• ই-পেপার

অক্টোবরে শুরু হচ্ছে স্থানীয় সরকার নির্বাচন : তথ্য উপদেষ্টা

সেনাবাহিনীর গ্রীষ্মকালীন মহড়া পরিদর্শন করলেন প্রধানমন্ত্রী

অনলাইন ডেস্ক
সেনাবাহিনীর গ্রীষ্মকালীন মহড়া পরিদর্শন করলেন প্রধানমন্ত্রী
সংগৃহীত ছবি

বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর গ্রীষ্মকালীন মহড়া আকস্মিক পরিদর্শন করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। মঙ্গলবার (৭ জুলাই ২০২৬) সকাল ৯টা ২০ মিনিটে মানিকগঞ্জের সিংগাইর উপজেলায় সেনাবাহিনীর গ্রীষ্মকালীন প্রশিক্ষণ এলাকা আকস্মিকভাবে পরিদর্শন করেন তিনি।

মহড়া চলাকালে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ‘ফার্ম বেস’-এর বিভিন্ন অংশ ঘুরে দেখেন এবং দায়িত্বপ্রাপ্ত জেনারেল অফিসার কমান্ডিং (জিওসি) ও ইউনিটের কমান্ডিং অফিসারের (সিও) কাছ থেকে প্রশিক্ষণ কার্যক্রম ও কৌশলগত প্রস্তুতি সম্পর্কে অবহিত হন। তিনি একজন কমান্ডারের মৌখিক অপারেশনাল নির্দেশনা মনোযোগ দিয়ে শোনেন এবং সেনাসদস্যদের পরিচালিত ‘রেইড’ মহড়া প্রত্যক্ষ করেন। এ ছাড়া যুদ্ধক্ষেত্রে সেনাসদস্যদের অবস্থান, রণকৌশল, সমরাস্ত্রের ব্যবহার এবং প্রশিক্ষণের বিভিন্ন দিক পরিদর্শন করেন প্রধানমন্ত্রী।

তিনি সেনা বাঙ্কারে নেমে মহড়ায় অংশগ্রহণকারী অফিসার ও সেনাসদস্যদের সঙ্গে রণকৌশল বিষয়ে মতবিনিময় করেন। পাশাপাশি গাছের পাতার আড়ালে ছদ্মবেশে অবস্থানরত সেনাসদস্যদের কাছেও গিয়ে তাদের খোজখবর নেন এবং দায়িত্ব পালনে উৎসাহ প্রদান করেন।

সেনাসদস্যদের উদ্দেশে প্রধানমন্ত্রী বলেন, দেশের জনগণ বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর ওপর গভীর আস্থা রাখে। জাতীয় সংকট মোকাবিলা এবং আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় সেনাবাহিনীর গৌরবময় ভূমিকার প্রশংসা করে তিনি পেশাদার প্রশিক্ষণ, শৃঙ্খলা ও সর্বোচ্চ প্রস্তুতি বজায় রাখার ওপর গুরুত্বারোপ করেন। 

এ সময় উপস্থিত ছিলেন প্রধানমন্ত্রীর প্রতিরক্ষা উপদেষ্টা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) ড. এ কে এম শামছুল ইসলাম, বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর প্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান, প্রধানমন্ত্রীর সামরিক সচিব মেজর জেনারেল আবুল হাসনাত মোহাম্মদ তারিক এবং বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা। 

প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলমের সম্পদ নিয়ে বিভ্রান্তির জবাব

অনলাইন ডেস্ক
প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলমের সম্পদ নিয়ে বিভ্রান্তির জবাব

পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলমের হলফনামায় উল্লিখিত এক হাজার ৮২৪ শতাংশ জমি, ১২টি ব্যবসা প্রতিষ্ঠান ও ৪২ কোটি টাকার পারিবারিক রাইস মিল বিক্রি সম্পর্কিত তথ্যের বিষয়ে ব্যাখ্যা দিয়েছে তার দপ্তর।

মঙ্গলবার (৭ জুলাই) প্রতিমন্ত্রীর দপ্তরের তথ্য ও জনসংযোগ কর্মকর্তা আশরাফুল ইসলাম ফয়সালের পাঠানো সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে তার সম্পদ নিয়ে বিভ্রান্তির জবাব দেওয়া হয়।

সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, প্রতিমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণের পর স্বার্থের সংঘাত (কনফ্লিক্ট অব ইন্টারেস্ট) এড়াতে তিনি পারিবারিক ব্যবসার মালিকানা ও ব্যবস্থাপনা থেকে লিখিতভাবে সরে দাঁড়িয়েছেন। পরে প্রতিষ্ঠানগুলোর শেয়ার, পরিচালনা এবং সার্বিক মালিকানাসহ যাবতীয় দায়িত্ব পরিবারের সদস্যদের কাছে হস্তান্তর করা হয়। বর্তমানে পারিবারিক ব্যবসা পরিবারের অন্যান্য সদস্যরা পরিচালনা করছেন।

