• ই-পেপার

কোহলিদের সামনে এক বিশালদেহী

রামিসা হত্যার দৃষ্টান্তমূলক বিচার চাইলেন মাশরাফি-মুশফিক-সাকিবরা

ক্রীড়া ডেস্ক
রামিসা হত্যার দৃষ্টান্তমূলক বিচার চাইলেন মাশরাফি-মুশফিক-সাকিবরা
ছবি : মাশরাফির ফেসবুক থেকে

রাজধানীর পল্লবীতে শিশু রামিসা আক্তারের হত্যার ঘটনায় ‍পুরো দেশ এখন উত্তাল। ৭ বছরের শিশুকে ধর্ষণের পর নৃশংসভাবে গলা কেটে হত্যা করেন অভিযুক্ত সোহেল রানা। এ ঘটনায় অভিযুক্তের সর্বোচ্চ শাস্তি দাবি করছেন সবাই।

বাদ যাচ্ছেন না ক্রিকেটাররাও। ফুলের মতো নিষ্পাপ শিশুকে হত্যায় দ্রুত ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি চেয়ে সামাজিক মাধ্যমে পোস্ট দিয়েছেন মাশরাফি বিন মর্তুজা, সাকিব আল হাসান ও মুশফিকুর রহিমরা। নিচে তাদের পোস্ট হুবহু তুলে ধরা হলো—

প্রতিটি শিশু নির্ভয়ে বেড়ে উঠুক এমন বাংলাদেশ চেয়ে সাবেক অধিনায়ক মাশরাফি লিখেছেন, ‘রামিসার মতো কত নিষ্পাপ প্রাণ হারিয়ে গেছে, সেই হিসেব হয়তো কেউ রাখবে না। কিন্তু এই নৃশংসতার শেষ চাই। বিচারহীনতার প্রতিটি ঘটনা অপরাধীদের সাহস বাড়ায়। এই ঘৃণিত অন্যায়ের দ্রুততম ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি হোক। প্রতিটি শিশু বেড়ে উঠুক নির্ভয়ে, নিশ্চিন্তে, আনন্দে...।’

যারা এমন নৃশংস কাজ করে তারা মানবতার শত্রু উল্লেখ করে সাবেক বিশ্বসেরা অলরাউন্ডার সাকিব লিখেছেন, ‘একটি শিশুর কান্না শুধু একটি পরিবারের শোক নয়, এটি পুরো সমাজের ব্যর্থতার প্রতিধ্বনি। যারা নিষ্পাপ শৈশবকে ধর্ষণ ও হত্যার মতো নৃশংসতায় ধ্বংস করে, তারা মানবতার শত্রু। ন্যায়বিচার বিলম্বিত মানেই অন্যায়ের সাহস বাড়ানো। রামিসার জন্য দ্রুততম ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি চাই।’

আর কোনো পরিবারকে যেন এমন কষ্ট সইতে না হয় এমন দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি চেয়ে মুশফিক লিখেছেন, ‘আজ সকালে খবরটা শুনে স্তব্ধ হয়ে গেছি। ছোট্ট রামিসার নিরাপত্তা, ভালোবাসা আর আশ্রয় পাওয়ার কথা ছিল, এমন ভয়ানক নিষ্ঠুরতা নয়। এই নিষ্পাপ শিশুটির জন্য দ্রুত ও দৃষ্টান্তমূলক বিচারের দাবি জানাচ্ছি। কোনো পরিবারকে যেন এমন কষ্ট সইতে না হয়। শিশুদের ওপর অপরাধের সর্বোচ্চ শাস্তি হওয়া উচিত।’

বাংলাদেশের টেস্ট অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্ত লিখেছেন, ‘‘আমরা এমন এক সমাজ চাই, যেখানে প্রতিটি শিশু নিরাপদে হাসতে পারবে; ভয় নয়, স্বপ্ন নিয়ে বড় হবে। আর কোনো জীবন যেন এভাবে থেমে না যায়। আল্লাহ তাকে জান্নাতুল ফেরদৌস দান করুন, আর দোষীদের এমন শাস্তি হোক, যা সমাজের জন্য দৃষ্টান্ত হয়ে থাকে।’

