• ই-পেপার

ব্যক্তি পর্যায়ে ঋণের মেয়াদ বেড়ে হলো ৮ বছর

লোকসান কমাতে ইজারায় যাচ্ছে পশ্চিমাঞ্চলের ১১ ট্রেন

অনলাইন ডেস্ক
লোকসান কমাতে ইজারায় যাচ্ছে পশ্চিমাঞ্চলের ১১ ট্রেন

ইজারা দেওয়া হবে রেলওয়ে পশ্চিমাঞ্চলে ১১টি ট্রেন। ইজারা দেওয়ার অনুমোদন চেয়ে রেল সদর দপ্তরে প্রস্তাব পাঠানো হয়েছে বলে জানিয়েছে কর্তৃপক্ষ।

পশ্চিমাঞ্চল রেলের একাধিক কর্মকর্তা জানান, প্রতি বছর মোটা অংকের লোকসান হচ্ছে। এতে রাজস্ব ঘাটতি হচ্ছে। রাজস্ব বাড়ানোর জন্য ১১টি মেইল ও লোকাল ট্রেন বেসরকারি অপারেটরদের কাছে হস্তান্তরের পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে। তবে আশঙ্কা করা হচ্ছে, অপারেটরদের হাতে ট্রেন গেলে ভাড়া আরও বাড়বে। 

বাংলাদেশ রেলওয়ের পশ্চিমাঞ্চলে ছয়টি আন্তর্জাতিক ট্রেন, ৬২টি আন্তনগর ট্রেন, ৫৫টি মেইল ও কমিউটার ট্রেন এবং ১২টি লোকাল ট্রেন চলাচল করছে। এর মধ্যে বেসরকারি অপারেটরদের কাছে ২৪টি মেইল, কমিউটার ও লোকাল ট্রেন ইজারা দিয়ে প্রতি মাসে প্রায় ১ কোটি ৩৩ লাখ টাকা আয় করছে বলে বাংলা ট্রিবউন একটি প্রতিবেদন প্রকাশ করে।
 
পরিসংখ্যানে দেখা যায়, পশ্চিমাঞ্চল রেল বারবার তার রাজস্ব লক্ষ্যমাত্রা পূরণে ব্যর্থ হয়েছে। ২০২৩-২৪ অর্থবছরে প্রতিষ্ঠানটি ৩ কোটি ৭৬ লাখ যাত্রী ও পণ্য পরিবহন করেছে। এর বিপরীতে আয় করেছে ৬৪৯ কোটি টাকা। কিন্তু লক্ষ্যমাত্রা ছিল ১ হাজার ৭৭ কোটি টাকা।

২০২৪-২৫ অর্থবছরে লক্ষ্যমাত্রা ছিল ১ হাজার ১৬০ কোটি টাকা। আয় হয়েছে ৬২১ কোটি টাকা। ২০২৫-২৬ অর্থবছরের ১০ মাসে (ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত) ৮২৫ কোটি টাকার লক্ষ্যমাত্রা ছিল; কিন্তু আয় হয়েছে ৫৬৬ কোটি টাকা।

রেলওয়ে সূত্র জানিয়েছে, ১০ থেকে ১২টি ট্রেন ধারাবাহিকভাবে লাভজনক ছিল। সেগুলো রাজশাহী-ঢাকা, ঢাকা-চাঁপাইনবাবগঞ্জ, রাজশাহী-খুলনা এবং রাজশাহী-পার্বতীপুর রুটে চলাচল করে। কম ভাড়া, পরিচালন ব্যয় এবং টিকিটবিহীন ভ্রমণের কারণে বেশির ভাগ মেইল ও লোকাল ট্রেনগুলোতে লোকসান অব্যাহত আছে। অনেক যাত্রী স্থানীয় রুটে টিকিট ছাড়াই যাতায়াত করছেন। কাউন্টার থেকে টিকিট কেনার পরিবর্তে ট্রেনের কর্মীদের তারা টাকা দিচ্ছেন।

