• ই-পেপার

শ্রীলঙ্কার কারাগারে দাঙ্গায় নিহত ২৬, দায় স্বীকার করলেন আইনমন্ত্রী

চীনে ভূমিধসে ১৬ জন নিখোঁজ, বজ্রঝড়ে নিহত ৮; আহত শতাধিক

অনলাইন ডেস্ক
চীনে ভূমিধসে ১৬ জন নিখোঁজ, বজ্রঝড়ে নিহত ৮; আহত শতাধিক
ছবি : রয়টার্স

.চীনের পশ্চিমাঞ্চলীয় কানসু প্রদেশে পাহাড়ধসে অন্তত ১৬ জন মাটির নিচে আটকে পড়েছেন। একই সময়ে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে তীব্র বজ্রঝড় ও দমকা হাওয়ায় ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। এসব দুর্যোগে অন্তত ২৭৫ জন আহত হয়েছেন।

মঙ্গলবার চীনের রাষ্ট্রীয় টেলিভিশন সিসিটিভি জানায়, প্রাদেশিক জরুরি ব্যবস্থাপনা বিভাগের তথ্য অনুযায়ী, ভূমিধসের সময় মোট ৩৩ জন আটকা পড়েছিলেন। তাদের মধ্যে এখন পর্যন্ত ১৭ জনকে জীবিত উদ্ধার করা সম্ভব হয়েছে। বাকি ১৬ জনের সন্ধানে উদ্ধার অভিযান অব্যাহত রয়েছে। উদ্ধারকর্মীরা ভারী যন্ত্রপাতি ও বিশেষ সরঞ্জাম ব্যবহার করে ধ্বংসস্তূপ সরানোর কাজ করছেন। দুর্গম পাহাড়ি এলাকা হওয়ায় উদ্ধারকাজে অতিরিক্ত সতর্কতা অবলম্বন করা হচ্ছে।

ভূমিধসের ঘটনার পর প্রেসিডেন্ট শি চিনপিং ক্ষতিগ্রস্ত এলাকায় দ্রুত উদ্ধার তৎপরতা জোরদারের নির্দেশ দিয়েছেন। তিনি নিখোঁজদের খুঁজে বের করতে এবং ক্ষতিগ্রস্তদের প্রয়োজনীয় সহায়তা দিতে সংশ্লিষ্ট সব সংস্থাকে সর্বোচ্চ চেষ্টা চালানোর আহ্বান জানান। কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, ভূমিধসের সুনির্দিষ্ট কারণ এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি। তবে চলতি সপ্তাহে চীনের বিভিন্ন অঞ্চলে প্রবল বজ্রঝড়, ভারি বৃষ্টি এবং তীব্র দমকা হাওয়া আঘাত হেনেছে। আবহাওয়ার এই বিরূপ পরিস্থিতির কারণে একাধিক স্থানে জরুরি অবস্থা তৈরি হয়েছে।

এদিকে সরকারি বার্তা সংস্থা সিনহুয়া জানিয়েছে, সোমবার রাতে মধ্যাঞ্চলীয় হুবেই প্রদেশের পূর্বাঞ্চলে আকস্মিক বজ্রঝড়ে অন্তত আটজন নিহত হয়েছেন। এ ছাড়া কয়েকজন এখনো নিখোঁজ রয়েছেন। নিখোঁজদের খুঁজে বের করতে উদ্ধার অভিযান চলছে। স্থানীয় প্রশাসন ক্ষতিগ্রস্ত এলাকাগুলোতে উদ্ধার ও ত্রাণ কার্যক্রম জোরদার করেছে। একই সঙ্গে আবহাওয়ার পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করে ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় বসবাসকারী মানুষকে সতর্ক থাকার আহ্বান জানানো হয়েছে।
 

