• ই-পেপার

বিশ্বকাপের আগে আঙুল ভাঙল আর্জেন্টাইন গোলরক্ষক মার্তিনেজের

বিশ্বকাপ মাতাতে প্রস্তুত যে ৭ সুপারস্টার

ক্রীড়া ডেস্ক
বিশ্বকাপ মাতাতে প্রস্তুত যে ৭ সুপারস্টার
ছবি : এআই

আর মাত্র কয়েক সপ্তাহ পরই শুরু হচ্ছে ফুটবল বিশ্বকাপ। যুক্তরাষ্ট্র, মেক্সিকো ও কানাডায় অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া এবারের বিশ্বকাপ ঘিরে ফুটবলভক্তদের উত্তেজনা এখন তুঙ্গে। দল বেড়েছে, ম্যাচও বেড়েছে—আর সেই সঙ্গে বেড়েছে তারকাদের আলোচনাও।

বিশ্ব ফুটবলের সবচেয়ে বড় এই আসরে নজর থাকবে কয়েকজন সুপারস্টারের দিকে, যারা নিজেদের দেশকে শিরোপার স্বপ্ন দেখাচ্ছেন।

লিওনেল মেসি (আর্জেন্টিনা)

২০২২ বিশ্বকাপ জিতে নিজের ক্যারিয়ারের সবচেয়ে বড় অপূর্ণতা পূরণ করেছিলেন মেসি। ২০২৬ বিশ্বকাপে খেলবেন কি না, সেটি এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে নিশ্চিত না হলেও তাকে দলে পাওয়ার আশা করছে আর্জেন্টিনা।

৩৯ বছরে পা দিলেও মেসির জাদু যেন কমেনি। ইন্টার মায়ামির হয়ে চলতি মৌসুমে ১৫ ম্যাচে ১৩ গোল করেছেন তিনি।

ক্রিস্তিয়ানো রোনালদো (পর্তুগাল)

৪১ বছর বয়সেও গোলের ক্ষুধা কমেনি রোনালদোর। এটি হতে যাচ্ছে তার ক্যারিয়ারের ষষ্ঠ বিশ্বকাপ। অভিজ্ঞতা, নেতৃত্ব আর গোল করার ক্ষমতায় এখনো পর্তুগালের সবচেয়ে বড় তারকা তিনি।

নেইমার (ব্রাজিল)

দীর্ঘ চোট কাটিয়ে আবারও বিশ্বকাপে ফিরছেন নেইমার। ব্রাজিলের ইতিহাসের সর্বোচ্চ গোলদাতা এই তারকার জন্য এটি হতে পারে শেষ বিশ্বকাপ। ফিট থাকলে ম্যাচের ভাগ্য একাই বদলে দিতে পারেন তিনি।

কিলিয়ান এমবাপ্পে (ফ্রান্স)

বর্তমান সময়ের অন্যতম সেরা ফুটবলার এমবাপ্পে। রিয়াল মাদ্রিদের হয়ে প্রায় প্রতি ম্যাচেই গোল করছেন এই ফরোয়ার্ড।

২০১৮ বিশ্বকাপজয়ী ফ্রান্স দলের গুরুত্বপূর্ণ সদস্য ছিলেন তিনি। ২০২২ বিশ্বকাপেও সর্বোচ্চ গোলদাতা হয়েছিলেন এমবাপ্পে, ফাইনালে করেছিলেন হ্যাটট্রিক।

হ্যারি কেইন (ইংল্যান্ড)

ইংল্যান্ডের ইতিহাসের সর্বোচ্চ গোলদাতা কেইন। জাতীয় দলের হয়ে ১১২ ম্যাচে করেছেন ৭৮ গোল।

চলতি মৌসুমে বায়ার্ন মিউনিখের হয়ে ৩৬ গোল করে দলকে বুন্দেসলিগা জিতিয়েছেন তিনি। এবার তার লক্ষ্য ইংল্যান্ডকে ১৯৬৬ সালের পর প্রথম বিশ্বকাপ শিরোপা এনে দেওয়া।

