• ই-পেপার

জুনে মব সহিংসতায় নিহত ৩৩

ঢাকাসহ ১৭ জেলার জন্য দুঃসংবাদ

অনলাইন ডেস্ক
ঢাকাসহ ১৭ জেলার জন্য দুঃসংবাদ

রাজধানী ঢাকাসহ দেশে ১৭ জেলায় ঝোড়ো হাওয়াসহ বজ্রবৃষ্টি হতে পারে বলে আশঙ্কা করছে আবহাওয়া অধিদপ্তর। সংস্থাটি জানিয়েছে, ঘণ্টায় সর্বোচ্চ ৬০ কিলোমিটার বেগে হতে পারে এই ঝড়। এ জন্য সংশ্লিষ্ট এলাকার নদীবন্দরের জন্য দেওয়া পূর্বাভাসে এ তথ্য জানানো হয়েছে। 

এতে বলা হয়েছে, রাজশাহী, পাবনা, ঢাকা, টাঙ্গাইল, ময়মনসিংহ, ফরিদপুর, মাদারীপুর, যশোর, কুষ্টিয়া, খুলনা, বরিশাল, পটুয়াখালী, নোয়াখালী, কুমিল্লা, চট্টগ্রাম, কক্সবাজার ও সিলেট অঞ্চলের ওপর দিয়ে দক্ষিণ/দক্ষিণ-পশ্চিম দিক থেকে ঘণ্টায় ৪৫ থেকে ৬০ কিলোমিটার বেগে অস্থায়ীভাবে দমকা অথবা ঝোড়ো হাওয়াসহ বৃষ্টি বা বজ্রবৃষ্টি হতে পারে। এসব এলাকার নদীবন্দরগুলোকে ১ নম্বর সতর্কসংকেত দেখাতে বলা হয়েছে।

২০২৭ সালের হজের জন্য প্রাক-নিবন্ধন শুরু

অনলাইন ডেস্ক
২০২৭ সালের হজের জন্য প্রাক-নিবন্ধন শুরু

২০২৭ সালে হজ পালনে আগ্রহীদের জন্য ১ জুলাই থেকে প্রাক-নিবন্ধন কার্যক্রম শুরু হয়েছে। ধর্মবিষয়ক মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, সৌদি সরকারের ঘোষিত হজ রোডম্যাপ অনুযায়ী আগামী ২৬ সেপ্টেম্বরের মধ্যে নিবন্ধন সম্পন্ন করতে হবে।

বুধবার (০১ জুলাই) ধর্মবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের এক বার্তায় এ তথ্য জানানো হয়েছে।

বার্তায় আগ্রহীদের উদ্দেশ্যে বলা হয়, ২০২৭ সালের হজের জন্য ১ জুলাই থেকে প্রাক-নিবন্ধন করুন। সৌদি সরকার ঘোষিত হজের রোডম্যাপ অনুযায়ী ২৬ সেপ্টেম্বরের মধ্যে নিবন্ধন সম্পন্ন করতে হবে।

এর আগে গত ২৯ মে সৌদি হজ ও উমরাহ মন্ত্রণালয় সৌদি আরবের জেদ্দায় এক অনাড়ম্বর অনুষ্ঠানের মাধ্যমে ২০২৭ সালের হজ কার্যক্রমের সময়সূচি ঘোষণা করে এবং বিভিন্ন দেশের ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রীদের কাছে তা হস্তান্তর করে।

ধর্মমন্ত্রী কাজী শাহ মোফাজ্জাল হোসাইন (কায়কোবাদ) আমন্ত্রিত অতিথি হিসেবে এ অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করেন এবং সৌদি হজ ও উমরাহ মন্ত্রণালয়ের সহকারী মন্ত্রী ড. আল হাসান বিন ইয়াহইয়া আল মানাখরাহ তার কাছে আনুষ্ঠানিকভাবে হজের রোডম্যাপ হস্তান্তর করেন।

রোডম্যাপ অনুসারে, চলতি বছরের ২৬ সেপ্টেম্বরের মধ্যে শেষ করতে হবে হজযাত্রী নিবন্ধন কার্যক্রম। ৮ নভেম্বর স্বাক্ষরিত হবে দ্বিপাক্ষিক হজচুক্তি। ২০২৭ সালের ২৮ জানুয়ারি থেকে হজ ভিসা ইস্যু শুরু হবে এবং ৮ এপ্রিল শুরু হবে হজ ফ্লাইট।

