• ই-পেপার

৮৯ দিনে হাম ও উপসর্গে মৃত্যু ৬৪৩ জনের

  • নিশ্চিত হামে ৯২ জনের মৃত্যু

সকালে খেলে ভালো, রাতে কেন নয় কার্বোহাইড্রেট?

অনলাইন ডেস্ক
সকালে খেলে ভালো, রাতে কেন নয় কার্বোহাইড্রেট?
প্রতীকী ছবি

আমাদের শরীর একটি নির্দিষ্ট জৈবিক ঘড়ি বা সার্কাডিয়ান রিদম অনুযায়ী কাজ করে। সকালে ঘুম থেকে ওঠার পর শরীর সক্রিয় হয় এবং রাতে বিশ্রামের জন্য প্রস্তুত হয়। এই শরীরঘড়ি আমাদের বিপাকক্রিয়া (মেটাবলিজম) ও রক্তে শর্করা নিয়ন্ত্রণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।

এনডিটিভি-র এক প্রতিবেদন এ তথ্য দেয়।

আন্তর্জাতিক ডায়াবেটিস ফেডারেশনের (আইডিএফ) ২০২৫ সালের ডায়াবেটিস অ্যাটলাস অনুযায়ী, বাংলাদেশে ২০২৪ সালে প্রায় ১ কোটি ৩৯ লাখ (১৩.৯ মিলিয়ন) প্রাপ্তবয়স্ক ডায়াবেটিসে আক্রান্ত ছিলেন, যা দেশের মোট প্রাপ্তবয়স্ক জনসংখ্যার ১৩.২ শতাংশ। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, স্বাস্থ্যকর খাদ্যাভ্যাসের পাশাপাশি খাবার গ্রহণের সঠিক সময়ও রক্তে শর্করা নিয়ন্ত্রণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।

শরীরের ঘড়ি কিভাবে কার্বোহাইড্রেট নিয়ন্ত্রণ করে?

কার্বোহাইড্রেট খেলে তা ভেঙে গ্লুকোজে পরিণত হয়। সকালে শরীর ইনসুলিনের প্রতি বেশি সংবেদনশীল থাকে, ফলে গ্লুকোজ সহজে কোষে প্রবেশ করে এবং শক্তি হিসেবে ব্যবহৃত হয়।

কিন্তু রাতে একই পরিমাণ কার্বোহাইড্রেট খেলে রক্তে শর্করার মাত্রা বেশি বেড়ে যেতে পারে। এতে ঘুমের ব্যাঘাত ঘটতে পারে এবং দীর্ঘমেয়াদে ডায়াবেটিসের ঝুঁকি বাড়ে।

কেন রাতে কার্বোহাইড্রেট বেশি ক্ষতিকর হতে পারে?

রাত ৮টার পর ইনসুলিনের কার্যকারিতা কিছুটা কমে যায়।
রাতে শরীরের বিপাকক্রিয়া স্বাভাবিকভাবেই ধীর হয়ে আসে।
শারীরিক নড়াচড়া কম থাকায় অতিরিক্ত গ্লুকোজ ও চর্বি জমার সম্ভাবনা বাড়ে।
রক্তে শর্করার ওঠানামা শক্তি ও ঘুমের ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে।

গবেষণায় দেখা যায়,সকালে খাওয়া কার্বোহাইড্রেট শরীর তুলনামূলকভাবে ভালোভাবে ব্যবহার করতে পারে। কিন্তু একই খাবার রাতে খেলে রক্তে শর্করার মাত্রা বেশি বৃদ্ধি পায়।

প্রিডায়াবেটিস রোগীদের জন্য এর অর্থ কী?