দক্ষিণ ফ্রান্সে ভয়াবহ দাবানল, ঘরছাড়া ১০ হাজার মানুষ

প্রেস বিজ্ঞপ্তি
দক্ষিণ ফ্রান্সে ভয়াবহ দাবানল, ঘরছাড়া ১০ হাজার মানুষ
ছবি: রয়টার্স

দক্ষিণ ফ্রান্সে দ্রুত ছড়িয়ে পড়া একটি বড় দাবানলের কারণে স্পেন সীমান্তের কাছাকাছি অন্তত দুই ডজন ছোট শহর ও গ্রাম থেকে ১০ হাজারের বেশি মানুষকে নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে। সোমবার দেশটির কর্মকর্তারা এ তথ্য জানান।

কর্মকর্তারা বলেছেন, ওই এলাকায় জোরালো বাতাস বইছে। ফলে আগুন আরও দ্রুত ছড়িয়ে পড়ার আশঙ্কা রয়েছে। দমকল বাহিনী আগুন নিয়ন্ত্রণে আনতে সর্বোচ্চ চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। ইউরোপীয় ইউনিয়ন জানিয়েছে, ফ্রান্সকে সহায়তা করতে সাইপ্রাস ও সুইডেন থেকে চারটি বিশেষ পানি ছিটানো উড়োজাহাজ পাঠানো হচ্ছে। পাশাপাশি ১০০ জনের বেশি দমকলকর্মীকেও ফ্রান্সে পাঠানো হবে। ইউরোপীয় কমিশনের প্রেসিডেন্ট উরসুলা ফন ডার লেয়েন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে এক বার্তায় বলেন, এই সংকটে ইউরোপ ফ্রান্সের পাশে রয়েছে। স্থানীয় প্রশাসনের প্রধান পিয়ের রেনো দ্য লা মোত জানান, দাবানলে এখন পর্যন্ত ১৬ জন আহত হয়েছেন। আহতদের মধ্যে চারজন দমকলকর্মী রয়েছেন, যারা আগুন নিয়ন্ত্রণের কাজ করছিলেন। কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, ফরাসি পিরেনিজ পর্বতমালার পাদদেশে ত্রেভিয়াক এলাকায় আগুনে প্রায় ৪ হাজার ৬০০ হেক্টর জমি পুড়ে গেছে। আগুন এখনও পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণে আসেনি।

আবহাওয়াবিদদের মতে, চলতি বছরের মে ও জুন মাসে ফ্রান্স এবং পশ্চিম ইউরোপজুড়ে অস্বাভাবিক গরম পড়েছিল। দীর্ঘ সময়ের তাপপ্রবাহে বনাঞ্চল ও ঘাস শুকিয়ে যাওয়ায় এ বছর দাবানলের ঝুঁকি অনেক বেড়ে গেছে। দাবানল ছড়িয়ে পড়েছে বিশ্বের অন্যতম বড় সাইকেল প্রতিযোগিতা 'ট্যুর দ্য ফ্রান্স'- এর তৃতীয় ধাপের রুটের কাছাকাছি এলাকায়ও। নিরাপত্তার কারণে সোমবার ওই এলাকা সাধারণ মানুষের জন্য বন্ধ ঘোষণা করা হয়। ট্যুর দ্য ফ্রান্সের পরিচালক ক্রিস্তিয়ান প্রুধোম বলেন, এতে দমকলকর্মীরা সহজে ঘটনাস্থলে পৌঁছে আগুন নিয়ন্ত্রণের কাজ করতে পারছেন। তিনি আরো জানান, প্রতিযোগিতার সঙ্গে চলা গাড়ির বহরও কমিয়ে আনা হয়েছে, যাতে জরুরি সেবার কাজে কোনো বাধা না হয়। 