চাঁদ দেখা সাপেক্ষে ১৫ মে (০৯ জিলহজ) অনুষ্ঠিত হবে ২০২৭ সালের হজ।

পদ্মা সেতুতে টোল আদায় ৩৪২৯, ঋণ পরিশোধ ২৫১৬ কোটি টাকা

অনলাইন ডেস্ক
পদ্মা সেতুতে টোল আদায় ৩৪২৯, ঋণ পরিশোধ ২৫১৬ কোটি টাকা

উদ্বোধনের চার বছরপূর্তির আগেই পদ্মা সেতু থেকে ৩ হাজার ৪২৯ কোটি টাকার বেশি টোল আদায় হয়েছে। একই সময় আদায় করা টোল থেকে সরকারের কাছে ঋণের ১৬টি কিস্তিতে মোট ২ হাজার ৫১৬ কোটি ৬৮ লাখ ৮৪ হাজার টাকা পরিশোধ করেছে বাংলাদেশ সেতু কর্তৃপক্ষ। পরিশোধ করা হয়েছে ৪৩৬ কোটি টাকার বেশি ভ্যাট। কোনো কিস্তিই বকেয়া নেই। 

মঙ্গলবার (৩০ জুন) বাংলাদেশ সেতু কর্তৃপক্ষের সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, বাংলাদেশ সরকারের নিজস্ব অর্থায়নে ৩০ হাজার ৭৭০ কোটি ১৪ লাখ টাকা ব্যয়ে নির্মিত পদ্মা সেতু ২০২২ সালের ২৫ জুন উদ্বোধন করা হয়। ২৬ জুন থেকে সেতু যানচলাচলের জন্য উন্মুক্ত করা হয়। ২০২৬ সালের ২৯ জুন পর্যন্ত সেতু দিয়ে মোট ২ কোটি ৬৮ লাখ ৬২ হাজার ৮০৮টি যানবাহন পারাপার হয়েছে। এ থেকে টোল হিসেবে মোট ৩ হাজার ৪২৯ কোটি ৪৫ লাখ ২৫ হাজার ৫৫০ টাকা আদায় হয়েছে।

সেতু বিভাগের সচিব ও বাংলাদেশ সেতু কর্তৃপক্ষের নির্বাহী পরিচালক মোহাম্মদ আবদুর রউফ বলেন, ‘পদ্মা সেতু দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের ২১ জেলার যোগাযোগ ও অর্থনীতিতে ইতিবাচক পরিবর্তন এনেছে। একই সঙ্গে সেতুর রক্ষণাবেক্ষণ, পরিচালনা এবং ঋণের কিস্তি নিয়মিত পরিশোধ করা হচ্ছে।’

তিনি জানান, বাংলাদেশ সেতু কর্তৃপক্ষ ও অর্থ বিভাগের মধ্যে সম্পাদিত চুক্তি অনুযায়ী ১ শতাংশ সুদে ৩৫ বছরে মোট ৩৬ হাজার কোটি টাকা পরিশোধের বাধ্যবাধকতা রয়েছে। প্রতি অর্থবছরে চার কিস্তিতে মোট ১৪০ কিস্তির মাধ্যমে এই অর্থ পরিশোধ করা হবে।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, পদ্মা সেতুর সার্বিক নিরাপত্তা, আন্তর্জাতিক মানের রক্ষণাবেক্ষণ এবং স্বয়ংক্রিয় টোল ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করতে কাজ চলছে। একই সঙ্গে ইউনিফায়েড ন্যাশনাল ইটিসি ফ্রেমওয়ার্ক (ইউএনইএফ) বাস্তবায়নের মাধ্যমে দেশের সড়ক যোগাযোগ ব্যবস্থাকে আরো আধুনিক ও ডিজিটাল করার উদ্যোগ অব্যাহত রয়েছে।

২০০২ থেকে ২০০৫ সালের মধ্যে পরিচালিত সম্ভাব্যতা সমীক্ষা এবং মাওয়া-জাজিরা অ্যালাইনমেন্ট নির্ধারণের কাজ পরবর্তী সময়ে পদ্মা সেতুর চূড়ান্ত নকশা ও নির্মাণপ্রক্রিয়ার ভিত্তি হিসেবে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছিল।

ভোটার নিবন্ধনে আসছে নতুন নিয়ম, লাগবে যেসব তথ্য

অনলাইন ডেস্ক
ভোটার নিবন্ধনে আসছে নতুন নিয়ম, লাগবে যেসব তথ্য

জাতীয় পরিচয়পত্র (এনআইডি) জালিয়াতি রোধে ‘ফ্যামিলি ট্রি’ বা পারিবারিক তথ্যভিত্তিক নতুন ব্যবস্থা চালুর পরিকল্পনা করছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। এই ব্যবস্থা চালু হলে নতুন ভোটার হতে আবেদনকারীদের পিতা-মাতার পাশাপাশি ভাই-বোনদের এনআইডি তথ্যও জমা দিতে হবে।

