• ই-পেপার

পাহাড় ধসের শঙ্কা

৩৯ এলাকা ঝুঁকিপূর্ণ চিহ্নিত, আশ্রয়কেন্দ্রে যেতে মাইকিং

২৬ চেকে ৫১ লাখ টাকার জালিয়াতি, উপজেলা পরিষদের ৩ কর্মচারী গ্রেপ্তার

জেলা প্রতিনিধি, ফেনী
২৬ চেকে ৫১ লাখ টাকার জালিয়াতি, উপজেলা পরিষদের ৩ কর্মচারী গ্রেপ্তার
সংগৃহীত ছবি

ফেনীর ফুলগাজী উপজেলা পরিষদের উন্নয়ন প্রকল্পের জন্য ইস্যু করা ২৬টি চেকের টাকার অঙ্ক ও বানান পরিবর্তন করে প্রায় ৫১ লাখ টাকার সরকারি অর্থ আত্মসাতের অভিযোগে তিনজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। মঙ্গলবার (৭ জুলাই) সকালে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়।

গ্রেপ্তাররা হলেন উপজেলা পরিষদের সাবেক সাঁট-মুদ্রাক্ষরিক কাম-কম্পিউটার অপারেটর পার্থ সারথী পাল, বর্তমান অফিস সহায়ক মো. ফিরোজ এবং নূর ইসলাম। তাদের মধ্যে পার্থ বর্তমানে ছাগলনাইয়া উপজেলা পরিষদে কর্মরত। তার বাড়ি ফুলগাজী উপজেলার মুন্সীরহাট ইউনিয়নের ফতেপুর গ্রামে। নূর ইসলামের বাড়ি ফুলগাজী সদর ইউনিয়নের উত্তর বরইয়া গ্রামে এবং মো. ফিরোজের বাড়ি পরশুরাম উপজেলার গুথুমা গ্রামে।

পুলিশ ও উপজেলা প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, সম্প্রতি বদলিজনিত কারণে দায়িত্ব হস্তান্তরের প্রস্তুতিকালে ফুলগাজী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ও উপজেলা পরিষদের দায়িত্বপ্রাপ্ত প্রশাসক ফাহরিয়া ইসলাম উন্নয়ন প্রকল্পের হিসাব-নিকাশ পর্যালোচনা করেন। এ সময় চেকবইয়ের কাউন্টারফয়েল (মুড়ি) ও ব্যাংক থেকে উত্তোলিত অর্থের হিসাবের মধ্যে অসঙ্গতি ধরা পড়ে। পরে বিষয়টি যাচাই-বাছাই করে দেখা যায়, ২৬টি চেকে টাকার অঙ্ক ও বানান পরিবর্তন করে প্রায় ৫১ লাখ টাকার সরকারি অর্থ উত্তোলন করা হয়েছে।

সূত্র আরো জানায়, সোমবার (৬ জুলাই) উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা পার্থ, ফিরোজ ও নূর ইসলামকে তার কার্যালয়ে ডেকে আনেন। পরে তাদের ফুলগাজী থানা পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়। পরবর্তীতে চেক জালিয়াতির অভিযোগে করা মামলায় আজ তাদের গ্রেপ্তার দেখানো হয়।

তদন্ত সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, ইউএনওর স্বাক্ষর নেওয়ার পর মূল অঙ্কের আগে অতিরিক্ত সংখ্যা যুক্ত করে চেকের টাকার পরিমাণ বাড়ানো হতো। একই সঙ্গে টাকার বানানের অংশেও পরিবর্তনের আলামত পাওয়া গেছে। তবে চেকবইয়ের কাউন্টারফয়েলে এসব পরিবর্তনের কোনো উল্লেখ না থাকায় হিসাব পর্যালোচনার সময় অনিয়মটি ধরা পড়ে। গত প্রায় এক বছর ধরে একই কৌশলে চেকের অঙ্ক পরিবর্তন করে সরকারি অর্থ উত্তোলন করা হচ্ছিল। চলতি বছরের ১ মার্চ সর্বশেষ এমন ঘটনার তথ্য পাওয়া গেছে।

একই বছরের মার্চে পার্থ ছাগলনাইয়া উপজেলা পরিষদে বদলি হওয়ার পর এ ধরনের আর কোনো ঘটনার তথ্য পাওয়া যায়নি। এ ঘটনায় ফুলগাজী উপজেলা পরিষদের স্টেনোটাইপিস্ট কাম-কম্পিউটার অপারেটর আবদুল হালিম চৌধুরী সুজন বাদী হয়ে ফুলগাজী থানায় চেক জালিয়াতির অভিযোগে মামলা করেন।