যদি অনিয়মিত সময়ে বা বারবার রাতে বেশি কার্বোহাইড্রেট খাওয়া হয়, তাহলে রক্তে শর্করা দীর্ঘ সময় ধরে বেশি থাকতে পারে। এতে প্রিডায়াবেটিস থেকে টাইপ-২ ডায়াবেটিসে রূপ নেওয়ার ঝুঁকি বাড়ে।

তাই প্রিডায়াবেটিস থাকলে শুধু কী খাচ্ছেন তা নয়, কখন খাচ্ছেন সেটিও গুরুত্বপূর্ণ।

কার্বোহাইড্রেট খাওয়ার সবচেয়ে ভালো সময়

বিশেষজ্ঞদের মতে, কার্বোহাইড্রেট খাওয়ার আদর্শ সময় হলো:

 সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত

 সন্ধ্যার পর ও গভীর রাতে বেশি কার্বোহাইড্রেট এড়িয়ে চলা ভালো।

এছাড়া কার্বোহাইড্রেটের সঙ্গে প্রোটিন ও আঁশযুক্ত (ফাইবার) খাবার খেলে রক্তে শর্করা নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে।

কার্বোহাইড্রেট খাওয়ার সময় ঠিক না হলে যে লক্ষণগুলো দেখা দিতে পারে

রাতে বারবার ক্ষুধা লাগা বা খাবারের আকাঙ্ক্ষা
ঘুমের সমস্যা
সকালে ক্লান্ত বা ঝিমঝিম অনুভব করা
খালি পেটে রক্তে শর্করার মাত্রা বেশি থাকা
দীর্ঘমেয়াদে অগ্ন্যাশয়ের (প্যানক্রিয়াস) ওপর চাপ বৃদ্ধি পাওয়া
রক্তে শর্করা নিয়ন্ত্রণে সহজ কিছু অভ্যাস
সকালের নাশতায় তুলনামূলক বেশি ক্যালোরি গ্রহণ করুন।
রাতের খাবার সম্ভব হলে সন্ধ্যা ৭–৮টার মধ্যে শেষ করুন।
প্রতিদিন প্রায় একই সময়ে খাবার খাওয়ার অভ্যাস গড়ে তুলুন।
রাতের খাবারের পর অতিরিক্ত মিষ্টি বা কার্বোহাইড্রেটসমৃদ্ধ নাশতা এড়িয়ে চলুন।

কারা বেশি সতর্ক থাকবেন ?

প্রিডায়াবেটিসে আক্রান্ত ব্যক্তি
স্থূলতা (ওবেসিটি) আছে এমন ব্যক্তি
মেটাবলিক সিনড্রোমে আক্রান্ত ব্যক্তি
রাতের শিফটে কাজ করেন এমন কর্মীরা

উল্লেখ্য, শরীর সকালে কার্বোহাইড্রেট বেশি দক্ষতার সঙ্গে ব্যবহার করতে পারে। তাই রক্তে শর্করা নিয়ন্ত্রণে রাখতে এবং ডায়াবেটিসের ঝুঁকি কমাতে দিনের প্রথম ভাগে কার্বোহাইড্রেট খাওয়া এবং রাতে তা কমিয়ে আনা উপকারী হতে পারে।

ক্ষতিগ্রস্ত ফুসফুসের চিকিৎসায় আশার আলো দেখাচ্ছেন বিজ্ঞানী সুভাষ সাহা

মোশাররফ হোসেন, সাতক্ষীরা
ক্ষতিগ্রস্ত ফুসফুসের চিকিৎসায় আশার আলো দেখাচ্ছেন বিজ্ঞানী সুভাষ সাহা
সংগৃহীত ছবি

বায়ুদূষণ, ধূমপান এবং পরিবেশগত ঝুঁকির কারণে বিশ্বজুড়ে ফুসফুসের রোগ দিন দিন বাড়ছে। বিশেষ করে দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোতে দীর্ঘস্থায়ী শ্বাসকষ্ট, সিওপিডি এবং অন্যান্য শ্বাসতন্ত্রজনিত রোগ জনস্বাস্থ্যের জন্য বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে উঠেছে। এই প্রেক্ষাপটে মানব ফুসফুসের স্বাভাবিক প্রতিরক্ষা ব্যবস্থাকে কৃত্রিমভাবে পুনরুদ্ধার করার এক অভিনব গবেষণা প্রকল্প আন্তর্জাতিক অঙ্গনে ব্যাপক আগ্রহের সৃষ্টি করেছে।

