• ই-পেপার

মৃত্যু বেড়ে ৫১, ভারি বৃষ্টি নিয়ে যা জানাল আবহাওয়া অধিদপ্তর

ঢাকার ৪১৬ বছরপূর্তিতে ‘ঢাকা উৎসব’, উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদক
ঢাকার ৪১৬ বছরপূর্তিতে ‘ঢাকা উৎসব’, উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

ঢাকা পৌরসভার ৪১৬ বছরপূর্তি উপলক্ষে আগামী ১ আগস্ট ‘ঢাকা উৎসব’ আয়োজন করতে যাচ্ছে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন (ডিএসসিসি)। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান এই উৎসবের উদ্বোধন করবেন বলে জানিয়েছেন ঢাকা দক্ষিণ সিটি প্রশাসক আব্দুস সালাম। 

সোমবার ডিএসসিসির অডিটোরিয়ামে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান তিনি। এ সময় সবাইকে ‘ঢাকা উৎসব’-এর আমন্ত্রণ জানান।

আব্দুস সালাম বলেন, 'আগামী ১ আগস্ট ঢাকা পৌরসভার ৪১৬ বছরপূর্তি হতে যাচ্ছে। এ উপলক্ষে ১ আগস্ট আমরা ঢাকা উৎসব উদযাপন করতে চাই। প্রধানমন্ত্রী ঢাকা উৎসব অনুষ্ঠান উদ্বোধনের সম্মতি জানিয়েছেন।

তিনি বলেন, ঢাকা শহরের কৃষ্ঠি, সাহিত্য, ঐতিহ্য—আমরা মানুষের মনে ফিরিয়ে দিতে চাই।

ঢাকা দিবস উদযাপনে ১ আগস্ট থেকে ৭ আগস্ট পর্যন্ত ৭ দিনের কর্মসূচির উদ্যোগ নিয়েছে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন বলেও জানান তিনি।

দক্ষিণ সিটি প্রশাসক আব্দুস সালাম বলেন, ‘প্রথম দিন লালবাগ কেল্লা থেকে অনুষ্ঠানের উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী। একই সঙ্গে আদি ঢাকার খাবারের স্টল পরিদর্শন, ক্লিন ঢাকা ও মশক নিয়ন্ত্রণ কার্যক্রম, ঘুড়ি উৎসব, নৌকা বাইচসহ নানান সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান আয়োজন করা হবে।’

বন্যাকবলিত ঋণগ্রহীতাদের থেকে চলতি মাসের কিস্তি আদায় না করার অনুরোধ প্রতিমন্ত্রীর

বাসস
বন্যাকবলিত ঋণগ্রহীতাদের থেকে চলতি মাসের কিস্তি আদায় না করার অনুরোধ প্রতিমন্ত্রীর
রাঙামাটি জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত। ছবি : সংগৃহীত

রাঙামাটির বন্যাকবলিত এলাকার অতিদরিদ্র ঋণগ্রহীতাদের কাছ থেকে চলতি মাসের ঋণের কিস্তি আদায় না করার অনুরোধ জানিয়েছেন বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত।

আজ রবিবার (১৩ জুলাই) রাঙামাটি পার্বত্য জেলার দপ্তর প্রধানদের সঙ্গে জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে বৈঠক শেষে এক প্রেস ব্রিফিংয়ে তিনি এ আহ্বান জানান। বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়ের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

কিস্তি পরিশোধে বিলম্বের কারণে যেন কোনো এনজিও ক্ষতিগ্রস্ত ঋণগ্রহীতাদের কাছ থেকে অতিরিক্ত সুদ বা জরিমানা আদায় না করে—সে বিষয়ে সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোকে অনুরোধ জানাতে জেলা প্রশাসক নাজমা আশরাফীকে নির্দেশ দেন প্রতিমন্ত্রী।  

