• ই-পেপার

জনসচেতনতা বৃদ্ধিতে মনপুরায় বসুন্ধরা শুভসংঘের আলোচনা সভা

কালীগঞ্জে বসুন্ধরা শুভসংঘের দিনব্যাপী নানা আয়োজন

বৃক্ষরোপণ, কুইজ, বয়ঃসন্ধিকাল সচেতনতা ও পুরস্কার বিতরণ

অনলাইন ডেস্ক
কালীগঞ্জে বসুন্ধরা শুভসংঘের দিনব্যাপী নানা আয়োজন

পরিবেশ সংরক্ষণ, শিক্ষার্থীদের মেধা বিকাশ এবং কিশোরীদের স্বাস্থ্য সচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে রবিবার (১৯ জুলাই) দিনব্যাপী নানা আয়োজন সম্পন্ন করেছে বসুন্ধরা শুভসংঘ কালীগঞ্জ উপজেলা শাখা। বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি, কুইজ প্রতিযোগিতা, বয়ঃসন্ধিকাল বিষয়ক সচেতনতামূলক আলোচনা এবং পুরস্কার ও উপহার সামগ্রী বিতরণের মধ্য দিয়ে প্রাণবন্ত পরিবেশে অনুষ্ঠিত হয় এ আয়োজন।

লালমনিরহাটের কালীগঞ্জ উপজেলার হাড়িশ্বহর আদর্শ দাখিল মাদরাসায় আয়োজিত এ অনুষ্ঠানে শিক্ষক-শিক্ষার্থী, অভিভাবক ও বসুন্ধরা শুভসংঘের স্বেচ্ছাসেবকদের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণে উৎসবমুখর পরিবেশের সৃষ্টি হয়।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন বসুন্ধরা শুভসংঘ কালিগঞ্জ উপজেলা শাখার প্রধান উপদেষ্টা, কালীগঞ্জ উত্তর বাংলা কলেজের রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের বিভাগীয় প্রধান সহকারী অধ্যাপক মো. শাহ্ আলম। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মিসবাহুল হুদা মহিলা মাদরাসা, কাকিনার পরিচালক মাহাদী হাসান, হাড়িশ্বহর আদর্শ দাখিল মাদরাসার সুপার মোজাহেরুল ইসলাম এবং সহকারী সুপার জসিম উদ্দিন।

এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন–বসুন্ধরা শুভসংঘ কালীগঞ্জ উপজেলা শাখার সহসভাপতি বখতিয়ার খলজি, সাধারণ সম্পাদক মো. হাবিবুর রহমান, সাংগঠনিক সম্পাদক মো. শফিনুর ইসলাম, সহসাংগঠনিক সম্পাদক মো. আব্দুল্লাহ হাসান, দপ্তর সম্পাদক মো. আনিছুর রহমান, নারী বিষয়ক সম্পাদক মোছা. জেসমিন আক্তার, তথ্য ও প্রযুক্তি বিষয়ক সম্পাদক বোরহান উদ্দিনসহ উপজেলা শাখার অন্যান্য সদস্যরা।

অনুষ্ঠানের শুরুতেই শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণে একটি প্রাণবন্ত কুইজ প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়। প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণকারী শিক্ষার্থীরা সাধারণ জ্ঞান, নৈতিক শিক্ষা ও সমসাময়িক বিভিন্ন বিষয়ে নিজেদের মেধা ও দক্ষতার পরিচয় দেয়।

প্রতিযোগিতা শেষে বিজয়ীদের হাতে পুরস্কার তুলে দেন অতিথিরা। কুইজ প্রতিযোগিতায় প্রথম স্থান অর্জন করেন মোছা. সাদিয়া আক্তার, দ্বিতীয় স্থান নুসরাত জাহান লামিয়া, তৃতীয় স্থান মোছা. জাকিয়া সুলতানা, চতুর্থ স্থান সাহারুল ইসলাম এবং পঞ্চম স্থান মো. কামরুল ইসলাম।

