• ই-পেপার

বিপদে পড়া একজনকে বাঁচাতে গিয়ে

ব্রিটেনের সৈকতে ডুবে প্রাণ গেল বাংলাদেশি মা-মেয়ের

প্যারিসে গোলটেবিল বৈঠক

গণভোটের রায় বাস্তবায়ন ও প্রবাসীদের পৃথক সংসদীয় আসনের দাবি

ফ্রান্স থেকে তানভীর আহমদ তোহা
গণভোটের রায় বাস্তবায়ন ও প্রবাসীদের পৃথক সংসদীয় আসনের দাবি
ছবি : কালের কণ্ঠ

গণভোটের রায় বাস্তবায়ন ও প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য জাতীয় সংসদে পৃথক সংসদীয় আসন সৃষ্টির দাবি উঠেছে ফ্রান্সের রাজধানী প্যারিসে আয়োজিত এক গোলটেবিল বৈঠকে। জুলাই বিপ্লবের চেতনা, রাষ্ট্র সংস্কার ও গণতান্ত্রিক ভবিষ্যৎ নিয়ে আয়োজিত এ বৈঠকে বক্তারা বলেন, জনগণের প্রত্যাশার প্রতিফলন ঘটাতে গণভোটের সিদ্ধান্ত দ্রুত বাস্তবায়ন জরুরি। একই সঙ্গে দেশের অর্থনীতি ও উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখা প্রবাসীদের রাষ্ট্রের নীতি-নির্ধারণী পর্যায়ে সরাসরি যুক্ত করার মাধ্যমে তাদের যথাযথ প্রতিনিধিত্ব নিশ্চিত করতে হবে।

মঙ্গলবার (২১ জুলাই) প্যারিসের অদূরে পন্থায় একটি রেস্তোরাঁয় ‘জুলাই সনদ ও গণভোট বাস্তবায়ন’ শীর্ষক এ গোলটেবিল বৈঠকের আয়োজন করে সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠন ফ্রাঙ্কো বাংলা। এতে ফ্রান্সপ্রবাসী সাংবাদিক, রাজনৈতিক বিশ্লেষক, অনলাইন অ্যাক্টিভিস্ট, কমিউনিটি নেতা ও সচেতন নাগরিকরা অংশ নেন।

গোলটেবিল বৈঠকটি সঞ্চালনা করেন ইউরো বার্তার সম্পাদক মুহাম্মদ নূরুল ইসলাম ও সাংবাদিক আব্দুল্লাহ আল মামুন।

অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য দেন ফ্রাঙ্কো বাংলার সভাপতি শহিদুল ইসলাম। বৈঠকে বক্তারা ২০২৪ সালের জুলাই বিপ্লবের পূর্বাপর প্রেক্ষাপট, ছাত্র-জনতার আন্দোলনের ভূমিকা এবং এর ঐতিহাসিক গুরুত্ব তুলে ধরেন।

বক্তারা বলেন, জুলাই বিপ্লবের পুনরাবৃত্তি ঠেকাতে গণভোটের রায় বাস্তবায়ন অপরিহার্য। এটি বিলম্বিত হলে জুলাইয়ে শহীদদের আত্মত্যাগের প্রতি অবমূল্যায়ন করা হবে। রাষ্ট্রের প্রয়োজনীয় সংস্কার ও গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠানগুলো শক্তিশালী করার মাধ্যমে ভবিষ্যতে স্বৈরতান্ত্রিক শক্তির উত্থান রোধ করতে হবে বলেও মত দেন তারা।

বৈঠকে ৮ দফা দাবি উপস্থাপন করা হয়। দাবিগুলোর মধ্যে রয়েছে গণভোটের রায় বাস্তবায়ন, রাষ্ট্রের নীতি-নির্ধারণী পর্যায়ে প্রবাসী বাংলাদেশিদের সরাসরি অংশগ্রহণ নিশ্চিত করা, জাতীয় সংসদে প্রবাসীদের জন্য পৃথক সংসদীয় আসন সৃষ্টি এবং প্রবাসীদের মরদেহ সম্পূর্ণ সরকারি খরচে রাষ্ট্রীয় ব্যবস্থাপনায় পরিবারের কাছে পৌঁছে দেওয়ার ব্যবস্থা করা।

নাগরিক পরিষদ ফ্রান্সের সভাপতি আবুল খায়ের লস্কর বলেন, জুলাইয়ের চেতনায় উদ্বুদ্ধ হয়ে দলমত নির্বিশেষে সবাইকে দেশের গণতান্ত্রিক ভবিষ্যৎ নির্মাণে ভূমিকা রাখতে হবে।

