• ই-পেপার

ভারতে আন্দোলনের মধ্যেই আরো ২ প্রশ্নফাঁস, পরীক্ষা বাতিল

জেডি ভ্যান্সের ভ্রমণ তথ্য ফাঁস করায় সিক্রেট এজেন্ট বরখাস্ত

কালের কণ্ঠ ডেস্ক
জেডি ভ্যান্সের ভ্রমণ তথ্য ফাঁস করায় সিক্রেট এজেন্ট বরখাস্ত
ফাইল ছবি : রয়টার্স

মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্সের ভ্রমণসংক্রান্ত তথ্য ফাঁস করার অভিযোগে তার নিরাপত্তার দায়িত্বে নিয়োজিত একজন সিক্রেট সার্ভিস এজেন্টকে বরখাস্ত করা হয়েছে। এজেন্সির অভ্যন্তরীণ বিষয়ক শাখা এই বিষয়ে একটি তদন্ত শুরু করেছে। তবে ওই এজেন্ট প্রশাসনিক শাস্তি না কি ফৌজদারি অপরাধের মুখোমুখি হবেন তা এখনও স্পষ্ট নয়।

সিএনএন জানিয়েছে, অভিযুক্ত সিক্রেট এজেন্ট কর্মী একটি গণমাধ্যমে জানিয়েছিলেন যে, ভ্যান্সের শেষ মুহূর্তের ব্যক্তিগত ভ্রমণের অনুরোধে এজেন্টরা বিরক্ত।

প্রতিবেদনে জানা গেছে, একটি নির্দিষ্ট ঘটনা এজেন্টদের বিশেষভাবে ক্ষুব্ধ করেছিল। ঘটনাটি ছিল ভ্যান্স এবং তার ছোট ছেলেকে গলফ খেলার জন্য ‘মেরিন টু’ হেলিকপ্টারে করে ওয়াশিংটনের বাইরে নিয়ে যাওয়ার অনুরোধের।

যদিও খারাপ আবহাওয়ার কারণে সেই ট্রিপটি শেষ পর্যন্ত হয়নি। তবে এই ধরনের প্রস্তাবের কথা শুনেই অনেক এজেন্ট হতবাক হয়ে গিয়েছিলেন। তাদের একজন বার্তা পাঠিয়েছেন, ‘এটা হাস্যকর। আগে মাইক (পেন্স) বা কমলা (হ্যারিস) কখনো এ ধরনের অনুরোধ করেননি।’ আরেকজন লিখেছিলেন, ‘তারা সবকিছু বদলে ফেলেন। পূর্ব নির্ধারিত শিডিউল মানেন না। যাতে খরচ বেড়ে যায়।’

প্রতিবেদনে আরো দাবি করা হয়েছে যে, জেডি ভ্যান্স এবং সেকেন্ড লেডি ঊষা ভ্যান্স সম্প্রতি একটি বাড়ি খোঁজার জন্য ভার্জিনিয়ার মিডলবার্গে একাধিকবার হেলিকপ্টারে ভ্রমণ করেছেন।

মেরিন টু হলো যুক্তরাষ্ট্রের ভাইস প্রেসিডেন্টের জন্য নির্ধারিত বিশেষ হেলিকপ্টার। প্রতিবেদন অনুযায়ী, এই ধরনের ভ্রমণের জন্য ‘মেরিন টু’ ব্যবহার করতে হোয়াইট হাউস মিলিটারি অফিসের অনুমোদনের প্রয়োজন হতো। ২০২২ সালের পেন্টাগন বাজেট অনুসারে, এই হেলিকপ্টারটি পরিচালনা করতে ঘণ্টায় ১৬ হাজার ডলার থেকে ২৪ হাজার ৬০০ ডলার খরচ হয়।

তবে, ‘দ্য ইন্ডিপেনডেন্ট’-এর প্রতিবেদন অনুযায়ী, ভাইস প্রেসিডেন্ট ভ্যান্সের একজন মুখপাত্র অনিয়মের যেকোনো ইঙ্গিত প্রত্যাখ্যান করেছেন এবং তাঁর পরিবারকে রক্ষা করার দায়িত্বে থাকা এজেন্টদের প্রশংসা করে বলেছেন, ‘ভ্যান্স পরিবার ইউএস সিক্রেট সার্ভিসের সেই সমস্ত নারী ও পুরুষদের প্রতি কৃতজ্ঞ যারা দক্ষতার সঙ্গে আমাদের দেশের সেবা করছেন।’