এ ব্যপারে জানতে ফেনীর স্থানীয় সরকার বিভাগের উপপরিচালক মো. দিদারুল আলম এবং সদ্যবিদায়ী ফুলগাজী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ফাহরিয়া ইসলামকে কল করা হলেও সাড়া মেলেনি। 

ফুলগাজী থানার ওসি এস এম মিজানুর রহমান বলেন, ‘চেক জালিয়াতির অভিযোগে একটি মামলা হয়েছে। এ ঘটনায় অভিযুক্ত তিনজনকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে তারা অপরাধের বিষয়ে স্বীকারোক্তিমূলক তথ্য দিয়েছেন। হিসাব-সংক্রান্ত নথিপত্র, সংশ্লিষ্ট চেক ও ব্যাংকের তথ্য যাচাই করা হচ্ছে। তদন্ত শেষে প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।’

চট্টগ্রামে মৌসুমের সর্বোচ্চ বৃষ্টি, ২৪ ঘণ্টায় ৩৮৬.৮ মিলিমিটার

নিজস্ব প্রতিবেদক, চট্টগ্রাম
চট্টগ্রামে মৌসুমের সর্বোচ্চ বৃষ্টি, ২৪ ঘণ্টায় ৩৮৬.৮ মিলিমিটার
সংগৃহীত ছবি

চট্টগ্রামে টানা তিনদিন ধরে বৃষ্টিপাত হচ্ছে। কখনো ভারি আবার কখনো অতিভারী বৃষ্টিপাত অব্যাহত আছে। এরমধ্যে সর্বশেষ আজ মঙ্গলবার (৭ জুলাই) দুপুর ১২টার পূর্ববর্তী ২৪ ঘণ্টায় ৩৮৬ দশমিক ৮ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করেছে চট্টগ্রামের প্রধান পতেঙ্গা আবহাওয়া কার্যালয়। এটি চলতি বছরের মধ্যে চট্টগ্রামে সবচেয়ে বেশি বৃষ্টিপাত বলে জানিয়েছেন আবহাওয়াবিদরা। 

এদিকে, টানা বৃষ্টিপাতে নগর ও জেলার বিভিন্ন এলাকা সড়ক পানিতে তলিয়ে গেছে। সোমবার (৬ জুলাই) বৃষ্টিপাতে নগরের সড়কে জলাবদ্ধতা দেখা না গেলেও আজ সকাল থেকে বিভিন্ন সড়ক-উপসড়কে জলজটে মানুষ দুর্ভোগে পড়েছেন। বিশেষ করে কর্মস্থলমুখী এবং শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে যাওয়ার সময় যানবাহন কম থাকায় এই দুর্ভোগ আরো বেড়ে যায়। ভারি বৃষ্টিপাতের কারণে বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে আজকে পরীক্ষা স্থগিত করেছে। আবার কোনো কোনো শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলা রাখায় বৃষ্টিতে ভিজে শিক্ষার্থীরা গেছেন। 

নগরের কাপাসগোলা, কাতালগঞ্জ, আগ্রাবাদ, চকবাজার, বাকলিয়া, অক্সিজেন, বায়েজিদ, জিইসি মোড়, ওয়াসা মোড়, বহদ্দারহাট, বাদুরতলাসহ বিভিন্ন এলাকায় সড়ক ও অলিগলিতে হাঁটু পানি। চট্টগ্রাম-রাঙামাটি-খাগড়াছড়ি সড়কের হাটহাজারীর বড়দিঘীর পাড়, আমানবাজার এলাকায় পানির কারণে যানবাহন চলছে ধীরগতিতে। 

অক্সিজেন এলাকায় ইয়াকুব মিয়া নামে এক ব্যক্তি বলেন, ‘বৃষ্টিপাত হলে সড়কে যানবাহন কমে যায়। প্রায় এক ঘণ্টা অপেক্ষা করেও বাস পাচ্ছি না। সিএনজি চালিত অটোরিকশা ভাড়া বেশি চাচ্ছে।’

অক্সিজেন থেকে নিউমার্কেট আসার পথে এক সিএনজি চালিত অটোরিকশা চালক বলেন, ‘সোমবার রাত থেকে বেশি বৃষ্টি হচ্ছে। সকালে নগরের হালিশহর, আগ্রাবাদসহ আশপাশে এলাকায় সড়কে পানি বেশি দেখে বিকল্প সড়ক দিয়ে গাড়ি চালাচ্ছি।’

