• ই-পেপার

দিল্লির অগ্নিকাণ্ডে হতাহত বাংলাদেশিদের নিয়ে যা জানাল হাইকমিশন

বাংলাদেশি মালিকানাধীন ‘ডেইলি ড্যাজলিং ডন’কে ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রীর শুভেচ্ছা

যুক্তরাজ্য প্রতিনিধি
বাংলাদেশি মালিকানাধীন ‘ডেইলি ড্যাজলিং ডন’কে ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রীর শুভেচ্ছা
সংগৃহীত ছবি

যুক্তরাজ্য ও ইউরোপের প্রথম এবং একমাত্র পূর্ণাঙ্গ মূলধারার বাংলাদেশি মালিকানাধীন সংবাদমাধ্যম ‘ডেইলি ড্যাজলিং ডন’-এর তৃতীয় বর্ষপূর্তি উপলক্ষে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী স্যার কিয়ার স্টারমার।

মঙ্গলবার (২ জুন) ১০ ডাউনিং স্ট্রিট থেকে পাঠানো এক আনুষ্ঠানিক চিঠিতে প্রধানমন্ত্রীর এই অভিনন্দন ও শুভেচ্ছাবার্তা পৌঁছে দেওয়া হয়। প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের ডাইরেক্ট কমিউনিকেশনস ইউনিটের প্রধান ম্যান্ডি গডরিজ পত্রিকাটির প্রতিষ্ঠাতা ও প্রকাশক মুনজের আহমেদ চৌধুরীর কাছে এই চিঠি পাঠান।

চিঠিতে বলা হয়, ডেইলি ড্যাজলিং ডনের তৃতীয় বর্ষপূর্তি উপলক্ষে আন্তরিক অভিনন্দন জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি আশা প্রকাশ করেন, সংবাদমাধ্যমটির অবদান ব্রিটিশ-বাংলাদেশি কমিউনিটি এবং যুক্তরাজ্য ও বাংলাদেশের মধ্যকার সুদৃঢ় সম্পর্ককে মূল্যায়নকারী সবার কাছে বিশেষভাবে প্রশংসিত হবে। এই ঐতিহাসিক মাইলফলক উদযাপনের মুহূর্তে আগামী বছরগুলোতেও ডেইলি ড্যাজলিং ডনের ধারাবাহিক সাফল্য কামনা করেন ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী। এর আগে প্রতিষ্ঠানটির দ্বিতীয় বর্ষপূর্তিতেও ১০ ডাউনিং স্ট্রিট থেকে অনুরূপ শুভেচ্ছাবার্তা পাঠানো হয়েছিল।

এদিকে পত্রিকাটির তৃতীয় বর্ষপূর্তি উপলক্ষে বিশেষ সম্পাদকীয় লিখেছেন লন্ডনের মেয়র সাদিক খান এবং যুক্তরাজ্যের প্রথম ব্রিটিশ-বাংলাদেশি সংসদ সদস্য রুশনারা আলী।

সাংবাদিকতার নৈতিক স্বাধীনতার কঠোর নীতিমালার অধীনে পরিচালিত ডেইলি ড্যাজলিং ডন কোনো ধরনের অনুদান, করপোরেট উপহার কিংবা পাঠক-সাবস্ক্রিপশন গ্রহণ করে না। সম্পূর্ণ স্বাধীন ও নিরপেক্ষ সংবাদচর্চার ধারা বজায় রেখে এগিয়ে চলা সংবাদমাধ্যমটি বর্তমানে প্রতি মাসে গড়ে প্রায় ৬০ লাখ পাঠক ও দর্শকের কাছে পৌঁছাচ্ছে।

জনকল্যাণমুখী সাংবাদিকতা, সামাজিক সম্প্রীতি এবং আন্তর্জাতিক সংলাপ প্রসারে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালনের পাশাপাশি পাঠকের আস্থা ও জনস্বার্থের প্রতি অঙ্গীকার সমুন্নত রেখেই এগিয়ে যাচ্ছে ‘ডেইলি ড্যাজলিং ডন’।

কুয়েত বিমানবন্দরে ড্রোন হামলায় ৪ বাংলাদেশি আহত

অনলাইন ডেস্ক
কুয়েত বিমানবন্দরে ড্রোন হামলায় ৪ বাংলাদেশি আহত
সংগৃহীত ছবি

কুয়েতের প্রধান আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে ড্রোন হামলায় চার বাংলাদেশি নাগরিক আহত হয়েছেন। আহতদের স্থানীয় ফারওয়ানিয়া হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে এবং তাদের চিকিৎসার অগ্রগতি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছে কুয়েতে অবস্থিত বাংলাদেশ দূতাবাস।

