• ই-পেপার

গ্যাসসংকট নিরসনে সহায়তা চেয়ে মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রীকে তারেক রহমানের চিঠি

জরিপ অধিদপ্তর পরিদর্শন করলেন প্রতিরক্ষা উপদেষ্টা

নিজস্ব প্রতিবেদক
জরিপ অধিদপ্তর পরিদর্শন করলেন প্রতিরক্ষা উপদেষ্টা

বাংলাদেশ জরিপ অধিদপ্তর পরিদর্শন করেছেন প্রধানমন্ত্রীর প্রতিরক্ষা উপদেষ্টা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) ড. এ কে এম শামছুল ইসলাম। এ সময় অধিদপ্তরের মহাপরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মোহাম্মদ আজিজুর রউফ তাঁকে স্বাগত জানান। আজ মঙ্গলবার রাজধানীর তেজগাঁওয়ে এ পরিদর্শন অনুষ্ঠিত হয়। 

পরিদর্শনকালে প্রতিরক্ষা উপদেষ্টা জাতীয় মানচিত্র প্রণয়ন ও হালনাগাদ, আন্তর্জাতিক সীমানা জরিপ, ভূস্থানিক তথ্য সংগ্রহ, স্যাটেলাইট চিত্র বিশ্লেষণ এবং ডিজিটাল এলিভেশন মডেল প্রস্তুত কার্যক্রম সম্পর্কে অবহিত হন।

প্রতিরক্ষা উপদেষ্টা বলেন, নির্ভুল ও হালনাগাদ মানচিত্র উন্নয়ন পরিকল্পনা, অবকাঠামো নির্মাণ, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা, সীমান্ত ব্যবস্থাপনা এবং জাতীয় নিরাপত্তার গুরুত্বপূর্ণ ভিত্তি। 

তিনি সরকারি প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে ভূস্থানিক তথ্যের সমন্বয় ও নিয়মিত হালনাগাদের ওপর গুরুত্বারোপ করেন। 

তিনি প্রশিক্ষণে জরিপ ও ভূস্থানিক জ্ঞানের ব্যবহার বৃদ্ধি, দেশীয় ডিজিটাল ম্যাপিং অ্যাপ্লিকেশন তৈরির সম্ভাবনা যাচাই এবং ভূকৌশলগত গুরুত্বপূর্ণ এলাকার হালনাগাদ তথ্য নিয়মিত সংগ্রহ ও বিশ্লেষণের নির্দেশনা প্রদান করেন।

পাশাপাশি ঢাকা ও চট্টগ্রামের ডিজিটাল এলিভেশন মডেল আগামী চার মাসের মধ্যে সম্পন্ন করে পরবর্তী পর্যায়ে সিলেট ও কুমিল্লায় কাজ শুরুর নির্দেশ দেন। 

পরিদর্শন শেষে তিনি বলেন, ‘উন্নত ও নিরাপদ বাংলাদেশ গড়তে সঠিক তথ্যভিত্তিক পরিকল্পনার বিকল্প নেই। নির্ভুল মানচিত্র ও আধুনিক ভূস্থানিক তথ্য সেই পরিকল্পনার পথ নির্দেশক।’

এসময় প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. আশরাফ উদ্দিন এবং বাংলাদেশ জরিপ অধিদপ্তরের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা উপস্থিত ছিলেন

সরকারের দায়িত্বশীল ব্যক্তিদের নাম ব্যবহার করে প্রতারণা, সতর্ক করল পুলিশ

নিজস্ব প্রতিবেদক
সরকারের দায়িত্বশীল ব্যক্তিদের নাম ব্যবহার করে প্রতারণা, সতর্ক করল পুলিশ
সংগৃহীত ছবি

পুলিশসহ সরকারের বিভিন্ন দপ্তরের দায়িত্বশীল ও ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের নাম-পরিচয় এবং ছবি ব্যবহার করে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রতারণার অভিযোগ পাওয়া যাচ্ছে। ভুয়া পরিচয়ে বার্তা পাঠিয়ে অর্থ দাবি ও বিভিন্ন ধরনের তদবিরের চেষ্টা করছে একটি প্রতারকচক্র। এ বিষয়ে সবাইকে সতর্ক থাকার আহ্বান জানিয়েছে পুলিশ সদর দপ্তর।

মঙ্গলবার (২৮ জুলাই) সংবাদমাধ্যমে পাঠানো এক সতর্কবার্তায় পুলিশ জানায়, প্রতারকচক্র সরকারি কর্মকর্তাদের পরিচয় ব্যবহার করে একদিকে মানুষের কাছ থেকে অর্থ হাতিয়ে নিচ্ছে, অন্যদিকে সরকারি প্রতিষ্ঠান ও দায়িত্বশীল কর্মকর্তাদের ভাবমূর্তিও ক্ষুণ্ন করছে।

