বিশ্বে জলবায়ু পরিবর্তন ও বিভিন্ন উন্নয়ন কাজের জন্য দিন দিন বাড়ছে বায়ুদূষণ। তবে বিশ্বের অন্যান্য দেশের তুলনায় গত কয়েকদিন ধরেই ঢাকার বায়ুমানে ইতিবাচক পরিবর্তন দেখা যাচ্ছে। আজ বিশ্বে বায়ুদূষণে শীর্ষে রয়েছে উগান্ডার কাম্পালা। এ নগরীতে বায়ুরমান ১৭৯। অন্যদিকে ১২২ নগরীর মধ্যে বাংলাদেশের রাজধানী ঢাকা রয়েছে ১৮তম স্থানে।
বুধবার (১০ জুন) সকালে প্রকাশিত এয়ার কোয়ালিটি ইনডেক্স (একিউআই) অনুযায়ী, ৯৫ স্কোর নিয়ে বিশ্বের দূষিত শহরের তালিকায় ঢাকার অবস্থান ছিল ১৮তম। একিউআই মানদণ্ড অনুযায়ী, ৫০ থেকে ১০০-এর মধ্যে স্কোর থাকলে বাতাসের মান ‘মাঝারি’ হিসেবে বিবেচিত হয়। ফলে আগের তুলনায় রাজধানীর বায়ুমানে উন্নতি হওয়ায় দূষিত শহরের তালিকায়ও নিচের দিকে নেমে গেছে ঢাকা।
এদিকে, আজ তালিকার শীর্ষে অবস্থান করছে উগান্ডার কাম্পালা, একিউআই স্কোর ১৭৯। এরপর ১৬৭, ১৬৩ ও ১৫৩ স্কোর নিয়ে দ্বিতীয়, তৃতীয় ও ৪র্থ স্থানে রয়েছে পাকিস্তানের লাহোর, ইন্দোনেশিয়ার রাজধানী জাকার্তা ও মিশরের কায়রো।
এই স্কোর ১০১ থেকে ১৫০ হলে ‘সংবেদনশীল গোষ্ঠীর জন্য অস্বাস্থ্যকর’ হিসেবে বিবেচিত হয়। এই পর্যায়ে সংবেদনশীল ব্যক্তিদের দীর্ঘ সময় বাইরে পরিশ্রম না করার পরামর্শ দেওয়া হয়।
কণা দূষণের এই সূচক ১৫১ থেকে ২০০ হলে তা ‘অস্বাস্থ্যকর’, ২০১ থেকে ৩০০ হলে ‘খুব অস্বাস্থ্যকর’ এবং ৩০১-এর বেশি হলে তা ‘বিপজ্জনক’ হিসেবে বিবেচিত হয়। জনস্বাস্থ্যের জন্য মারাত্মক ঝুঁকি সৃষ্টি করে ৩০০-এর বেশি যেকোনো সূচক। ৩০১ এর বেশি হলে ‘বিপজ্জনক’ হিসেবে বিবেচিত হয়, যা বাসিন্দাদের জন্য মারাত্মক স্বাস্থ্য ঝুঁকি তৈরি করে।
ওয়ার্ল্ড হেলথ অর্গানাইজেশনের (ডব্লিউএইচও) মতে, বায়ু দূষণের কারণে প্রতি বছর বিশ্বব্যাপী আনুমানিক ৭০ লাখ মানুষ মারা যান। বায়ুদূষণে কারণে প্রধানত স্ট্রোক, হৃদরোগ, ক্রনিক অবস্ট্রাকটিভ পালমোনারি ডিজিজ, ফুসফুসের ক্যান্সার এবং তীব্র শ্বাসযন্ত্রের সংক্রমণ থেকে মৃত্যুর হার বাড়ে।