গতকাল বুধবার (৩ জুন) দূতাবাসের এক জরুরি বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, পশ্চিম এশিয়ার চলমান আঞ্চলিক সংকটের প্রভাবে সম্প্রতি কুয়েতের আকাশসীমা একাধিকবার ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলার লক্ষ্যবস্তু হয়েছে। সর্বশেষ হামলায় চার বাংলাদেশিসহ বিভিন্ন দেশের কয়েকজন নাগরিক আহত হয়েছেন এবং একজন নিহত হয়েছেন।

দূতাবাস জানিয়েছে, আহত বাংলাদেশিদের শারীরিক অবস্থার বিষয়ে নিয়মিত খোঁজখবর নেওয়া হচ্ছে এবং প্রয়োজনীয় সহায়তা প্রদানে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ অব্যাহত রয়েছে।

এদিকে কুয়েত সরকার বিশেষ নিরাপত্তা নির্দেশনা জারি করেছে। নির্দেশনায় বলা হয়েছে, রকেট বা ড্রোন হামলা এবং তা প্রতিহত করার দৃশ্যের ছবি তোলা বা ভিডিও ধারণ করা দেশটির আইন অনুযায়ী দণ্ডনীয় অপরাধ। এ কারণে বাংলাদেশি প্রবাসীদের কুয়েতের আইন মেনে চলা এবং এ ধরনের ছবি বা ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রচার থেকে বিরত থাকার আহ্বান জানিয়েছে দূতাবাস।

হতাহত বৃদ্ধির কারণে কুয়েতের কেন্দ্রীয় ব্লাড ব্যাংকে রক্তের সংকট দেখা দিয়েছে বলেও উল্লেখ করা হয়েছে বিজ্ঞপ্তিতে। এ পরিস্থিতিতে রক্তদানে সক্ষম প্রবাসী বাংলাদেশিদের দ্রুত কেন্দ্রীয় ব্লাড ব্যাংকে গিয়ে রক্তদান করার এবং অন্যদেরও উৎসাহিত করার অনুরোধ জানিয়েছে বাংলাদেশ দূতাবাস।

দূতাবাস বলেছে, বর্তমান পরিস্থিতিতে সকল প্রবাসী বাংলাদেশিকে সতর্ক থাকার পাশাপাশি স্থানীয় কর্তৃপক্ষের নির্দেশনা অনুসরণ করতে হবে, যাতে নিজেদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা যায়।

প্রবাসে বাঙালিয়ানার উচ্ছ্বাস : জালালাবাদের উৎসবে ঐতিহ্যে মুখর সিডনি

শিপন আহমদ, (সিডনি) অস্ট্রেলিয়া
প্রবাসে বাঙালিয়ানার উচ্ছ্বাস : জালালাবাদের উৎসবে ঐতিহ্যে মুখর সিডনি
সিডনিতে জালালাবাদ অ্যাসোসিয়েশনের ঈদ পুনর্মিলনী। ছবি : কালের কণ্ঠ

অস্ট্রেলিয়ায় বসবাসকারী বৃহত্তর সিলেট অঞ্চলের প্রবাসীদের অন্যতম সামাজিক সংগঠন জালালাবাদ অ্যাসোসিয়েশন অব নিউ সাউথ ওয়েলস ইনক’র উদ্যোগে অনুষ্ঠিত হয়েছে বর্ণাঢ্য ঈদ পুনর্মিলনী অনুষ্ঠান। ঈদের আনন্দ, প্রবাসী মিলনমেলা এবং বাংলা সংস্কৃতির সমন্বয়ে দিনব্যাপী এ আয়োজনে বাঙালি ঐতিহ্যে মুখরিত হয়েছিল সিডনির রিভারউড।

রোববার (৩১ মে) সিডনির রিভারউডের একটি পার্কে অনুষ্ঠিত এ আয়োজনে প্রবাসী বাংলাদেশি কমিউনিটির লোকজনের প্রাণবন্ত অংশগ্রহণে ঈদের আনন্দ যেন নতুন মাত্রা পায়।

