• ই-পেপার

১৯ লাখ গাঁট তুলা উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা সরকারের

জনগণের স্বাস্থ্যসেবায় সরকার নানা পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করছে : স্বাস্থ্যমন্ত্রী

বাগেরহাট প্রতিনিধি
জনগণের স্বাস্থ্যসেবায় সরকার নানা পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করছে : স্বাস্থ্যমন্ত্রী
সংগৃহীত ছবি

বর্তমান সরকার দেশের স্বাস্থ্যসেবাকে সহজলভ্য এবং মানুষের দোরগোড়ায় পৌঁছে দিতে নানা পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করছে বলে মন্তব্য করেছেন স্বাস্থ্য ও পরিবারকল্যাণ মন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন। তিনি বলেন, ‘চিকিৎসাসেবার মানোন্নয়ন এবং স্বাস্থ্যখাতে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে জরুরি পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে।’

শনিবার (২৫ জুলাই) সকালে বাগেরহাটের মোরেলগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স আকস্মিক পরিদর্শন শেষে মন্ত্রী এসব কথা বলেন। এ সময় হাসপাতালের সার্বিক ব্যবস্থাপনা দেখে অসন্তোষ প্রকাশ করেন তিনি।

স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, ‘বিগত সরকারের আমলে স্বাস্থ্য খাতে সীমাহীন অনিয়ম, দুর্নীতি ও অর্থ লুটপাটের কারণে স্বাস্থ্যসেবা ব্যবস্থা ভেঙে পড়েছিল। সেই অবস্থা থেকে উত্তরণে বর্তমান সরকার চিকিৎসাসেবার মানোন্নয়ন, স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি নিশ্চিত করতে কাজ করছে।’

তিনি বলেন, ‘জনগণের দোরগোড়ায় স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দিতে মোরেলগঞ্জ ৫০ শয্যা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সকে ১০১ শয্যায় উন্নীত করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এ বিষয়ে শিগগিরই টেন্ডার প্রক্রিয়া শুরু হবে। পাশাপাশি চিকিৎসাসেবার মানোন্নয়ন এবং স্বাস্থ্যখাতে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি নিশ্চিত করতে জরুরি পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে।’

পরিদর্শনকালে মন্ত্রী হাসপাতালের বিভিন্ন বিভাগ ঘুরে দেখেন এবং চিকিৎসাসেবার সার্বিক পরিস্থিতি পর্যালোচনা করেন। এ সময় হাসপাতালের স্টোরে বিপুল পরিমাণ মেয়াদোত্তীর্ণ ওষুধ এবং বাথরুমে ছড়িয়ে-ছিটিয়ে থাকা সরকারি ওষুধ দেখতে পেয়ে মন্ত্রী অসন্তোষ প্রকাশ করেন। 

তিনি বলেন, ‘আমার দেশের দরিদ্র মানুষ ওষুধ পায় না, আর এখানে লাখ লাখ টাকার সরকারি ওষুধ মেয়াদোত্তীর্ণ হয়ে পড়ে রয়েছে। এমনকি বাথরুমেও সরকারি ওষুধ ছড়িয়ে-ছিটিয়ে রাখা হয়েছে।’ এ ধরনের অনিয়মের ঘটনায় তাৎক্ষণিকভাবে সিভিল সার্জনসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দেন তিনি। 

এ সময় মন্ত্রীর সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন বাগেরহাটের জেলা প্রশাসক গোলাম মো. বাতেন, পুলিশ সুপার হাসান মো. নাসের রিকাবদার, মোরেলগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. হাবিবুল্লাহ, উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. কামাল হোসেন মুফতিসহ স্বাস্থ্য বিভাগের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা। 

পরে মোরেলগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স পরিদর্শন শেষে বিকেলে স্বাস্থ্যমন্ত্রী শরণখোলা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সও পরিদর্শন করেন।

রাওয়ার উদ্যোগে ‘ফিরে দেখা জুলাই-২০২৪’ শীর্ষক আলোচনাসভা অনুষ্ঠিত

নিজস্ব প্রতিবেদক
রাওয়ার উদ্যোগে ‘ফিরে দেখা জুলাই-২০২৪’ শীর্ষক আলোচনাসভা অনুষ্ঠিত
সংগৃহীত ছবি