প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘বন্যায় এ অঞ্চলের অনেক মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন। তাদের অনেকেই বিভিন্ন প্রয়োজনে এনজিও থেকে ঋণ নিয়েছেন। বর্তমান পরিস্থিতিতে তাদের পক্ষে চলতি মাসের কিস্তি পরিশোধ করা অত্যন্ত কঠিন। তাই এ মাসের কিস্তি পরবর্তী সময়ে গ্রহণ এবং বিলম্বের কারণে কোনো ধরনের সুদ বা জরিমানা আরোপ না করার বিষয়টি বৈঠকে গুরুত্বের সঙ্গে তুলে ধরা হয়েছে। জেলা প্রশাসক সংশ্লিষ্ট এনজিও কর্মকর্তাদের কাছে আমার এই অনুরোধ পৌঁছে দেবেন।’

বৈঠকের আরো উপস্থিত ছিলেন সংসদ সদস্য দীপেন দেওয়ান, জেলা পুলিশ সুপার মুহম্মদ আব্দুর রকিব, পার্বত্য চট্টগ্রাম উন্নয়ন বোর্ডের সদস্য যুগ্ম সচিব সুমন বড়ুয়া, রাঙামাটি পার্বত্য জেলা পরিষদের মুখ্য নির্বাহী কর্মকর্তা খোন্দকার মোহাম্মদ রিজাউল করিম, সিভিল সার্জন ডা. নূয়েন খীসা, সড়ক ও জনপথ অধিদপ্তরের নির্বাহী প্রকৌশলী সবুজ চাকমা, বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডের (পিডিবি) নির্বাহী প্রকৌশলী জালাল উদ্দীনসহ সংশ্লিষ্ট দপ্তরের কর্মকর্তারা।

সব উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে মিলবে ‘অ্যান্টিভেনম’

বাসস
সব উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে মিলবে ‘অ্যান্টিভেনম’

বর্ষার মৌসুমের কথা চিন্তা করে দেশের সব জেলা হাসপাতাল ও উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে পর্যাপ্ত অ্যান্টিভেনম ইনজেকশন সরবরাহ করেছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। এখন সাপেকাটা রোগীরা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে গেলেই অ্যান্টিভেনম ইনজেকশন পাবেন বলে জানিয়েছেন অধিদপ্তরের রোগ নিয়ন্ত্রণ শাখার (সিডিসি) লাইন ডিরেক্টর মো. হালিমুর রশীদ।

তিনি বলেন, অধিদপ্তরের পক্ষ থেকে প্রত্যেক জেলা ও উপজেলা হাসপাতালে অ্যান্টিভেনম ইনজেকশন দেওয়া হয়। তাছাড়া চিকিৎসকদের নিয়মিত প্রশিক্ষণও দেওয়া হয়।

নীলফামারী জেলার ডিমলা উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. রাশেদুজ্জমান জানান, ডিমলা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে পর্যাপ্ত অ্যান্টিভেনম মজুত আছে।

সিলেটের ডেপুটি সিভিল সার্জন ডা. জন্মেজয় দত্ত বাসসকে বলেন, ‘সদর হাসপাতালসহ সব উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে পর্যাপ্ত অ্যান্টিভেনম মজুত রয়েছে। বর্ষা মৌসুমে সাপেকাটা রোগী বেড়ে যায়। তাই আগে থেকেই অ্যান্টিভেনম ইনজেকশন পাঠানো হয়েছে।’

এ ছাড়াও সাপেকাটা রোগীদের সঠিকভাবে সেবা দিতে উপজেলা পর্যায়ের চিকিৎসকদের প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়েছে বলেও জানান তিনি।

রাঙ্গামাটি জেলা সিভিল সার্জন ডা. নূয়েন খীসাও একই তথ্য জানান। তিনি বলেন, ‘সদর হাসপাতালসহ সব উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে যথেষ্ট অ্যান্টিভেনম রয়েছে। সবাইকে বলব, কাউকে সাপে কাটলে ওঝা বা কবিরাজের কাছে যাবেন না। সঙ্গে সঙ্গে তাকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে বিনামূল্যে অ্যান্টিভেনম ইনজেকশন দেওয়া হবে।’