এরপর নবম ও দশম শ্রেণির ছাত্রীদের নিয়ে বয়ঃসন্ধিকালীন শারীরিক ও মানসিক পরিবর্তন, ব্যক্তিগত পরিচ্ছন্নতা, পুষ্টি, স্বাস্থ্যবিধি এবং আত্মবিশ্বাস গড়ে তোলার বিষয়ে সচেতনতামূলক আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়।

আলোচনায় বক্তারা বলেন, বয়ঃসন্ধিকাল জীবনের একটি গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়। এ সময় সঠিক জ্ঞান ও সচেতনতা থাকলে কিশোরীরা সুস্থ, আত্মবিশ্বাসী ও নিরাপদভাবে নিজেদের বিকশিত করতে পারে। আলোচনা শেষে শিক্ষার্থীদের মাঝে প্রয়োজনীয় স্বাস্থ্যসামগ্রী ও উপহার বিতরণ করা হয়।

এ সময় বক্তারা আরো বলেন, বসুন্ধরা শুভসংঘ দীর্ঘদিন ধরে শিক্ষা, স্বাস্থ্য, পরিবেশ, মানবিক সহায়তা এবং সামাজিক সচেতনতা বৃদ্ধিতে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে ধারাবাহিকভাবে কাজ করে যাচ্ছে। তরুণ প্রজন্মকে মানবিক মূল্যবোধ, সামাজিক দায়িত্ববোধ ও পরিবেশবান্ধব জীবনধারায় উদ্বুদ্ধ করতে এ ধরনের কার্যক্রম অত্যন্ত কার্যকর।

অনুষ্ঠানের শেষ পর্বে শিক্ষার্থী, শিক্ষক ও স্বেচ্ছাসেবকদের অংশগ্রহণে মাদরাসা প্রাঙ্গণে বিভিন্ন প্রজাতির ফলজ, বনজ ও ঔষধি গাছের চারা রোপণ করা হয়। এ সময় অতিথিরা বলেন, জলবায়ু পরিবর্তনের বিরূপ প্রভাব মোকাবেলা এবং সবুজ বাংলাদেশ গড়তে প্রত্যেক মানুষকে অন্তত একটি করে গাছ লাগানো এবং তার পরিচর্যার দায়িত্ব নেওয়া উচিত।

সবশেষে শিক্ষার্থীদের পরিবেশ রক্ষা, স্বাস্থ্য সচেতনতা, নিয়মিত পড়াশোনা এবং সামাজিক দায়িত্ববোধ নিয়ে এগিয়ে আসার আহ্বান জানিয়ে অনুষ্ঠানের সমাপ্তি ঘোষণা করা হয়। এ ব্যতিক্রমী আয়োজন শিক্ষার্থী ও উপস্থিত অতিথিদের মাঝে ব্যাপক উৎসাহ ও ইতিবাচক সাড়া ফেলে।

লোহাগাড়া-সাতকানিয়ার বন্যার্ত মানুষের পাশে বসুন্ধরা শুভসংঘ

শতাধিক পরিবারের মাঝে ত্রাণ বিতরণ

লোহাগাড়া (চট্টগ্রাম) প্রতিনিধি
লোহাগাড়া-সাতকানিয়ার বন্যার্ত মানুষের পাশে বসুন্ধরা শুভসংঘ

আকস্মিক বন্যার পানি কিছুটা কমলেও কমেনি মানুষের দুর্ভোগ। প্রকৃতির নির্মম আঘাতে লণ্ডভণ্ড হয়ে গেছে বহু মানুষের স্বপ্ন আর স্বাভাবিক জীবনের ছন্দ। কোথাও বসতঘর তলিয়ে গেছে পানির নিচে, কোথাও ভেসে গেছে সংসারের নিত্যপ্রয়োজনীয় সামগ্রী। অনেক পরিবার এখনো দিন কাটাচ্ছে অনিশ্চয়তা আর সংকটের মধ্যে। বন্যার ক্ষত শুকাতে না শুকাতেই খাদ্য ও বিশুদ্ধ পানির সংকট, কর্মহীনতা এবং নিরাপদ আশ্রয়ের অভাব বন্যাদুর্গত মানুষের দুর্ভোগকে আরো বাড়িয়ে তুলেছে। এমন দুর্যোগময় সময়ে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছে বসুন্ধরা শুভসংঘ।