বিশ্ববাজারে ফের ১০০ ডলার ছাড়াল জ্বালানি তেলের দাম

অনলাইন ডেস্ক
বিশ্ববাজারে ফের ১০০ ডলার ছাড়াল জ্বালানি তেলের দাম
ফাইল ছবি

যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের চলমান সংঘাতের প্রভাবে বিশ্ববাজারে অপরিশোধিত জ্বালানি তেলের দাম ৬ শতাংশ বেড়ে আবারও ব্যারেলপ্রতি ১০০ ডলার ছাড়িয়েছে। গত মে মাসের পর এই প্রথম তেলের দাম শতকের ঘর অতিক্রম করল। বিবিসির এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানা যায়।

ইরানের ওপর মার্কিন সামরিক হামলা তীব্র হওয়ায় বেশ কয়েকদিন ধরেই ধারাবাহিকভাবে বাড়ছিল জ্বালানি তেলের দাম। 

বৃহস্পতিবার (২৩ জুলাই) সন্ধ্যায় অপরিশোধিত ব্রেন্ট ক্রুড ওয়েলের দাম একলাফে ছয় শতাংশ বেড়ে গেছে।

মূলত ইয়েমেনের হুতি গোষ্ঠী লোহিত সাগরে সৌদি আরবের তেলের ট্যাঙ্কারে হামলা চালানোর পর তেলের এমন মূল্যবৃদ্ধি দেখা গেল।

২০ জুলাই ইয়েমেনের ইরান-সমর্থিত হুতি বিদ্রোহীরা সৌদি আরবের ওপর একটি নৌ অবরোধ আরোপ করে। তখন ধারণা করা হয়েছিল, এই অবরোধের জেরে হুতিরা বাব আল-মান্দেব প্রণালি পুরোপুরি বন্ধ করে দিতে পারে। তবে বাব আল-মান্দেব বন্ধ না করলেও তারা লোহিতসাগরে তেলের ট্যাংকারগুলোতে হামলা চালিয়ে যাচ্ছে। এই রুট ব্যবহার করেই মূলত সৌদি আরব হরমুজ প্রণালি এড়িয়ে তেল রপ্তানি করে আসছিল। কিন্তু এখন রুটটি হুমকির মুখে পড়েছে। ফলে নতুন করে তেলের দাম বেড়ে গেছে।

এর আগে, যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে সাময়িক যুদ্ধবিরতির ফলে তেলের দাম কিছুটা কমেছিল। গত ২৮ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র-ইরান যুদ্ধ শুরুর আগের স্তরে নেমে এসেছিল তেলের বাজার। তবে সেই যুদ্ধবিরতি টেকেনি।

সিয়া গোয়েল তার হবু বরকে মারতে চাননি

অনলাইন ডেস্ক
সিয়া গোয়েল তার হবু বরকে মারতে চাননি
বাঁয়ে কেতন আগরওয়াল, ডানে সিয়া গোয়েল। ছবি : সংগৃহীত

পুনের ব্যবসায়ী কেতন আগরওয়াল হত্যার ঘটনা তদন্তে নতুন নতুন তথ্য পাচ্ছে পুলিশ। কেতনের বাগদত্তা সিয়া গোয়েল ও তার প্রেমিক চেতন চৌধুরী মিলে পরিকল্পিতভাবে পুনের লোহাগড় দুর্গ থেকে ধাক্কা দিয়ে ফেলে হত্যা করে কেতন আগরওয়ালকে।

গত ফেব্রুয়ারিতে কেতনের সঙ্গে সিয়ার বাগদান হয়। আগামী নভেম্বরে জয়পুরে জমকালো আয়োজনে বিয়ে হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু সিয়ার এ বিয়েতে মত ছিল না। সে ভালোবাসত চেতন চৌধুরীকে। বিয়েতে মত না থাকলেও পরিবারের সামাজিক মর্যাদার কথা ভেবে তাদের মুখের ওপর না বলতে পারেননি সিয়া। এমনকি পরিবারের মর্যাদা রক্ষায় চেতনের সঙ্গে পালিয়ে বিয়ের কথাও ভাবেননি সিয়া। কিন্তু কৌশলে বিয়ের আয়োজন থেকে সরে আসতে নানা পরিকল্পনা আঁটেন সিয়া আর তার প্রেমিক চেতন। প্রথমে অবশ্য হবু বর কেতন আগরওয়ালকে হত্যার পরিকল্পনা ছিল না সিয়া গোয়েলের। সিয়া ও চেতনের প্রাথমিক পরিকল্পনা ছিল, কোনো একটা দুর্ঘটনায় কেতনকে আহত করা, যাতে বিয়ের আয়োজন পিছিয়ে যায় এবং তারা কিছুটা সময় পান। কিন্তু বেঁচে থাকলে কেতন সন্দেহ করতে পারেন এবং তারা ধরা পড়ে যেতে পারেন; এই ভয়ে তারা আহত করার পরিকল্পনা থেকে সরে আসেন। বরং তাদের প্রেমের বাধা হয়ে দাঁড়ানো কেতনকে দুনিয়া থেকে একেবারে সরিয়ে দেওয়ার পরিকল্পনাই চূড়ান্ত করেন। তদন্তের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো এসব কথা জানিয়েছে।