অনুষ্ঠানের শুরুতে পবিত্র কোরআন তেলাওয়াত ও ঈদ-পরবর্তী শুভেচ্ছা বিনিময়ের মাধ্যমে এক আন্তরিক ও সৌহার্দ্যপূর্ণ পরিবেশের সৃষ্টি হয়। দিনব্যাপী অনুষ্ঠানের অন্যতম আকর্ষণ ছিল ঐতিহ্যবাহী বাংলা খেলাধুলা। শিশু, কিশোর, তরুণ ও প্রবীণদের অংশগ্রহণে বিভিন্ন প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়। হাসি-আনন্দে মুখর এ আয়োজন প্রবাসের বুকে এক টুকরো বাংলাদেশের আবহ তৈরি করে। প্রীতিভোজ, খেলাধুলা, একে অপরের সঙ্গে ঈদের শুভেচ্ছা বিনিময়সহ আড্ডা ও মতবিনিময়ে অংশ নেন উপস্থিত প্রবাসীরা।

সংগঠনের সভাপতি জাহেদুল হক চৌধুরীর সভাপতিত্বে এবং সাধারণ সম্পাদক সুলতান মাহমুদ চৌধুরীর পরিচালনায় অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন কমিউনিটি ব্যক্তিত্ব ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক শিক্ষক ফারুক চৌধুরী।

বক্তারা বলেন, প্রবাস জীবনের ব্যস্ততার মাঝেও এমন আয়োজন কমিউনিটির মধ্যে ভ্রাতৃত্ব, ঐক্য ও পারস্পরিক সম্পর্ককে আরও সুদৃঢ় করে। প্রজন্ম থেকে প্রজন্মে বাংলা সংস্কৃতি, ঐতিহ্য ও কমিউনিটির বন্ধন ধরে রাখতে এ ধরনের উদ্যোগ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে জালালাবাদ অ্যাসোসিয়েশন।

অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য রাখেন সংগঠনের উপদেষ্টা মোহাম্মদ বোরহান উদ্দিন বাহার, সহ-সভাপতি সামছুদ্দিন লুলু, মাওলানা ফাজিল বারী, সাংগঠনিক সম্পাদক আব্দুস শুকুর, ক্রীড়া সম্পাদক আহমদ আল কবির এবং সদস্য মামুনুর রশিদ। শুভেচ্ছা বক্তব্য দেন পুনর্মিলনী অনুষ্ঠান পরিচালনা কমিটির আহ্বায়ক শাহ আলম।

জালালাবাদ অ্যাসোসিয়েশন অব নিউ সাউথ ওয়েলস’র সভাপতি জাহেদুল হক চৌধুরী বলেন, প্রবাসে আমাদের শেকড়ের সঙ্গে নতুন প্রজন্মকে পরিচয় করিয়ে দিতে এবং কমিউনিটির মধ্যে সম্প্রীতি ও ঐক্যের বন্ধন আরও মজবুত করতে জালালাবাদ অ্যাসোসিয়েশন কাজ করে যাচ্ছে। ভবিষ্যতেও এই ধারা অব্যাহত থাকবে।

অনুষ্ঠান শেষে বিভিন্ন প্রতিযোগিতায় বিজয়ীদের হাতে পুরস্কার তুলে দেন সংগঠনের সহ-সাধারণ সম্পাদক এম. ডি. আকলাকুর ইসলাম, ট্রেজারার জামান সারোয়ার শিপু, সদস্য হাসান আহমদ, গোলাম জাকাইয়া জকু, সালমান রেজা, কামরান হোসেন ও এমাদ উদ্দিন চৌধুরীসহ অন্যান্য অতিথিরা। সমাপনী বক্তব্যে উপস্থিত সবার প্রতি গভীর কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন সংগঠনের সভাপতি।

সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে মামলা প্রত্যাহার ও মুক্তির দাবিতে প্রবাসী ৯৩ সাংবাদিকের বিবৃতি

নিজস্ব প্রতিবেদক
সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে মামলা প্রত্যাহার ও মুক্তির দাবিতে প্রবাসী ৯৩ সাংবাদিকের বিবৃতি
সংগৃহীত ছবি

সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে বানোয়াট ও হয়রানিমূলক মামলা, গ্রেপ্তার এবং পেশাগত নিপীড়নের ঘটনায় গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তে কর্মরত ৯৩ জন প্রবাসী বাংলাদেশি সাংবাদিক। এক যৌথ বিবৃতিতে তারা কারাবন্দি সাংবাদিকদের মুক্তি এবং তাদের বিরুদ্ধে করা সব মিথ্যা মামলা প্রত্যাহারের দাবি জানিয়েছেন। একই সঙ্গে তারা প্রশ্ন তুলেছেন, ‘সাংবাদিকতা কি তাহলে মানবতাবিরোধী অপরাধ?’ বিবৃতিতে সৈয়দ বদরুল আহসান, শামীম চৌধুরী, মঞ্জুরুল ইসলাম, ফরিদা ইয়াসমিনসহ ৯৩ জন প্রবাসী সাংবাদিক স্বাক্ষর করেন।