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার প্রতিবেদন অনুযায়ী, বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তে প্রতি বছর প্রায় ৫০ লাখ মানুষ সাপের ছোবলের শিকার হচ্ছেন। এর মধ্যে ২৫ থেকে ২৭ লাখ মানুষের শরীরে বিষ প্রবেশ করে। এতে প্রায় দেড় লাখ মানুষের মৃত্যু হয় এবং প্রায় ৫ লাখ মানুষ অন্ধ ও চিরস্থায়ী পঙ্গুত্ব বরণ করে। আফ্রিকার ঘনবসতিপূর্ণ এলাকা, দক্ষিণ ও দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ায় সাপেকাটার ঘটনা সবচেয়ে বেশি লক্ষ্য করা যায়।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের অসংক্রামক রোগ নিয়ন্ত্রণ ইউনিটের এক গবেষণায় দেখা গেছে, দেশে প্রতিবছর প্রায় ৪ লাখ ৩ হাজার মানুষকে সাপে কামড় দেয়। তাদের মধ্যে ৭ হাজার ৫১১ জনের মৃত্যু হয়। সাপেকাটার ঘটনার মধ্যে এক-চতুর্থাংশ বিষাক্ত। এর মধ্যে ১০ দশমিক ৬ শতাংশ শারীরিক ও ১ দশমিক ৯ শতাংশ মানসিক অক্ষমতা দেখা যায়। সাপের কামড়ের শিকারদের ৯৫ শতাংশ গ্রামীণ অঞ্চলের এবং নারীদের তুলনায় পুরুষ ১ দশমিক ৪ গুণ বেশি সাপের কামড়ের ঝুঁকিতে থাকে।

স্বাস্থ্যমন্ত্রী

অপ্রয়োজনীয় সিজারিয়ান প্রসব নিরুৎসাহিত করতে নীতিগ্রহণ করেছে সরকার

অনলাইন ডেস্ক
অপ্রয়োজনীয় সিজারিয়ান প্রসব নিরুৎসাহিত করতে নীতিগ্রহণ করেছে সরকার
ফাইল ছবি

অপ্রয়োজনীয় সিজারিয়ান প্রসব নিরুৎসাহিত করতে সরকার প্রয়োজনীয় নীতি গ্রহণ করছে বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন। তিনি জানান, চিকিৎসাসেবার পরিধি বাড়াতে একগুচ্ছ নতুন সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

আজ সোমবার রাজধানীর একটি হোটেলে ব্র্যাক ও লেগো ফাউন্ডেশনের যৌথ উদ্যোগে আয়োজিত ‘স্প্ল্যাশ’ প্রকল্পের উদ্বোধনী সেমিনারে এসব কথা বলেন তিনি।

সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন বলেন, বিগত সরকার পরিবার পরিকল্পনা পণ্যের কোনো মজুত রেখে যায়নি, ফলে এর সংকট দেখা দিয়েছে। দ্রুতই সব ধরনের পরিবার পরিকল্পনা পণ্যের ব্যবস্থা করা হচ্ছে।

অপ্রয়োজনীয় সিজারিয়ান প্রসব রোধে উপজেলাগুলোকে আধুনিক করা হচ্ছে বলে জানান তিনি। বলেন, চলতি বছরের মধ্যেই প্রতিটি উপজেলা হাসপাতালে আধুনিক প্যাথলজিক্যাল ল্যাব স্থাপন করা হবে।

মন্ত্রী বলেন, দালালদের খপ্পর থেকে গর্ভবতী মায়েদের রক্ষা করতে এবং হাসপাতালের বাইরে নিরাপদ নরমাল ডেলিভারি বাড়াতে দ্রুত মিডওয়াইফারি ও কেয়ারগিভার নিয়োগ করতে যাচ্ছে সরকার। যা নবজাতকদের শালদুধ পাওয়া নিশ্চিত করবে বলে মনে করেন তিনি।

নারীদের স্বাস্থ্য সুরক্ষায় আগামী ৩০ থেকে ৬০ দিনের মধ্যে মাঠ পর্যায়ে স্তন ও জরায়ু ক্যান্সার স্ক্রিনিং এবং কিডনি রোগীদের সুবিধার্থে উপজেলা পর্যায় পর্যন্ত ১০ শয্যার ডায়ালাইসিস ইউনিট চালুর চূড়ান্ত রূপরেখাও তুলে ধরেন তিনি।