• ই-পেপার

ইমদাদুল হক মিলনকে পেয়ে উচ্ছ্বাসে মাতল একঝাঁক শিশু-কিশোর

আহমদ ছফার মৃত্যুবার্ষিকী আজ

অনলাইন ডেস্ক
আহমদ ছফার মৃত্যুবার্ষিকী আজ
আহমদ ছফা

খ্যাতনামা কথাসাহিত্যিক, প্রাবন্ধিক, সমালোচক ও অনুবাদক আহমদ ছফার ২৫তম মৃত্যুবার্ষিকী আজ মঙ্গলবার (২৮ জুলাই)। ২০০১ সালের এই দিনে অসুস্থ অবস্থায় ঢাকা কমিউনিটি হাসপাতালে নেওয়ার পথে আহমদ ছফার মৃত্যু হয়। 

আহমদ ছফার জন্ম ১৯৪৩ সালের ৩০ জুন চট্টগ্রামের চন্দনাইশ উপজেলার গাছবাড়িয়া গ্রামে। চট্টগ্রামে স্কুল ও কলেজের লেখাপড়া শেষে ছফা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে রাষ্ট্রবিজ্ঞানে এমএ ডিগ্রি অর্জন করেন তিনি।একাধারে গল্প, উপন্যাস, কবিতা, প্রবন্ধ, সমালোচনা, অনুবাদ ও শিশুসাহিত্যে অবদান রেখে নিজেকে প্রতিষ্ঠা করেন তিনি। বিভিন্ন সময় সাহিত্য-সাময়িকপত্র সম্পাদনা করেন।

আহমদ ছফার উপন্যাসগুলো হলো সূর্য তুমি সাথী (১৯৬৭), উদ্ধার (১৯৭৫), একজন আলী কেনানের উত্থান-পতন (১৯৮৯), অলাতচক্র (১৯৯০), ওঙ্কার (১৯৯৩), গাভীবৃত্তান্ত (১৯৯৪), অর্ধেক নারী অর্ধেক ঈশ্বরী (১৯৯৬), পুষ্পবৃক্ষ ও বিহঙ্গপুরাণ (১৯৯৬)। ছফার গল্পগ্রন্থ- নিহত নক্ষত্র (১৯৬৯)। ছফার কাব্যগ্রন্থের মধ্যে রয়েছে- জল্লাদ সময়, একটি প্রবীণ বটের কাছে প্রার্থনা, লেনিন ঘুমোবে এবার। 

তিনি ছিলেন দক্ষ এবং উদ্যমী সংগঠক। স্বাধীনতাত্তোর বাংলাদেশে আহমদ শরীফের নেতৃত্বে বাংলাদেশ লেখক শিবির গড়ায় মুখ্য ভূমিকা পালন করেন তিনি।

মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে পরিবার ও বিভিন্ন সংগঠনের পক্ষ থেকে বিভিন্ন কর্মসূচি নেওয়া হয়েছে। কর্মসূচিতে রয়েছে, রাজধানীর মিরপুর বুদ্ধিজীবী কবরস্থানে তাঁর কবর জেয়ারত ও শ্রদ্ধা নিবদন, স্মরণসভা প্রভৃতি।

আবদুল্লাহ আবু সায়ীদের জন্মদিন আজ

অনলাইন ডেস্ক
আবদুল্লাহ আবু সায়ীদের জন্মদিন আজ

শিক্ষাবিদ ও সাহিত্যিক আবদুল্লাহ আবু সায়ীদের ৮৭তম জন্মদিন আজ। ১৯৩৯ সালের ২৫ জুলাই কলকাতার পার্ক সার্কাসে জন্মগ্রহণ করেন তিনি। বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্র প্রতিষ্ঠার মধ্য দিয়ে চার দশকেরও বেশি সময় ধরে দেশে ‘আলোকিত মানুষ’ তৈরির কাজ করে যাচ্ছেন তিনি।