পুলিশ বলছে, সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের যেকোনো আইডিতে কোনো সরকারি কর্মকর্তার ছবি থাকা মানে মোবাইল নম্বরটি ওই ব্যক্তির বলে নিশ্চিত হওয়ার কারণ নেই। প্রতারকদের এ ধরনের মেসেজে (বার্তা) সাড়া না দিতে সবার প্রতি অনুরোধ জানানো হচ্ছে।

প্রতারকচক্রের এ ধরনের বার্তা পেলে জাতীয় জরুরি সেবা-৯৯৯ নম্বরে এবং সাইবার পুলিশ সেন্টার, সিআইডি ও গোয়েন্দা বিভাগ (ডিবি), ডিএমপি কার্যালয়ে যোগাযোগ করতে পরামর্শ দিয়েছে পুলিশ।

বাংলাদেশ পুলিশ জানিয়েছে, প্রতারকচক্রের বিরুদ্ধে সর্বোচ্চ সজাগ রয়েছে। কেউ এ ধরনের প্রতারণার সঙ্গে জড়িত থাকলে তার বিরুদ্ধে যথাযথ আইনি ব্যবস্থা নিতে পুলিশ প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।

স্বচ্ছ ও কার্যকর কার্বন মার্কেট গড়ে তুলতে সমন্বিত উদ্যোগ প্রয়োজন : পরিবেশমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদক
স্বচ্ছ ও কার্যকর কার্বন মার্কেট গড়ে তুলতে সমন্বিত উদ্যোগ প্রয়োজন : পরিবেশমন্ত্রী
সংগৃহীত ছবি

পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রী আবদুল আউয়াল মিন্টু, এমপি বলেছেন, বাংলাদেশের জাতীয় স্বার্থ সুরক্ষা করে একটি স্বচ্ছ, জবাবদিহিমূলক ও কার্যকর কার্বন মার্কেট গড়ে তুলতে সংশ্লিষ্ট সব মন্ত্রণালয়, বিভাগ ও অংশীজনকে সমন্বিতভাবে কাজ করতে হবে।

মঙ্গলবার (২৮ জুলাই) বাংলাদেশ সচিবালয়ে পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের সম্মেলনকক্ষে ‘বাংলাদেশ কার্বন মার্কেট ফ্রেমওয়ার্ক’-এর ওপর আয়োজিত আন্ত মন্ত্রণালয় সভায় তিনি এ কথা বলেন। 

পরিবেশমন্ত্রী বলেন, আন্তর্জাতিক কার্বন মার্কেট বাংলাদেশের জন্য জলবায়ু অর্থায়ন, প্রযুক্তি হস্তান্তর এবং পরিবেশবান্ধব বিনিয়োগের নতুন সুযোগ সৃষ্টি করতে পারে। তবে এ মার্কেটের কার্যক্রমে পরিবেশগত অখণ্ডতা, স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি নিশ্চিত করার পাশাপাশি স্থানীয় জনগোষ্ঠীসহ সংশ্লিষ্ট অংশীজনদের ন্যায্য সুবিধাপ্রাপ্তি নিশ্চিত করতে হবে।

তিনি বলেন, বাংলাদেশের জাতীয়ভাবে নির্ধারিত অবদান বাস্তবায়নে কার্বন মার্কেট গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে। এ জন্য গ্রিনহাউস গ্যাস নিঃসরণ হ্রাস ও অপসারণ কার্যক্রমের সঠিক হিসাব, যাচাই এবং আন্তর্জাতিক মান অনুসরণ করা অত্যন্ত জরুরি।

প্যারিস চুক্তির আওতায় Article 6 Designated National Authority (A6 DNA) হিসেবে পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের সার্বিক তত্ত্বাবধানে এবং বিশ্বব্যাংকের Partnership for Market Implementation (PMI) কর্মসূচির সহযোগিতায় ‘বাংলাদেশ কার্বন মার্কেট ফ্রেমওয়ার্ক’ খসড়া প্রণয়ন করা হয়েছে।

বিশেষ অতিথির বক্তব্যে পরিবেশ প্রতিমন্ত্রী শেখ ফরিদুল ইসলাম বলেন, ‘বেসরকারিভাবে বাংলাদেশ কার্বন ট্রেডিং সীমিত পর্যায়ে শুরু হলেও সরকারিভাবে আমরা এখনো শুরু করতে পারিনি। যতটা দ্রুত সম্ভব এটা শুরু করতে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী নির্দেশনা দিয়েছেন।