চট্টগ্রামের প্রধান পতেঙ্গা আবহাওয়া কার্যালয়ের সহকারী আবহাওয়াবিদ বিশ্বজিৎ চৌধুরী দুপুরে কালের কণ্ঠকে বলেন, ‘আজ দুপুর ১২টার পূর্ববর্তী ২৪ ঘণ্টায় চট্টগ্রামে ৩৮৬ দশমিক ৮ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে। এরমধ্যে সকাল ৯টা থেকে দুপুর ১২টা পর্ষন্ত ৬৫ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত হয়েছে। সক্রিয় মৌসুমীবায়ুর প্রভাবে এই বৃষ্টিপাত হচ্ছে। আগামী শুক্রবার পর্যন্ত বৃষ্টিপাত থাকতে পারে।’ 

পতেঙ্গা আবহাওয়া কার্যালয় সূত্রে জানা যায়, সোমবার সকাল ৯টার পর থেকে আজ সকাল ৯টা পর্যন্ত ২৪ ঘণ্টায় চট্টগ্রামে ৩৩০ দশমিক ৮ মিলিমিটার বৃষ্টি রেকর্ড হয়েছে।

অপহরণের পর মুক্তিপণ দাবি, অপহৃতকে উদ্ধারসহ এনসিপির ৫ নেতাকর্মী গ্রেপ্তার

দিনাজপুর প্রতিনিধি
অপহরণের পর মুক্তিপণ দাবি, অপহৃতকে উদ্ধারসহ এনসিপির ৫ নেতাকর্মী গ্রেপ্তার
সংগৃহীত ছবি

দিনাজপুরে অপহরণের পর মুক্তিপণ দাবির অভিযোগে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) রংপুর বিভাগীয় নেতা মো. আরিফ মুনসহ পাঁচজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। সোমবার (৬ জুলাই) সন্ধ্যায় দিনাজপুর গোর-এ শহীদ ময়দান থেকে একটি সাদা প্রাইভেট কারসহ তাদের গ্রেপ্তার করা হয়।

গ্রেপ্তাররা হলেন- জাতীয় যুব নাগরিক শক্তির রংপুর বিভাগীয় সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক আরিফ মুন (২৯), সংগঠনের নেতা হাসিন ইশরাক মিম (২২), আজমির হোসেন (২২), সমজিদুল মিনহাজ (২১) এবং হৃদয় হোসেন (২২)। তাদের বিরুদ্ধে অপহরণ ও চাঁদা দাবির অভিযোগে মামলা করা হয়েছে।

এ ঘটনায় সদর উপজেলার ২ নম্বর সুন্দরবন ইউনিয়নের খোশালপুর পুকুরপাড়া গ্রামের বাসিন্দা অপহরণের শিকার কৃষক আব্দুস সামাদের (৫৯) ছেলে মো. মামুন (৩৬) বাদী হয়ে ৫ জনের নাম উল্লেখ ও অজ্ঞাতনামা ১০/১২ জনকে অজ্ঞাত আসামি দেখিয়ে অপহরণ ও চাঁদাবাজির মামলা দায়ের করেছেন। এর আগে এনসিপির বিভিন্ন স্তরের নেতাকর্মী থানার ভেতরে ঢুকে পুলিশের সঙ্গে হট্টগোল, ধাক্কাধাক্কি করে আটকদের ছিনিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করেন। খবর পেয়ে গ্রেপ্তার যেন ছেড়ে দেওয়া না হয় সে জন্য ছাত্রদলসহ বিএনপির নেতাকর্মীরা থানায় গিয়ে অবস্থান নেন। এ সময় এনসিপির কয়েকজন নেতাকর্মী সংবাদকর্মীদের ওপর চড়াও হন।

মামলা সূত্রে জানা যায়, ৫ জুলাই রাত ৯টার দিকে মো. আব্দুস সামাদ তার ব্যবহৃত মোবাইল এবং মোটরসাইকেল নিয়ে সদর উপজেলার পল্লী বিদ্যুৎ ৫ মাইল এলাকায় দ্বিতীয় স্ত্রী মোছা. রেনু বেগমের (৪৫) বাড়িতে যান। সেখানে মুন, মিম, আজমির, মিনহাজ, হৃদয়সহ অজ্ঞাতনামা ১০-১২ জন ভয়-ভীতি প্রদর্শন করে সামাদকে মোটরসাইকেল, মোবাইলসহ অপহরণ করে নিয়ে যান।