আবদুল্লাহ আবু সায়ীদের পৈতৃক নিবাস বাগেরহাটের কচুয়া উপজেলার কামারগাতি গ্রামে। তার বাবা আযীমউদ্দিন আহমদ ছিলেন শিক্ষক। ১৯৫৫ সালে আবদুল্লাহ আবু সায়ীদ পাবনা জিলা স্কুল থেকে মাধ্যমিক, ১৯৫৭ সালে বাগেরহাটের প্রফুল্ল চন্দ্র কলেজ থেকে উচ্চ মাধ্যমিক সম্পন্ন করে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগে ভর্তি হন।

১৯৬০ সালে স্নাতক ও ১৯৬১ সালে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন। ২০০৪ সালে তিনি র‌্যামেন ম্যাগসাইসে পুরস্কার লাভ করেন। দেশে অ-প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষা বিস্তারে অবদানের জন্য ২০০৫ সালে তিনি একুশে পদকে ভূষিত হন। প্রবন্ধে অবদানের জন্য ২০১২ সালে বাংলা একাডেমি পুরস্কার লাভ করেন। ১৯৭০-এর দশকে তিনি টিভি উপস্থাপক হিসেবে বিশেষ জনপ্রিয়তা অর্জন করেন।

১৯৬১ সালে মুন্সীগঞ্জ হরগঙ্গা কলেজে খণ্ডকালীন প্রভাষক হিসেবে যোগদানের মাধ্যমে শিক্ষকতা শুরু করেন আবদুল্লাহ আবু সায়ীদ। পরবর্তী সময়ে কিছুকাল সিলেট মহিলা কলেজে শিক্ষকতা করেন। ১৯৬২ সালে রাজশাহী কলেজে প্রভাষক হিসেবে যোগদানের মাধ্যমে তাঁর সরকারি চাকরিজীবন শুরু। এরপর বর্তমান সরকারি বিজ্ঞান কলেজ ও ঢাকা কলেজেও শিক্ষকতা করেন। দেশে পাঠাগারের অপ্রতুলতা অনুধাবন করে তিনি ১৯৯৮ সালে বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্রের মাধ্যমে ভ্রাম্যমাণ লাইব্রেরি কার্যক্রম শুরু করেন।

শিক্ষাবিদ, সাহিত্যিক, সংগঠক, টিভি ব্যক্তিত্ব ও পরিবেশ আন্দোলনকর্মী অধ্যাপক আবদুল্লাহ আবু সায়ীদ ১৯৭৮ সালে প্রতিষ্ঠা করেন বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্র। মূলত বইপড়া কর্মসূচির মাধ্যমে তিনি বাংলাদেশের হাজার হাজার ছাত্র-ছাত্রীর মাঝে বই পড়ার অভ্যাস গড়ে তুলতে কাজ করছেন।

বাংলাদেশে টেলিভিশনের সূচনালগ্ন থেকে বিনোদন ও শিক্ষামূলক অনুষ্ঠানের উপস্থাপনায় তিনি পথিকৃৎ ও অন্যতম সফল ব্যক্তিত্ব। কবিতা, প্রবন্ধ, ছোটগল্প, নাটক, অনুবাদ, জার্নাল, জীবনীমূলক বই ইত্যাদি মিলিয়ে তার গ্রন্থভাণ্ডার যথেষ্ট সমৃদ্ধ। ডেঙ্গু প্রতিরোধ আন্দোলন, পরিবেশদূষণবিরোধী আন্দোলনসহ নানা সামাজিক আন্দোলনে তিনি সব সময় সামনের কাতারে। কর্মময় জীবনের স্বীকৃতি হিসেবে তিনি একুশে পদক, র‌্যামন ম্যাগসেসাই, জাতীয় টেলিভিশনসহ নানা সম্মাননা পেয়েছেন।

