• ই-পেপার

ময়মনসিংহ মেডিক্যালে ডেঙ্গুতে একজনের মৃত্যু

জামালপুরে বিচারক দম্পতির বাসায় গ্রিল কেটে চুরির অভিযোগ

জামালপুর প্রতিনিধি
জামালপুরে বিচারক দম্পতির বাসায় গ্রিল কেটে চুরির অভিযোগ
সংগৃহীত ছবি

জামালপুরে এক বিচারক দম্পতির বাসায় চুরির অভিযোগ পাওয়া গেছে। এসময় নগদ টাকা, স্বর্ণালংকার ও অন্যান্য মূল্যবান সামগ্রী নিয়ে গেছে দুর্বৃত্তরা।

মঙ্গলবার (৩০ জুন) রাতে পৌর শহরের আমলাপাড়া এলাকায় মেলান্দহ সিভিল জজ আদালতের বিচারক আহমাদুল কবির সাকিল ও দেওয়ানগঞ্জ সিভিল জজ আদালতের বিচারক নুসরাত জেরিন জেনির ভাড়াবাসায় এ ঘটনা ঘটে।

পুলিশ ও সূত্রে জানা গেছে, মঙ্গলবার বিকেলে বিচারকের স্ত্রীকে গ্রামের বাড়িতে পৌঁছে দিতে বাসা থেকে বের হন বিচারক আহমাদুল কবির সাকিল। ওই সময় বাসায় কেউ ছিলেন না। এই সুযোগে দুর্বৃত্তরা জানালার গ্রিল কেটে ঘরে ঢুকে হীরার আংটি, প্রায় আট ভরি স্বর্ণালংকার, নগদ এক লাখ টাকা এবং অন্যান্য মূল্যবান সামগ্রী চুরি করে নিয়ে যায়।

বাড়ির মালিক আনোয়ার হোসেন জানান, তিনতলা ভবনটিতে পাঁচটি ইউনিট রয়েছে। এর আগে ভবনে কখনও চুরির ঘটনা ঘটেনি। ভবনে সিসিটিভি ক্যামেরা স্থাপন করা হলেও বর্তমানে সেটি অচল। ধারণা করা হচ্ছে, পূর্বপরিকল্পনা অনুযায়ী বাসাটি ফাঁকা থাকার সুযোগ নিয়ে চুরির ঘটনা ঘটানো হয়েছে।

জামালপুর সদর থানার পরিদর্শক (তদন্ত) নূর মোহাম্মদ জানান, বিচারক দম্পতির ভাড়া বাসায় চুরির ঘটনায় এখনো কোনো লিখিত অভিযোগ পাওয়া যায়নি। তবে খবর পেয়ে রাতেই পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। ঘটনাটি গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করা হচ্ছে।

তৃতীয় দফায় পেছাল শিশু আসমা হত্যা মামলার রায়

নোয়াখালী প্রতিনিধি
তৃতীয় দফায় পেছাল শিশু আসমা হত্যা মামলার রায়
সংগৃহীত ছবি

নোয়াখালীর চাটখিলের চাঞ্চল্যকর শিশু আসমা আক্তার (৫) ধর্ষণ ও হত্যা মামলার রায় তৃতীয় দফায় পিছিয়েছে। রায় ঘোষণার জন্য আগামী ৬ জুলাই নতুন তারিখ নির্ধারণ করেছেন আদালত। বুধবার (১ জুলাই) জেলার বিশেষ শিশু ট্রাইব্যুনালের বিচারক ফারজানা আক্তার এ আদেশ দেন।

বাদীপক্ষের আইনজীবী অ্যাডভোকেট শুক্লা সাহা বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, মামলার রায় ঘোষণার তারিখ তৃতীয় দফা পরিবর্তন করে ৬ জুলাই নির্ধারণ করা হয়।

নিহত উপজেলার বদলকোট ইউনিয়নের মেঘা গ্রামের মৃধা বাড়ির বাসিন্দা মাওলানা মো. শাহজাহানের মেয়ে। মামলার একমাত্র আসামি শাহাদাত (২৬) একই গ্রামের বাবুল হোসেনের ছেলে এবং নিহতের জেঠাতো ভাই।

মামলা সূত্রে জানা যায়, ২০২২ সালের ২৪ মার্চ দুপুর দেড়টার দিকে বাড়ি থেকে নিখোঁজ হয় আসমা। ঘটনার নয় দিন পর বাড়ির পেছনের সেপটিক ট্যাংকি থেকে আসামির তথ্যের ভিত্তিতে তার মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। এ ঘটনায় তার জেঠাতো ভাই শাহাদাতকে (২৬) গ্রেপ্তার করা হয়। তদন্ত চলাকালে শাহাদাত আদালতে দেওয়া স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দিতে জানায়, ধর্ষণের পর ঘটনা প্রকাশ হয়ে পড়ার আশঙ্কায় তিনি শিশুটিকে শ্বাসরোধে হত্যা করেন এবং মরদেহ সেপটিক ট্যাংকিতে ফেলে দেন।