তিনি বলেন, দেশের অর্থনীতি ও রাষ্ট্রীয় ব্যবস্থাকে ক্ষতিগ্রস্ত করার অপচেষ্টা সম্পর্কে সবাইকে সচেতন থাকতে হবে। কোনো অপশক্তি যেন নতুন করে মাথাচাড়া দিয়ে উঠতে না পারে, সে বিষয়ে নাগরিক সমাজকে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে হবে।

বিশিষ্ট অনলাইন অ্যাক্টিভিস্ট মীর জাহান বলেন, জুলাই বিপ্লবের স্পিরিট ধারণ করে একটি বৈষম্যহীন ও গণতান্ত্রিক বাংলাদেশ গড়ে তুলতে হবে। এ জন্য দল-মতের ঊর্ধ্বে উঠে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে।

বিসিএফের সভাপতি মো. নূর বলেন, জুলাইয়ের আত্মত্যাগ যেন বৃথা না যায়। ভবিষ্যতে যাতে আর কোনো রক্তের বিনিময়ে স্বৈরতন্ত্রের বিরুদ্ধে দাঁড়াতে না হয়, সে জন্য গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠানগুলোকে শক্তিশালী করতে হবে।

তিনি বলেন, দেশে ও বিদেশে নাগরিক সমাজ, বুদ্ধিজীবী, সাংবাদিক ও অ্যাক্টিভিস্টদের এ ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে।

ইউরো বার্তার সম্পাদক মুহাম্মদ নূরুল ইসলাম বলেন, ১৯৫২-এর ভাষা আন্দোলন, ১৯৬৯-এর গণ-অভ্যুত্থান, ১৯৭১-এর মুক্তিযুদ্ধ এবং ২০২৪ সালের জুলাই- এসবই আমাদের জাতীয় জীবনের অবিচ্ছেদ্য অংশ। এসব চেতনা ধারণ করে ঐক্যবদ্ধভাবে এগিয়ে যেতে হবে। কোনো বৈষম্য তৈরি করা যাবে না।

এটিএন বাংলার ফ্রান্স প্রতিনিধি রাবেয়া আক্তার সুবর্ণা বলেন, জুলাই আন্দোলনে ছাত্র-জনতার পাশাপাশি প্রবাসী বাংলাদেশিদেরও গুরুত্বপূর্ণ অবদান ছিল। দেশের বাইরে থেকেও তারা দেশপ্রেম ও দায়িত্ববোধ নিয়ে আন্দোলনের পাশে ছিলেন।

এতে বক্তব্য দেন নাগরিক পরিষদ ফ্রান্সের সভাপতি আবুল খায়ের লস্কর, অ্যাক্টিভিস্ট মীর জাহান, কমিউনিটি ব্যক্তিত্ব কাজী হাবিব, এনসিপি ফ্রান্সের যুগ্ম-আহ্বায়ক মনোয়ার পাটওয়ারী, বাংলা টেলিগ্রামের সম্পাদক শাহ সুহেল আহমদ, সিনিয়র সাংবাদিক হাবীবুল্লাহ ফাহাদ, অনুক্ত সংবাদ-এর সম্পাদক অনুক্ত কামরুল, অ্যাক্টিভিস্ট খালেদ মাহমুদ, বিসিএফ প্রেসিডেন্ট এমডি নূর, যুগান্তর প্রতিনিধি সরদার হাসান ইলিয়াস তানিম, বাংলা ভিশনের প্রতিনিধি ইয়াসির আরাফাত খোকন, মহাকাশ গবেষক একরামুল কবির সালমান, এনটিভি প্রতিনিধি আবুল কালাম মামুন, ডিবিসি নিউজ প্রতিনিধি ইকবাল জাফর, অ্যাক্টিভিস্ট শাহ সাইফুল ইসলাম, আদাফ পরিচালক ওয়াদুদ তানভীর, সাংবাদিক আবু তাহের রাজু, ফিদা পরিচালক সায়েম জামিল প্রমুখ।

অনুষ্ঠানে ফ্রান্সের বাংলাদেশি কমিউনিটির বিভিন্ন পর্যায়ের ব্যক্তিত্ব, শিক্ষার্থী ও সচেতন নাগরিকরা উপস্থিত ছিলেন।

ইতালিতে হামলার শিকার কনটেন্ট ক্রিয়েটর বনি আমিন

নিজস্ব প্রতিবেদক
ইতালিতে হামলার শিকার কনটেন্ট ক্রিয়েটর বনি আমিন

অস্ট্রেলিয়াপ্রবাসী কনটেন্ট ক্রিয়েটর বনি আমিন ইতালির রোমে হামলার শিকার হয়েছেন। তার ওপর হামলার একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে।

