• ই-পেপার

আমাদের দেশে উৎপাদিত ওষুধ উচ্চমানের : স্বাস্থ্যমন্ত্রী

এনআইডি সংশোধনে ৬ ক্যাটাগরির সেবা সাময়িক বন্ধ

বাসস
এনআইডি সংশোধনে ৬ ক্যাটাগরির সেবা সাময়িক বন্ধ
সংগৃহীত ছবি

নির্বাচন কমিশন (ইসি) জাতীয় পরিচয়পত্র (এনআইডি) সংশোধন সেবায় বড় ধরনের পরিবর্তন এনেছে। মহাপরিচালক পর্যায়ে নিষ্পত্তিযোগ্য ‘ঘ’ ক্যাটাগরি ছাড়া বাকি ছয় ক্যাটাগরির এনআইডি সংশোধন আবেদন নিষ্পত্তির কার্যক্রম সাময়িকভাবে বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছে কমিশন। পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত  কার্যক্রম বন্ধ থাকবে। এ ছাড়া আবেদন নিষ্পত্তির দায়িত্ব মাঠপর্যায়ের কর্মকর্তাদের মধ্যে পুনর্বণ্টন করা হয়েছে।

গত রবিবার নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ের জাতীয় পরিচয় নিবন্ধন অনুবিভাগ থেকে জারি করা এক অফিস আদেশে এ তথ্য জানানো হয়। 

আদেশ অনুযায়ী, নির্বাচনি প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউট ভবনে ‘ক-১’, ‘ক’, ‘খ-১’, ‘খ’, ‘গ-১’ ও ‘গ’ ক্যাটাগরির জাতীয় পরিচয়পত্র সংশোধন আবেদন নিষ্পত্তির কার্যক্রম আপাতত বন্ধ থাকবে। তবে মহাপরিচালক পর্যায়ে নিষ্পত্তিযোগ্য ‘ঘ’ ক্যাটাগরির আবেদন আগের নিয়মেই নিষ্পত্তি করা হবে।

একই আদেশে সংশোধন আবেদন নিষ্পত্তির জন্য মাঠপর্যায়ের কর্মকর্তাদের দায়িত্বও নির্ধারণ করা হয়েছে। এর মধ্যে ‘ক-১’ ক্যাটাগরির দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে সহকারী উপজেলা বা থানা নির্বাচন কর্মকর্তাকে। ‘ক’ ক্যাটাগরির দায়িত্ব উপজেলা বা থানা নির্বাচন কর্মকর্তাকে, ‘খ-১’ ক্যাটাগরির দায়িত্ব অতিরিক্ত জেলা নির্বাচন কর্মকর্তাকে, ‘খ’ ক্যাটাগরির দায়িত্ব সিনিয়র জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা বা জেলা নির্বাচন কর্মকর্তাকে, ‘গ-১’ ক্যাটাগরির দায়িত্ব অতিরিক্ত আঞ্চলিক নির্বাচন কর্মকর্তাকে এবং ‘গ’ ক্যাটাগরির দায়িত্ব আঞ্চলিক নির্বাচন কর্মকর্তাকে দেওয়া হয়েছে।

আদেশে আরো বলা হয়, যেসব আবেদন অনলাইনে করা সম্ভব, সেগুলো আর হার্ডকপিতে গ্রহণ করা হবে না। যথাযথ কর্তৃপক্ষের অনুমোদনক্রমে এ নির্দেশনা অবিলম্বে কার্যকর হবে।

এ আদেশের অনুলিপি নির্বাচন কমিশনের অতিরিক্ত সচিব, মহাপরিচালকসহ সংশ্লিষ্ট ছয়টি দপ্তরে পাঠানো হয়েছে। তবে স্থগিত থাকা ছয় ক্যাটাগরির সেবা কবে পুনরায় চালু হবে, সে বিষয়ে নির্বাচন কমিশন পরে নির্দেশনা দেবে বলে জানানো হয়েছে।

জুনে ৩০৮ কোটি টাকার পণ্যসামগ্রী উদ্ধার করেছে বিজিবি

নিজস্ব প্রতিবেদক
জুনে ৩০৮ কোটি টাকার পণ্যসামগ্রী উদ্ধার করেছে বিজিবি

বর্ডার গার্ড বাংলাদেশের (বিজিবি) অভিযানে গত জুন মাসে দেশের সীমান্ত এলাকাসহ অন্যান্য স্থানে অভিযান চালিয়ে মোট ৩০৭ কোটি ৬৫ লাখ ১১ হাজার টাকা মূল্যের বিভিন্ন ধরনের চোরাচালান পণ্যসামগ্রী জব্দ করা হয়েছে। মঙ্গলবার (৭ জুলাই) এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে বিজিবি।