পরে ৬ জুলাই দুপুর দেড়টার দিকে অপহৃত সামাদের মোবাইল নম্বর থেকে কল করে জানানো হয়- তারা শহরের আশপাশে অবস্থান করছেন। সামাদকে অজ্ঞাত স্থানে আটক করে রাখা হয়েছে। এ সময় তারা মুক্তিপণ বাবদ ১২ লাখ টাকা দাবি করেন। টাকা দিনাজপুর গোর-এ শহীদ ময়দানে তাদের কাছে পৌঁছে দিলে তাকে মোটরসাইকেল ও মোবাইলসহ ছেড়ে দেওয়ার কথাও জানান তারা। তবে টাকা না দিলে তারা তাকে হত্যার হুমকি প্রদান করেন।

বিষয়টি পুলিশকে জানানো হলে সোমবার সন্ধ্যায় কোতোয়ালি থানা পুলিশ একটি সাদা প্রাইভেট কারসহ অপহরণের শিকার আব্দুস সামাদকে উদ্ধার এবং পাঁচজনকে আটক করে। এ সময় সামাদের মোটরসাইকেল ও মোবাইল উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনায় অপহরণের শিকার আব্দুস সামাদের ছেলে মো. মানুম আটক পাঁচজনসহ আরো ১০-১২ জনকে অজ্ঞাতনামা আসামি করে মামলা দায়ের করেছেন।

এদিকে তাদের আটক করে থানায় নিয়ে আসার পর এনসিপির বিভিন্ন স্তরের নেতাকর্মী প্রবেশ করে থানায় হট্টগোলসহ পুলিশের সঙ্গে ধস্তাধস্তি করে থানা হাজত থেকে আটকদের ছিনিয়ে নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করেন। পরে খবর পেয়ে জেলা ছাত্রদলের বর্তমান এবং সাবেক নেতারাসহ বিএনপির নেতাকর্মীরা থানায় গিয়ে অবস্থান নিয়ে পুলিশকে তাদের কাছে সহযোগিতা করেন। এ সময় উপস্থিত সাংবাদিকদের ওপর এনসিপির কয়েকজন চড়াও হয়।

দিনাজপুর কোতোয়ালি থানার ওসি নুরনবী জানান, আটক পাঁচজনের নাম উল্লেখ করে ও ১০-১২ জনকে অজ্ঞাত আসামি করে মামলা রেকর্ড করা হয়েছে। এই মামলায় আটকদের গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে। মঙ্গলবার তাদের আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে।

বাবুগঞ্জে গাঁজা সেবনের দায়ে ৪ যুবকের কারাদণ্ড

বাবুগঞ্জ (বরিশাল) প্রতিনিধি
বাবুগঞ্জে গাঁজা সেবনের দায়ে ৪ যুবকের কারাদণ্ড
সংগৃহীত ছবি

বরিশালের বাবুগঞ্জ উপজেলার রহমতপুর ইউনিয়নের লামচর ক্ষুদ্রকাঠী গুচ্ছগ্রাম এলাকায় গাঁজা সেবনের দায়ে চার যুবককে আটক করে ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে বিভিন্ন মেয়াদে বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। সোমবার (৬ জুলাই) রাত প্রায় ১০টার দিকে স্থানীয়দের সহায়তায় বাবুগঞ্জ থানার এসআই মো. মাসুদ রানার নেতৃত্বে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়। এ সময় তাদের কাছ থেকে গাঁজাও উদ্ধার করা হয়।

দণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন- উজিরপুর উপজেলার মূলপাইন গ্রামের মো. হাবিবুর রহমানের ছেলে মোস্তাকিন (২১), বোয়ালিয়া গ্রামের মো. মিজান সরদারের ছেলে মো. রিদয় সরদার (২৫), রহমতপুর ইউনিয়নের বাহেরচর ক্ষুদ্রকাঠী এলাকার মো. হুমায়ুন কবিরের ছেলে রবিউল ইসলাম (২২) এবং লামচর ক্ষুদ্রকাঠী এলাকার মো. বাবুল গাজীর ছেলে মো. নয়ন গাজী (২৫)।

পরে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করেন বাবুগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আসমা উল হুসনা। আদালত মোস্তাকিন ও রিদয় সরদারকে এক মাস করে, রবিউল ইসলামকে দুই মাস এবং নয়ন গাজীকে তিন মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড প্রদান করেন।

বাবুগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আসমা উল হুসনা এবং বাবুগঞ্জ থানার ওসি মো. মিজানুর রহমান হাওলাদার জানান, মাদকের বিরুদ্ধে প্রশাসন ও পুলিশের নিয়মিত অভিযান অব্যাহত রয়েছে। সমাজ থেকে মাদক নির্মূলে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী সর্বদা তৎপর রয়েছে।