• ই-পেপার

কাতারের সাবেক আমিরের মৃত্যুতে বৃহস্পতিবার অর্ধদিবস রাষ্ট্রীয় শোক

নকল ওষুধের বিরুদ্ধে অভিযান অব্যাহত থাকবে : স্বাস্থ্যমন্ত্রী

অনলাইন ডেস্ক
নকল ওষুধের বিরুদ্ধে অভিযান অব্যাহত থাকবে : স্বাস্থ্যমন্ত্রী
সংগৃহীত ছবি

স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন বলেছেন, নকল, ভেজাল ও নিম্নমানের ওষুধের সরবরাহ সম্পূর্ণরূপে বন্ধ এবং এ ধরনের অপরাধে জড়িত অসাধু ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে প্রচলিত আইনের আওতায় কঠোর শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নিশ্চিত করতে সরকারের কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।

সোমবার (১৩ জুলাই) জাতীয় সংসদে বিরোধী দল (বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী)-এর সদস্য মো. নূরুল ইসলামের এক লিখিত প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী এ তথ্য জানান।

স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের স্বাস্থ্যসেবা বিভাগের তথ্য অনুযায়ী, বাজারে নকল, ভেজাল ও নিম্নমানের ওষুধের উৎপাদন, আমদানি, সংরক্ষণ, বিতরণ ও বিক্রয় প্রতিরোধে সরকার সর্বোচ্চ গুরুত্বের সঙ্গে কাজ করে যাচ্ছে।

তিনি জানান, ঔষধ প্রশাসন অধিদপ্তর নিয়মিতভাবে দেশব্যাপী মাঠপর্যায়ে পরিদর্শন, মোবাইল কোর্ট পরিচালনা, ওষুধের নমুনা সংগ্রহ ও পরীক্ষাগারে মান যাচাই, গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে অভিযান এবং আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সহায়তায় বিশেষ অভিযান পরিচালনা করছে।

মন্ত্রী বলেন, নকল, ভেজাল ও নিম্নমানের ওষুধ উৎপাদন, মজুদ, সরবরাহ বা বিক্রয়ের সঙ্গে জড়িত ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে প্রচলিত আইন অনুযায়ী মোবাইল কোর্টের মাধ্যমে জরিমানা, লাইসেন্স স্থগিত বা বাতিল, ওষুধ জব্দ ও ধ্বংসসহ প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।

তিনি আরো জানান, ঔষধ প্রশাসন অধিদপ্তরের মাঠপর্যায়ের তদারকি আরও জোরদার করতে সরকার জনবল বৃদ্ধি, পরিদর্শন কার্যক্রম সম্প্রসারণ, ঝুঁকিভিত্তিক নজরদারি, আধুনিক পরীক্ষাগারের সক্ষমতা বৃদ্ধি, তথ্য-প্রযুক্তিনির্ভর নজরদারি ব্যবস্থা শক্তিশালীকরণ এবং সংশ্লিষ্ট অংশীজন ও আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সমন্বয়ে অভিযান অব্যাহত রাখার পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে।

আড়াই মাসে পুলিশের বিশেষ অভিযানে গ্রেপ্তার প্রায় ৩৩ হাজার

নিজস্ব প্রতিবেদক
আড়াই মাসে পুলিশের বিশেষ অভিযানে গ্রেপ্তার প্রায় ৩৩ হাজার
প্রতীকী ছবি

দেশের বিভিন্ন স্থানে বিশেষ অভিযান চালিয়ে গত আড়াই মাসে ৩২ হাজার ৯০৮ জনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। এছাড়া, অন্যান্য মামলা ও অভিযানে গ্রেপ্তার হয়েছে ৮৩ হাজার ৮১৭ জন। সোমবার (১৩ জুলাই) পুলিশ দপ্তর থেকে পাঠানো এক বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য জানা যায়।  

এতে বলা হয়েছে, এ সময়ে ২৪৩টি আগ্নেয়াস্ত্র, ২ হাজার ৩১৩ রাউন্ড গুলি ও কার্তুজ, ৮৮টি ম্যাগাজিন, ৪৩টি ককটেল, ২ কেজি গান পাউডার, ৫০৩টি দেশীয় অস্ত্র, ১৮টি অস্ত্রের যন্ত্রাংশ, ১৭টি অস্ত্র ও বোমা তৈরির সরঞ্জাম এবং ১০ হাজার ৩০০টি চকলেট বাজি উদ্ধার করেছে।

উদ্ধার আগ্নেয়াস্ত্রের মধ্যে রয়েছে পিস্তল ৭৬টি, শুটারগান ৩০টি, এলজি ৩৩টি, রিভলবার ১৮টি, বন্দুক ৫০টি, পাইপগান ১৫টি, শটগান ৪টি, রাইফেল ২টি, এসএমজি ২টি, এয়ারগান ১২টি ও পেনগান ১টি।