বৈষম্যহীন সমাজ গঠন, নিরপেক্ষ ও রাজনীতিমুক্ত সশস্ত্র বাহিনী গড়ে তোলা এবং অতীত ভুলে জাতীয় ঐক্যের ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন সামরিক বাহিনীর অবসরপ্রাপ্ত কর্মকর্তা, শহীদ পরিবারের সদস্য ও বিশিষ্টজনরা। তারা বলেছেন, জুলাই অভ্যুত্থানে রাজপথের আন্দোলনকারীদের পাশাপাশি সশস্ত্র বাহিনীর ভূমিকা দেশজুড়ে নৈতিক শক্তি জুগিয়েছিল।

শনিবার (২৫ জুলাই) মহাখালীর রাওয়া ক্লাবের হেলমেট হলে রিটায়ার্ড আর্মড ফোর্সেস অফিসার্স ওয়েলফেয়ার অ্যাসোসিয়েশন (রাওয়া) আয়োজিত ‘ফিরে দেখা জুলাই-২০২৪’ শীর্ষক এক আলোচনাসভায় তারা এসব কথা বলেন। অনুষ্ঠানটি সকাল সাড়ে ১১টা থেকে দুপুর ২টা ১০ মিনিট পর্যন্ত চলে।

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন রাওয়া প্রেসিডেন্ট ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) আবদুল হক। প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) ড. এ কে এম শামছুল ইসলাম।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে ড. এ কে এম শামছুল ইসলাম বলেন, ‘২০০৯ সালের বিডিআর হত্যাকাণ্ড এবং বিগত সরকারের আমলের বঞ্চনাই ছিল জুলাই অভ্যুত্থানের মূল ভিত্তি।’ 

তিনি উল্লেখ করেন, ‘ছাত্র-জনতার পাশাপাশি সশস্ত্র বাহিনীর অবসরপ্রাপ্ত ও কর্মরত সদস্যদের সাহসী অংশগ্রহণ আন্দোলনকে গতিশীল করেছিল। সরকার বর্তমানে একটি নিরপেক্ষ, পেশাদার ও জনমুখী সশস্ত্র বাহিনী গঠনে কাজ করছে জানিয়ে তিনি আরো বলেন, ‘আহত ও শহীদ পরিবারের জন্য ক্যাটাগরি অনুযায়ী মাসিক ভাতা, চিকিৎসাসেবা ও পুনর্বাসনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।’

সভাপতির বক্তব্যে ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) আবদুল হক বলেন, ‘১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধে ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্ট, সেনাবাহিনীর বিদ্রোহ এবং শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান ও জেনারেল আতাউল গণি ওসমানীর অবদান অনস্বীকার্য। ৫ আগস্টের সংকটকালে সেনাবাহিনীর ইতিবাচক সিদ্ধান্ত দেশকে সম্ভাব্য গৃহযুদ্ধ থেকে রক্ষা করেছে উল্লেখ করে তিনি পচা অতীত ভুলে সাম্য ও ন্যায়বিচারের ভিত্তিতে পুরো জাতিকে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান জানান।

আলোচনায় অংশ নিয়ে সাবেক সেনা কর্মকর্তা লে. জেনারেল (অব.) আব্দুল্লাহিল আমান আজমি জাতীয় সংহতির তাগিদ দেন। তিনি বলেন, ‘জুলাইয়ের গণ-অভ্যুত্থান ১৬ বছরের ফ্যাসিস্ট শাসনের অবসান ঘটিয়েছিল।’ তবে বর্তমানে সেই ঐক্য ধরে রাখা সম্ভব হচ্ছে না উল্লেখ করে তিনি বলেন, “দেশ ও জাতির স্বার্থে সবাইকে ঐক্যবদ্ধ রাখতে সম্পূর্ণ অরাজনৈতিকভাবে একটি ‘ন্যাশনাল রিকনসিলিয়েশন কাউন্সিল’ গঠন করা প্রয়োজন।”

অনুষ্ঠানে অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন রাওয়ার ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক লে. কর্নেল (অব.) আবু নওরোজ খুরশিদ আলম, বীরপ্রতীক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) হাসিনুর রহমান, রাওয়ার ভাইস চেয়ারম্যান মেজর (অব.) নিয়াজ আহমেদ জাবের, ক্রীড়া সম্পাদক ও বিএনপি নেতা ফ্লাইট লেফটেন্যান্ট (অব.) ড. মোহাম্মাদ হারুনুর রশিদ ভূইয়া, জুলাই শহীদ স্মৃতি ফাউন্ডেশনের সিইও লেফটেন্যান্ট কর্নেল (অব.) আকবর কামাল, দৈনিক নয়া দিগন্তের যুগ্ম সম্পাদক কবি জাকির আবু জাফর এবং জুলাই আন্দোলনে শহীদ মীর মাহফুজুর রহমান মুগ্ধর ভাই মীর মাহবুবুর রহমান স্নিগ্ধ।