হত্যা পরিকল্পনা চূড়ান্ত করতে সিয়া ও চেতন মিলে কয়েক সপ্তাহ ধরে ব্যাপক গবেষণা করেন। ঘটনার আগে ও পরের সব কিছু ছিল তাদের নিখুঁত পরিকল্পনায়। পরিকল্পনা চূড়ান্ত করার আগে তারা প্রচুর থ্রিলার সিনেমা দেখেন। ইন্টারনেটে নানা হত্যা পরিকল্পনার সুবিধা-অসুবিধা যাচাই করেন। পাহাড় থেকে ধাক্কা দিয়ে ফেলে হত্যার পরিকল্পনা চূড়ান্ত করার পর তারা স্পট চূড়ান্ত করতে মাঠে নামেন। তাদের প্রাথমিক তালিকায় লোনাভালা টাইগার পয়েন্ট, ভিসাপুর দুর্গসহ আশপাশের আরো কয়েকটি দুর্গও ছিল। তারা আলাদাভাবে কিছু স্পট সরেজমিনে পরিদর্শনও করেছেন এবং নিজেদের মধ্যে ছবি বিনিময় করেছেন। তবে অনেক যাচাই-বাছাই শেষে লোহাগড়কেই তারা বেছে নেন নিরাপদ ভেন্যু হিসেবে। ঘটনার পর যাতে কোনো প্রমাণ না থাকে, স্পট নির্ধারণের ক্ষেত্রে এটাই ছিল তাদের মূল ভাবনা।

গত ৩১ মে প্রথম কেতনকে নিয়ে লোহাগড় যান সিয়া। তবে সেদিন হত্যার পরিকল্পনা ছিল না তার। প্রথম দিন সিয়া একটা ভালো স্পট খুঁজে বের করেন কেতনকে ধাক্কা দেওয়ার জন্য। পরিকল্পনা ছিল ৩ জুন আবার লোহাগড় যাবেন তারা। সেদিনই সিয়া কেতনকে ধাক্কা দিয়ে ফেলে দেবেন। কিন্তু কেতনের পরিবারের আপত্তির কারণে সেদিন তাদের যাওয়া হয়নি। কারণ ৬ জুন প্রিওয়েডিং ফটোশুটের জন্য তাদের ইন্দোনেশিয়ার বালিতে যাওয়ার কথা ছিল। কিন্তু বালিতে গেলে তাদের পরিকল্পনা পিছিয়ে যাবে। তাই অন্য ফন্দি আঁটেন সিয়া। এয়ারপোর্টে যাওয়ার পথে এক হোটেলে নাশতা খেতে নামেন তারা। সেখানেই কেতনের ব্যাগ থেকে তার পাসপোর্ট চুরি করে ছিঁড়ে টয়লেটে ফ্ল্যাশ করে দেন সিয়া। ফলে তাদের আর বালি যাওয়া হয়নি। ১৪ জুন কেতনকে নিয়ে আবার লোহাগড় যান সিয়া। সেদিন ধাক্কা দিয়েছিলেনও। কিন্তু ঝোপঝাড় ধরে বেঁচে যান কেতন। আর সিয়া কেতনকে জড়িয়ে ধরে ‘সাপ সাপ’ বলে চিৎকার করেন। ফলে কেতন আর তাকে সন্দেহ করেননি। পরিবারের আপত্তি সত্ত্বেও ১৮ জুন কেতনকে নিয়ে আবার লোহাগড় যান সিয়া। এবার আর ঝুঁকি নেননি। ডেকে নেন তার প্রেমিক চেতন চৌধুরীকে। ১৮ জুন সিয়া আর চেতন মিলে ধাক্কা দিয়ে ফেলে হত্যা করেন কেতন আগরওয়ালকে। 

হত্যা পরিকল্পনাকে নিশ্চিদ্র করতে নানা কৌশল অবলম্বন করেন সিয়া ও চেতন। ঘটনার পরপরই সিয়া ও চেতন দুজনের ফোনের সব ডাটা মুছে ফেলেন। চেতন নিজের ফোন পুনের দোকানে রেখে এক কর্মচারীর ফোন নিয়ে লোহাগড় যান, যাতে ফোন ট্র্যাক করলে মনে হয় তিনি পুনেতেই আছেন। টোল প্লাজায় যাতে কোনো রেকর্ড না থাকে জন্য গাড়ি ব্যবহার না করে মোটরসাইকেলেই লম্বা পথ পাড়ি দিয়ে লোহাগড় যান চেতন। সিসিটিভিতে যাতে চেনা না যায়, সে জন্য চেতন হুডিতে মুখ ঢেকে কেতন ও সিয়াকে অনুসরণ করেন। কিন্তু তীব্র গরমে হুডি পরার বিষয়টিই পুলিশকে ভাবায়। সেই সন্দেহ থেকেই আস্তে আস্তে বেরিয়ে আসে আসল ঘটনা। পরিকল্পনার অংশ হিসেবে সিয়া প্রথমে পরিবার ও পুলিশের কাছে জানিয়েছিল ছবি তুলতে গিয়ে পা পিছলে পড়ে গেছে কেতন।

