• ই-পেপার

শিশুরাই আগামীর বাংলাদেশ গড়ার সৈনিক : জুবাইদা রহমান

রপ্তানি খাতকে অগ্রাধিকার দিয়ে অর্থনীতিকে সাজাতে হবে : তথ্যমন্ত্রী

অনলাইন ডেস্ক
রপ্তানি খাতকে অগ্রাধিকার দিয়ে অর্থনীতিকে সাজাতে হবে : তথ্যমন্ত্রী
তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন। ছবি : সংগৃহীত

তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন বলেছেন, ‘রপ্তানি খাতকে অগ্রাধিকার দিয়েই আমাদের অর্থনীতিকে সাজাতে হবে। যে চ্যালেঞ্জগুলো আছে, সেগুলো এলডিসি থেকে উত্তরণের পরে বাড়বে, কিন্তু কমবে না।’

সোমবার (৬ জুলাই) জাতীয় প্রেস ক্লাবে এলডিসি উত্তরণ বিষয়ে এক সাংবাদিক কর্মশালায় তিনি এসব কথা বলেন।

মন্ত্রী বলেন, ‘আমাদের দেশে এলডিসি গ্র্যাজুয়েশনের প্রশ্ন যদি এখন এই মুহূর্তে নাও মোকাবিলা করতে হতো, তাহলেও রপ্তানির ক্ষেত্রে যে চ্যালেঞ্জগুলো আমাদের আছে, অথবা রপ্তানির বাইরে অর্থনীতিকে অন্য কোথাও অগ্রাধিকার দেওয়ার কি কোনো সুযোগ আমাদের ছিল?’

তিনি বলেন, ‘আমি সরকারকে ধন্যবাদ জানাই যে, ইতিমধ্যেই গত ফেব্রুয়ারি মাসে জাতিসংঘের সংশ্লিষ্ট কমিটির কাছে তারা সময় পেছানোর জন্য অনুরোধ করেছেন এবং সেই অনুযায়ী এটি পিছিয়ে যাচ্ছে। আগামী নভেম্বরের যে বাধ্যবাধকতা আছে, সেখান থেকে এটা পিছিয়ে ২০২৯ সালের নভেম্বর পর্যন্ত চলে যাওয়ার একটা প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে।’

তিনি আরো বলেন, ‘যদিও সংশ্লিষ্ট কমিটি নানান রকম শর্ত দিয়েছে এবং সেই শর্তগুলো অবশ্যই ন্যায্য এবং যৌক্তিক। এলডিসি গ্র্যাজুয়েশন সম্পর্কে গভর্নমেন্টের সংশ্লিষ্ট পলিসি মেকার এবং এটার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা নিশ্চয়ই এ বিষয়ে মনোযোগী। তারা এই বর্ধিত সময়ে নীতিমালা সংস্কার আনলে আমাদের রপ্তানির প্রবৃদ্ধি বাড়বে, গতি বাড়বে এবং এর চ্যালেঞ্জগুলোকে মোকাবেলা করা যাবে।’

তথ্যমন্ত্রী বলেন, ‘ধরে নিতে পারি যে, আমাদের চাহিদা অনুযায়ী আমরা তিন বছর বর্ধিত সময় পাব। অতএব, সব আলোচনায় কিন্তু শেষ পর্যন্ত আমাদেরকে নিয়ে যেতে হবে যে, এই তিন বছরকে আমরা কী কাজে লাগাবো এবং কোথায় কোথায় কাজে লাগানো উচিত। এ ছাড়া কোথায় কোথায় কাজে লাগালে প্রকৃত অর্থেই আমাদের রপ্তানির সক্ষমতা বাড়বে এবং সেখানে আমাদের তালিকাটা জানতে হবে। সেই তালিকাটা হচ্ছে আমাদের রপ্তানির জন্য চ্যালেঞ্জ। যত ছোটখাটো সমস্যাই থাক না কেন, সব সমস্যারই কিন্তু তালিকা আমাদের সামনে আসতে হবে। বিশেষ করে অর্থনীতিবিদরা এটা তুলে ধরবেন।’