এছাড়া পুলিশ ৭৬ লাখ ৪০ হাজার ২৭৬ পিস ইয়াবা, ৮ হাজার ২৮৪ পুরিয়া হেরোইন, ৩ হাজার ১৮৬ বোতল ফেনসিডিল, ৬ হাজার ৮৩৫ বোতল বিদেশি মদ, ৩৫৪ বোতল দেশি মদ, ৫ হাজার ৩৩৬ পুরিয়া গাঁজা এবং মাদক ও মাদক জাতীয় অন্যান্য দ্রব্য উদ্ধার করেছে। মাদক উদ্ধারের ঘটনায় ১৪ হাজার ১৫৭টি মামলা দায়ের ও ২০ হাজার ৪৩৯ জন গ্রেপ্তার হয়েছে।

ধর্মীয় উগ্রবাদ রুখতে সরকারের পদক্ষেপ জানতে চাইলেন রুমিন

অনলাইন ডেস্ক
ধর্মীয় উগ্রবাদ রুখতে সরকারের পদক্ষেপ জানতে চাইলেন রুমিন
সংগৃহীত ছবি

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সরাইল-আশুগঞ্জ এবং বিজয়নগর উপজেলার কিছু অংশে তরুণ সমাজকে ধর্মীয় উগ্রবাদ, অপপ্রচার ও সামাজিক বিভাজন থেকে দূরে রেখে ইসলামের প্রকৃত শান্তির বাণী ও নৈতিক শিক্ষায় উদ্বুদ্ধ করতে স্থানীয় মডেল মসজিদ ও ইসলামিক সাংস্কৃতিক কেন্দ্রগুলোকে মূল ভিত্তি হিসেবে ব্যবহার করা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন ধর্মবিষয়ক মন্ত্রী কাজী শাহ মোফাজ্জাল হোসাইন কায়কোবাদ। 

সোমবার (১৩ জুলাই) ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের দ্বিতীয় ও প্রথম বাজেট অধিবেশনের ২৩তম দিনে প্রশ্নোত্তর পর্বে ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ আসনের সংসদ সদস্য রুমিন ফারহানার লিখিত প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব তথ্য জানান। 

বিকেল ৩টায় শুরু হওয়া সংসদের বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন ডেপুটি স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামাল।  

রুমিন ফারহানার লিখিত প্রশ্নে জানতে চান, ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ আসনের সরাইল-আশুগঞ্জ এবং বিজয়নগর উপজেলার আংশিক উপজেলার ধর্মীয় উগ্রবাদ ও সামাজিক বিভাজন প্রতিরোধে তরুণদের জন্য সচেনতামূলক ধর্মীয় শিক্ষা ও সম্প্রীতি কার্যক্রম গ্রহণের বিষয়ে সরকার কী পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে?  

ধর্মবিষয়ক মন্ত্রী কাজী শাহ মোফাজ্জাল হোসাইন কায়কোবাদ বলেন, ‘সংসদ সদস্যের নির্বাচনি এলাকা ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ (সরাইল-আশুগঞ্জ) এবং বিজয়নগর উপজেলার আংশিক এলাকার সামাজিক শান্তি, সম্প্রীতি ও অসাম্প্রদায়িক চেতনা অক্ষুণ্ণ রাখতে সরকার অত্যন্ত আন্তরিক এবং এই লক্ষ্যে ইসলামিক ফাউন্ডেশনের মাধ্যমে নানামুখী সচেতনতামূলক পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়েছে। উক্ত অঞ্চলের তরুণ সমাজকে ধর্মীয় উগ্রবাদ, অপপ্রচার ও সামাজিক বিভাজন হতে দূরে রেখে ইসলামের প্রকৃত শান্তির বাণী ও নৈতিক শিক্ষায় উদ্বুদ্ধ করতে স্থানীয় মডেল মসজিদ ও ইসলামিক সাংস্কৃতিক কেন্দ্রগুলোকে মূল ভিত্তি হিসেবে ব্যবহার করা হচ্ছে।’

কাজী শাহ মোফাজ্জাল হোসাইন কায়কোবাদ বলেন, ‘যুবসমাজের মনস্তাত্ত্বিক উন্নয়ন ও উগ্রবাদ প্রতিরোধের লক্ষ্যে স্থানীয় আলেম, ওলামা, ইমাম এবং খতিবগণের মাধ্যমে জুমার খুতবা, নিয়মিত ধর্মীয় সেমিনার ও সম্প্রীতি সভার আয়োজন করা হচ্ছে, যেখানে উগ্রবাদ ও গুজবের কুফল সম্পর্কে তরুণদের সচেতন করা হয়। এ ছাড়া উক্ত এলাকার সামাজিক ও ধর্মীয় সম্প্রীতি সুদৃঢ় রাখতে বিভিন্ন ধর্মাবলম্বী নেতৃবৃন্দের অংশগ্রহণে আন্তঃধর্মীয় সংলাপ ও সম্প্রীতি সমাবেশ নিয়মিত অনুষ্ঠিত হচ্ছে এবং আগামীতে সংসদ সদস্যের পরামর্শ ও সক্রিয় সহযোগিতায় যুব সমাজের জন্য এই ধরণের সচেতনতামূলক নৈতিক শিক্ষা ও সামাজিক সম্প্রীতি কার্যক্রম আরও বেগবান করবার পরিকল্পনা সরকারের সক্রিয় বিবেচনাধীন রয়েছে।’  