পশ্চিমাঞ্চল রেলের অতিরিক্ত প্রধান বাণিজ্যিক ব্যবস্থাপক আনসার আলী বলেন, ‘অতিরিক্ত কর্মী নিয়োগের ফলে ব্যয় বৃদ্ধি পাবে। আরও কর্মী নিয়োগ করা হলে, এ ট্রেনগুলো থেকে প্রাপ্ত আয়ের চেয়ে খরচ বেশি হলেও ইজারা দেওয়া বেশি লাভজনক। লোকাল ট্রেন থেকে কম আয়ের অন্যতম প্রধান কারণ যাত্রীদের টিকিট কিনতে অনীহা। এ কারণে আমরা ইজারা দেওয়ার উদ্যোগ নিয়েছি।

এ বিষয়ে প্রধান বাণিজ্যিক ব্যবস্থাপক আহসান উল্লাহ ভূঁইয়া বলেন, ‘রাজস্ব বৃদ্ধি এবং সেবার মানোন্নয়নের লক্ষ্যে উদ্যোগটি নেওয়া হয়েছে। সব মেইল ও লোকাল ট্রেনে সঠিকভাবে টিকিট পরীক্ষা করার জন্য রেল কর্তৃপক্ষের পর্যাপ্ত জনবলের অভাবে বিপুল রাজস্ব ক্ষতি হয়েছে। সব ট্রেনের আয়-ব্যয়ের হিসাব সম্মিলিতভাবে তৈরি করা হয়। প্রতিটি মেইল বা লোকাল ট্রেনের বছরে কত লোকসান হয়, তা দেখানোর জন্য কোনও পৃথক হিসাব নেই।’

বাংলাদেশ রেলওয়ে পশ্চিমাঞ্চলের মহাব্যবস্থাপক ফরিদ আহমেদ বলেন, ‘১১টি মেইল ও লোকাল ট্রেন ইজারা দেওয়ার প্রস্তাব পাঠানো হয়েছে। বিষয়টি সদর দফতরের চূড়ান্ত অনুমোদনের অপেক্ষায় রয়েছে। এরপর প্রক্রিয়া করে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানকে ট্রেনগুলো ইজারা দেওয়া হবে।’

বিশ্বে মাছ চাষে সেরা পাঁচে বাংলাদেশ

বাসস
বিশ্বে মাছ চাষে সেরা পাঁচে বাংলাদেশ

বাংলাদেশ ২০২৪ সালে বিশ্বের শীর্ষ পাঁচ মৎস্যচাষী দেশের মধ্যে স্থান করে নিয়েছে। একইসঙ্গে অভ্যন্তরীণ উন্মুক্ত জলাশয়ের মৎস্য আহরণে বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহত্তম উৎপাদনকারী দেশের অবস্থানও ধরে রেখেছে।

জাতিসংঘের খাদ্য ও কৃষি সংস্থার (এফএও) সাম্প্রতিক এক প্রতিবেদনে এ তথ্য উঠে এসেছে।

‘দ্য স্টেট অব ওয়ার্ল্ড ফিশারিজ অ্যান্ড অ্যাকুয়াকালচার ২০২৬’ শীর্ষক প্রতিবেদনে বলা হয়, ২০২৪ সালে বিশ্বে মৎস্য ও মৎস্যচাষ খাতে মোট উৎপাদন রেকর্ড ২৩ কোটি ৫০ লাখ টনে পৌঁছেছে। এর মধ্যে জলজ প্রাণীর উৎপাদন ছিল ১৯ কোটি ৫০ লাখ টন এবং শৈবালের উৎপাদন ৪ কোটি টন। ২০২২ সালের তুলনায় মোট উৎপাদন বেড়েছে ৫.২ শতাংশ। এ উৎপাদনের প্রাথমিক বিক্রয়মূল্য ধরা হয়েছে প্রায় ৫৬ হাজার ৫০০ কোটি মার্কিন ডলার।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, মোট উৎপাদনের ৬৭ শতাংশ এসেছে সামুদ্রিক জলসীমা থেকে। এর মধ্যে ৫১ শতাংশ উন্মুক্ত জলাশয়ের মৎস্য আহরণ এবং ৪৯ শতাংশ মৎস্যচাষ থেকে এসেছে। বাকি ৩৩ শতাংশ উৎপাদন হয়েছে অভ্যন্তরীণ জলাশয় থেকে, যার ৮৪ শতাংশই পাওয়া যায় মৎস্য চাষ থেকে।

