• ই-পেপার

২৬ সেপ্টেম্বরের মধ্যে শেষ করতে হবে হজযাত্রী নিবন্ধন

ঈদের আগে বেতন পাননি ৬ লাখ শিক্ষক-কর্মচারী : সেলিম ভুঁইয়া

অনলাইন ডেস্ক
ঈদের আগে বেতন পাননি ৬ লাখ শিক্ষক-কর্মচারী : সেলিম ভুঁইয়া
সংগৃহীত ছবি

ঈদুল আজহার আনন্দের মাঝেও বিষাদের ছাঁয়া নেমে এসেছিল দেশের বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের প্রায় ৬ লাখ শিক্ষক-কর্মচারীর জীবনে। চলতি জুন মাসের ৮ তারিখ পার হয়ে গেলেও এখন পর্যন্ত তারা মে মাসের বেতন-ভাতা পাননি। ফলে পরিবার-পরিজন নিয়ে চরম অর্থকষ্টে দিন কাটছে তাদের।  

সোমবার (৮ জুন) ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের দ্বিতীয় অধিবেশনের (বাজেট অধিবেশন) দ্বিতীয় দিন ডেপুটি স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামালের মাধ্যমে এই বিষয়ে তীব্র ক্ষোভ ও দুঃখ প্রকাশ করেন অধ্যক্ষ সেলিম ভুঁইয়া। তিনি এই ঘটনাকে বর্তমান সরকারকে বিতর্কিত করার জন্য একটি বিশেষ গোষ্ঠীর ‘চক্রান্ত’ বলে অভিহিত করেছেন এবং দোষী ব্যক্তিদের চিহ্নিত করে শাস্তির দাবি জানিয়েছেন।

আরো পড়ুন
দেশে ৩ কোটি ২৭ লাখ টন বোরো উৎপাদন হয়েছে : খাদ্য প্রতিমন্ত্রী

দেশে ৩ কোটি ২৭ লাখ টন বোরো উৎপাদন হয়েছে : খাদ্য প্রতিমন্ত্রী

 

৭১ বিধিতে দেওয়া নোটিশে কুমিল্লা সংসদ সদস্য অধ্যক্ষ মো. সেলিম ভুঁইয়া বলেন, ‘অত্যন্ত দুঃখের সঙ্গে জানাতে হচ্ছে যে বাংলাদেশের ৬ লাখ শিক্ষক-কর্মচারী এবার ঈদুল আজহার আনন্দ থেকে বঞ্চিত হয়েছেন। আজ জুনের ৮ তারিখ হওয়া সত্ত্বেও তাদের মে মাসের বেতন দেওয়া হয়নি। বর্তমান সরকারের আমলে শিক্ষকরা ঈদের আগে বেতন পাবেন না, এটা কোনোভাবেই মেনে নেওয়া যায় না।’ 

তিনি অভিযোগ করে বলেন, ‘এই সরকারকে বিতর্কিত করার জন্য শিক্ষকদের মাঝে এবং সংশ্লিষ্ট দপ্তরে একটি গোষ্ঠী চক্রান্ত করছে। তারাই শিক্ষকদের বেতন প্রদান থেকে বিরত রেখেছে।’

অতীতের উদাহরণ ও উৎসব ভাতার প্রসঙ্গ টেনে শিক্ষকদের অধিকার আদায়ের ইতিহাস স্মরণ করে তিনি বলেন, ‘শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান সর্বপ্রথম এ দেশের শিক্ষকদের জাতীয় বেতন স্কেলের ৫০ ভাগ প্রদান করে জাতীয়করণের সূচনা করেছিলেন। পরবর্তীকালে তিনবারের সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়া এ দেশের শিক্ষকদের জন্য উৎসব ভাতা এবং ২০ শতাংশ বেতন বৃদ্ধি করেছিলেন।’

অধ্যক্ষ মো. সেলিম ভুঁইয়া ২০০১ থেকে ২০০৬ সালের বিএনপি সরকারের আমলের উদাহরণ টেনে বলেন, ‘তৎকালীন সময়ে যদি মাসের ১৫ তারিখেও ঈদ হতো, তবে তার আগেই সেই মাসের বেতন-ভাতা পরিশোধ করে দেওয়া হতো। কিন্তু এখন প্রযুক্তি ও ব্যবস্থার এত উন্নতির পরও কেন প্রতি মাসের বেতন সময়মতো দেওয়া সম্ভব হচ্ছে না?’

আরো পড়ুন
হাসপাতালে যাওয়ার পথে অটোরিকশা উল্টে প্রাণ গেল বৃদ্ধের

হাসপাতালে যাওয়ার পথে অটোরিকশা উল্টে প্রাণ গেল বৃদ্ধের

 

সংসদ সদস্য বর্তমান সরকারের প্রশংসনীয় উদ্যোগের কথা উল্লেখ করে বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ইতোমধ্যে শিক্ষকদের অবসর সুবিধা বোর্ড এবং কল্যাণ ট্রাস্ট সচল রাখার জন্য প্রায় চার হাজার কোটি টাকা দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন বলে জানা গেছে। সরকার যখন শিক্ষকদের জন্য এত বড় তহবিল বরাদ্দ দিচ্ছে, তখন মাঠ পর্যায়ে বা প্রশাসনিক গাফিলতির কারণে ৬ লাখ শিক্ষকের বেতন আটকে থাকা অত্যন্ত দুঃখজনক।’

সংসদ সদস্য স্পিকারের মাধ্যমে অবিলম্বে এই আমলাতান্ত্রিক বা চক্রান্তমূলক জটিলতা নিরসন করে ঈদের আগেই শিক্ষকদের মে মাসের বকেয়া বেতন এবং ঈদ বোনাস দ্রুত পরিশোধের জন্য সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করেন।

