• ই-পেপার

বাজেটের প্রকৃত সার্থকতা নির্ভর করে সফল বাস্তবায়নের ওপর : অর্থমন্ত্রী

প্রধানমন্ত্রীর অ্যাসাইনমেন্ট অফিসার-৩ হলেন মোবাইদুর ইসলাম

অনলাইন ডেস্ক
প্রধানমন্ত্রীর অ্যাসাইনমেন্ট অফিসার-৩ হলেন মোবাইদুর ইসলাম

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের অ্যাসাইনমেন্ট অফিসার-৩ হিসেবে চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ পেয়েছেন মো. মোবাইদুর ইসলাম।

বুধবার (২২ জুলাই) জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের চুক্তি ও বৈদেশিক নিয়োগ শাখা থেকে জারি করা এক প্রজ্ঞাপনে এ তথ্য জানানো হয়।

উপসচিব মো. গোলাম রব্বানী সই করা ওই প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, অন্য যেকোনো পেশা, ব্যবসা কিংবা সরকারি, আধা-সরকারি, বেসরকারি প্রতিষ্ঠান বা সংগঠনের সঙ্গে কর্ম-সম্পর্ক পরিত্যাগের শর্তে মো. মোবাইদুর ইসলামকে প্রধানমন্ত্রীর অ্যাসাইনমেন্ট অফিসার-৩ পদে চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।

প্রজ্ঞাপনের শর্তানুযায়ী, যোগদানের তারিখ হতে প্রধানমন্ত্রীর মেয়াদকাল অথবা তার সন্তুষ্টি সাপেক্ষে (যেটি আগে ঘটে) এই নিয়োগ কার্যকর থাকবে। এ ছাড়া তিনি জাতীয় বেতন স্কেলের সর্বশেষ ধাপ অনুযায়ী বেতন ও আনুষঙ্গিক অন্য সুযোগ-সুবিধা প্রাপ্য হবেন।

জনস্বার্থে জারি করা এই আদেশ অবিলম্বে কার্যকর হবে বলে প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা হয়েছে। এই নিয়োগের অন্য শর্তাবলি চুক্তিপত্র দ্বারা নির্ধারিত হবে।

আসিয়ান ও আরসিইপি প্রত্যাশা পূরণে সিঙ্গাপুরের সমর্থন চাইলেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী

অনলাইন ডেস্ক
আসিয়ান ও আরসিইপি প্রত্যাশা পূরণে সিঙ্গাপুরের সমর্থন চাইলেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী

পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান আজ বাংলাদেশের আসিয়ানের ‘সেক্টোরাল ডায়ালগ পার্টনার’ হওয়ার আকাঙ্ক্ষা এবং রিজিওনাল কমপ্রিহেনসিভ ইকোনমিক পার্টনারশিপে (আরসিইপি) যোগদানের প্রচেষ্টায় সিঙ্গাপুরের সমর্থন চেয়েছেন। একই সঙ্গে তিনি রোহিঙ্গা সংকটের একটি টেকসই সমাধানের লক্ষ্যেও দেশটির সহযোগিতা কামনা করেছেন।

আজ বৃহস্পতিবার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, ম্যানিলায় আসিয়ান আঞ্চলিক ফোরামের (এআরএফ) পররাষ্ট্রমন্ত্রীদের বৈঠকের ফাঁকে সিঙ্গাপুরের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. ভিভিয়ান বালাকৃষ্ণানের সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় বৈঠকে তিনি এই আহ্বান জানান।

আলোচনাকালে দুই পররাষ্ট্রমন্ত্রী দ্বিপক্ষীয় সহযোগিতা আরো গভীর করার উপায় নিয়ে আলোচনা করেন। তারা বাংলাদেশ ও সিঙ্গাপুরের মধ্যে বিদ্যমান চমৎকার কূটনৈতিক ও সুদৃঢ় ব্যক্তিক সম্পর্ককে পারস্পরিক কল্যাণকর পদক্ষেপে রূপান্তর করতে সম্মত হন।

ড. রহমান বিশেষভাবে দক্ষিণ-পূর্ব এশীয় দেশগুলোর সংস্থা (আসিয়ান)-এর সেক্টরাল ডায়ালগ পার্টনার হওয়ার এবং বিশ্বের অন্যতম বৃহত্তম মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি আরসিইপি-তে যোগদানের জন্য বাংলাদেশের আকাঙ্ক্ষায় সিঙ্গাপুরের সমর্থন কামনা করেন। এ ছাড়া দীর্ঘস্থায়ী রোহিঙ্গা সংকটের একটি টেকসই সমাধান খোঁজার প্রচেষ্টায় সিঙ্গাপুরের সহযোগিতা চান তিনি।