বিশ্বের মৎস্য ও জলজ চাষ উৎপাদনে এখনো শীর্ষস্থানে রয়েছে এশিয়া। বৈশ্বিক উৎপাদনের ৭৬ শতাংশই আসে এই অঞ্চল থেকে। এরপর রয়েছে লাতিন আমেরিকা ও ক্যারিবীয় অঞ্চল ৮ শতাংশ, ইউরোপ ৭ শতাংশ, আফ্রিকা ৬ শতাংশ, উত্তর আমেরিকা ২ শতাংশ এবং ওশেনিয়া ১ শতাংশ।

২০২৪ সালে জলজ প্রাণীর উৎপাদন সর্বকালের সর্বোচ্চ ১৯ কোটি ৫০ লাখ টনে পৌঁছায়। এর ৫৩ শতাংশ এসেছে মৎস্যচাষ থেকে এবং ৪৭ শতাংশ উন্মুক্ত জলাশয়ের মৎস্য আহরণ থেকে। এই উৎপাদনের প্রাথমিক বিক্রয়মূল্য ধরা হয়েছে প্রায় ৫৪ হাজার ৫০০ কোটি মার্কিন ডলার।

মোট জলজ প্রাণী উৎপাদনের ৬১ শতাংশ বা ১১ কোটি ৮০ লাখ টন এসেছে সামুদ্রিক অঞ্চল থেকে। বাকি ৩৯ শতাংশ বা ৭ কোটি ৭০ লাখ টন এসেছে অভ্যন্তরীণ জলাশয় থেকে।

সূত্র : বাসস

ঢাকার বাতাস সহনীয়, দূষণে শীর্ষে জাকার্তা

অনলাইন ডেস্ক
ঢাকার বাতাস সহনীয়, দূষণে শীর্ষে জাকার্তা

বিশ্বের বিভিন্ন শহরের বায়ুদূষণ দিন দিন বাড়ছে। বাংলাদেশের রাজধানী ঢাকাও দীর্ঘদিন ধরে ছিল বায়ুদূষণের কবলে। তবে বর্ষা মৌসুমে বাতাসের মান কিছুটা উন্নতি হয়েছে।

শনিবার (২৭ জুন) সকালে সুইজারল্যান্ডভিত্তিক বায়ুমান পর্যবেক্ষণকারী প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান আইকিউএয়ারের সবশেষ লাইভ তথ্য অনুযায়ী, বিশ্বে দূষিত শহরের তালিকায় ঢাকার অবস্থান ৩২তম। শহরটির বায়ুমান সূচক বা একিউআই স্কোর ৬৭, যা যা ঢাকার বাতাসকে সহনীয় বা মোটামুটি ভালো বলা যায়। গতকাল শুক্রবার ঢাকার বায়ুমানের স্কোর ছিল ৮২।

এই অবস্থায় সাধারণ মানুষের জন্য বাতাস সাধারণত নিরাপদ হলেও অতি সংবেদনশীল বা শ্বাসকষ্টে ভোগা নির্দিষ্ট কিছু মানুষের জন্য সামান্য স্বাস্থ্যঝুঁকি থাকতে পারে।

আইকিউএয়ারের বৈশ্বিক তালিকায় দেখা গেছে, এই সময়ে ১৭৩ স্কোর নিয়ে বায়ু দূষণের শীর্ষে রয়েছে ইন্দোনেশিয়ার জাকার্তা। তালিকায় ১৬৬ স্কোর নিয়ে দ্বিতীয় অবস্থানে পাকিস্তানের লাহোর। শহর দুটির বায়ুমানের স্কোর অস্বাস্থ্যকর হিসেবে বিবেচনা করা হয়।