ভিনিসিয়ুস জুনিয়র (ব্রাজিল)

ব্রাজিল দলে তারকার অভাব নেই। তবে সবচেয়ে বড় ভরসা এখন ভিনিসিয়ুস। গতি, ড্রিবলিং আর সৃজনশীলতায় প্রতিপক্ষ রক্ষণকে তছনছ করে দিতে পারেন এই উইঙ্গার।

রাফিনিয়া ও ম্যাথিউস কুনহাদের নিয়ে এবার অনেক দূর যাওয়ার স্বপ্ন দেখছে পাঁচবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা।

লামিনে ইয়ামাল (স্পেন)

মাত্র ১৬ বছর বয়সেই ইউরো জয়ের নায়ক হয়ে আলোচনায় আসেন ইয়ামাল। এরপর বার্সেলেনার হয়েও বড় ম্যাচে নিজের প্রতিভার প্রমাণ দিয়েছেন।

এবার বিশ্বকাপেও স্পেনের বড় অস্ত্র হতে পারেন এই তরুণ তারকা।

বিশ্বকাপে ভয়াবহ ছোঁয়াচে রোগের প্রভাব, ক্যাম্প বাতিল করল একটি দেশ

ক্রীড়া ডেস্ক
বিশ্বকাপে ভয়াবহ ছোঁয়াচে রোগের প্রভাব, ক্যাম্প বাতিল করল একটি দেশ
ছবি : রয়টার্স

ইবোলা আতঙ্কে বিশ্বকাপ প্রস্তুতিতে বড় ধাক্কা খেল কঙ্গো। পূর্বাঞ্চলে ভয়াবহ ইবোলা প্রাদুর্ভাবের কারণে রাজধানী কিনশাসায় নির্ধারিত তিন দিনের প্রস্তুতি ক্যাম্প ও সমর্থকদের বিদায়ী অনুষ্ঠানের পরিকল্পনা বাতিল করেছে দেশটির ফুটবল ফেডারেশন।

স্বাস্থ্য পরিস্থিতির অবনতির মধ্যেই এমন সিদ্ধান্ত নিতে বাধ্য হয়েছে কঙ্গো। দেশটিতে ছড়িয়ে পড়েছে বিরল ধরনের ‘বুন্ডিবুগিও’ ইবোলা ভাইরাস, যাতে এখন পর্যন্ত শতাধিক মানুষের মৃত্যু হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। আক্রান্তের সংখ্যাও কয়েক শ ছাড়িয়েছে। পরিস্থিতিকে আন্তর্জাতিক জনস্বাস্থ্য জরুরি অবস্থা হিসেবে ঘোষণা করেছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা।

তবে বিশ্বকাপের প্রস্তুতি পুরোপুরি থেমে যাচ্ছে না। কঙ্গো দলের মুখপাত্র জেরি কালেমো জানিয়েছেন, কিনশাসার পর্বটি বাতিল হলেও বাকি দুটি ধাপ ঠিক থাকছে। জুনের শুরুতে বেলজিয়ামের লিয়েজে ডেনমার্কের বিপক্ষে এবং এরপর স্পেনে চিলির বিপক্ষে প্রীতি ম্যাচ খেলবে দলটি। পরে যুক্তরাষ্ট্রের হিউস্টনে চূড়ান্ত প্রস্তুতি ক্যাম্প করবে তারা।

কালেমো বলেন, ‘প্রস্তুতির তিনটি ধাপ ছিল। শুধু কিনশাসার অংশটি বাতিল হয়েছে। বেলজিয়াম ও স্পেনের ম্যাচগুলো পরিকল্পনা অনুযায়ীই হবে।’

কঙ্গো জাতীয় দলের বেশিরভাগ ফুটবলারই ইউরোপভিত্তিক। বিশেষ করে ফ্রান্সের বিভিন্ন ক্লাবে খেলেন তারা। ফরাসি কোচ সেবাস্তিয়ান দেশাব্রের নেতৃত্বে দলটি ইতিমধ্যেই ইউরোপে অবস্থান করছে। ফলে সরাসরি স্বাস্থ্যঝুঁকির মধ্যে পড়েননি খেলোয়াড়রা।