মানবতার সেবায় নিরলস কাজ করে যাওয়া সংগঠনটি চট্টগ্রামের লোহাগাড়া ও সাতকানিয়ায় সাম্প্রতিক বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত শতাধিক পরিবারের মাঝে ত্রাণসামগ্রী বিতরণ করেছে।

শনিবার ও রবিবার (১৮ ও ১৯ জুলাই) দুই দিনব্যাপী এ মানবিক কর্মসূচির মাধ্যমে বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত অসহায় মানুষের হাতে প্রয়োজনীয় খাদ্যসামগ্রী তুলে দেওয়া হয়।

ত্রাণসামগ্রীর মধ্যে ছিল–চাল, ডাল, ভোজ্যতেল, লবণ, শুকনো খাবারসহ বিভিন্ন নিত্যপ্রয়োজনীয় সামগ্রী। প্রতিটি পরিবারের হাতে এসব ত্রাণসামগ্রী তুলে দিয়ে তাদের দুর্দিনে পাশে থাকার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন বসুন্ধরা শুভসংঘের স্বেচ্ছাসেবকেরা। বন্যার ভয়াবহতা কাটিয়ে স্বাভাবিক জীবনে ফিরতে সংগ্রামরত মানুষের জন্য এই সহায়তা ছিল অনেকটাই স্বস্তির।

ত্রাণ বিতরণের সময় সাতকানিয়া বসুন্ধরা শুভসংঘের সভাপতি ইঞ্জিনিয়ার জাভেদ বলেন, ‘সাতকানিয়ার এমন অনেক ইউনিয়ন রয়েছে, যেখানে শত শত বাড়িঘর পুরোপুরি পানির নিচে তলিয়ে গেছে। অনেক পরিবারের ঘরবাড়ি ধ্বংস হয়ে গেছে, তারা মানবেতর জীবনযাপন করছে। বন্যার পানি কমতে শুরু করলেও তাদের দুর্ভোগ কমেনি। অনেকের ঘরে এখনো চুলা জ্বলেনি, শিশু ও বয়স্কদের নিয়ে তারা চরম কষ্টে দিন পার করছেন। এমন অসহায় মানুষদের পাশে দাঁড়াতে পেরে আমরা সত্যিই আনন্দিত। মানবিক দায়বদ্ধতা থেকেই আমাদের এই ক্ষুদ্র প্রয়াস।’

তিনি আরো বলেন, ‘দুর্যোগে মানুষের পাশে দাঁড়ানোই বসুন্ধরা শুভসংঘের অন্যতম অঙ্গীকার। আমরা বিশ্বাস করি, সমাজের সামর্থ্যবান ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানগুলো এগিয়ে এলে বন্যাদুর্গত মানুষের দুর্ভোগ অনেকটাই লাঘব করা সম্ভব। ভবিষ্যতেও যেকোনো মানবিক সংকটে বসুন্ধরা শুভসংঘ অসহায় ও বিপন্ন মানুষের পাশে থাকবে।’

স্থানীয়রা জানান, বন্যার কারণে অনেক পরিবার কর্মহীন হয়ে পড়েছে। দিনমজুর ও নিম্নআয়ের মানুষেরা সবচেয়ে বেশি বিপাকে পড়েছেন। এমন সময়ে বসুন্ধরা শুভসংঘের ত্রাণ সহায়তা তাদের জন্য আশীর্বাদ হয়ে এসেছে। তারা এই মানবিক উদ্যোগের জন্য সংগঠনটির প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।

তাড়াশে বসুন্ধরা শুভসংঘের উদ্যোগে ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানে বিরল প্রজাতির বৃক্ষের চারা রোপণ

বসুন্ধরা শুভসংঘ ডেস্ক
তাড়াশে বসুন্ধরা শুভসংঘের উদ্যোগে ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানে বিরল প্রজাতির বৃক্ষের চারা রোপণ
ছবি : কালের কণ্ঠ