এই গবেষণা উদ্যোগের অন্যতম নেতৃত্বে রয়েছেন বাংলাদেশের দক্ষিণের জেলা সাতক্ষীরার (অস্ট্রেলিয়ান বিজ্ঞানী ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাক্তন ছাত্র এবং অস্ট্রেলিয়ার ইউনিভার্সিটি অব টেকনোলজি সিডনির (ইউটিএস) সিনিয়র লেকচারার) ড. সুভাষ চন্দ্র সাহা। তার জন্ম সাতক্ষীরা জেলার কলারোয়া উপজেলার ১ নম্বর জয়নগর ইউনিয়নের খোর্দবাঁটরা গ্রামে। তার  আন্তর্জাতিক গবেষণা দল ভারতের মর্যাদাপূর্ণ অ্যাকাডেমিক ও গবেষণা সহযোগিতা উন্নয়ন কর্মসূচির আওতায় এক কোটি রুপিরও বেশি গবেষণা অনুদান অর্জন করেছে।
 
বিজ্ঞানী সুভাষ সাহা মুঠোফোনে কালের কণ্ঠকে জানান, গবেষণার মূল ধারণা হলো মানুষের ফুসফুসে ক্ষতিগ্রস্ত সিলিয়ার পরিবর্তে কৃত্রিম সিলিয়া ব্যবহার করা। সিলিয়া হলো শ্বাসনালীর অভ্যন্তরে অবস্থিত অতি সূক্ষ্ম চুলের মতো গঠন, যা শ্বাসনালী থেকে ধূলিকণা, জীবাণু এবং মিউকাস অপসারণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। বিভিন্ন রোগের কারণে এই প্রাকৃতিক ব্যবস্থা দুর্বল হয়ে পড়লে শ্বাসপ্রশ্বাসের জটিলতা দেখা দেয়। গবেষকরা মনে করছেন, কৃত্রিম সিলিয়া প্রযুক্তি ভবিষ্যতে এই সমস্যার একটি কার্যকর সমাধান হতে পারে।
 
ড. সুভাষ সাহার মতে, ভবিষ্যতের চিকিৎসা প্রযুক্তিতে প্রকৌশল, চিকিৎসাবিজ্ঞান এবং কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার সমন্বয় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে। এই প্রকল্পে সেই সমন্বয়ের একটি বাস্তব উদাহরণ তৈরি করার চেষ্টা করা হচ্ছে। গবেষণার মাধ্যমে কৃত্রিম সিলিয়ার কার্যকারিতা, মিউকাস পরিবহনের দক্ষতা এবং বিভিন্ন রোগাবস্থায় এর সম্ভাব্য ব্যবহার পরীক্ষা করা হবে।

গবেষণা মূল্যায়নকারী বিশেষজ্ঞরাও প্রকল্পটিকে অত্যন্ত উদ্ভাবনী হিসেবে উল্লেখ করেছেন। তাদের মতে, মানব ফুসফুসে কৃত্রিম সিলিয়া সংযোজনের ধারণা এখনো বিশ্বব্যাপী প্রাথমিক পর্যায়ে রয়েছে এবং এই গবেষণার সফলতা ভবিষ্যতে শ্বাসতন্ত্রের রোগ চিকিৎসায় নতুন অধ্যায়ের সূচনা করতে পারে।