ফিফাও পরিস্থিতির ওপর কড়া নজর রাখছে। এক বিবৃতিতে বিশ্ব ফুটবলের নিয়ন্ত্রক সংস্থা জানিয়েছে, কঙ্গো ফুটবল ফেডারেশনের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ রাখা হচ্ছে এবং খেলোয়াড় ও কর্মকর্তাদের প্রয়োজনীয় স্বাস্থ্য ও নিরাপত্তা নির্দেশনা দেওয়া হচ্ছে।

এদিকে যুক্তরাষ্ট্রও সতর্ক অবস্থানে গেছে। দেশটির রোগ নিয়ন্ত্রণ সংস্থা (সিডিসি) ঘোষণা দিয়েছে, গত তিন সপ্তাহে কঙ্গো, উগান্ডা বা দক্ষিণ সুদান সফর করেছেন, এমন বিদেশিদের আপাতত যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা থাকবে। যদিও কঙ্গো জাতীয় দল এই নিষেধাজ্ঞার আওতায় পড়বে না বলে জানিয়েছে মার্কিন প্রশাসন, কারণ দলটি কয়েক সপ্তাহ ধরেই ইউরোপে অনুশীলন করছে।

তবে যারা সম্প্রতি কঙ্গো সফর করেছেন, তাদের জন্য কোয়ারেন্টিন নিয়ম প্রযোজ্য হতে পারে। সমর্থকদের ক্ষেত্রেও একই কড়াকড়ি বজায় থাকবে।

দীর্ঘ ৫২ বছর পর বিশ্বকাপে ফিরছে কঙ্গো। সর্বশেষ ১৯৭৪ সালে ‘জায়ার’ নামে বিশ্বকাপে খেলেছিল দেশটি। এবার প্লে-অফ পেরিয়ে জায়গা করে নেওয়ার পর পুরো দেশে উৎসবের আবহ তৈরি হয়েছিল। বহু বছর ধরে সংঘাত ও অস্থিরতায় জর্জরিত দেশটির মানুষের কাছে এই বিশ্বকাপ যেন নতুন আশার প্রতীক।

বিশ্বকাপের গ্রুপ ‘কে’-তে থাকা কঙ্গো ১৭ জুন হিউস্টনে পর্তুগালের বিপক্ষে ম্যাচ দিয়ে অভিযান শুরু করবে। এরপর কলম্বিয়া ও উজবেকিস্তানের বিপক্ষেও খেলবে আফ্রিকার দলটি। 

আর্জেন্টিনার বিশ্বকাপ চূড়ান্ত দলে থাকতে পারে দুই চমক

ক্রীড়া ডেস্ক
আর্জেন্টিনার বিশ্বকাপ চূড়ান্ত দলে থাকতে পারে দুই চমক

বিশ্বকাপ যত ঘনিয়ে আসছে, ততই বাড়ছে আর্জেন্টিনার চূড়ান্ত স্কোয়াড নিয়ে উত্তেজনা। কাতার বিশ্বকাপ জয়ের পর এবার শিরোপা ধরে রাখার মিশনে নামবে লিওনেল মেসির দল। আর সেই লক্ষ্যেই এখন স্কোয়াড নিয়ে বড় সিদ্ধান্ত নিতে শুরু করেছেন কোচ লিওনেল স্কালোনি।

প্রাথমিক ৫৫ সদস্যের তালিকা থেকে ধাপে ধাপে খেলোয়াড় কমিয়ে আনার পরিকল্পনা করছে আর্জেন্টিনা। সর্বশেষ খবর অনুযায়ী, স্কালোনি আপাতত ২৮ জনের একটি সংক্ষিপ্ত তালিকা তৈরি করতে যাচ্ছেন। আর সেই তালিকায় জায়গা পেতে পারেন দুই চমক—এমিলিয়ানো বুয়েন্দিয়া ও মাতিয়াস সুলে।