মঙ্গলবার (২১ জুলাই) রাতে রোমের তরপিনাতারা আবাসিক এলাকার রাস্তায় এ ঘটনা ঘটে বলে জানা গেছে। ভিডিওটি প্রকাশের পর বিষয়টি নিয়ে নেটিজেনদের মধ্যে ব্যাপক আলোচনা শুরু হয়েছে।

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ভিডিওতে দেখা যায়, রাতের বেলায় এক ব্যক্তি বনি আমিনকে জাপটে ধরে আক্রমণাত্মক আচরণ করছেন। তিনি নিজেকে ছাড়িয়ে সড়ক দিয়ে দৌড়ে পালানোর চেষ্টা করলে কয়েকজন তাকে ধাওয়া করেন। এক পর্যায়ে সড়কে পার্ক করে রাখা একটি গাড়ির সামনে তাকে ফেলে শারীরিকভাবে লাঞ্ছিত করা হয়।

ভিডিওর কথোপকথনে আক্রমণকারীদের বাংলা ভাষায় চিৎকার ও গালাগাল করতে শোনা যায়। হামলাকারীরা বনি আমিনকে বারবার ‘মৌলবাদী’ বলে সম্বোধন করছিলেন এবং আক্রমণ চালানোর জন্য একে অন্যকে উসকানি দিচ্ছিলেন।

ঘটনাটির সুনির্দিষ্ট কারণ এবং হামলাকারীদের পরিচয় এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে বিভিন্ন ধরনের দাবি উঠলেও সেগুলোর কোনোটি স্বাধীনভাবে যাচাই করা সম্ভব হয়নি।

মালয়েশিয়ায় ভবন থেকে পড়ে বাংলাদেশি শ্রমিকের মৃত্যু

লক্ষ্মীপুর প্রতিনিধি
মালয়েশিয়ায় ভবন থেকে পড়ে বাংলাদেশি শ্রমিকের মৃত্যু
সংগৃহীত ছবি

মালয়েশিয়ার কুয়ালালামপুরে কাজ করার সময় একটি বহুতল ভবনের ১০ তলা থেকে পড়ে মিল্লাত হোসেন (৪২) নামের এক বাংলাদেশি শ্রমিকের মৃত্যু হয়েছে। বুধবার (২২ জুলাই) বাংলাদেশ সময় সকাল ১০টার দিকে এ দুর্ঘটনা ঘটে। 

মৃত মিল্লাতের বাড়ি লক্ষ্মীপুরের রামগঞ্জ উপজেলার লামচর ইউনিয়নের হাসনাবাদ এলাকায়। তিনি হাসনাবাদ এলাকার মুন্সিবাড়ির মৃত আব্দুর রশিদের ছেলে। 

মিল্লাতের বড় ভাই শরীফ হোসেন বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, ‘মিল্লাত দীর্ঘদিন ধরে বিদেশের মাটিতে রয়েছে। কাজ করতে গিয়ে একটি বহুতল ভবনের ১০ তলা থেকে পড়ে ঘটনাস্থলেই মারা গেছে সে। কখনো ভাবিনি এভাবে তার মৃত্যুর খবর শুনতে হবে। পরিবারের কাউকে মানাতে পারছি না। খবর পাওয়ার পর থেকে পরিবারের সদস্যরা আর্তনাদ করছে।’

রামগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) কাজী আতিকুর রহমান বলেন, ‘বিষয়টি আমার জানা নেই। তবে ঘটনাটি দুঃখজনক। খোঁজ নিয়ে মরদেহ দেশে আনতে পরিবারকে সব ধরনের সহযোগিতা করা হবে।’

আজ ব্রিটেনের প্রধানমন্ত্রীর দায়িত্ব নিচ্ছেন ‘কিং অব দ্য নর্থ’

নুরুল হক শিপু, যুক্তরাজ্য
আজ ব্রিটেনের প্রধানমন্ত্রীর দায়িত্ব নিচ্ছেন ‘কিং অব দ্য নর্থ’
অ্যান্ডি বার্নহাম

ব্রিটেনের রাজনীতিতে শুরু হচ্ছে নতুন নেতৃত্বের অধ্যায়। ক্ষমতাসীন লেবার পার্টির নতুন নেতা অ্যান্ডি বার্নহাম আজ সোমবার আনুষ্ঠানিকভাবে যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রীর দায়িত্ব গ্রহণ করবেন। বিদায়ি প্রধানমন্ত্রী কিয়ার স্টারমারের স্থলাভিষিক্ত হয়ে দেশের সরকারপ্রধানের দায়িত্ব নেবেন তিনি। ব্রিটেনের সাংবিধানিক রীতি অনুযায়ী, রাজা তৃতীয় চার্লস তাকে সরকার গঠনের আমন্ত্রণ জানাবেন এবং সেই আনুষ্ঠানিকতার মধ্য দিয়েই প্রধানমন্ত্রী হিসেবে তার দায়িত্ব গ্রহণ সম্পন্ন হবে।