সার্ক পুনরুজ্জীবিত করতে বাংলাদেশ প্রস্তুত : পররাষ্ট্রমন্ত্রী

অনলাইন ডেস্ক
সার্ক পুনরুজ্জীবিত করতে বাংলাদেশ প্রস্তুত : পররাষ্ট্রমন্ত্রী

পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ বলেছেন, সার্ক পুনরুজ্জীবিত করা এখন সময়ের দাবি। তা করার জন্য বাংলাদেশ প্রস্তুত রয়েছে।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, ভূ-রাজনৈতিক কারণে সার্ক পুনরুজ্জীবিতকরণ প্রক্রিয়া দুর্বল হয়ে আছে। দীর্ঘদিনের ভারত-পাকিস্তান উত্তেজনা ঐকমত্যকে আরো কঠিন করে তুলেছে। এসব জটিলতা নিরসন করতে পারে রাজনৈতিক স্বদিচ্ছা।

সোমবার (৬ জুলাই) বিআইআইএসএস আয়োজিত ‘আস্থা পুনর্গঠন, আঞ্চলিক সংহতি নবায়ন: সার্ক পুনরুজ্জীবনের পথ’ শীর্ষক সেমিনারে প্রতিমন্ত্রী এসব কথা বলেন।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘আমরা আশাবাদী কিন্তু বাস্তববাদী। আমরা মনে করছি না, সার্ক এখন‌ই সেই শক্তিশালী জায়গায় ফিরবে। তবে এটাও মনে করি না যে একদমই সমন্বয় সম্ভব না।’

সেমিনারে সাবেক কূটনৈতিক, আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিশ্লেষক ও শিক্ষার্থীরা সার্ক পুনরুজ্জীবনের জন্য এশিয়া অঞ্চলে সাংস্কৃতিক ও বাণিজ্যিক সম্পর্ক বৃদ্ধিসহ নানাবিধ বাধা ও করণীয় তুলে ধরেন।
 

প্রধানমন্ত্রীকে সৌদি সফরের আমন্ত্রণ জানালেন যুবরাজ

অনলাইন ডেস্ক
প্রধানমন্ত্রীকে সৌদি সফরের আমন্ত্রণ জানালেন যুবরাজ

সৌদি আরবের যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমান আল সৌদ প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে তার দেশে সফরের আমন্ত্রণ জানিয়েছেন।

সোমবার (৬ জুলাই) সকাল ৯টা ৪০ মিনিটে সচিবালয়ের মন্ত্রিপরিষদ বিভাগে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎকালে ঢাকায় নিযুক্ত সৌদি রাষ্ট্রদূত ড. আব্দুল্লাহ জাফর এইচ বিন আবিয়া প্রধানমন্ত্রীর কাছে যুবরাজের আমন্ত্রণপত্র হস্তান্তর করেন।

এ বিষয়ে মন্ত্রণালয়ে এক সংবাদ ব্রিফিংয়ে পররাষ্ট্রবিষয়ক উপদেষ্টা হুমায়ুন কবির পররাষ্ট্র জানান, সৌদি যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমান বাংলাদেশ সফরেও আগ্রহ প্রকাশ করেছেন।

প্রধানমন্ত্রীর সৌদি সফরের সময়সূচি দুই দেশের সরকারের মধ্যে আলোচনার মাধ্যমে চূড়ান্ত করা হবে বলে জানান তিনি।

বৈঠকে বাংলাদেশ ও সৌদি আরবের পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়। পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমান, প্রধানমন্ত্রীর পররাষ্ট্রবিষয়ক উপদেষ্টা হুমায়ুন কবির এবং ঢাকায় সৌদি আরবের উপ-রাষ্ট্রদূত ইব্রাহিম আবদুল্লাহ এ সময় উপস্থিত ছিলেন।

গ্রামীণ উন্নয়নের মাধ্যমেই টেকসই বাংলাদেশ বিনির্মাণ সম্ভব : মির্জা ফখরুল

নিজস্ব প্রতিবেদক
গ্রামীণ উন্নয়নের মাধ্যমেই টেকসই বাংলাদেশ বিনির্মাণ সম্ভব : মির্জা ফখরুল
ছবি : কালের কণ্ঠ