ইসি কর্মকর্তাদের বরাত দিয়ে বাংলানিউজ২৪ এর এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সাধারণত এনআইডি পাওয়ার জন্য ভোটার তালিকায় অন্তর্ভুক্ত হতে হয়। ১৬-১৭ বছর বয়সীদের ভোটার না হলেও একই ফরম পূরণ করতে হয়।

এক্ষেত্রে ফরমে বর্তমানে কেবল পরিবারের সদস্যদের মধ্যে পিতা ও মাতার এনআইডির তথ্য দিতে হয়। সামনের দিনে পরিবারের অন্য সদস্য তথা ভাই-বোনের তথ্যও দিতে হবে।

কর্মকর্তারা জানান, মায়ানমার থেকে দেশে আশ্রয় নেওয়া রোহিঙ্গাদের ঠেকাতে চট্টগ্রাম অঞ্চলে বিশেষ ফরমের মাধ্যমে ভোটার বা এনআইডি কার্যক্রম পরিচালনা করা হয়। ফলে চট্টগ্রাম অঞ্চল থেকে তাদের এনআইডি সংগ্রহ করা কঠিন হয়ে পড়েছে।

এতে রোহিঙ্গারা দেশের বিভিন্ন প্রান্তে ছড়িয়ে পড়েছে। এছাড়া অন্যান্য দেশের নাগরিকরাও মাঝে মধ্যে জালিয়াতির মাধ্যমে এনআইডি হাতিয়ে নেয়। অনেকেই নানাভাবে বিভিন্ন কাগজপত্র সংগ্রহ করে থাকেন। কেবল পিতা-মাতার এনআইডির তথ্য নেওয়ায় দালালরা তা সহজেই সংগ্রহ করে দেয়। এই পথটি আরো কঠিন করার জন্য মূলত ভাই-বোনের এনআইডির তথ্যও এখন থেকে নেওয়া হবে। যার মাধ্যমে কেউ ভোটার হতে এলে সবার তথ্য সার্ভারে অন্তর্ভুক্ত করে যাচাই করা যাবে।

এদিকে কেবল বিদেশি নয়, দেশের নাগরিকরাও অনেক সময় অনৈতিক কারণে পিতা-মাতার নাম বা তথ্য পরিবর্তনের আবেদন করেন। এক্ষেত্রে ভুয়া কাগজপত্র জমা দেওয়া হয়। ভাই-বোনের এনআইডির তথ্য নিলে সেটা আর করতে পারবেন না। কেননা, ভাই-বোনের এনআইডিতে পিতা-মাতার নাম ও তথ্য যা আছে, সেটিও সহজে যাচাই করা যাবে। এভাবে দুই ধরনের কাজ হবে।

প্রথমত, বিদেশিদের এনআইডি হাতিয়ে নেওয়ার সুযোগ কমবে। অন্যদিকে দেশের নাগরিকদের জালিয়াতিও রোধ হবে।

ইসির এনআইডি শাখার কর্মকর্তারা বলছেন, পরিবারের সবার তথ্য একসঙ্গে থাকলে এনআইডি সংশোধনের হার কমে যাবে। অন্যদিকে সবার তথ্যই পাওয়া যাবে মুহূর্তেই। এতে বিভিন্ন সেবা প্রতিষ্ঠানও সহজেই ব্যক্তির পরিচয় আরো সুনির্দিষ্টভাবে যাচাই করতে পারবে। এছাড়া ওয়ারিশ-সংক্রান্ত বিরোধও কমে আসবে।

ইসি সচিব আখতার আহমেদ এ বিষয়ে বলেন, আমরা একটি ‘ফ্যামিলি ট্রি’ করার পরিকল্পনা করছি। কেউ একজন আবেদন নিয়ে এলে সেখানে তার পিতা-মাতা, কয়জন ভাই-বোন আছে, তাদের এনআইডির তথ্য দিতে হবে। এক্ষেত্রে এনআইডি জালিয়াতির হার যেমন কমবে, তেমনি পরিবারের সবার তথ্যও একসঙ্গে পাওয়া যাবে। ওয়ারিশ সনদ তখন আমরাই দিতে পারব।

ইসি সচিব আরো বলেন, ‘ফ্যামিলি ট্রি’ ব্যবস্থা চালুর বিষয়টি বর্তমানে পর্যালোচনায় রয়েছে। প্রক্রিয়া শেষ হলে দ্রুতই এটি বাস্তবায়ন করা হবে।