এই ধাপের প্রতিযোগিতা ১৯৬ কিলোমিটার দীর্ঘ। এটি স্পেনের গ্রানোলিয়ের্স শহর থেকে শুরু হয়ে ফ্রান্সের পিরেনে-ওরিয়ঁতাল অঞ্চলের লে জঁগলে গিয়ে শেষ হবে। বিশ্ব আবহাওয়া সংস্থা জানিয়েছে, ইউরোপে বৈশ্বিক গড়ের তুলনায় দ্বিগুণেরও বেশি হারে তাপমাত্রা বাড়ছে। এর ফলে ভবিষ্যতে আরো ঘন ঘন এবং দীর্ঘ সময় ধরে তাপপ্রবাহ ও দাবানলের মতো দুর্যোগ দেখা দিতে পারে। আবহাওয়ার পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, চলতি সপ্তাহে দক্ষিণ-পশ্চিম ফ্রান্সে তাপমাত্রা আবারও ৪০ ডিগ্রি সেলসিয়াস পর্যন্ত উঠতে পারে। একই সময়ে পর্তুগাল ও স্পেনেও নতুন করে তাপপ্রবাহ শুরু হয়েছে। তবে জুন মাসে যে রেকর্ড গরম পড়েছিল, এবার সেই মাত্রায় পৌঁছানোর সম্ভাবনা কম। স্পেনের সীমান্তবর্তী এলাকাতেও দাবানলে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। সেখানে প্রায় ২ হাজার ২০০ হেক্টর জমি পুড়ে গেছে। এর মধ্যে ৯৭ শতাংশই সংরক্ষিত প্রাকৃতিক এলাকা লেস গাভারেসের ভেতরে। তবে স্পেনের কাতালোনিয়া অঞ্চলের কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, ওই এলাকার আগুন এখন অনেকটাই নিয়ন্ত্রণে এসেছে। সবকিছু ঠিক থাকলে এ সপ্তাহের মধ্যেই আগুন পুরোপুরি নিভিয়ে ফেলা সম্ভব হবে। 

এদিকে কাতালোনিয়ায় দাবানলের ঘটনায় এক ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। তিনি আঞ্চলিক সরকারের চুক্তিভিত্তিক একটি প্রতিষ্ঠানের কর্মী। অভিযোগ রয়েছে, রাস্তার পাশে অ্যাঙ্গেল গ্রাইন্ডার ব্যবহার করার সময় তার কাজ থেকে সৃষ্ট স্ফুলিঙ্গের কারণে আগুনের সূত্রপাত হয়। অন্যদিকে, কাতালোনিয়ার দক্ষিণে কাস্তেয়োন প্রদেশে আরেকটি দাবানল সিয়েরা দে এস্পাদান জাতীয় উদ্যানে ছড়িয়ে পড়েছে। এলাকাটিতে কর্ক ওক গাছের বড় বন রয়েছে। আগুনের ঝুঁকির কারণে সেখান থেকে অন্তত ৫০০ মানুষকে নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে। শুধু ফ্রান্স বা স্পেন নয়, পর্তুগালেও গত কয়েক দিনে শত শত দাবানলের ঘটনা ঘটেছে। দেশটির সবচেয়ে বড় দাবানলে ইতোমধ্যে ১০ হাজার হেক্টরের বেশি জমি পুড়ে গেছে। এই আয়তন প্রায় ১৪ হাজারটি ফুটবল মাঠের সমান।


 

চীনে জোড়া টর্নেডোর আঘাত, নিহত ১১

অনলাইন ডেস্ক
চীনে জোড়া টর্নেডোর আঘাত, নিহত ১১
ছবি : রয়টার্স

মধ্য চীনের হুবেই প্রদেশে আঘাত হেনেছে দুইটি শক্তিশালী টর্নেডো। সোমবার (৬ জুলাই) সন্ধ্যার এই ভয়াবহ প্রাকৃতিক দুর্যোগে অন্তত ১১ জন নিহত এবং একজন নিখোঁজ হয়েছেন বলে জানিয়েছে দেশটির রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম। চীনের রাষ্ট্রীয় সংবাদ সংস্থা সিনহুয়া জানিয়েছে, সোমবার সন্ধ্যায় প্রায় চার ঘণ্টা ধরে হুয়াংশি, হুয়াংগাং, ইঝো এবং শিয়াননিং শহরের ওপর দিয়ে এই বিধ্বংসী ঝড় বয়ে যায়।