কাজী শাহ মোফাজ্জাল হোসাইন কায়কোবাদ আরো জানান, হিন্দু ধর্মীয় কল্যাণ ট্রাস্টের মাধ্যমে সচেতনমূলক কার্যক্রমে পুরোহিত ও সেবাইত প্রশিক্ষণ প্রদান করা হয়ে থাকে। ধর্মীয় উগ্রবাদ ও সামাজিক বিভাজন প্রতিরোধে তরুণদের জন্য সচেতনামূলক ধর্মীয় শিক্ষা ও সম্প্রীতি বৃদ্ধির জন্য ছাত্র-যুবাদের জন্য নীতি-নৈতিকতা বিষয়ক কর্মশালা খ্রিস্টান ধর্মীয় কল্যাণ ট্রাস্ট নিয়মিত আয়োজন ও বাস্তবায়ন করে থাকে।

এ ছাড়া ধর্মবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের আওতায় ‘ধর্মীয় সম্প্রীতি ও সচেতনতা বৃদ্ধিকরণ’ শীর্ষক প্রকল্প গ্রহণের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে বলে জানান ধর্মবিষয়ক মন্ত্রী।

বন্যা পরিস্থিতি মোকাবেলায় বিদ্যুৎ বিভাগের নিয়ন্ত্রণ কক্ষ চালু

নিজস্ব প্রতিবেদক
বন্যা পরিস্থিতি মোকাবেলায় বিদ্যুৎ বিভাগের নিয়ন্ত্রণ কক্ষ চালু
ছবি : কালের কণ্ঠ

দেশের চলমান বন্যা পরিস্থিতিতে গ্রাহকদের নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎসেবা নিশ্চিত করতে বিদ্যুৎ বিভাগে একটি বিশেষ নিয়ন্ত্রণ কক্ষ (কন্ট্রোল রুম) চালু করা হয়েছে। সোমবার (১৩ জুলাই) বিদ্যুৎ বিভাগের সমন্বয়-২ শাখা থেকে জারি করা এক অফিস আদেশে এ তথ্য জানানো হয়।

বিদ্যুৎ বিভাগের সিনিয়র সহকারী সচিব মো. মাসুদুর রহমান মাসুদ স্বাক্ষরিত অফিস আদেশে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

আদেশে বলা হয়েছে, রাজধানীর বিদ্যুৎ ভবনের ১৪ তলায় স্থাপিত নিয়ন্ত্রণ কক্ষটি সরকারি ছুটিসহ প্রতিদিন সকাল ৭টা থেকে রাত ৯টা পর্যন্ত চালু থাকবে। তবে জরুরি প্রয়োজন দেখা দিলে নির্ধারিত সময়ের পরও মোবাইল ফোনের মাধ্যমে যোগাযোগ অব্যাহত থাকবে। নিয়ন্ত্রণ কক্ষের টেলিফোন নম্বর ০২-৪৭১২০৩০৯ এবং মোবাইল নম্বর ০১৭৩৯-০০০২৯৩।

আদেশে আরো বলা হয়েছে, ৩১ জুলাই পর্যন্ত নিয়ন্ত্রণ কক্ষে দায়িত্ব পালনের জন্য বিদ্যুৎ বিভাগের ১৯ জন কর্মকর্তা-কর্মচারীকে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তাদের নির্দেশ দিয়ে বলা হয়, দায়িত্ব পালনকালে কোথাও বিদ্যুৎ সরবরাহে সমস্যা দেখা দিলে সংশ্লিষ্ট বিতরণ সংস্থা বা কম্পানির ফোকাল পয়েন্ট কর্মকর্তাদের সঙ্গে তাৎক্ষণিক যোগাযোগ করে দ্রুত সমাধানের ব্যবস্থা নিতে হবে। প্রয়োজন হলে বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে অবহিত করতে হবে। একই সঙ্গে বিদ্যুৎ বিভাগের সমন্বিত হটলাইন ১৬৯৯৯-এর সঙ্গেও সার্বিক যোগাযোগ বজায় রাখতে বলা হয়েছে।

এ ছাড়া কোনো কর্মকর্তা বা কর্মচারী অনিবার্য কারণে নির্ধারিত দিনে দায়িত্ব পালন করতে না পারলে নিজ দায়িত্বে অন্য কোনো দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা বা কর্মচারীর সঙ্গে সমন্বয় করে দায়িত্ব নিশ্চিত করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।