বিবৃতিতে বলা হয়, বাংলাদেশে বর্তমানে প্রায় ৩০০ সাংবাদিক সরকার ও তাদের পক্ষের লোকদের প্রত্যক্ষ জুলুমের শিকার হয়েছেন। অনেক সাংবাদিক কারাগারে আছেন, কেউ চাকরি হারিয়েছেন, আবার কেউ গ্রেপ্তার এড়াতে আত্মগোপনে থাকতে বাধ্য হচ্ছেন। এসব কাজে সরকার আইন-আদালতকে যথেচ্ছ (নিজের ইচ্ছা অনুযায়ী) ব্যবহার করা হচ্ছে বলেও অভিযোগ করা হয়।

বিবৃতিতে প্রবাসী সাংবাদিকরা বলেন, কারাবন্দি সাংবাদিক মোজাম্মেল বাবু ও ফারজানা রূপার বিরুদ্ধে সম্প্রতি আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে (আইসিটি) অভিযোগ আনা হয়েছে, যা দেশে ও আন্তর্জাতিক অঙ্গনে উদ্বেগ সৃষ্টি করেছে। গত ২১ মে আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থা অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনালের দক্ষিণ এশিয়া অঞ্চলের পরিচালক স্মৃতি সিং এক বিবৃতিতে বলেন, বাংলাদেশ কর্তৃপক্ষের উচিত সাংবাদিকদের পেশাগত কাজের কারণে তাদের বিরুদ্ধে আনা সব অভিযোগ প্রত্যাহার করা।

বিবৃতিতে আরো বলা হয়, সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে মিথ্যা হত্যা মামলাসহ বিভিন্ন নিপীড়নমূলক মামলার ঘটনায় ইতোমধ্যে কমিটি টু প্রটেক্ট জার্নালিস্টস (সিপিজে), রিপোর্টার্স উইদাউট বর্ডারস (আরএসএফ) এবং ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ (টিআইবি) উদ্বেগ প্রকাশ করেছে। গত ১৭ মে সম্পাদক পরিষদ সরকারের কাছে বিভিন্ন মামলায় অভিযুক্ত ২৮২ জন সাংবাদিকের তালিকা জমা দেয়। এর মধ্যে ৯৪ জনের বিরুদ্ধে হত্যা মামলার অভিযোগ রয়েছে। তবে এসব মিথ্যা মামলা প্রত্যাহারের দাবি জানানো হলেও পরিস্থিতির কোনো দৃশ্যমান উন্নতি হয়নি।

প্রবাসী সাংবাদিকরা বলেন, ড. মুহাম্মদ ইউনূসের অন্তর্বর্তী সরকারের আমলে গণমাধ্যম ও সাংবাদিকদের প্রতি যে দমন-পীড়নের সংস্কৃতি গড়ে উঠেছে, তার ধারাবাহিকতা এখনো অব্যাহত রয়েছে। কারাবন্দি সাংবাদিকদের মুক্তি ও মামলা প্রত্যাহারে বর্তমান সরকার কোনো কার্যকর উদ্যোগ নিচ্ছে না। স্বাধীন সাংবাদিকতা কোনো অপরাধ নয়, বরং এটি গণতন্ত্রের ভিত্তি।

বিবৃতিতে সরকারের প্রতি ৬টি দাবি জানানো হয়—

১. সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে দায়ের করা সব মিথ্যা, হয়রানিমূলক ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত মামলা অবিলম্বে প্রত্যাহার করা।

২. কারাবন্দি সাংবাদিকদের দ্রুত ও নিঃশর্ত মুক্তি দিতে হবে।

৩. সাংবাদিকদের পেশাগত কাজকে অপরাধ হিসেবে বিবেচনার প্রবণতা বন্ধ করতে হবে।

৪. গণমাধ্যমের স্বাধীনতা, মতপ্রকাশের অধিকার ও সাংবাদিকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে কার্যকর পদক্ষেপ নিতে হবে।

৫. আন্তর্জাতিক মানবাধিকার মানদণ্ড ও সাংবিধানিক অঙ্গীকার অনুযায়ী সাংবাদিকদের অধিকার ও স্বাধীনতা সুরক্ষিত করতে হবে।

৬. ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়নের (ডিইউজে) তালাবদ্ধ কার্যালয় অবিলম্বে খুলে দিতে হবে।