প্রাথমিকভাবে কেতনের বোন ছাড়া সবাই সেটা মেনেও নিয়েছিল। কিন্তু বোনের সন্দেহের কারণেই পুলিশ তদন্তে নামে এবং প্রাথমিক তদন্ত শেষে ২৩ জুন সিয়া ও চেতনকে গ্রেপ্তার করা হয়।

এদিকে কেতনের সঙ্গে বাগদানের পর সিয়া ও চেতন গোপনে মন্দিরে গিয়ে বিয়ে করেছেন বলে জানতে পেরেছে পুলিশ। সত্যি সত্যি তারা বিয়ে করেছিলেন কি না, তা জানতে পুলিশ রাজস্থানের খাতু শ্যাম মন্দির পরিদর্শন করেছে।  

তবে কেতনের মা রাখি আগরওয়াল সন্তান হত্যার দ্রুত বিচার চেয়ে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির কাছে এক আবেগঘন চিঠি পাঠিয়েছেন। ই-মেইলে পাঠানো চিঠিতে ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে প্রয়োজনে প্রধানমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ চেয়ে রাখি লিখেছেন, ’আমি কোনো সহানুভূতি বা বিশেষ সুবিধা চাই না। খালি সন্তান হত্যার দ্রুত ও ন্যায়বিচার চাই। যাতে ছেলের ছবির সামনে দাঁড়িয়ে বলতে পারি, তুমি ন্যায়বিচার পেয়েছো।’ রাখি আগরওয়াল লিখেছেন, ‘আমার ছেলেকে নিষ্ঠুরভাবে হত্যা করা হয়েছে। তার সঙ্গে আমার দুনিয়াও চলে গেছে। ঘরের কোনায় কোনায় তার স্মৃতি, তার রুম, তার পোশাক, তার ছবি আমাকে প্রতিদিনই সব মনে করিয়ে দেয়। কিন্তু আমার হাসিখুশি ছেলেটা আর কোনো দিন ফিরবে না।’ রাখি লিখেছেন, ‘অন্য সব মায়ের মতো আমারও স্বপ্ন ছিল কেতনের বিয়ে হবে, সংসার হবে। আমরা একসঙ্গেই আনন্দে থাকব। কিন্তু তার বদলে আমাকে ছেলের শেষকৃত্য করতে হয়েছে। একজন মায়ের জন্য এর চেয়ে বড় বেদনা আর কী হতে পারে।

এর আগে কেতনের বাবা বিশাল আগরওয়াল রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদি মুর্মুর কাছে এত চিঠিতে ছেলের হত্যার দ্রুত ও ন্যায়বিচার চেয়ে আবেদন জানান।

সিজেপির বিক্ষোভ, দিল্লিতে ইন্টারনেট বন্ধ

অনলাইন ডেস্ক
সিজেপির বিক্ষোভ, দিল্লিতে ইন্টারনেট বন্ধ
ছবি : রয়টার্স

ভারতে ককরোচ জনতা পার্টির (সিজেপি) বিক্ষোভকে কেন্দ্র করে নিরাপত্তা জোরদার করতে রাজধানী দিল্লির কনট প্লেস ও আশপাশের এলাকায় সাময়িকভাবে মোবাইল ইন্টারনেট ও মোবাইল পরিষেবা স্থগিত করেছে কর্তৃপক্ষ।

ভারতের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের নির্দেশনা অনুযায়ী, মঙ্গলবার বিকেল ৪টা থেকে রাত ১২টা পর্যন্ত যন্তর-মন্তরের চারপাশে ১.৫ কিলোমিটার এলাকাজুড়ে মোবাইল ইন্টারনেট পরিষেবা বন্ধ রাখা হয়েছে।

1

দেশটির সংবাদমাধ্যম ইন্ডিয়া টুডে বলছে, বিক্ষোভের কারণে কনট প্লেস ও সংলগ্ন এলাকায় তীব্র যানজট সৃষ্টি হয়েছে। নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে এবং বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সড়কে যান চলাচলে নিয়ন্ত্রণ আরোপ করা হয়েছে।

কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখা এবং গুজব বা উসকানিমূলক তথ্যের বিস্তার ঠেকাতেই এই সাময়িক পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।