দুই বছর মেয়াদি এই প্রকল্পে আন্তর্জাতিক গবেষক ও শিক্ষার্থী বিনিময়, উন্নত গবেষণা প্রশিক্ষণ, প্রযুক্তি উন্নয়ন এবং বৈজ্ঞানিক প্রকাশনার পরিকল্পনা রয়েছে। প্রকল্পের একটি গুরুত্বপূর্ণ লক্ষ্য হলো এমন একটি প্রযুক্তিগত প্ল্যাটফর্ম তৈরি করা, যা ভবিষ্যতে চিকিৎসা সরঞ্জাম বা থেরাপিউটিক ডিভাইস উন্নয়নের ভিত্তি হিসেবে ব্যবহার করা যেতে পারে।

উল্লেখ্য, ড. সুভাষ চন্দ্র সাহা কম্পিউটেশনাল বায়োফ্লুইড মেকানিক্স, শ্বাসতন্ত্রের প্রবাহ বিশ্লেষণ এবং তাপ সঞ্চালন গবেষণায় আন্তর্জাতিকভাবে সুপরিচিত। তিনি দীর্ঘদিন যাবৎ শ্বাসনালীতে ফুসফুসে প্লাস্টিক, সিগারেট স্মোক, ও ভাইরাস কণার সঞ্চয়ন ও তার প্রভাব নিয়ে গবেষণা করছেন। এ ছাড়াও অবস্ট্রাকটিভ স্লিপ অ্যাপনিয়ার চিকিৎসায় কন্টিনিউয়াস পজিটিভ এয়ারওয়ে প্রেসার (সিপিএপি) এবং বাই-লেভেল পজিটিভ এয়ারওয়ে প্রেসার (ইরচঅচ) থেরাপির নিরাপত্তা ও কার্যকারিতা  মূল্যায়ন, ড্রাই পাউডার ইনহেলার (ডিপিআই)-এর নকশার অপ্টিমাইজেশন, এবং নিউমোনিয়ায় আক্রান্ত রোগীদের জন্য হাই-ফ্রিকোয়েন্সি  অসিলেশন (এইচ এফ ও ) থেরাপির সম্ভাবনা ও কার্যকারিতা মূল্যায়ন নিয়ে গবেষণা করছেন। তিনি একাধিকবার বিশ্বের শীর্ষ ২ শতাংশ বিজ্ঞানীর তালিকায় স্থান অর্জন করেছেন। তার এই নতুন সাফল্য শুধু বাংলাদেশের জন্য গর্বের নয়, বরং দক্ষিণ এশিয়ার গবেষণা সহযোগিতার ক্ষেত্রেও একটি গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। 

বিশেষজ্ঞদের মতে, গবেষণাটি সফল হলে ভবিষ্যতে লক্ষ লক্ষ শ্বাসতন্ত্রের রোগীর চিকিৎসায় নতুন সম্ভাবনার দ্বার উন্মোচিত হতে পারে। বিজ্ঞান ও মানবকল্যাণের এই সংযোগই প্রকল্পটিকে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে বিশেষ গুরুত্ব এনে দিয়েছে। 

স্বাস্থ্যখাতে দ্বিগুণ বরাদ্দ দেওয়ায় ধন্যবাদ জানালো ড্যাব

নিজস্ব প্রতিবেদক
স্বাস্থ্যখাতে দ্বিগুণ বরাদ্দ দেওয়ায় ধন্যবাদ জানালো ড্যাব

জাতীয় বাজেটে স্বাস্থ্যখাতে প্রায় দ্বিগুণ বরাদ্দ দেওয়ায় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান, অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী এবং স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার সাখাওয়াত হোসেনকে ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানিয়েছে ডক্টরস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (ড্যাব)।

বৃহস্পতিবার (১১ জুলাই) সংগঠনের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি অধ্যাপক ডা. আবুল কেনান ও মহাসচিব ডা. জহিরুল ইসলাম শাকিল এক যৌথ বিবৃতিতে এই ধন্যবাদ জানান।