ওয়ানডে দলের অধিনায়ক মেহেদী হাসান মিরাজ লিখেছেন, ‘মিরপুরের পল্লবীতে নির্মমতার শিকার শিশু রামিসা ও এই ধরনের অন্যান্য সব ঘটনায় দোষীদের দ্রুত সময়ের মাঝে আইনের আওতায় এনে সর্বোচ্চ শাস্তি নিশ্চিত করা অত্যন্ত জরুরি। ধর্ষণ, নিপীড়ন ও সব ধরনের সহিংসতার বিরুদ্ধে আমাদের সবাইকে আরো সচেতন ও ঐক্যবদ্ধ হতে হবে। প্রতিটি শিশুর নিরাপদ শৈশব, সম্মান ও মানবিক পরিবেশ নিশ্চিত করা আমাদের সবার দায়িত্ব। রামিসার মতো আর কোনো শিশুকে যেন এমন নির্মমতার শিকার হতে না হয়, সেই দায়িত্ব আমাদের সবার।’

গত মঙ্গলবার (১৯ মে) সকাল সাড়ে ১১টার দিকে মিরপুর ১১ নম্বরের বি ব্লকের একটি বাড়ির তিনতলার ফ্ল্যাট থেকে রামিসার খণ্ডিত লাশ উদ্ধার করে পুলিশ। ঘটনার আগে সকাল সাড়ে ১০টার দিকে বড় বোনের সঙ্গে স্কুলে যাওয়ার কথা ছিল তার। কিন্তু হঠাৎ করেই সে নিখোঁজ হয়।

রামিসার মা ফ্ল্যাটের দরজার বাইরে মেয়ের জুতো দেখতে পেয়ে পাশের ফ্ল্যাটে নক করেন। ভেতর থেকে দরজা না খোলায় সন্দেহ বাড়ে। পরে জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯ নম্বরে ফোন দিলে পুলিশ এসে দরজা ভেঙে খাটের নিচ থেকে ধড় এবং শৌচাগার থেকে বিচ্ছিন্ন মাথা উদ্ধার করে। ঘটনার পর শৌচাগারের গ্রিল ভেঙে পালিয়ে যায় মূল অভিযুক্ত সোহেল রানা।

পরে একই দিন সন্ধ্যায় নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। সে পেশায় রিকশা মেকানিক এবং দুই মাস আগে স্ত্রীকে নিয়ে ওই ফ্ল্যাটে ভাড়া ওঠেন। পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে রক্তমাখা আলামত জব্দ করেছে এবং জিজ্ঞাসাবাদের জন্য সোহেল রানার স্ত্রীকে আটক করেছে। 

দ্রাবিড় ও রাঠোরের প্রতি বিশেষভাবে কৃতজ্ঞ কোহলি

ক্রীড়া ডেস্ক
দ্রাবিড় ও রাঠোরের প্রতি বিশেষভাবে কৃতজ্ঞ কোহলি
ছবি : এএনআই

ভারতের সাবেক অধিনায়ক বিরাট কোহলি নেতৃত্বের মানসিক চাপ নিয়ে মুখ খুলেছেন। নেতৃত্বের চাপ কাটিয়ে উঠতে ভারতের সাবেক প্রধান কোচ রাহুল দ্রাবিড় এবং ব্যাটিং কোচ বিক্রম রাঠোর তাকে ক্রিকেট খেলার আসল আনন্দ পুনরুজ্জীবিত করতে সাহায্য করেছেন।

এএনআইয়ে প্রকাশিত প্রতিবেদন অনুযায়ী, ২০২২ সালে নেতৃত্বের গুরুভার ঝেড়ে ফেলার পর কোহলির মানসিক অবস্থা এবং ফর্মের যে অবনতি হয়েছিল, তা কাটিয়ে ওঠার নেপথ্যে এই দুই কোচের অবদান ছিল অনস্বীকার্য।

রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স বেঙ্গালুরের এক পডকাস্টে কথা বলতে গিয়ে কোহলি বিভিন্ন ফরম্যাটে প্রায় এক দশক ধরে অধিনায়কত্বের চাপ বয়ে বেড়ানোর অভিজ্ঞতা নিয়ে বলেন, ‘অধিনায়কের দায়িত্ব ছাড়ার পর অত্যন্ত কঠিন ও মানসিক চাপের মধ্য দিয়ে জীবন অতিবাহিত করছিলাম।’

অধিনায়ক এবং ব্যাটিং ইউনিটের মূল ভরসা হওয়ার কারণে দৈনন্দিন জীবনে বিশাল চাপ তৈরি হয়েছিল। ২০২২ সালে অধিনায়কত্ব ছাড়ার পর অফ-ফর্মের থাকাকালীন বছরের ৬টি টেস্টে ২৬.৫ গড়ে মাত্র ২৬৫ রান করতে সক্ষম হন। এক পর্যায়ে ‘ইম্পোস্টার সিন্ড্রোম’ বা আত্মবিশ্বাসের অভাবজনিত মানসিক জটিলতায় ভুগতে শুরু করি বলে যোগ করেন তিনি।