‘জল হাওয়া একতারা’ কাব্যগ্রন্থের পাঠ-উন্মোচন

অনলাইন ডেস্ক
‘জল হাওয়া একতারা’ কাব্যগ্রন্থের পাঠ-উন্মোচন

টাঙ্গুয়ার হাওরে নৌকায় কবি শাহেদ কায়েসের কাব্যগ্রন্থ ‘জল হাওয়া একতারা’র পাঠ উন্মোচন করা হয়েছে। সম্প্রতি কবি অনিন্দ্য জসীমের সঞ্চালনায় বইটির কবিতার ওপর আলোচনা করেন কবি শতাব্দী কাদের এবং কবি অতনু তিয়াস।

এ ছাড়া ‘জল হাওয়া একতারা’ কাব্যগ্রন্থ থেকে কবিতা পাঠ করেন কবি সোহেল মাজহার, কবি সিদ্ধার্থ টিপু, কবি বিল্লাল মেহেদী, কবি অনিন্দ্য জসীম, কবি বোরহান মাসুদ এবং সাংবাদিক ও লেখক বায়েজিদ লিটন।

এই গ্রন্থে হাওর শুধু পটভূমি নয়, এক জীবন্ত সত্তা। মানুষ, প্রকৃতি ও ঋতুচক্র এখানে একে অন্যের সঙ্গে গভীর বন্ধনে আবদ্ধ বলে মন্তব্য করেন কবি অতনু তিয়াস।

যে সুরে বাঁধা এই শহর

উদয় রহমানের গল্প ‘সুর’ নিয়ে একটি ব্যক্তিগত পাঠ-প্রতিক্রিয়া

মাহফুজ নাজিম মাপেল
যে সুরে বাঁধা এই শহর
সংগৃহীত ছবি

উদয় রহমানের ‘সুর’ গল্পটা পড়া শেষ করে হাত থেকে ফোনটা পকেটে রেখে আমি কিছুক্ষণ বসে ছিলাম। কোনো কারণ ছাড়াই কানটা খাড়া করে রেখেছিলাম, যেন ঘরের ভেতরের নিঃশব্দতাটাও এখন একটা শোনার মতো জিনিস হয়ে উঠেছে। পেশায় আমি চিত্রনির্মাতা, নির্মাণোত্তর কাজে একটা বড় অংশ কাটে শব্দ নিয়েই। শব্দ বিন্যাসের যন্ত্রের সামনে না বসলেও প্রতিটা দৃশ্যের পেছনে কোন শব্দ থাকবে, কোনটা থাকবে না এই হিসাব করতে করতেই আমার পেশাগত জীবন কেটেছে। তাই গল্পটার কেন্দ্রীয় প্রশ্নটা আমাকে অন্যভাবে আঘাত করেছে। এই যে আমরা সারাদিন যা শুনি তার একটা মূল্য আছে কি না, তার একটা দায় আছে কি না, নির্মাতা হিসেবে এই প্রশ্নটা আমার এড়ানোর কথা না, তবু কোথাও যেন এড়িয়েই যাচ্ছিলাম।

গল্পের ওস্তাদ চরিত্রটা বলেন, ‘চারশো বত্রিশ হার্টজ থেকে চারশো চল্লিশে সরে যাওয়াটা নাকি নেহাত কারিগরি সিদ্ধান্ত না। কথাটা প্রথমবার পড়ে মনে হয়েছিল, এ তো ষড়যন্ত্র তত্ত্বের চেনা ছক, নেট ঘাঁটলেই এমন শত গল্প মেলে। কিন্তু গল্পটা আসলে ওই তথ্যের সত্যতা নিয়ে জেদ করে না। ওস্তাদ নিজেই বলেন, ‘সব বিশ্বাস কইরেন না, সব অবিশ্বাসও কইরেন না। গল্পের আসল জোরটা লুকানো ওই দ্বিধার মধ্যেই। প্রশ্নটা তথ্য নিয়ে না, অনুভূতি নিয়ে। আমরা কি টের পাই, কোন শব্দ আমাদের ভেতরে প্রশান্তি রেখে যায় আর কোনটা রেখে যায় শুধু একটা অকারণ তাড়া?