এতে বলা হয়, জব্দ করা চোরাচালান দ্রব্যের মধ্যে রয়েছে- ৫ কেজি ৫৯২ গ্রাম স্বর্ণ, ১৮ হাজার ১৫টি শাড়ি, ৩ হাজার ২৫২টি থ্রিপিস/শার্টপিস/চাদর/কম্বল, ৯ হাজার ৫৫১টি তৈরি পোশাক, ১ লাখ ৮৯ হাজার ১৮টি কসমেটিক্স সামগ্রী, ১৭ লাখ ৫৪ হাজার ৫৪৩ পিস আতশবাজি, ৭ হাজার ৪৬৪ ঘনফুট কাঠ, ৭ হাজার ৩১৬ কেজি চা পাতা, ৪ হাজার ২৭০ কেজি সুপারি, ১ লাখ ১ হাজার ৭৭৬ কেজি কয়লা, ১ লাখ ৭৪ হাজার ৮৯৮ প্যাকেট বিড়ি ও সিগারেট, ৪৯৭টি মোবাইল, ১ হাজার ৮৬৫ পিস মোবাইলের ডিসপ্লে, ৪১ হাজার ১৬২ পিস মোবাইলের যন্ত্রাংশ, ১৫ হাজার ৫৬ পিস ইলেকট্রিক সামগ্রী, ২২ হাজার ৬১২টি চশমা, ৫২ হাজার ৭৩৬ কেজি জিরা, ৪ হাজার ২৮৫ কেজি রসুন, ১৮ হাজার ৭৯৮ কেজি চিনি, ১০ হাজার ২২৪ কেজি সার, ১১ লাখ ৪১ হাজার ১৬৯ পিস চিংড়ি মাছের পোনা, ৩ হাজার ২৮২ লিটার ভোজ্য তেল/ডিজেল/অকটেন/পেট্রল/মবিল, ২ হাজার ২৭৬ প্যাকেট কীটনাশক, ৫ লাখ ৯১ হাজার ৪১৯ পিস বিভিন্ন প্রকার ঔষধ, ৬৯৪ কেজি বিভিন্ন প্রকার বীজ, ১ হাজার ২৩৯ পিস যানবাহন যন্ত্রাংশ, ১১টি ট্রাক/কাভার্ড ভ্যান, ৫টি পিকআপ, ৩টি প্রাইভেটকার/বাস, ৩টি ট্র্যাক্টর, ২০টি ট্রলি/মাইক্রোবাস, ৬৮টি সিএনজি/ইজিবাইক/ অটোরিক্সা, ৩৫টি মোটরসাইকেল এবং ৫৩টি বাইসাইকেল/ভ্যান।

উদ্ধার করা অস্ত্রের মধ্যে রয়েছে-৮টি দেশি/বিদেশি পিস্তল, ১টি রাইফেল, ১৬টি ম্যাগাজিন, ৬৩০ রাউন্ড গোলাবারুদ, ২টি মাইন, ৬টি গ্রেনেড এবং ৬টি অন্যান্য অস্ত্র। এছাড়াও গত মাসে বিজিবি বিপুল পরিমাণ মাদকদ্রব্য জব্দ করা করেছে।

জব্দ করা মাদক ও নেশাজাতীয় দ্রব্যের মধ্যে রয়েছে ৩৭ লাখ ৭৯ হাজার ৩৫২ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট, ১৮ কেজি ১৫০ গ্রাম ক্রিষ্টাল মেথ আইস, ৬০৭ গ্রাম হেরোইন, ১ হাজার ৪২২ বোতল ফেনসিডিল, ৬ হাজার ৮৩৮ বোতল বিদেশি মদ, ৩৯৫ লিটার বাংলা মদ, ৩ হাজার ২৬৮ ক্যান বিয়ার, ১ হাজার ৭১০ কেজি ৪৭০ গ্রাম গাঁজা, ১ লাখ ৮৪ হাজার ৬৩৩টি নেশাজাতীয় ট্যাবলেট/ইনজেকশন, ২৪ হাজার ২০১ বোতল বিভিন্ন প্রকার সিরাপ এবং ৮২ হাজার ৭১৫ পিস বিভিন্ন প্রকার ঔষধ/ট্যাবলেট।

সীমান্তে বিজিবির অভিযানে ইয়াবাসহ বিভিন্ন প্রকার মাদক পাচার ও অন্যান্য চোরাচালানে জড়িত থাকার অভিযোগে ২১২ জন চোরাচালানি এবং অবৈধভাবে সীমান্ত অতিক্রমের দায়ে ৪৭জন বাংলাদেশি নাগরিক, ১ জন ভারতীয় নাগরিক ও ২৮৪ জন মিয়ানমারের নাগরিককে আটকের পর তাদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে। 

মন্ত্রিসভায় উঠছে পে স্কেল, বেতন বাড়তে পারে ১০০% পর্যন্ত!