২০২১ সালের নভেম্বরে দলের দায়িত্ব নেওয়া প্রধান কোচ রাহুল দ্রাবিড় এবং ব্যাটিং কোচ বিক্রম রাঠোর কোহলির মনের ভেতরের এই লড়াইগুলোকে অনুধাবন করেন। কোহলি জানান, অধিনায়কত্ব ছাড়ার পরই দ্রাবিড় ও রাঠোরের কাছে নিজের মানসিক অবস্থা নিয়ে খোলামেলা আলোচনা শুরু করেন। তারা অত্যন্ত যত্নশীলভাবে তার পাশে দাঁড়ান এবং কোহলির হারানো আত্মবিশ্বাস ও খেলার প্রতি ক্ষুধা ফিরিয়ে আনেন।

দ্রাবিড়ের অভিভাবকত্ব এবং দিকনির্দেশনায় ২০২৩ সালে কোহলি দুর্দান্তভাবে ফর্মে ফেরেন। সেই বছর তিনি ৫৬ গড়ে দুটি সেঞ্চুরি ও দুটি হাফ সেঞ্চুরিসহ ৮টি টেস্টে ৬৭১ রান সংগ্রহ করেন।

কোহলির বলেন, ‘দুই ক্রিকেট ব্যক্তিত্বের ইতিবাচক দৃষ্টিভঙ্গিই তাকে নতুন করে ২২ গজের লড়াই উপভোগ করতে শিখিয়েছে।’

বোনাস নয়, সেই টাকা দিয়ে সুইমিংপুল চান শান্ত-মুশফিকরা

ক্রীড়া ডেস্ক
বোনাস নয়, সেই টাকা দিয়ে সুইমিংপুল চান শান্ত-মুশফিকরা
সিরিজ জয়ের পর ট্রফিসহ ক্রিকেটারদের ফটোসেশন। ছবি : কালের কণ্ঠ

সাধারণত ঐতিহাসিক ম্যাচ বা সিরিজ জয়ের পুরস্কার হিসেবে ক্রিকেটারদের বোনাস দিয়ে থাকে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)। ঘরের মাঠে পাকিস্তানকে প্রথমবার টেস্ট ও সিরিজ হারানোয় পকেট গরম হওয়ার কথা ছিল নাজমুল হোসেন শান্ত ও লিটন দাসদের। 

ক্রিকেটারদের পুরস্কৃত করার ইচ্ছাও ছিল বিসিবির। তবে ক্রিকেটাররাই চেয়েছেন বোনাস না নিতে। তাদের চাওয়া সেই অর্থ দিয়ে যেন সুইমিংপুল বানানো হয়। শান্ত-মুশফিকুর রহিমদের এমন ভাবনার প্রশংসা করেছেন বিসিবির অ্যাডহক কমিটির সভাপতি তামিম ইকবাল।

নিজেদের নয়, সবার চিন্তা করে এমনটা করেছেন জানিয়ে তামিম বলেছেন, ‘আমরা তৈরি ছিলাম, যদি বোনাস দেওয়া লাগত, অবশ্যই দিতাম। কারণ, তাদের এটা প্রাপ্য। কিন্তু সবার উচিত তাদের এই উদ্যোগের (বোনাস না নেওয়া) প্রশংসা করা। তারা শুধু নিজেদের কথা চিন্তা করেনি। এই সুবিধা (সুইমিংপুল) তাদের ছোট ভাইয়েরা, অনূর্ধ্ব–১৯ বা হাই পারফরম্যান্সে যারা আছে, তারাও ব্যবহার করবে।’

মিরপুর শেরেবাংলা স্টেডিয়ামের মূল নকশায় সুইমিংপুলের ব্যবস্থা থাকলেও কখনো আলোর মুখ দেখেনি। এবার অত্যাধুনিক সুযোগ-সুবিধা সম্পন্ন সুইমিংপুলটি তৈরি করা হবে বলে জানিয়েছেন তামিম। যারাই আসন্ন বিসিবি পরিচালনা পর্ষদ আসুক না কেন তারাই সেটা করবে এমন আশ্বাস ব্যক্ত করে তামিম বলেছেন, ‘ইতিমধ্যে প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। আমি খেলোয়াড়দের ধন্যবাদ জানাতে চাই। যত টাকা বোর্ড দিত, ওই টাকা হয়তো লাইফ চেঞ্জিং কিছু হতো না। তবে তারা যেটা চেয়েছে, এই সুবিধার কারণে অনেকের অনেক উন্নতি হতে পারে। এই চিন্তাকে সাধুবাদ জানাই। প্রক্রিয়া শুরু করে দেব। নির্বাচন জিতে যারাই আসে আমি বা যে কেউ যেন তাড়াতাড়ি সম্পন্ন করে।’ 