হলফনামায় উল্লেখিত ১২টি প্রতিষ্ঠান হল, রোমা অটো রাইস মিল, রূপসী রাইস অ্যান্ড পুষ্টি মিলস লিমিটেড, রূপসী ফ্লাওয়ার মিল, মীর সীমান্ত-দিগন্ত ফিলিং স্টেশন, মীর লাবনী-সুনাত ফিলিং স্টেশন, মীর দিগন্ত ট্রেডিং এজেন্সি, উত্তর বাংলা ওভারসিজ লিমিটেড, রূপসী কৃষি খামার, রূপসী মৎস্য খামার, রূপসী কংক্রিট ব্রিকস ফ্যাক্টরি, রূপসী মিনি কোল্ড স্টোরেজ এবং রূপসী প্রাণী খামার।

সেখানে বলা হয়, ব্যবসার পুনর্বিন্যাসের অংশ হিসেবে জাতীয় নির্বাচনের আগে ২ ফেব্রুয়ারি পরিবারের মালিকানাধীন রোমা অটো রাইস মিল ৪২ কোটি টাকায় বিক্রি করা হয়। নিবন্ধিত দলিলের মাধ্যমে বিক্রয় কার্যক্রম সম্পন্ন হয়েছে। মিলটির ক্রেতা বগুড়ার শিবগঞ্জ উপজেলার মোকামতলা এলাকার গণেশপুর গ্রামের রাইস মিল ব্যবসায়ী রবিউল আলম। তার ভাষ্যমতে তিনি ২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ তারিখে ৪২ কোটি টাকায় মিলটি ক্রয় করেছেন এবং মালামালসহ প্রতিষ্ঠানের সব দায়িত্ব বুঝে নিয়েছেন।

বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, সম্প্রতি একটি গণমাধ্যমে প্রতিমন্ত্রীর সম্পদ নিয়ে প্রকাশিত প্রতিবেদনের বিষয়ে সংশ্লিষ্টরা প্রশ্ন তুলেছেন। তাদের দাবি, প্রতিবেদনে হলফনামার তথ্য আংশিকভাবে উপস্থাপন করা হয়েছে। হলফনামায় এক হাজার ৮২৪ শতাংশ সম্পত্তি এবং ১২টি ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের তথ্য থাকলেও প্রতিবেদনে মাত্র ৩১ শতাংশ সম্পত্তির তথ্য উল্লেখ করা হয়েছে, যা সম্পদের প্রকৃত চিত্র তুলে ধরে না। সচেতন মহলের ধারণা, ভিন্ন কোনো উদ্দেশ্যে ইচ্ছাকৃতভাবে হলফনামায় উল্লেখিত সম্পদের পূর্ণাঙ্গ তথ্য উপস্থাপন করা হয়নি।

এ ছাড়া প্রতিমন্ত্রীর নামে নতুন করে ২৪২ শতাংশ জমি ক্রয়ের যে দাবি করা হয়েছে, সেটিও সঠিক নয়। আলোচিত জমিটি ব্যক্তি হিসেবে মীর শাহে আলমের নামে নয়; বরং রূপসী রাইস অ্যান্ড পুষ্টি মিলস লিমিটেডের নামে ক্রয় করা হয়েছে। প্রতিমন্ত্রী দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকে ওই প্রতিষ্ঠানের ব্যবস্থাপনা বা ব্যবসায়িক কার্যক্রমের সঙ্গে তার ব্যক্তিগত কোনো সম্পৃক্ততা নেই।

প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা

জুলাই পদযাত্রায় হামলার ঘটনা তদন্ত করবে সরকার

অনলাইন ডেস্ক
জুলাই পদযাত্রায় হামলার ঘটনা তদন্ত করবে সরকার

জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) ‘জুলাই পদযাত্রা’ পরবর্তী সাভারের সমাবেশে হামলার ঘটনা সরকার তদন্ত করবে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর তথ্যবিষয়ক উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমান।

জুলাই পদযাত্রার সমাবেশে ককটেল বিস্ফোরণ দুঃখজনক জানিয়ে তিনি বলেন, এ ঘটনায় সরকারের কাজ প্রতিবাদ জানানো না, সরকারের কাজ হচ্ছে এটার সঙ্গে জড়িতদের গ্রেপ্তার করা, তদন্ত করা।

মঙ্গলবার (৭ জুলাই) তথ্য অধিদপ্তরের নিয়মিত সাপ্তাহিক ব্রিফিংয়ে এসব কথা বলেন প্রধানমন্ত্রীর তথ্য বিষয়ক উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমান।