তিনি আরো বলেন, ‘আগামী ডিসেম্বর-জানুয়ারি মাসে উপকূলীয় এলাকায় ২ কোটি বৃক্ষরোপন করা হবে। এখান থেকে কিভাবে বাংলাদেশ কার্বন ক্রেডিট পেতে পারে সেটা নিয়ে আমরা কাজ করছি।’

সভায় প্রধানমন্ত্রীর পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন বিষয়ক বিশেষ সহকারী ড. মো. সাইমুম পারভেজ বলেন, ‘কার্বন মার্কেটে আমরা এখনো প্রবেশ করতে পারিনি। দ্রুততম সময়ে কিভাবে কার্বন মার্কেটে প্রবেশ করা যায় সে বিষয়ে কাজ করতে হবে।’

সভাপতির বক্তব্যে পরিবেশ সচিব ড. ফাহমিদা খানম বলেন, সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়, বিভাগ ও বিশেষজ্ঞদের মতামতের ভিত্তিতে ফ্রেমওয়ার্কটি আরো কার্যকর ও বাস্তবায়নযোগ্য করা হবে। এর মাধ্যমে কার্বন ক্রেডিটের অনুমোদন, হিসাবরক্ষণ, পর্যবেক্ষণ ও মুনাফা বণ্টনের ক্ষেত্রে একটি সুস্পষ্ট প্রাতিষ্ঠানিক ব্যবস্থা গড়ে উঠবে।

সভায় পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের যুগ্মসচিব ধরিত্রী কুমার সরকার ‘বাংলাদেশ কার্বন মার্কেট ফ্রেমওয়ার্ক’-এর খসড়ার পাওয়ার পয়েন্ট উপস্থাপন করেন। 

সভায় অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগ, রেলপথ মন্ত্রণালয়, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগ, গৃহায়ণ ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়, সেতু বিভাগ, পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়, শিল্প মন্ত্রণালয়, পরিকল্পনা বিভাগ, পরিসংখ্যান ও তথ্য ব্যবস্থাপনা বিভাগ, সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগ, স্থানীয় সরকার বিভাগ, কৃষি মন্ত্রণালয়, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়, নৌপরিবহন মন্ত্রণালয় এবং বিদ্যুৎ বিভাগের প্রতিনিধিরা অংশ নেন। 

সভায় অন্যান্যের মধ্যে পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব মোহাম্মদ নাভিদ শফিউল্লাহসহ সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

সভায় অংশগ্রহণকারীরা প্রস্তাবিত ফ্রেমওয়ার্কের বিভিন্ন বিষয়ে মতামত ও সুপারিশ তুলে ধরেন। প্রাপ্ত মতামত পর্যালোচনা করে ‘বাংলাদেশ কার্বন মার্কেট ফ্রেমওয়ার্ক’ চূড়ান্ত করার লক্ষ্যে পরবর্তী কার্যক্রম গ্রহণের সিদ্ধান্ত হয়।

প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে জাপান সরকারের বিশেষ উপদেষ্টার সাক্ষাৎ

অনলাইন ডেস্ক
প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে জাপান সরকারের বিশেষ উপদেষ্টার সাক্ষাৎ
সংগৃহীত ছবি

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন জাপানের প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ উপদেষ্টা উনো ইয়োশিমাসা। মঙ্গলবার (২৮ জুলাই) দুপুর ১২টায় বাংলাদেশ সচিবালয়ে এ সাক্ষাৎ করেন।

এ সময় বাংলাদেশ ও জাপানের কৌশলগত অংশীদারি আরো সুদৃঢ় করা, বিনিয়োগ বৃদ্ধি, মানবসম্পদ উন্নয়ন এবং দ্বিপক্ষীয় অর্থনৈতিক সহযোগিতা সম্প্রসারণের বিভিন্ন বিষয় নিয়ে ফলপ্রসূ আলোচনা করা হয়।

সাক্ষাৎকালে প্রধানমন্ত্রী জাপানি ভাষায় দক্ষতা অর্জনের মাধ্যমে বাংলাদেশ থেকে দক্ষ স্বাস্থ্যকর্মী, কৃষিশ্রমিক ও গাড়িচালক নিয়োগে জাপানের উদ্যোগ গ্রহণের আহ্বান জানান। পাশাপাশি বাংলাদেশে জাপানি বিনিয়োগ বৃদ্ধি এবং নারায়ণগঞ্জের আড়াইহাজারের মতো আরো নতুন শিল্প পার্ক প্রতিষ্ঠায় সরকারের সর্বাত্মক সহযোগিতার আশ্বাস দেন।

এ ছাড়া আগামী ১৬ ডিসেম্বর শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের তৃতীয় টার্মিনালের উদ্বোধন, চলমান এমআরটি প্রকল্পের অগ্রগতি এবং দুই দেশের অবকাঠামোগত সহযোগিতা আরো জোরদারের বিষয়েও আলোচনা হয়