পাকিস্তানকে ২ টেস্টের সিরিজে ধবলধোলাই করেছে বাংলাদেশ। ঘরের মাঠের প্রথমটিতে মিরপুরে ১০৪ রানের জয় পান শান্তরা। আর সিলেটে পাকিস্তানকে ৭৮ রানে হারায় বাংলাদেশ। এর আগে পাকিস্তানের বিপক্ষে সর্বশেষ টেস্ট দেখাতেও প্রতিপক্ষকে ধবলধোলাই করে বাংলাদেশ। ২ টেস্টের সেই সিরিজ ২০২৪ সালে হয়েছিল পাকিস্তানে।

ভারতীয় দল বাংলাদেশ সফরে আসবে, আশা তামিমের

ক্রীড়া ডেস্ক
ভারতীয় দল বাংলাদেশ সফরে আসবে, আশা তামিমের
তামিম ইকবাল ও বিরাট কোহলি। ছবি : সংগৃহীত

আগামী সেপ্টেম্বরে বাংলাদেশের মাটিতে তিনটি করে ওয়ানডে ও টি-টোয়েন্টি খেলার কথা ভারত ক্রিকেট দলের। প্রায় চার বছর পর এটিই হবে ভারতীয় দলের প্রথম বাংলাদেশ সফর। 

কিন্তু ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট বাংলাদেশে রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর দুই দেশের সম্পর্কে টানাপোড়েন শুরু হয়। এ বছর বাংলাদেশ দল ভারতে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ খেলতে না যাওয়ায় দুই দেশের ক্রিকেট বোর্ডেরও সম্পর্কে অবনতি হয়েছে। সব মিলিয়ে ভারতীয় দলের বাংলাদেশে খেলতে আসা পুরোপুরি নির্ভর করছে নরেন্দ্র মোদি সরকারের সবুজ সংকেতের ওপর। 

তবে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) অ্যাডহক কমিটির সভাপতি তামিম ইকবালের আশা, বাংলাদেশ-ভারত সিরিজ সূচি অনুযায়ী মাঠে গড়াবে। টাইমস অব ইন্ডিয়াকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে এই আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন তিনি।

তামিম বলেছেন, ‘এ বছর ভারতের বিপক্ষে একটি নির্ধারিত সিরিজ রয়েছে। আমি খুব আশাবাদী যে ভারত বাংলাদেশে এসে পুরো সিরিজ খেলবে। এটি এমন একটি দ্বিপক্ষীয় সিরিজ, যা বাংলাদেশের মানুষ সত্যিই উপভোগ করে। দর্শকরা মাঠে আসে এবং দারুণ প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ ক্রিকেট দেখা যায়। ভারতের বিপক্ষে সর্বশেষ সিরিজে বাংলাদেশ খুব ভালো খেলেছিল। এই দুই দেশ যখনই খেলে, বিশেষ করে ভারত যখন বাংলাদেশ সফরে আসে, তখন সেটি সব সময়ই প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ হয়।’

নিয়মিত যোগাযোগ ও আলোচনার মাধ্যমে ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিসিআই) সঙ্গে দূরত্ব ঘোচাতে চান তামিম, ‘সমস্যা সব সময়ই থাকবে এবং সেগুলো সমাধান করার দায়িত্ব ক্রিকেট বোর্ডগুলোর। এখন আমাদের নতুন ক্রিকেট বোর্ড আছে এবং একটি অ্যাডহক কমিটি গঠন করা হয়েছে। আমি নিশ্চিত, যোগাযোগ ও আলোচনা চলবে। অন্য যা-ই হোক না কেন, ক্রিকেটের জয় হওয়াই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ এবং আমি সে জন্যই কাজ করতে চাই।’

বিসিবির ঘোষিত সূচি অনুযায়ী, ১, ৩ ও ৬ সেপ্টেম্বর তিনটি ওয়ানডে এবং ৯, ১২ ও ১৩ সেপ্টেম্বর তিনটি টি-টোয়েন্টি হওয়ার কথা। 

বিরাট কোহলি ও রোহিত শর্মা টেস্ট ও টি-টোয়েন্টিকে অনেক আগেই বিদায় বলে দিয়েছেন। ভারতের এই দুই মহাতারকা এখন শুধু ওয়ানডে খেলছেন। আশা করা হচ্ছে, সেপ্টেম্বরের সিরিজেও তারা খেলবেন। ভারতের স্কোয়াডে থাকলে এটিই হতে পারে কোহলি-রোহিতের শেষ বাংলাদেশ সফর।

কোহলিদের সামনে এক বিশালদেহী | কালের কণ্ঠ