দুজনই দীর্ঘদিন জাতীয় দলের মূল পরিকল্পনার বাইরে ছিলেন। তবে ইউরোপিয়ান ক্লাব ফুটবলে দুর্দান্ত মৌসুম কাটিয়ে আবারও আলোচনায় উঠে এসেছেন তারা। স্কালোনিও তাদের পারফরম্যান্সে মুগ্ধ বলে জানা গেছে। ফলে শেষ মুহূর্তে বিশ্বকাপ দলে জায়গা পাওয়ার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে এই দুই ফুটবলারের সামনে।

এমিলিয়ানো বুয়েন্দিয়া চলতি মৌসুমে অ্যাস্টন ভিলার হয়ে ৫২ ম্যাচে ১১ গোল ও ৯ অ্যাসিস্ট করেছেন। গতরাতে ইউরোপা লিগের ফাইনালে গোল-অ্যাসিস্ট করেছেন তিনি।

অন্যদিকে মাতিয়াস সুলে ইতালিয়ান ক্লাব রোমার হয়ে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করেছেন। চলতি মৌসুমে ৪১ ম্যাচে ৭ গোল ও ৮ অ্যাসিস্ট করেছেন তিনি।

বর্তমান বিশ্বচ্যাম্পিয়ন আর্জেন্টিনা এবার বিশ্বকাপে খেলবে ‘জে’ গ্রুপে। সেখানে তাদের প্রতিপক্ষ আলজেরিয়া, অস্ট্রিয়া ও জর্ডান। 

১৬ জুন কানসাস সিটিতে আলজেরিয়ার বিপক্ষে ম্যাচ দিয়ে বিশ্বকাপ অভিযান শুরু করবে আর্জেন্টিনা।

এমেরির পাঁচে অপরাজিত এমি মার্তিনেজ, ৪৪ বছর পর ভিলার ইউরোপ জয়

ক্রীড়া ডেস্ক
এমেরির পাঁচে অপরাজিত এমি মার্তিনেজ, ৪৪ বছর পর ভিলার ইউরোপ জয়
ছবি : রয়টার্স

ইউরোপা লিগ মানেই যেন উনাই এমেরির রাজত্ব। আবারও সেটিই প্রমাণ করলেন স্প্যানিশ এই কোচ। বুধবার ইস্তাম্বুলে জার্মান ক্লাব ফ্রাইবুর্গকে ৩-০ গোলে উড়িয়ে দিয়ে অ্যাস্টন ভিলাকে ইউরোপা লিগের শিরোপা জিতিয়েছেন এমেরি। আর তাতেই ইউরোপীয় ফুটবলের ইতিহাসে নিজেকে বসিয়েছেন কিংবদন্তিদের কাতারে।

এই জয়ে ইউরোপা লিগে এমেরির শিরোপা সংখ্যা দাঁড়াল পাঁচে, যা এই প্রতিযোগিতার ইতিহাসে সর্বোচ্চ। এর মাধ্যমে ইতালিয়ান কিংবদন্তি জিওভান্নি ত্রাপাত্তোনি, কার্লো আনচেলত্তি এবং পর্তুগিজ কোচ জোসে মরিনহোর পাশে নিজের নাম লিখিয়েছেন তিনি। একই সঙ্গে আনচেলত্তির পর দ্বিতীয় কোচ হিসেবে পাঁচবার বড় কোনো ইউরোপীয় প্রতিযোগিতা জয়ের কীর্তিও গড়লেন এমেরি।

ফাইনালে শুরু থেকেই ছিল অ্যাস্টন ভিলার আধিপত্য। ম্যাচের ২৩ মিনিটে দুর্দান্ত এক ভলিতে দলকে এগিয়ে দেন ইউরি টিলেমান্স। প্রথমার্ধের যোগ করা সময়ে এমিলিয়ানো বুয়েন্দিয়ার বাঁকানো শটে ব্যবধান দ্বিগুণ হয়। এরপর দ্বিতীয়ার্ধে দলের তৃতীয় গোল করে জয় নিশ্চিত করেন মরগান রজার্স।