এদিকে তালিকার তৃতীয় থেকে নবম পর্যন্ত শহরের বাতাস সংবেদনশীল গোষ্ঠীর জন্য অস্বাস্থ্যকর। এগুলো হলো- ভারতের দিল্লি, দক্ষিণ আফ্রিকার জোহানসবার্গ, উগান্ডার কামপালা, কঙ্গোর কিনশাসা,  চীনের উহান, ইসরাইলের তেল আবিব,  চিলির শান্তিয়াগো, ইরাকের বাগদাদ।

আইকিউএয়ারের স্কোর শূন্য থেকে ৫০ ভালো হিসেবে বিবেচিত। ৫১ থেকে ১০০ মাঝারি হিসেবে গণ্য করা হয়, আর সংবেদনশীল গোষ্ঠীর জন্য অস্বাস্থ্যকর বিবেচিত হয় ১০১ থেকে ১৫০ স্কোর।

স্কোর ১৫১ থেকে ২০০ হলে তাকে ‘অস্বাস্থ্যকর’ বায়ু বলে মনে করা হয় এবং ২০১ থেকে ৩০০-এর মধ্যে থাকলে ‘খুবই অস্বাস্থ্যকর’ বলে গণ্য করা হয়। আর স্কোর ৩০১ বা তার বেশি হলে বাতাসকে ‘ঝুঁকিপূর্ণ’ ধরা হয়, যা বাসিন্দাদের জন্য মারাত্মক স্বাস্থ্যঝুঁকি তৈরি করে।

মেগাসিটি ঢাকা দীর্ঘদিন ধরেই বায়ু দূষণে বিশ্বের অন্যতম শীর্ষ শহর হিসেবে তালিকায় থেকেছে। শুষ্ক মৌসুমে ঢাকার বায়ুমান প্রায়ই ‘অস্বাস্থ্যকর’ বা ‘ঝুঁকিপূর্ণ’ ক্যাটাগরিতে চলে যায়। তবে বর্ষার প্রাক্কালে ও বৃষ্টিপাতের কারণে মাঝেমধ্যে বাতাসের এই মানের কিছুটা উন্নতি লক্ষ করা যায়।

বাধ্যতামূলক হচ্ছে এনআইডি নবায়ন

অনলাইন ডেস্ক
বাধ্যতামূলক হচ্ছে এনআইডি নবায়ন

জাতীয় পরিচয়পত্র (এনআইডি) নবায়ন বাধ্যতামূলক করার কথা ভাবছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। এনআইডির মেয়াদ ১৫ বছর পূর্ণ হলে অবশ্যই নবায়ন করতে হতে পারে।

ইসি সূত্রগুলো জানিয়েছে, আইন ও বিধিমালায় এনআইডি নবায়নের বিষয়টি থাকলেও তা বাধ্যতামূলক করা হয়নি। তবে বিষয়টি এখন বাধ্যতামূলক করা জরুরি হয়ে পড়েছে।

ইসি কর্মকর্তারা বলছেন, ১৫ বছর দীর্ঘ সময়। এ সময়ের মধ্যে মানুষের চেহারায় অনেক পরিবর্তন আসে। অনেকে ইচ্ছাকৃত পরিবর্তন করেন। অনেকে সার্জারির মাধ্যমে জেন্ডার চেঞ্জ করেন। আবার মানুষের আঙুলের ছাপেরও পরিবর্তন আসে কোয়ালিটি কমে যাওয়ার মাধ্যমে। ব্যক্তির পরিচিতি নিশ্চিত করতে এমন ক্ষেত্রে নানা জটিলতার সৃষ্টি হয়। তাই নবায়ন বাধ্যতামূলক করার আলোচনা চলছে।

জাতীয় পরিচয়পত্র নিবন্ধন আইন ২০১০ এর ধারা ৭(১)-এ বলা হয়েছে, এ আইনের অধীন কোনো নাগরিককে প্রদত্ত জাতীয় পরিচয়পত্রের মেয়াদ হবে, তা প্রদানের তারিখ থেকে ১৫ বছর। আইনের ২ ধারায় বলা হয়েছে, জাতীয় পরিচয়পত্রের মেয়াদ উত্তীর্ণ হওয়ার পূর্বে বা পরে নবায়নের জন্য প্রত্যেক নাগরিককে নির্ধারিত পদ্ধতি ও ফি প্রদান সাপেক্ষে কমিশনের কাছে আবেদন করতে হবে।