এই প্রশ্নটা আমার পেশার সাথে বড় নির্মমভাবে মিলে যায়। বিজ্ঞাপনের কাজ করতে গিয়ে প্রায়ই শুনি, ‘হুকটা আরেকটু জোরে দেন, প্রথম তিন সেকেন্ডে থাম্ব থামাইতে হবে।’ আমরা যারা দৃশ্য আর শব্দ নিয়ে কাজ করি, আমাদের কাজের একটা অংশ আসলে মনোযোগ কেড়ে নেওয়ার কারিগরি। কেউ বলবে না সরাসরি যে ‘মানুষকে অস্থির রাখো,’ কিন্তু ফলাফলটা প্রায় সেরকমই দাঁড়ায়। একটা কনটেন্ট শেষ হতে না হতেই পরেরটার জন্য তাড়া। ‘সুর’ গল্পটা আমাকে একটা আয়নার সামনে দাঁড় করিয়ে দিলো, যেটাতে নিজের পেশাগত অভ্যাসগুলো হঠাৎ অচেনা লাগতে শুরু করলো।

ঢাকার রাস্তায় হাঁটতে হাঁটতে গল্পটা পড়ার পরদিন আমি নিজের কানের দিকে একটু বেশিই মনোযোগ দিলাম। হর্ন, লাউডস্পিকারে চলা বিজ্ঞাপন, একটা রিকশার বেসুরা বেল, দোকানের ভেতর থেকে ভেসে আসা তিনটা আলাদা গান, একটা মোবাইলের রিংটোন আরেকটার ওপর, এই সব মিলিয়ে যে জগাখিচুড়ি শব্দস্তর সেটা আমরা এতটাই গা-সহা করে ফেলেছি যে আলাদা করে খেয়াল করাই বন্ধ করে দিয়েছি। গল্পের সুরাইয়া চরিত্রটার একটা সংলাপ মনে পড়ে বারবার, মানুষ মুখে কী ঢোকায় দশবার ভাবে কিন্তু কানে সারাদিন যা আসে তার হিসাব রাখে না। কথাটা রূপক না বরং প্রায় আক্ষরিক সত্যি মনে হলো আমার কাছে।

তবে গল্পটাকে আমি নিছক নগর-সমালোচনা হিসেবে পড়িনি। এর সবচেয়ে সাহসী অংশটা বোধহয় এইখানে যে, শব্দকে নিছক পদার্থবিজ্ঞানের কম্পাঙ্ক না রেখে গল্পটা সরাসরি আধ্যাত্মিকতার ভাষায় নিয়ে যায়, আর সেই ঝুঁকিটা নিতে দ্বিধা করে না। ওস্তাদ চরিত্রটা যখন বলেন আজানের শব্দ বুকের ভেতরের একটা রগ জাগিয়ে দেয়, সুরা ফাতিহা প্রতি নামাজে পড়ানো হয় যাতে বিপদের দিনে মাথা কাজ না করলেও শব্দটা নিজে থেকে বেরিয়ে আসে, নবজাতকের কানে প্রথম শব্দ হিসেবে আজান দেওয়া হয় যাতে তার "টিউনিং" শুরু হয় জন্মের প্রথম মুহূর্তেই। এই কথাগুলো আমার কাছে নিছক ধর্মীয় অনুষঙ্গ মনে হয়নি বরং মনে হয়েছে একটা স্থাপত্যের বর্ণনা, যেন শরীরের ভেতরে সত্যিই একটা নকশা করা আছে, আর শব্দ সেই নকশার চাবি।