৩-০ ব্যবধানে এগিয়ে যাওয়ার পর ম্যাচটা যেন একপেশেই হয়ে যায়। গ্যালারিতে তখন শুরু হয়ে যায় ভিলা সমর্থকদের উৎসব। আর সাইডলাইনে শান্তভাবে দাঁড়িয়ে থাকা এমেরি যেন আগেই জানতেন, ইউরোপা লিগের মঞ্চে তার গল্পের শেষটা কেমন হবে।

এই প্রতিযোগিতার সঙ্গে এমেরির সম্পর্কটা যেন অন্যরকম। সেভিয়ার হয়ে ২০১৪ থেকে ২০১৬ পর্যন্ত টানা তিনবার ইউরোপা লিগ জিতেছিলেন তিনি। এরপর ২০২১ সালে ভিয়ারিয়ালকে এনে দেন শিরোপা। এবার অ্যাস্টন ভিলাকে চ্যাম্পিয়ন করে ইউরোপা লিগে নিজের আধিপত্য আরো পোক্ত করলেন।

ম্যাচ শেষে আবেগঘন কণ্ঠে এমেরি বলেন, ‘ইউরোপ আমাকে সবসময় বিশেষ কিছু দিয়েছে। চ্যাম্পিয়নস লিগ, কনফারেন্স লিগ—সব প্রতিযোগিতাই গুরুত্বপূর্ণ। কিন্তু ইউরোপা লিগের সঙ্গে আমার আলাদা সম্পর্ক আছে। আমরা এই প্রতিযোগিতায় নিজেদের সর্বোচ্চটা দেওয়ার চেষ্টা করেছি।’ 

অ্যাস্টন ভিলার এই সাফল্যের পেছনে এমেরির অবদান কতটা বড়, সেটি বোঝার জন্য খুব বেশি পেছনে তাকাতে হয় না। ২০২২ সালে তিনি দায়িত্ব নেওয়ার সময় দলটি ছিল অবনমনের শঙ্কায়। প্রিমিয়ার লিগের রেলিগেশন জোনের ঠিক ওপরে অবস্থান করছিল তারা।

সেখান থেকে মাত্র কয়েক বছরের ব্যবধানে দলটিকে তিনি চ্যাম্পিয়ন্স লিগে তুলেছেন, আবার ইউরোপা লিগের ট্রফিও এনে দিয়েছেন।

দলের অধিনায়ক জন ম্যাকগিন বলেন, ‘এই কোচ থাকলে সবকিছুই সম্ভব মনে হয়। আজকের রাতটা আমাদের পুরো যাত্রার প্রতিফলন। ৩-০ ব্যবধানে এগিয়ে থাকার সময় মনে হচ্ছিল—আমরা সত্যিই ইউরোপের চ্যাম্পিয়ন! অনুভূতিটা ভাষায় বোঝানো যাবে না।’

পরিসংখ্যানও এমেরির অসাধারণ কাজের সাক্ষ্য দিচ্ছে। তিনি দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকে উয়েফা প্রতিযোগিতায় রিয়াল মাদ্রিদের চেয়ে বেশি ম্যাচ জেতেনি আর কোনো দল। রিয়ালের ৪৭ ম্যাচে ৩০ জয়ের বিপরীতে অ্যাস্টন ভিলার জয় ৪১ ম্যাচে ২৯টি!

১৯৯৬ সালের পর এটি অ্যাস্টন ভিলার প্রথম বড় শিরোপা। আর ইউরোপীয় মঞ্চে ১৯৮২ সালে ইউরোপিয়ান কাপ (বর্তমান চ্যাম্পিয়নস লিগ) ও সুপার কাপ জয়ের পর প্রথম মহাদেশীয় ট্রফি।

ফরাসি লিগে পিএসজির হয়ে শিরোপা জেতা এমেরি এখন তিনটি ভিন্ন দেশের ক্লাব নিয়ে ট্রফি জয়ের কীর্তিও গড়েছেন। তবে ইউরোপা লিগের মঞ্চে তার গল্পটা যেন আরো বিশেষ।