টর্নেডোর সময় বাতাসের গতিবেগ ছিল ঘণ্টায় প্রায় ১৪৯ কিলোমিটার (৯৩ মাইল)। ঝড়ের প্রচণ্ড শক্তিতে বহু গাড়ি উল্টে গেছে, ঘরবাড়ির ছাদ উড়ে গেছে এবং গাছপালা উপড়ে গিয়ে বিস্তীর্ণ এলাকায় ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। প্রধান শিল্প ও প্রযুক্তি কেন্দ্র হিসেবে পরিচিত হুবেই প্রদেশে টর্নেডোর ঘটনা অত্যন্ত বিরল। টেলিভিশন ফুটেজে দেখা গেছে, ঝড়ের তীব্রতায় হুয়াংগ্যাং শহরের রাস্তাঘাটে বড় বড় ট্রাক ও গাড়ি দুমড়ে-মুচড়ে পড়ে আছে। উড়ে আসা ভবনের ছাদ ও ধাতব পাত লেগে বহু যানবাহন ও ল্যাম্পপোস্ট বিকৃত হয়ে গেছে। উদ্ধারকর্মীরা ক্ষতিগ্রস্ত এলাকায় জরুরি উদ্ধারকাজ চালাচ্ছেন।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে চীনের আবহাওয়া দিন দিন চরম রূপ নিচ্ছে। মুষলধারে বৃষ্টি, বন্যা, ভূমিধস ও তীব্র দাবদাহের কারণে প্রতি বছর দেশটির বিলিয়ন বিলিয়ন ডলারের অর্থনৈতিক ক্ষতি হচ্ছে। পশ্চিম চীনের গানসু প্রদেশের একটি পাহাড়ি এলাকায় ভারী বৃষ্টির পর ভূমিধসে ১৬ জন নিখোঁজ হয়েছেন। দেশের এই সামগ্রিক দুর্যোগপূর্ণ পরিস্থিতিতে চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং বন্যায় ক্ষতিগ্রস্তদের উদ্ধারে এবং মানুষের জীবন রক্ষায় ‘সর্বাত্মক প্রচেষ্টা’ চালানোর নির্দেশ দিয়েছেন।

টর্নেডোর ধাক্কা কাটতে না কাটতেই চীন ও তাইওয়ানের দিকে ধেয়ে আসছে শক্তিশালী ‘সুপার টাইফুন বাভি’। বর্তমানে প্রশান্ত মহাসাগরে থাকা এই ঝড়টি চীনের পূর্ব উপকূলে আঘাত হানতে পারে। শুক্রবার (১০ জুলাই) তাইওয়ানে এই টাইফুনের প্রভাবে এক মিটারেরও (৩.৩ ফুট) বেশি বৃষ্টিপাত হতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। দুর্যোগ মোকাবিলা ও জরুরি ত্রাণ কার্যক্রমে সহায়তার জন্য তাইওয়ান সরকার প্রায় ২৯,০০০ সেনা সদস্যকে প্রস্তুত রেখেছে। এ ছাড়া চীনের গুয়াংসি, গুয়াংডং, হাইনান, জিলিন ও লিয়াওনিং প্রদেশসহ বিভিন্ন এলাকায় ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টির পূর্বাভাস দিয়ে ভূমিধসের সতর্কতা জারি করেছে জাতীয় আবহাওয়া কেন্দ্র।

প্রতিরক্ষা ব্যয় বাড়িয়ে হাজার কোটি ডলারের অস্ত্র কিনছে ন্যাটো

অনলাইন ডেস্ক
প্রতিরক্ষা ব্যয় বাড়িয়ে হাজার কোটি ডলারের অস্ত্র কিনছে ন্যাটো
ছবি : রয়টার্স