অনলাইন ডেস্ক
মন্ত্রিসভায় উঠছে পে স্কেল, বেতন বাড়তে পারে ১০০% পর্যন্ত!

সরকারি চাকরিজীবীদের নতুন বেতন কাঠামো চলতি মাসেই মন্ত্রিসভায় উঠতে পারে বলে জানা গেছে। গতকাল সোমবার এসংক্রান্ত কমিটির সভা থেকে এমন পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে।

সভা সূত্রে জানা গেছে, নবম জাতীয় বেতন কমিশনের প্রতিবেদন পর্যালোচনা করে সরকারের জন্য চূড়ান্ত সুপারিশ তৈরির লক্ষ্যে গঠিত কমিটি আগামী সপ্তাহে আরেকটি সভায় বসবে। এরপর সচিব কমিটির সুপারিশ পরের সপ্তাহে মন্ত্রিসভায় উঠবে। তবে মন্ত্রিসভা চাইলে সুপারিশে পরিবর্তন, সংযোজন, বিয়োজন করতে পারবে। অনুমোদন মিললে গেজেট জারির পর নতুন বেতন কাঠামো কার্যকর হবে।

চলতি মাসের ১ তারিখ থেকে সরকারি চাকরিজীবীদের নবম বেতন কাঠামো বাস্তবায়নের ঘোষণা দিয়েছে সরকার। তবে কিভাবে বাস্তবায়ন হবে নতুন বেতন কাঠামো সেবিষয়ে একাধিক বৈঠক করেছে ‌‘জাতীয় বেতন কমিশন-২০২৫’। 

চলতি অর্থবছরের ১ জুলাই থেকে মূল বেতন এবং আগামী অর্থবছরের ১ জুলাই থেকে বিভিন্ন ভাতা কার্যকরের পক্ষে মত দিয়েছেন কমিটির সদস্যরা। তবে এ বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবে মন্ত্রিসভা।

সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো বলছে, বর্তমান সরকারের লক্ষ্য হচ্ছে নিম্ন গ্রেডের কর্মচারীর ক্রয়ক্ষমতা বাড়ানো। সে কারণে ১০ম থেকে ২০তম গ্রেডের কর্মচারীদের জন্য তুলনামূলক বেশি বেতন রাখার সুপারিশ আসতে পারে। অন্যদিকে, প্রথম থেকে নবম গ্রেডের কর্মকর্তাদের ক্ষেত্রে উল্লেখযোগ্য বৃদ্ধি থাকলেও তা কিছুটা সীমিত হতে পারে। অর্থ বিভাগের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, প্রথম থেকে নবম গ্রেড পর্যন্ত বেতন বাড়তে পারে ৬০-৭০ শতাংশ, আর ১০ম থেকে ২০তম গ্রেড পর্যন্ত ৯০-১০০ শতাংশ।

৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত ডেঙ্গু পরীক্ষা ফ্রি করল সরকার

নিজস্ব প্রতিবেদক
৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত ডেঙ্গু পরীক্ষা ফ্রি করল সরকার

সরকারি হাসপাতালে আগামী ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত ডেঙ্গু রোগ নির্ণয়ে এনএসআই পরীক্ষা বিনামূল্যে করার নির্দেশ দিয়েছে সরকার। স্বাস্থ্য ও পরিবারকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের স্বাস্থ্যসেবা বিভাগ থেকে এসংক্রান্ত নির্দেশনা জারি করা হয়েছে।

উপসচিব কাজী শরিফ উদ্দিন আহমেদ স্বাক্ষরিত বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, সরকারি হাসপাতালে ডেঙ্গু রোগ নির্ণয়ের জন্য এনএসআই পরীক্ষা আগামী ৩১ ডিসেম্বর ২০২৬ তারিখ পর্যন্ত বিনামূল্যে করার পরবর্তী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য নির্দেশক্রমে অনুরোধ করা হলো।

বিষয়টি অবগতি ও প্রয়োজনীয় ব্যবস্থাগ্রহণে সারা দেশের মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের পরিচালক, সিভিল সার্জন, উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তাসহ সংশ্লিষ্ট সকলের কাছে পাঠিয়েছে মন্ত্রণালয়।