উভয় পক্ষ বাণিজ্য ও বিনিয়োগ, দক্ষ জনশক্তি স্থানান্তর এবং বহুপক্ষীয় সংস্থায় পারস্পরিক সমর্থন আরো বৃদ্ধি করতে সম্মত হয়েছে। তারা বাংলাদেশ ও সিঙ্গাপুরের মধ্যে একটি মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি (এফটিএ) স্বাক্ষরের চলমান প্রক্রিয়া অব্যাহত রাখতেও একমত পোষণ করেন।

বৈঠককালে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের (ইউএনজিএ) ৮১তম অধিবেশনের সভাপতি নির্বাচিত হওয়ায় ড. রহমানকে অভিনন্দন জানান বালাকৃষ্ণান। ড. রহমান তার সিঙ্গাপুরের সমকক্ষকে আশ্বস্ত করেন যে, ইউএনজিএ সভাপতি হিসেবে তার মেয়াদে সিঙ্গাপুরের মতো ছোট রাষ্ট্রগুলোর উদ্বেগ ও স্বার্থ তার অগ্রাধিকার তালিকায় শীর্ষে থাকবে।

সিঙ্গাপুরের পররাষ্ট্রমন্ত্রী সেদেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নে প্রবাসী বাংলাদেশি সম্প্রদায়ের মূল্যবান অবদানের কথা স্বীকার করেন এবং বাংলাদেশ থেকে এই নগর-রাষ্ট্রে দক্ষ জনশক্তির আগমনকে স্বাগত জানান।

কে সাংবাদিক, কে সাংবাদিক নয়, তা নির্ধারণে কর্তৃপক্ষ থাকা জরুরি : তথ্যমন্ত্রী

অনলাইন ডেস্ক
কে সাংবাদিক, কে সাংবাদিক নয়, তা নির্ধারণে কর্তৃপক্ষ থাকা জরুরি : তথ্যমন্ত্রী

কে সাংবাদিক আর কে সাংবাদিক নয়, তা নির্ধারণ করার জন্য যথাযথ কর্তৃপক্ষ থাকা জরুরি বলে মন্তব্য করেছেন তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন।

বৃহস্পতিবার (২৩ জুলাই) সচিবালয়ে তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের সম্মেলনকক্ষে প্রেস অ্যাক্রিডিটেশন কমিটির ৩৪তম এবং নবগঠিত কমিটির প্রথম সভায় দিকনির্দেশনামূলক বক্তব্যে তিনি এ মন্তব্য করেন।

তথ্যমন্ত্রী প্রেস অ্যাক্রিডিটেশন কমিটির সদস্যদের প্রতিটি সিদ্ধান্তে সংবিধান, প্রচলিত আইন ও বিধি-বিধানের যথাযথ প্রতিফলন নিশ্চিত করার পরামর্শ দেন। একই সঙ্গে তিনি সিদ্ধান্ত গ্রহণে দূরদর্শিতা, প্রজ্ঞা ও সর্বোচ্চ সংখ্যক মানুষকে ধারণ করার মানসিকতা নিশ্চিত করার আহ্বান জানান। পাশাপাশি সিদ্ধান্তগুলো যাতে সর্বজনগ্রাহ্য হয়‌ সে বিষয়টিও স্মরণ করিয়ে দেন তথ্যমন্ত্রী।

জহির উদ্দিন স্বপন বলেন, রাজনৈতিক দল হিসেবে নয়, বরং জনগণের ভোটে নির্বাচিত সরকারের দায়িত্বশীল প্রতিনিধি হিসেবে সব নাগরিকের প্রতি সমান দায়বদ্ধতা নিয়ে কাজ করতে হবে।

তিনি বলেন, গণমাধ্যম একটি বহুপক্ষীয় ক্ষেত্র। এখানে বিভিন্ন মত, দৃষ্টিভঙ্গি ও চিন্তার মানুষের সহাবস্থানের কোনো বিকল্প নেই। তাই কোনো সংকীর্ণ বা পক্ষপাতমূলক সিদ্ধান্ত নয়, বরং অন্তর্ভুক্তিমূলক সিদ্ধান্ত নেওয়ার মাধ্যমে সর্বোচ্চ সংখ্যক মানুষকে ধারণ করার নীতি অনুসরণ করতে হবে।

তথ্যমন্ত্রী বলেন, রাজনৈতিক নেতৃত্বের প্রকৃত সক্ষমতা কঠিন ও সংবেদনশীল পরিস্থিতিতেও গ্রহণযোগ্য ও অন্তর্ভুক্তিমূলক সিদ্ধান্ত নেওয়ার মধ্যেই নিহিত।