দেশের বিরল ও মহাবিপন্ন প্রজাতির বৃক্ষ সংরক্ষণে সিরাজগঞ্জের তাড়াশে বিভিন্ন ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানের আঙিনায় বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি পালন করেছে বসুন্ধরা শুভসংঘ। এ কর্মসূচির আওতায় মসজিদ, মন্দির, গির্জা ও বৌদ্ধ বিহার চত্বরে চাপালিশ, বৈলাম, বুদ্ধ নারিকেলসহ বিভিন্ন প্রজাতির গাছের চারা রোপণ করা হয়েছে।

বসুন্ধরা শুভসংঘ তাড়াশ উপজেলা শাখার উদ্যোগে দিনব্যাপী এ কর্মসূচি পালন করা হয়। উপজেলার মডেল মসজিদ, শ্রী শ্রী রাধাগোবিন্দ মন্দির, ক্ষিরপোতা আনন্দ বৌদ্ধ বিহার ও মাধাইনগর খ্রিস্টান মিশনারি চার্চের আঙিনায় বিরল ও মহাবিপন্ন প্রজাতির পাশাপাশি ফলদ, বনজ ও ঔষধি গাছের চারা রোপণ করা হয়।

বসুন্ধরা শুভসংঘ তাড়াশ উপজেলা শাখার সভাপতি শামীউল হক শামীমের সভাপতিত্বে এবং সাধারণ সম্পাদক মো. লুৎফর রহমানের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন পরিবেশ ও প্রকৃতির পাঠশালার পরিচালক মাহবুব ইসলাম পলাশ, সাংবাদিক এম. আতিকুল ইসলাম বুলবুল, মো. সাজেদুল আলম, লেখক-গবেষক উজ্জল মাহাতো, এম. এ. মাজিদ, মৃণাল সরকার মিলু এবং উপজেলা শুভসংঘের উপদেষ্টা ও কালের কণ্ঠের প্রতিনিধি সনাতন দাশ।

অনুষ্ঠানে পরিবেশ ও প্রকৃতির পাঠশালার পরিচালক মাহবুব ইসলাম পলাশ বলেন, “পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষায় বৃক্ষের ভূমিকা অপরিসীম। বিরল ও মহাবিপন্ন প্রজাতির গাছ সংরক্ষণে মানুষকে সচেতন করতেই এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।”

লেখক ও গবেষক উজ্জল মাহাতো বলেন, এটি একটি ব্যতিক্রমী উদ্যোগ। পরিবেশ রক্ষায় সবাইকে এমন কার্যক্রমে উদ্বুদ্ধ হওয়া প্রয়োজন।

এ কর্মসূচিতে একাত্মতা প্রকাশ করেন তাড়াশ মডেল মসজিদের তত্ত্বাবধানে থাকা ইসলামিক ফাউন্ডেশনের কর্মকর্তা এম এ মাজিদ, সনাতন সংস্থার সভাপতি তপন গোস্বামী, আনন্দ বৌদ্ধ বিহারের সভাপতি দেবী রানী এবং গির্জার ফাদার কার্লো বুদজি পিমে।

সাতক্ষীরায় বসুন্ধরা শুভসংঘের আয়োজনে পবিত্র কোরআন তিলাওয়াত প্রতিযোগিতা

অনলাইন ডেস্ক
সাতক্ষীরায় বসুন্ধরা শুভসংঘের আয়োজনে পবিত্র কোরআন তিলাওয়াত প্রতিযোগিতা

ধর্মীয় মূল্যবোধ, কোরআনের শিক্ষা এবং এতিম শিক্ষার্থীদের মধ্যে ইসলামী চর্চা জোরদারের লক্ষ্যে সাতক্ষীরায় পবিত্র কোরআন তিলাওয়াত প্রতিযোগিতা ও পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠানের আয়োজন করেছে বসুন্ধরা শুভসংঘ সাতক্ষীরা জেলা শাখা।