এ ছাড়া জুলাই অভ্যুত্থানের শহীদ পরিবারের সদস্য, আহত জুলাইযোদ্ধা, অবসরপ্রাপ্ত সামরিক কর্মকর্তা ও সাংবাদিকরা আলোচনাসভায় অংশ নেন।

প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বিএনপির রংপুর বিভাগীয় নেতাদের বৈঠক

অনলাইন ডেস্ক
প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বিএনপির রংপুর বিভাগীয় নেতাদের বৈঠক

বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) রংপুর বিভাগের বিভিন্ন জেলা ও মহানগরীর নেতাদের সঙ্গে বৈঠক করেছেন দলটির চেয়ারম্যান ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। এ সময় তৃণমূলে দলকে আরো সুসংগঠিত ও শক্তিশালী করতে বিভিন্ন নিকনির্দেশনা দেওয়া হয়।

আজ শনিবার বিকেলে রাজধানীর গুলশানে বিএনপি চেয়ারম্যানের রাজনৈতিক কার্যালয়ে এ সভা শুরু হয়।

এ সময় বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন রংপুর বিভাগের নীলফামারী, কুড়িগ্রাম, গাইবান্ধা ও লালমনিরহাট জেলার এবং রংপুর জেলা ও মহানগরের দলীয় নেতৃবৃন্দ।

এ ছাড়া উপস্থিত ছিলেন প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা রুহুল কবীর রিজভী।

দেশের বিভিন্ন স্থানে বৃষ্টির সম্ভাবনা

অনলাইন ডেস্ক
দেশের বিভিন্ন স্থানে বৃষ্টির সম্ভাবনা
সংগৃহীত ছবি

দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে বৃষ্টি বা বজ্রসহ বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। একই সঙ্গে ৬ জেলার ওপর দিয়ে ঘণ্টায় ৪৫ থেকে ৬০ কিলোমিটার বেগে  ঝোড়ো বাতাস বয়ে যেতে পারে বলে জানিয়েছে আাবহাওয়া অধিদপ্তর। শনিবার (২৫ জুলাই) সকাল ৯টা থেকে সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত দেশের অভ্যন্তরীণ নৌবন্দরের জন্য দেওয়া পূর্বাভাসে এই তথ্য জানানো হয়েছে।

যেখানে বলা হয়েছে—সন্ধ্যার মধ্যে খুলনা, বরিশাল, পটুয়াখালী, নোয়াখালী, কুমিল্লা, চট্টগ্রাম এবং কক্সবাজার অঞ্চলের ওপর দিয়ে ঝোড়ো বাতাস বয়ে যাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।

এদিকে বঙ্গোপসাগরে ও তৎসংলগ্ন এলাকায় একটি লঘুচাপ সৃষ্টি হয়েছে। যার প্রভাবে উত্তর বঙ্গোপসাগর, বাংলাদেশের উপকূলীয় এলাকা ও সমুদ্রবন্দরগুলোর ওপর দিয়ে ঝোড়ো হাওয়া বয়ে যেতে পারে। এ পরিস্থিতিতে চার সমুদ্রবন্দরকে ৩ নম্বর স্থানীয় সতর্কসংকেত দেখাতে বলেছে আবহাওয়া অধিদপ্তর।

আবহাওয়া অফিসের দেওয়া সতর্কবার্তায় বলা হয়েছে, উত্তর-পশ্চিম বঙ্গোপসাগর ও তৎসংলগ্ন গাঙ্গেয় পশ্চিমবঙ্গ-উত্তর উড়িষ্যা উপকূলীয় এলাকায় একটি লঘুচাপ সৃষ্টি হয়েছে। এর প্রভাবে উত্তর বঙ্গোপসাগর, সমুদ্রবন্দরগুলো এবং বাংলাদেশের উপকূলীয় এলাকার ওপর দিয়ে ঝোড়ো হাওয়া বয়ে যেতে পারে। এ কারণে চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, মোংলা ও পায়রা সমুদ্রবন্দরকে ৩ নম্বর স্থানীয় সতর্কসংকেত দেখিয়ে যেতে বলেছে বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তর।

আরো বলা হয়েছে, লঘুচাপের প্রভাবে উত্তর বঙ্গোপসাগরে অবস্থানরত মাছ ধরার নৌকা ও ট্রলারগুলোকে উপকূলের কাছাকাছি এসে সাবধানে চলাচল করতে হবে। পরিস্থিতির ওপর নজর রেখে প্রয়োজনীয় সতর্কতা অবলম্বনেরও পরামর্শ দিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর।

সর্বশেষ সংবাদ