টি সিরিজ জিতে এবারের জিম্বাবুয়ে সফর ভালোভাবে শেষ করতে চায় বাংলাদেশ। সফরের শুরুতে এক ম্যাচের টেস্ট ১-০ ব্যবধানে এবং তিন ম্যাচের ওয়ানডে সিরিজ ২-১ ব্যবধানে হারে বাংলাদেশ। 

‘মাঝমাঠের নিয়ন্ত্রণই নির্ধারণ করবে কোন দল জয়ী হবে’

ক্রীড়া ডেস্ক
‘মাঝমাঠের নিয়ন্ত্রণই নির্ধারণ করবে কোন দল জয়ী হবে’

বিশ্বকাপে আর্জেন্টিনা-ইংল্যান্ডের সেমিফাইনাল ম্যাচকে ঘিরে জমে উঠেছে কথার লড়াই। তবে সব ছাপিয়ে ম্যাচটিকে ফুটবলের অন্যতম সেরা ঐতিহাসিক ও  প্রতিদ্বন্দ্বিতা হিসেবে বর্ণনা করেছেন ইংল্যান্ডের সাবেক স্ট্রাইকার রবি ফাওলার। 

ফাওলার বলেন, ‘ম্যাচটি ফুটবলের অন্যতম একটি ঐতিহাসিক ও ঐতিহ্যবাহী লড়াই হতে চলেছে। এটি কেবল ফুটবল এবং বিশ্বকাপের ইতিহাসের ওপর ভিত্তি করে গড়ে ওঠেনি, বরং দুই দেশের মধ্যকার ব্যাপক ইতিহাসের ওপরও দাঁড়িয়ে আছে। এখানে অনেক অবিস্মরণীয় মুহূর্ত রয়েছে। যেমন ম্যারাডোনার সেই গোল, ডেভিড বেকহ্যামের লাল কার্ড পাওয়া, বেকহ্যামের পেনাল্টি এবং ফকল্যান্ডস যুদ্ধের প্রেক্ষাপট। এই সবকিছুই একটি সাধারণ ফুটবল ম্যাচকে আরো বড় ও গুরুত্বপূর্ণ করে তুলেছে।’

মাঝমাঠের লড়াইটি ম্যাচের ভাগ্য নির্ধারণ করবে উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘ইংল্যান্ডকে সুসংগঠিত থাকতে হবে। রক্ষণভাগে খুব বেশি নিচে নেমে যাওয়া এড়িয়ে চলতে হবে। কারণ এটি কেবল নিজেদের ওপর চাপই ডেকে আনবে। আর্জেন্টিনা মাঝমাঠের মাধ্যমে বলের দখল বজায় রাখতে চাইবে। তাই ইংল্যান্ডকে রক্ষণাত্মকভাবে অত্যন্ত সুশৃঙ্খল হতে হবে।’

ব্যক্তিগত নৈপুণ্য ম্যাচের সিদ্ধান্ত বদলে দিতে পারলে জানিয়ে ফাওলার বলেন, ‌‘সেরা দলগুলো তাদের পরিকল্পনা অনুযায়ী খেলে। পিছিয়ে পড়লেও তারা আতঙ্কিত হয় না। তারা নিজেদের কৌশলের ওপর ভরসা রাখে এবং চাপের মধ্যেও সঠিক সিদ্ধান্ত নিতে থাকে। টুর্নামেন্টের এই পর্যায়ে দলগুলোর মধ্যে টেকনিক্যাল পার্থক্য খুবই সামান্য থাকে। এই ধরনের ম্যাচগুলোতে মানসিকতাই জয়ের প্রধান কারণ হয়ে দাঁড়াতে পারে।’

এই ম্যাচে টেকনিক্যাল দক্ষতার পাশাপাশি মানসিক দৃঢ়তা এবং মাঝমাঠের নিয়ন্ত্রণই নির্ধারণ করবে কোন দল জয়ী হবে বলে যোগ করেন এই সাবেক ইংলিশ ডিফেন্ডার। 

আর্জেন্টিনা যেখানে টানা দ্বিতীয়বার বিশ্বকাপ জয়ের লক্ষ্যে খেলছে। ইংল্যান্ড ৬০ বছরের মধ্যে প্রথমবার বিশ্বকাপের ফাইনালে ওঠার অপেক্ষায় রয়েছে।

এক ম্যাচ হাতে রেখেই ভারতের সিরিজ জয় | কালের কণ্ঠ