গল্পের সবচেয়ে অস্বস্তিকর অংশটা হয়তো হ্যামেলিনের বাঁশিওয়ালার প্রসঙ্গ। ওস্তাদ যখন বলেন ইঁদুরের জন্য এক সুর, মানুষের জন্য আরেক সুর, একই বাঁশি দিয়ে দুই রকম ডাকা যায় তখন গল্পটা হঠাৎ আর নিছক প্রশান্তির কথা বলে না, ক্ষমতার কথা বলে। যে শব্দ সারাতে পারে, সেই শব্দই কাউকে ডেকে নিয়ে যেতে পারে, ফেরত না এনে। এই দ্বিমুখিতা শব্দের ওষুধ আর শব্দের ফাঁদ একই উৎস থেকে আসা, বোধহয় গল্পের আধ্যাত্মিক দর্শনের মূল স্তম্ভ। পবিত্রতা আর বিপদ যেন একই কম্পনের দুই পিঠ, আর গল্পটা এই দুইয়ের মধ্যে দাগ টেনে দেয় না, দিতে চায়ও না।

সবচেয়ে বড় বাঁকটা আসে যখন ওস্তাদ কোরানের সৃষ্টিতত্ত্বের কথা বলেন, ‘কুন ফায়াকুন’, হও আর হয়ে গেল এবং ইস্রাফিলের শিঙা, যিনি সৃষ্টির প্রথম দিন থেকে অনন্তকাল ধরে এক ফুঁয়ের অপেক্ষায় দাঁড়িয়ে। প্রথম শব্দ দিয়ে শুরু, শেষ শব্দের অপেক্ষায় সমাপ্তি, আর মাঝখানের পুরো অস্তিত্বটাই যেন দুই নোটের মধ্যেকার একটা দীর্ঘ সুর। এই কথাগুলো বিজ্ঞান না, প্রমাণযোগ্য কোনো দাবি না কিন্তু একটা কাব্যিক সত্য বহন করে যা আমি উপেক্ষা করতে পারিনি। গল্পটা এই জায়গায় এসে বিজ্ঞান আর বিশ্বাসের মধ্যেকার সীমানাটা ইচ্ছাকৃতভাবেই ঝাপসা করে দেয়, আর পাঠক হিসেবে আমার কাছে সেই ঝাপসা হয়ে যাওয়াটাই বরং স্বস্তির মনে হয়েছে। সবকিছু মেপে ফেলার দরকার নেই, কিছু জিনিস শুধু অনুভব করার জন্যই রাখা থাকে।

গল্পটা শেষ পর্যন্ত কোনো সমাধান দেয় না, আর সেটাই বোধহয় এর সবচেয়ে সৎ জায়গা। ওস্তাদ অদৃশ্য হয়ে যান, রহস্যটা রহস্যই থেকে যায় আর কথক ঠিক করে ফেলেন যে তিনি অন্তত নিজের ঘরে একটা ছোট নিয়ম মেনে চলবেন, রাত বারোটার পর গান না বাজানো। একটা ব্যক্তিগত সীমানা, বিশাল কোনো দর্শনের ঘোষণা না। আমার কাছে এটাই সবচেয়ে বাস্তবসম্মত মনে হয়েছে। আমরা হয়তো প্রমাণ করতে পারব না চারশো বত্রিশ বনাম চারশো চল্লিশের বিতর্কে কে ঠিক, কিন্তু প্রতিদিন নিজের কানে কী ঢালছি, সেই প্রশ্নটা তোলা কারো এখতিয়ারের বাইরে না।

লেখা শেষ করার আগে একটা স্বীকারোক্তি না দিলেই না। আজ রাতে, এই লেখাটা লিখতে লিখতে আমি ঘড়ির দিকে তাকিয়ে দেখলাম বারোটা পার হয়ে গেছে। ঘরে কোনো গান বাজছে না, শুধু কি-বোর্ডের শব্দ আর জানালার বাইরে একটা কুকুরের ডাক, বহুদূর থেকে। আশ্চর্যের কথা, নিস্তব্ধতাটা এই মুহূর্তে খারাপ লাগছে না।