এ জন্য কোনো সাধারণ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হচ্ছে না। যুক্তরাজ্যের পার্লামেন্টে সংখ্যাগরিষ্ঠ দলের নেতা পরিবর্তিত হলে নতুন নেতাই প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেন। সেই সাংবিধানিক ধারাবাহিকতার অংশ হিসেবেই লেবার পার্টির নতুন নেতা হিসেবে বার্নহাম আজ ব্রিটেনের নেতৃত্ব গ্রহণ করছেন।

অ্যান্ডি বার্নহাম ব্রিটিশ রাজনীতির অত্যন্ত পরিচিত ও অভিজ্ঞ মুখ। সংসদ সদস্য হিসেবে দীর্ঘদিন দায়িত্ব পালনের পাশাপাশি তিনি স্বাস্থ্য, সংস্কৃতি এবং অর্থ-সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করেছেন। পরে গ্রেটার ম্যানচেস্টারের নির্বাচিত মেয়র হিসেবে দায়িত্ব নিয়ে জাতীয় রাজনীতিতে নতুন করে আলোচনায় আসেন।

বিশেষ করে করোনা মহামারির সময় উত্তর ইংল্যান্ডের মানুষের জন্য আর্থিক সহায়তা ও আঞ্চলিক স্বার্থের প্রশ্নে কেন্দ্রীয় সরকারের বিরুদ্ধে তার দৃঢ় অবস্থান তাকে সাধারণ মানুষের কাছে ব্যতিক্রমী জনপ্রিয়তা এনে দেয়। সেই সময় থেকেই ব্রিটিশ রাজনৈতিক অঙ্গনে তিনি ‘কিং অব দ্য নর্থ’ নামে পরিচিতি লাভ করেন।

দলীয় নেতৃত্ব গ্রহণের পর বার্নহাম বলেছেন, দেশের মানুষের মধ্যে আবারও আশা ফিরিয়ে আনা, রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা প্রতিষ্ঠা করা এবং জীবনযাত্রার মান উন্নয়নই হবে তার সরকারের প্রধান লক্ষ্য। একই সঙ্গে তিনি আঞ্চলিক বৈষম্য কমিয়ে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে আরো বেশি ক্ষমতা ও উন্নয়নের সুযোগ ছড়িয়ে দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন।

তার সামনে অপেক্ষা করছে বেশ কয়েকটি কঠিন চ্যালেঞ্জ। জীবনযাত্রার ব্যয় বৃদ্ধি, অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি, জাতীয় স্বাস্থ্যসেবার ওপর চাপ, অভিবাসন, আবাসন সংকট এবং জনসেবার মানোন্নয়ন—এসব ইস্যুতেই তাকে দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ নিতে হবে। একই সঙ্গে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে ইউক্রেনের প্রতি সমর্থন এবং ব্রিটেনের বিদ্যমান পররাষ্ট্রনীতির ধারাবাহিকতা বজায় রাখারও ইঙ্গিত দিয়েছেন তিনি।

বিশ্লেষকদের মতে, বার্নহামের নেতৃত্বে ব্রিটিশ রাজনীতিতে আঞ্চলিক উন্নয়ন ও ক্ষমতার বিকেন্দ্রীকরণের বিষয়টি আরো গুরুত্ব পাবে। লন্ডনকেন্দ্রিক নীতির পরিবর্তে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলের অর্থনৈতিক উন্নয়ন, গণপরিবহন, সামাজিক সেবা এবং স্থানীয় প্রশাসনকে আরো শক্তিশালী করার উদ্যোগ তার অগ্রাধিকার তালিকায় থাকতে পারে।

আজকের দায়িত্ব গ্রহণ কেবল একজন প্রধানমন্ত্রীর পরিবর্তন নয়, এটি ব্রিটেনের রাজনৈতিক নেতৃত্বে এক নতুন অধ্যায়ের সূচনা। এখন পুরো নজর থাকবে, উত্তর ইংল্যান্ডের মানুষের আস্থার প্রতীক হিসেবে পরিচিত এই নেতা জাতীয় পর্যায়েও সেই প্রত্যাশা কতটা পূরণ করতে পারেন এবং পরিবর্তনের যে প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন, তা বাস্তবায়নে কতটা সফল হন।