জহির উদ্দিন স্বপন বলেন, তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয় রাষ্ট্রের অন্যতম রাজনৈতিকভাবে সংবেদনশীল মন্ত্রণালয়। এখানে সামান্য ভুল সিদ্ধান্তও ভবিষ্যতে বড় রাজনৈতিক ও সামাজিক প্রভাব ফেলতে পারে। তাই তাৎক্ষণিক বিষয়ের বাইরে গিয়ে দীর্ঘমেয়াদি প্রভাব বিবেচনা করে সিদ্ধান্ত নিতে হবে। কমিটির সদস্যদের প্রজ্ঞা, অভিজ্ঞতা ও দূরদর্শিতার ওপরই সিদ্ধান্তের গ্রহণযোগ্যতা নির্ভর করবে।

প্রধান তথ্য কর্মকর্তা সৈয়দ আবদাল আহমদের সভাপতিত্বে সভায় তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের সচিব (রুটিন দায়িত্ব) মো. শাহ আলমসহ মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা ও প্রেস অ্যাক্রিডিটেশন কমিটির সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।

মন্ত্রিসভায় বগুড়া উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ গঠনের অনুমোদন

অনলাইন ডেস্ক
মন্ত্রিসভায় বগুড়া উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ গঠনের অনুমোদন

বগুড়ায় উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ গঠন করতে এসংক্রান্ত আইনের খসড়ার চূড়ান্ত অনুমোদন দিয়েছে মন্ত্রিসভা।

বৃহস্পতিবার (২৩ জুলাই) সচিবালয়ে অনুষ্ঠিত মন্ত্রিসভা বৈঠকে এ অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

এতে বলা হয়, বগুড়া ও এর সন্নিহিত এলাকা সমন্বয়ে একটি পরিকল্পিত আধুনিক নগর প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে এ অঞ্চলের ভূ-প্রাকৃতিক পরিবেশ ও প্রতিবেশের ভারসাম্য বজায় রাখা, অপরিকল্পিত নগরায়ণ রোধ করা, দুর্যোগ সহনশীল নগর ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করা, তথ্য-প্রযুক্তি ও পর্যটন শিল্পের বিকাশ এবং উন্নত নাগরিক জীবন নিশ্চিত করার লক্ষ্যে ‘বগুড়া উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ আইন, ২০২৬’-এর খসড়া মন্ত্রিসভা-বৈঠকে উপস্থাপন করা হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে আরো বলা হয়, এ আইনের মাধ্যমে বগুড়া সিটি করপোরেশন ও সংলগ্ন এলাকা নিয়ে চেয়ারম্যান, সার্বক্ষণিক সদস্য ও বিভিন্ন সংস্থার প্রতিনিধি সমন্বয়ে বগুড়া উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (বউক) শিরোনামে একটি সংবিধিবদ্ধ সংস্থা প্রতিষ্ঠা করা হবে। এ কর্তৃপক্ষ গণশুনানি ও প্রাক-প্রকাশসহ বিধিবদ্ধ প্রক্রিয়ায় মহাপরিকল্পনা থেকে উন্নয়ন প্রকল্প ও স্থানীয় পরিকল্পনা পর্যন্ত একটি পর্যায়ভিত্তিক পরিকল্পনা কাঠামো নির্ধারণ করবে।

কর্তৃপক্ষের ছাড়পত্র ব্যতীত কোনো নির্মাণ বা প্রকল্প গ্রহণ করা যাবে না। নদী-নালা, জলাশয়, খেলার মাঠ ও উন্মুক্ত স্থান সুরক্ষায় কঠোর পরিবেশগত বিধিনিষেধ আরোপ, ভূমি পুনর্বিন্যাস ও ভূমি পুনঃউন্নয়নের মতো আধুনিক ভূমি ব্যবস্থাপনা কৌশল প্রবর্তন; অননুমোদিত নির্মাণ ও জলাধার ভরাটসহ বিভিন্ন অপরাধের জন্য কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ড নির্ধারণের পাশাপাশি নিজস্ব তহবিল, উন্নয়ন ফি ধার্য, ঋণগ্রহণ ও নিরীক্ষার বিধান এ আইনে অন্তর্ভুক্ত আছে।

লেজিসলেটিভ ও সংসদ বিষয়ক বিভাগের ভেটিং-সাপেক্ষে ‘বগুড়া উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ আইন, ২০২৬’-এর খসড়া চূড়ান্ত অনুমোদন করা হয়েছে বলেও সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়।