শনিবার (১৮ জুলাই) সাতক্ষীরা সদর উপজেলার মধ্য মাছখোলা এলাকার হাজী শামছুদ্দিন হাফিজিয়া মাদরাসা ও এতিমখানায় আয়োজিত এ প্রতিযোগিতায় মাদরাসার শিক্ষার্থীরা উৎসাহ-উদ্দীপনার সঙ্গে অংশ নেয়। প্রতিযোগিতা শেষে বিজয়ীদের হাতে সম্মাননা স্মারক ও পুরস্কার তুলে দেওয়া হয়।

প্রতিযোগিতায় প্রথম স্থান অর্জন করেন মো. ইবরাহিম হোসেন, দ্বিতীয় হন মো. রায়হান হোসেন এবং তৃতীয় স্থান অর্জন করেন মো. সাআদ হোসেন।

সাতক্ষীরা জেলা শুভসংঘের সভাপতি ফাহাদ হোসেনের সভাপতিত্বে আয়োজিত অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন–হেফজ বিভাগের হাফেজ মো. উসমান গনি, নাযেরা বিভাগের হাফেজ মো. মোকলেছুর রহমান, নূরানী বিভাগের শিক্ষক মো. আব্দুর রহমান, মাদরাসা পরিচালনা কমিটির উপদেষ্টা মো. সুমন আলী, সিনিয়র সহসভাপতি মো. আব্দুর রহমান, ক্যাশিয়ার মো. আব্দুল্লাহ, খাদেম মো. তহিদুল ইসলাম, সদস্য ও প্রভাষক মো. আব্দুস সাত্তার, মাদরাসার শিক্ষক-শিক্ষার্থী, বসুন্ধরা শুভসংঘ সাতক্ষীরা জেলা শাখার সদস্য এবং স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা।

সভাপতির বক্তব্যে ফাহাদ হোসেন বলেন, ‘কোরআনের শিক্ষা শুধু সুন্দর তিলাওয়াতের মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়; বরং এর আদর্শ ব্যক্তি, পরিবার ও সমাজজীবনে বাস্তবায়ন করাই আমাদের মূল লক্ষ্য। এতিম ও সুবিধাবঞ্চিত শিশুদের পাশে দাঁড়িয়ে তাদের ধর্মীয় ও নৈতিক শিক্ষার বিকাশে বসুন্ধরা শুভসংঘ ভবিষ্যতেও এ ধরনের মানবিক ও শিক্ষামূলক আয়োজন অব্যাহত রাখবে।’

মাদরাসার সদস্য মো. আব্দুস সাত্তার বলেন, ‘এ ধরনের কোরআন তিলাওয়াত প্রতিযোগিতা শিশুদের মধ্যে কোরআনের প্রতি ভালোবাসা সৃষ্টি করে এবং তাদের নৈতিক চরিত্র গঠনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। সমাজের বিত্তবান ও সচেতন মানুষদের এতিম শিক্ষার্থীদের পাশে দাঁড়ানো উচিত।’

সিনিয়র সহসভাপতি মো. আব্দুর রহমান বলেন, ‘একজন শিক্ষার্থীর প্রকৃত সাফল্য তখনই পূর্ণতা পায়, যখন আধুনিক শিক্ষার পাশাপাশি ধর্মীয় ও নৈতিক শিক্ষার সমন্বয় ঘটে। কোরআনের শিক্ষা মানবিক মূল্যবোধ, সততা ও আদর্শ সমাজ গঠনের সবচেয়ে কার্যকর ভিত্তি।’

অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেন, কোরআনের শিক্ষা ও ইসলামী মূল্যবোধ নতুন প্রজন্মের মধ্যে ছড়িয়ে দিতে এ ধরনের আয়োজন সময়োপযোগী ও প্রয়োজনীয়। ভবিষ্যতেও ধর্মীয় শিক্ষা, নৈতিকতা এবং মানবিক মূল্যবোধ বিকাশে বসুন্ধরা শুভসংঘ বিভিন্ন উদ্যোগ গ্রহণ করবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন তারা।