স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, গ্রামাঞ্চলের সার্বিক উন্নয়ন ছাড়া বাংলাদেশের টেকসই উন্নয়ন সম্ভব নয়। তিনি বলেন, সরকার রাস্তাঘাট, যোগাযোগব্যবস্থা ও অবকাঠামো উন্নয়নে ধারাবাহিকভাবে কাজ করছে। তবে শুধু অবকাঠামো উন্নয়নই যথেষ্ট নয়; জনগণের আয় বৃদ্ধি ও অর্থনৈতিক সক্ষমতা নিশ্চিত না হলে প্রকৃত উন্নয়ন অর্জন সম্ভব হবে না।

সোমবার (৬ জুলাই)  রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে জাতীয় পল্লী উন্নয়ন দিবস-২০২৬ উপলক্ষে আয়োজিত আলোচনাসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম।

এর আগে সকালে রাজধানীর সেন্টার অন ইন্টিগ্রেটেড রুরাল ডেভেলপমেন্ট ফর এশিয়া অ্যান্ড দ্য প্যাসিফিক (সিরডাপ) মিলনায়তনে সিরডাপের ৪৭তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী এবং দ্বিতীয় বিশ্ব পল্লী উন্নয়ন দিবস উপলক্ষে পৃথক একটি আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।

ততত
ছবি: কালের কণ্ঠ

পরে ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তন প্রাঙ্গণে বেলুন ও শান্তির প্রতীক পায়রা উড়িয়ে জাতীয় পল্লী উন্নয়ন দিবস ২০২৬-এর আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করা হয়। এ সময় মন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রী পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় বিভাগের বিভিন্ন দপ্তর ও সংস্থার স্টল পরিদর্শন করেন। পরে সেখান থেকে একটি শোভাযাত্রা বের হয়ে মিলনায়তন প্রাঙ্গণ প্রদক্ষিণ করে।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে মন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশ বর্তমানে স্বল্পোন্নত দেশ (এলডিসি) হলেও সরকারের লক্ষ্য দারিদ্র্যমুক্ত, সমৃদ্ধ ও আত্মনির্ভরশীল বাংলাদেশ গড়ে তোলা। তিনি বলেন, স্বাধীনতার পর বিভিন্ন সময়ে পল্লী উন্নয়নে নানা উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে এবং বর্তমান সরকার সেই ধারাবাহিকতা এগিয়ে নিচ্ছে।

তিনি আরো বলেন, দেশের উন্নয়নের স্বার্থে সবাইকে নিজ নিজ অবস্থান থেকে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে হবে। আত্মনির্ভরশীল হওয়ার মানসিকতা গড়ে তুলতে হবে এবং দুর্নীতির বিরুদ্ধে সামাজিক প্রতিরোধ গড়ে তুলতে হবে।

বিশেষ অতিথির বক্তব্যে প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম বলেন, পল্লী উন্নয়ন টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা (এসডিজি) অর্জনের অন্যতম প্রধান ক্ষেত্র। আধুনিক প্রযুক্তি, দক্ষ মানবসম্পদ উন্নয়ন এবং উৎপাদনশীল বিনিয়োগের মাধ্যমে গ্রামীণ অর্থনীতিকে দেশের প্রবৃদ্ধির চালিকাশক্তিতে পরিণত করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

তিনি আরো বলেন, বাংলাদেশ পল্লী উন্নয়ন বোর্ড (বিআরডিবি)-এর কার্যক্রম আরও আধুনিক ও জনমুখী করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

সভায় সভাপতিত্ব করেন পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় বিভাগের সচিব মোহাম্মদ শওকত রশীদ চৌধুরী। স্বাগত বক্তব্য দেন বাংলাদেশ পল্লী উন্নয়ন বোর্ডের মহাপরিচালক এ কে এম তারেক। অনুষ্ঠানে বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা, উন্নয়ন সহযোগী সংস্থার প্রতিনিধি এবং দেশের বিভিন্ন অঞ্চল থেকে আগত সমবায়ী ও উদ্যোক্তারা উপস্থিত ছিলেন।