ঠাকুরগাঁও

এক স্কুলের চার শিক্ষার্থী নিখোঁজ

ঠাকুরগাঁও প্রতিনিধি
এক স্কুলের চার শিক্ষার্থী নিখোঁজ

ঠাকুরগাঁওয়ের বালিয়াডাঙ্গী উপজেলার সাবাজপুর উচ্চ বিদ্যালয়ের চার ছাত্রী প্রাইভেটে পড়তে যাওয়ার পর থেকে নিখোঁজ রয়েছে। এ ঘটনায় তাদের স্বজনরা বালিয়াডাঙ্গী থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেছেন। ঘটনাটি এলাকাজুড়ে চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।

নিখোঁজ ছাত্রীরা হলেন বালিয়াডাঙ্গী উপজেলার চাড়োল ইউনিয়নের সাবাজপুর গ্রামের মানিক চন্দ্রের মেয়ে খুশি (দশম শ্রেণি), বাঙ্কু দেবনাথের মেয়ে মল্লিকা (দশম শ্রেণি), রমেশ দেবনাথের মেয়ে ঋতু দেবনাথ (দশম শ্রেণি) এবং আকালু দেবনাথের মেয়ে সুজুতি রানী দেবনাথ (অষ্টম শ্রেণি)। তারা সবাই সাবাজপুর উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী। খুশি, মল্লিকা ও ঋতু দশম শ্রেণির এবং সুজুতি রানী দেবনাথ অষ্টম শ্রেণির ছাত্রী।

স্বজনরা জানান, গতকাল মঙ্গলবার সকাল ১০টার দিকে চার ছাত্রী একসঙ্গে প্রাইভেট পড়ার উদ্দেশ্যে বাড়ি থেকে বের হয়। এরপর থেকে তারা আর বাড়ি ফেরেনি। সম্ভাব্য আত্মীয়-স্বজনের বাড়িসহ বিভিন্ন স্থানে খোঁজাখুঁজি করেও তাদের কোনো সন্ধান না পেয়ে পরিবারের সদস্যরা বালিয়াডাঙ্গী থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেন।

একই বিদ্যালয়ের চার শিক্ষার্থী একসঙ্গে নিখোঁজ হওয়ার ঘটনায় পরিবারগুলোর মধ্যে চরম উৎকণ্ঠা বিরাজ করছে। বিষয়টি নিয়ে এলাকাবাসীর মধ্যেও উদ্বেগ দেখা দিয়েছে।

বালিয়াডাঙ্গী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) বুলবুল ইসলাম বলেন, সাধারণ ডায়েরির ভিত্তিতে নিখোঁজ চার ছাত্রীর সন্ধানে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়েছে। 

নিখোঁজের ১ দিন পর ডোবা থেকে নারীর মরদেহ উদ্ধার

সখীপুর (টাঙ্গাইল) প্রতিনিধি
নিখোঁজের ১ দিন পর ডোবা থেকে নারীর মরদেহ উদ্ধার
প্রতীকী ছবি

টাঙ্গাইলের সখীপুরে নিখোঁজের একদিন পর পারভীন (৪৬) নামে এক নারীর মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।

বুধবার (১ জুলাই) সকালে সখীপুর পৌরসভার ৭নং ওয়ার্ডের হাসপাতাল গেইটের দক্ষিণে বাসার পাশের একটি ডোবা থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়।

নিহত পারভীন উপজেলার হাতীবান্ধা গ্রামের মৃত হুমায়ূন খানের স্ত্রী। তিনি সখীপুর পৌরসভার ৭নং ওয়ার্ডে ভাড়া বাসায় থাকতেন।

পুলিশ ও পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, গত সোমবার (২৯ জুন) রাতে পারভীন বাসায় ছিলেন। রাত সাড়ে ৯টার দিকে রাজধানীতে চাকরিরত নিহতের ছেলে ফাহাদের সঙ্গে মোবাইলে সর্বশেষ কথা হয় তার। পরদিন মঙ্গলবার সকাল থেকে ফাহাদসহ পরিবারের সদস্য ও স্বজনরা একাধিকবার ফোন করলেও তিনি আর ফোন ধরেননি। ওই দিন সন্ধায় ফাহাদ বাদী হয়ে সখীপুর থানায় অপহরণ মামলা করেন। পরে বুধবার সকালে বাড়ির পাশের একটি ডোবায় লাশ দেখতে পেয়ে পুলিশকে খবর দিলে তারা মরদেহ উদ্ধার করে। নিহতের ছেলে ফাহাদের দাবি, তার মাকে পরিকল্পিতভাবে হত্যা করা হয়েছে। 

সখীপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ওসি হেলাল উদ্দিন জানান, ধারণা করা হচ্ছে কেউ পারভীনকে হত্যা করে ডোবায় ফেলে রাখে। মরদেহ  উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে পাঠানো হয়েছে।