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে বৈঠকে বসার আগে নিজেদের সামরিক শক্তি বাড়ানোর ঘোষণা দিতে যাচ্ছে ইউরোপের দেশগুলো। মঙ্গলবার (৭ জুলাই) তুরস্কের রাজধানী আঙ্কারায় ন্যাটোর প্রতিরক্ষা সম্মেলনে কয়েক হাজার কোটি ডলারের একাধিক বিশাল অস্ত্র চুক্তি প্রকাশ করা হবে।

ন্যাটোর মহাসচিব মার্ক রুটে জানিয়েছেন, ইউরোপের দেশগুলো ও কানাডা ২০২৫ সালে তাদের সামরিক বাজেট ২০% বাড়িয়ে দিচ্ছে। ২০২৫ সালে তারা প্রতিরক্ষা খাতে আগের চেয়ে ৯০ বিলিয়ন ডলার বেশি খরচ করবে, যার ফলে তাদের মোট সামরিক ব্যয় দাঁড়াবে ৫৭০ বিলিয়ন ডলারের বেশি। এর প্রধান দুইটি কারণ হলো—ইউক্রেন যুদ্ধের কারণে রাশিয়ার ভয় এবং প্রতিরক্ষায় খরচ বাড়ানোর জন্য ট্রাম্পের কড়া চাপ।

চুক্তিগুলোর বিস্তারিত গোপন রাখা হলেও জানা গেছে যে, বেলজিয়াম ও ব্রিটেনের সঙ্গে মিলে ৩ বিলিয়ন ইউরোর বেশি মূল্যের সামরিক চুক্তি করবে নেদারল্যান্ডস। কানাডা নিজেদের নৌবাহিনীর জন্য জার্মানি থেকে ১২টি নতুন সাবমেরিন বা ডুবোজাহাজ তৈরি করিয়ে নেবে। ন্যাটো জোট তাদের পুরোনো মার্কিন নজরদারি বিমানগুলো বাদ দিয়ে এখন সুইডেনের আধুনিক ‘গ্লোবালআই’ বিমান কিনবে।

২০১৯ সালে রাশিয়ার কাছ থেকে ক্ষেপণাস্ত্র কেনার কারণে তুরস্কের ওপর খেপে গিয়ে আমেরিকা তাদের ‘এফ-৩৫’ অত্যাধুনিক যুদ্ধবিমান দেওয়ার চুক্তি বাতিল করেছিল। তবে ধারণা করা হচ্ছে, এই সম্মেলনে ট্রাম্প তুরস্কের প্রেসিডেন্ট এরদোয়ানের ওপর রাগ কমিয়ে তাদের আবারও যুদ্ধবিমান কর্মসূচিতে ফিরিয়ে নেওয়ার ঘোষণা দিতে পারেন।

আমেরিকা ও ইরানের মধ্যকার সাম্প্রতিক উত্তেজনায় ইউরোপীয় দেশগুলো আমেরিকাকে পুরো সাহায্য করেনি—এমন অভিযোগে বেশ কিছুদিন ধরেই রেগে আছেন ট্রাম্প। তিনি এমনকি ন্যাটো জোট ছেড়ে দেওয়ার হুমকিও দিয়ে রেখেছেন। তবে ন্যাটো নেতারা আশা করছেন, ট্রাম্পের সঙ্গে তাদের ব্যক্তিগত ভালো সম্পর্ক পরিস্থিতি সামলে নেবে। এ ছাড়া এই সম্মেলন থেকে যুদ্ধবিধ্বস্ত ইউক্রেনকে এই বছরের জন্য আরো প্রায় ৮০ বিলিয়ন ডলার সাহায্য দেওয়ার ঘোষণা আসতে পারে।