এদিকে জাতীয় পরিচয়পত্র বিধিমালার ৫ বিধিতে বলা হয়েছে, জাতীয় পরিচয়পত্র নবায়নের জন্য প্রত্যেক নাগরিক বা ক্ষেত্রমতো তার আইনানুগ অভিভাবককে ফরম-৫ অনুযায়ী সরাসরি অথবা কমিশনের ওয়েবসাইটের মাধ্যমে অনলাইনে আবেদন করতে হবে বলে বাংলানিউজ এক প্রতিবেদনে উল্লেখ করে।

সরাসরি আবেদনের ক্ষেত্রে, বিধি ৮-এর উপবিধি (২) অনুসারে ফি পরিশোধপূর্বক রসিদের কপি আবেদনের সঙ্গে সংযুক্ত করে ‘জরুরি’ বা ‘সাধারণ’ হিসেবে দাখিল করতে হবে অথবা অনলাইনে আবেদনের ক্ষেত্রে ফি পরিশোধপূর্বক রসিদের স্ক্যানকৃত কপি ইলেকট্রনিক পদ্ধতিতে ‘জরুরি’ বা ‘সাধারণ’ হিসেবে দাখিল করতে হবে।

‘জরুরি’ আবেদন কমিশনে এবং ‘সাধারণ’ আবেদন স্থানীয় কার্যালয়ে দাখিল করতে হবে এবং আবেদনপত্রপ্রাপ্তির পর দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আবেদন ফরমের অংশ ‘ক’ স্বাক্ষর করে তা আবেদনকারী বা তার আইনানুগ অভিভাবককে ফেরত দেবেন অথবা অনলাইনে আবেদনের ক্ষেত্রে আবেদনকারী বা তার আইনানুগ অভিভাবক বরাবর মোবাইল নম্বর বা ই-মেইল ঠিকানায় অংশ ‘ক’ পাঠাবেন।


বিধিমালায় জরুরি আবেদনের জন্য সাত রদিন ও সাধারণ আবেদনের জন্য ৩০ দিন সময় নির্ধারণ করে দেওয়া হয়েছে। জরুরি আবেদনের জন্য ১৫০ টাকা এবং সাধারণ আবেদনের জন্য ১০০ টাকা ফি নির্ধারণ করা হয়েছে।

এনআইডির মেয়াদ ১৫ বছর হলে নবায়ন করার বিষয়ে ইসি সচিব আখতার আহমেদ বলেন, ‘এটা হচ্ছেই। কেউ চাইলে যখন-তখন নবায়ন করতে পারেন; আবেদন করে নতুন এনআইডি নিচ্ছেন হারিয়ে গেলে বা নষ্ট হয়ে গেলে।’

সাধারণত মানুষ এনআইডি নষ্ট বা পুরনো হয়ে গেলে নিজ থেকেই নতুন এনআইডির জন্য আবেদন করেন। এ ক্ষেত্রে ফি কিছুটা বেশি। প্রথমবার আবেদনের ক্ষেত্রে সাধারণ হলে ২০০ টাকা, জরুরি হলে ৩০০ টাকা; ‍দ্বিতীয়বার আবেদন করলে সাধারণ ৩০০ টাকা ও জরুরি ৫০০ টাকার আর পরবর্তী যেকোনোবার সাধারণ আবেদনের জন্য ৫০০ টাকা এবং জরুরি হলে ১০০০ টাকা ফি নির্ধারিত রয়েছে।

এ বিষয়ে এনআইডি মহাপরিচালক এ এইচ এম আনোয়ার পাশা বলেন, এখনো বিষয়টি পর্যালোচনার মধ্যে রয়েছে। দেখা যাক কী হয়।