বিবৃতিতে তারা বলেন, ২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রস্তাবিত জাতীয় বাজেটে স্বাস্থ্যখাতে ৬৯ হাজার ৪০৯ কোটি টাকা (জিডিপির ১ দশমিক ১ শতাংশ) বরাদ্দের ঘোষণা দেশের স্বাস্থ্যব্যবস্থার উন্নয়ন, মানবসম্পদ বিকাশ এবং জনগণের স্বাস্থ্যসেবা প্রাপ্তির মৌলিক অধিকার প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে একটি ঐতিহাসিক ও যুগান্তকারী পদক্ষেপ। গত ২০২৫-২৬ অর্থবছরের সংশোধিত বাজেটে স্বাস্থ্যখাতে বরাদ্দ ছিল ৩৫ হাজার ৪৭৭ কোটি টাকা, যা জিডিপির ০ দশমিক ৫৮ শতাংশ।

তারা বলেন, এবারের বাজেটে স্বাস্থ্যখাতে পূর্ববর্তী বছরের সংশোধিত বাজেটের তুলনায় প্রায় দ্বিগুণ বরাদ্দ প্রদান প্রমাণ করে যে, বর্তমান সরকার জনগণের জীবনমান উন্নয়ন তথা স্বাস্থ্যসেবার মান উন্নয়নকে রাষ্ট্র পরিচালনার কেন্দ্রবিন্দুতে স্থান দিয়েছে।

ড্যাব নেতারা আরো বলেন, উন্নত স্বাস্থ্যব্যবস্থা, রাষ্ট্র সংস্কার, মানবসম্পদ উন্নয়ন এবং কল্যাণমুখী অর্থনৈতিক ব্যবস্থার যে অঙ্গীকার বিএনপি দীর্ঘদিন ধরে জনগণের সামনে তুলে ধরেছিল, স্বাস্থ্যখাতে এই অভূতপূর্ব বিনিয়োগ সেই জনকল্যাণমুখী রাজনৈতিক দর্শনেরই বাস্তব প্রতিফলন। একটি মানবিক ও উন্নত রাষ্ট্র বিনির্মাণে স্বাস্থ্যসেবা খাতকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দেওয়ার যে দৃষ্টান্ত বর্তমান সরকার প্রদর্শন করেছে, তা নিঃসন্দেহে প্রশংসার দাবিদার।

তারা বলেন, স্বাস্থ্যখাতের এই বরাদ্দ ইউনিভার্সাল হেলথ কাভারেজকে শক্তিশালী করবে এবং সরকারি হাসপাতালগুলোর অবকাঠামোগত উন্নয়ন, আধুনিক চিকিৎসা প্রযুক্তির সম্প্রসারণ, জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে বিশেষায়িত চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত, পর্যাপ্ত সংখ্যক চিকিৎসক-নার্স ও স্বাস্থ্যকর্মী নিয়োগ, চিকিৎসা শিক্ষা ও গবেষণার উন্নয়ন এবং সর্বোপরি সাধারণ মানুষের স্বাস্থ্যসেবার প্রাপ্তির মান উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পাবে।

হাম ও উপসর্গে ২৪ ঘণ্টায় ৮ জনের মৃত্যু

অনলাইন ডেস্ক
হাম ও উপসর্গে ২৪ ঘণ্টায় ৮ জনের মৃত্যু
ছবি : কালের কণ্ঠ

গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে হাম ও হাম উপসর্গে আটজনের মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে নিশ্চিত হাম ও হাম উপসর্গে এখন পর্যন্ত ৬৩৯ জনের মৃত্যুর তথ্য জানিয়েছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর।

আজ বুধবার স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের দেওয়া এক বার্তায় এ তথ্য জানানো হয়। এই হিসাব মঙ্গলবার সকাল ৮টা থেকে আজ সকাল ৮টা পর্যন্ত।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, গত ২৪ ঘণ্টায় হামের উপসর্গে আরো ৮ জনের মৃত্যু হয়েছে। এ সময়ে হামের উপসর্গ নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে ১ হাজার ৩৯ জন।