তিনি বলেন, এ ঘটনার ২৪ ঘণ্টা এখনো পার হয়নি। সরকার অবশ্যই হামলাকারীদের গ্রেপ্তারে সর্বোচ্চ চেষ্টা করছে। আশা করছি, খুব দ্রুতই হবে। প্রক্রিয়া অনুযায়ী তদন্ত হবে।

গতকাল সোমবার রাতে সাভারে এনসিপির জুলাই পদযাত্রায় ককটেল বিস্ফোরণের অভিযোগ পাওয়া গেছে। এ ঘটনায় কয়েকজন আহত হয়েছেন বলে জানিয়েছে এনসিপি। হামলার প্রতিবাদে তাৎক্ষণিক বিক্ষোভ মিছিল করে দলটি। বিক্ষোভ শেষে এ হামলায় ‘প্রশাসন জড়িত’ দাবি করে বক্তব্য দেন এনসিপি আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম।

নাহিদ ইসলামের এই বক্তব্য ‘রাজনৈতিক’ বলে মন্তব্য করেন প্রধানমন্ত্রীর তথ্যবিষয়ক উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমান। তিনি বলেন, রাজনৈতিক ব্যক্তি হিসেবে নাহিদ ইসলামের এমন বক্তব্য দেওয়ার অধিকার আছে। তিনি একটি রাজনৈতিকের দলের প্রধান, যিনি জুলাই গণ-অভ্যুত্থানে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছেন। তবে তার কাছ থেকে আমরা আরেকটু দায়িত্বশীল মন্তব্য আশা করি।

২০১ উপজেলায় নতুন ক্রীড়া অফিস, ৬০৩টি পদ সৃজনে অর্থ মন্ত্রণালয়ের অনুমোদন

বাসস
২০১ উপজেলায় নতুন ক্রীড়া অফিস, ৬০৩টি পদ সৃজনে অর্থ মন্ত্রণালয়ের অনুমোদন
সংগৃহীত ছবি

দেশের ২০১টি উপজেলায় নতুন উপজেলা ক্রীড়া অফিস স্থাপনের অনুমোদন দিয়েছে অর্থ মন্ত্রণালয়। একইসঙ্গে এসব অফিস পরিচালনার জন্য তিনটি ক্যাটাগরিতে মোট ৬০৩টি নতুন পদ অস্থায়ী ভিত্তিতে রাজস্ব খাতে সৃজনের অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।

গতকাল সোমবার (৬ জুলাই) অর্থ বিভাগের ব্যয় ব্যবস্থাপনা অনুবিভাগ-২ থেকে জারি করা এক আদেশে এ তথ্য জানানো হয়।

আদেশ অনুযায়ী, যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের প্রস্তাব এবং জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের সম্মতির ভিত্তিতে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের অধীন ক্রীড়া পরিদপ্তরের আওতায় উপজেলা পর্যায়ে ক্রীড়া অবকাঠামো সম্প্রসারণের অংশ হিসেবে এই পদগুলো সৃজন করা হয়েছে। এতে প্রথম ধাপে নির্মিত ১৬৭টি স্টেডিয়ামের জন্য প্রয়োজনীয় জনবল এবং দ্বিতীয় ধাপে নির্মাণাধীন ৩৪টি উপজেলার স্টেডিয়ামের জন্যও জনবল সৃজনের অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। 

সব মিলিয়ে ২০১টি উপজেলার জন্য মোট ৬০৩টি পদ অস্থায়ী ভিত্তিতে রাজস্ব খাতে সৃষ্টি করা হয়েছে। নতুন সৃজনকৃত পদগুলোর মধ্যে রয়েছে ২০১টি উপজেলা ক্রীড়া অফিসার, ২০১টি অফিস সহকারী কাম কম্পিউটার অপারেটর এবং ২০১টি অফিস সহায়ক পদ।

অর্থ বিভাগ আটটি শর্তে এ অনুমোদন দিয়েছে। শর্তগুলোর মধ্যে রয়েছে প্রশাসনিক উন্নয়ন সংক্রান্ত সচিব কমিটির অনুমোদন গ্রহণ, অর্থ বিভাগের নির্ধারিত কোড অনুযায়ী ব্যয় নির্বাহ, জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের আরোপিত শর্ত যথাযথভাবে অনুসরণ এবং দ্বিতীয় ধাপে নির্মাণাধীন স্টেডিয়ামগুলোর কাজ শেষ হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে সংশ্লিষ্ট পদে নিয়োগ বা পদায়ন সম্পন্ন করা।

এ ছাড়া যেসব পদের জন্য এখনো নিয়োগবিধি প্রণয়ন হয়নি, সেগুলোর নিয়োগবিধি দ্রুত প্রণয়ন এবং জনবল কাঠামো (টিওঅ্যান্ডই) হালনাগাদ করে অর্থ বিভাগে পাঠানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

এ সংক্রান্ত আদেশের অনুলিপি যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের সচিবসহ সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলোতে পাঠানো হয়েছে।