অনেকের সনদের সঙ্গে ভাই-বোনের এনআইডিতে উল্লেখিত পিতা-মাতার নামের মিল নেই। আবার অনেক পরিবারেই ভাই-বোনদের কারও কাগজপত্রের সঙ্গে অন্যজনের কাগজপত্রে পিতা-মাতার নামের মিল নেই। এমন ক্ষেত্রে কেউ ভোটার হতে এলে বা এনআইডির জন্য আবেদন করলে সমাধান কী হবে— জানতে চাইলে তিনি বলেন, প্রথমত, এটা কি স্বাভাবিক বিষয় যে ভাই-বোনদের মধ্যে পিতা-মাতার নামের বানানে মিল নেই? মোটেই স্বাভাবিক নয়। দ্বিতীয়ত, এমন হলে তারা সবাই মিলে পিতা-মাতার নামের বানান একই রকম করার জন্য আবেদন করবেন। আমরা করে দেব। এতে তো কোনো অসুবিধা নেই।

ইসি সচিব বলেন, আমরা চাই সবার এনআইডিতে একই রকম তথ্য থাকুক। এজন্যই এমন সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এতে বিভিন্ন ধরনের অনিয়ম কমে আসবে। এনআইডি সংশোধনের জন্য আবেদনের হারও কমবে।

সাধারণ ক্ষেত্রে ভোটার হয়ে এনআইডি পাওয়ার জন্য নাম, পিতা-মাতার এনআইডির কপি, শিক্ষাগত যোগ্যতার সনদ, পাসপোর্ট, জন্মসনদ, ইউটিলিটি বিল, বিবাহিতদের ক্ষেত্রে স্বামী-স্ত্রীর এনআইডির কপি, ড্রাইভিং লাইসেন্স, টিআইএন নম্বর, ফোন বা মোবাইল নম্বর, রক্তের গ্রুপ ইত্যাদি কাগজপত্র ও তথ্য দিতে হয়।

এছাড়া এনআইডি সংশোধনের জন্য হলফনামা, শিক্ষাসনদ, পরিবারের সদস্যদের এনআইডি, তালাকনামা, কাবিননামা, বাড়ির দলিল, ইউটিলিটি বিল, ওয়ারিশ সনদ ইত্যাদি তথ্য দিতে হয়।

প্রবাসীদের ভোটার হওয়ার জন্য পাসপোর্টের কপি (মেয়াদ থাকুক বা না থাকুক), সংশ্লিষ্ট দেশে বসবাসকারী এনআইডিধারী তিন নাগরিকের প্রত্যয়ন, জন্মনিবন্ধন, পাসপোর্ট সাইজের ছবি এবং অনলাইনে পূরণ করা আবেদনপত্র সংশ্লিষ্ট দেশের দূতাবাসে জমা দিতে হয়। বাধ্যতামূলক নয় এমন তথ্য নিবন্ধন কেন্দ্রে জমা দিতে না পারলে প্রবাসীরা দেশে থাকা আত্মীয়ের মাধ্যমে সংশ্লিষ্ট উপজেলা কর্মকর্তার কাছে তা জমা দিতে পারেন।

অন্যদিকে রোহিঙ্গা অধ্যুষিত চট্টগ্রাম অঞ্চলের ৫৬টি উপজেলা/থানার জন্য (চট্টগ্রাম অঞ্চল) বিশেষ তথ্য ফরম, শিক্ষাসনদ, পিতা-মাতার এনআইডি, মৃত্যু সনদ, ড্রাইভিং লাইসেন্স/টিআইএন, দ্বৈত নাগরিকত্ব সনদ, নিকাহনামা, স্বামী-স্ত্রীর এনআইডি, নাগরিকত্ব সনদ, ইউটিলিটি বিলের কপি, ভাড়াটিয়া হলে বাড়িভাড়ার চুক্তিপত্র এবং বাড়িওয়ালার অনাপত্তিপত্র জমা দিতে হয়।

বর্তমানে ইসির সার্ভারে ১২ কোটি ৮৩ লাখ ২৩ হাজার ২৪০ জন নাগরিকের তথ্য রয়েছে। এদের মধ্যে পুরুষ ৬ কোটি ৫২ লাখ ১২ হাজার ৭৩১ জন, নারী ৬ কোটি ৩১ লাখ ৯ হাজার ২৬৬ জন এবং হিজড়া ১ হাজার ২৪৩ জন।

ইসি কর্মকর্তারা জানান, ব্যাংক, বীমা, আর্থিক প্রতিষ্ঠান, আইনশৃঙ্খলা বাহিনীসহ সরকারি-বেসরকারি প্রায় ২০২টি প্রতিষ্ঠান নাগরিকের পরিচয় নিশ্চিত হওয়ার জন্য ইসির সার্ভার থেকে যাচাই সেবা নিয়ে থাকে। ‘ফ্যামিলি ট্রি’ চালু হলে খুব সহজেই পরিবারের সবার তথ্য পাওয়া যাবে।