দেশে ৩ কোটি ২৭ লাখ টন বোরো উৎপাদন হয়েছে : খাদ্য প্রতিমন্ত্রী

অনলাইন ডেস্ক
দেশে ৩ কোটি ২৭ লাখ টন বোরো উৎপাদন হয়েছে : খাদ্য প্রতিমন্ত্রী
সংগৃহীত ছবি

চলতি মৌসুমে দেশে মোট ৩ কোটি ২৭ লাখ ৫ হাজার ৯২৯ মেট্রিক টন বোরো ধান উৎপাদিত হয়েছে বলে জানিয়েছেন খাদ্য প্রতিমন্ত্রী মো. আব্দুল বারী। সোমবার (৮ জুন) জাতীয় সংসদে জামালপুর-৩ আসনের সরকারি দলের সংসদ সদস্য মো. মোস্তাফিজুর রহমান বাবুলের তারকাচিহ্নিত প্রশ্নের জবাবে তিনি এ তথ্য জানান। অধিবেশনে সভাপতিত্ব করেন ডেপুটি স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামাল।

আরো পড়ুন
ভারত থেকে ফিরেছে ৯১ জেলে ও ৪ ট্রলার

ভারত থেকে ফিরেছে ৯১ জেলে ও ৪ ট্রলার

 

খাদ্য প্রতিমন্ত্রী বলেন, কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের (ডিএই) তথ্য অনুযায়ী চলতি সংগ্রহ মৌসুমে দেশে মোট ৩ কোটি ২৭ লাখ ৫ হাজার ৯২৯ মেট্রিক টন বোরো ধান উৎপাদিত হয়েছে।

তিনি বলেন, অতিবৃষ্টির কারণে হাওর অঞ্চলে বোরো ফসলের উল্লেখযোগ্য ক্ষতি হলেও কৃষকদের স্বার্থ রক্ষা এবং সরকারি সংগ্রহ কার্যক্রম অব্যাহত রাখতে সরকার সময়োপযোগী বিভিন্ন পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে।

গৃহীত পদক্ষেপের বিষয়ে প্রতিমন্ত্রী সংসদকে জানান, হাওর এলাকায় অভ্যন্তরীণ ধান ও চাল সংগ্রহ কার্যক্রম ৩ মে থেকে শুরু হয়েছে। এর ফলে কৃষকরা সরকারি গুদামের আঙিনায় ধান শুকিয়ে সরাসরি সরকারের কাছে ধান বিক্রির সুযোগ পাচ্ছেন।

তিনি বলেন, সরকারি সংগ্রহ কার্যক্রম শুরু হওয়ায় মিল মালিকরাও কৃষকদের কাছ থেকে ধান ক্রয় শুরু করেছেন। ফলে কৃষকরা তাদের উৎপাদিত ধানের জন্য আরো ভালো বাজার সুবিধা পাচ্ছেন।

খাদ্য প্রতিমন্ত্রী আরো জানান, ক্ষতিগ্রস্ত জনগোষ্ঠীকে সহায়তা দিতে হাওর অঞ্চলের ছয়টি জেলায় চাল ও আটা বিক্রির জন্য বিশেষ ওপেন মার্কেট সেল (ওএমএস) কার্যক্রম চালু করা হয়েছে। এ উদ্যোগের আওতায় ভর্তুকি মূল্যে চাল ও আটা বিক্রি করা হচ্ছে, যাতে হাওর অঞ্চলের নিম্ন আয়ের ও ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলো সাশ্রয়ী মূল্যে খাদ্যসামগ্রী সংগ্রহ করতে পারে।

আরো পড়ুন
দক্ষ জনশক্তি তৈরিতে কাজ করছে ১১০ প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠান : প্রবাসীকল্যাণমন্ত্রী

দক্ষ জনশক্তি তৈরিতে কাজ করছে ১১০ প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠান : প্রবাসীকল্যাণমন্ত্রী

 

এ ছাড়া সরকারি খাদ্য সংগ্রহ কার্যক্রমে ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের অগ্রাধিকার দেওয়ার নির্দেশনা জারি করা হয়েছে বলেও জানান তিনি।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, হাওর অঞ্চলের ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকরা যাতে সরকারি সংগ্রহকেন্দ্রে অগ্রাধিকার ভিত্তিতে ধান বিক্রি করতে পারেন, সে বিষয়ে সংশ্লিষ্টদের প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

দক্ষ জনশক্তি তৈরিতে কাজ করছে ১১০ প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠান : প্রবাসীকল্যাণমন্ত্রী

অনলাইন ডেস্ক
দক্ষ জনশক্তি তৈরিতে কাজ করছে ১১০ প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠান : প্রবাসীকল্যাণমন্ত্রী
সংগৃহীত ছবি

দেশের কর্মক্ষম যুবশক্তিকে দক্ষ জনশক্তিতে পরিণত করতে বর্তমানে সারা দেশে ১১০টি কারিগরি ও কারিগরি-সমমনা প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠান কাজ করছে। এসব প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে প্রতি বছর ১২ লাখেরও বেশি প্রশিক্ষণার্থীকে দক্ষতা উন্নয়ন প্রশিক্ষণ দেওয়া হচ্ছে। 

সোমবার (৮ জুন) ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের দ্বিতীয় ও বাজেট অধিবেশনের দ্বিতীয় দিনে মাদারীপুর-৩ আসনের সংসদ সদস্য আনিচুর রহমানের লিখিত প্রশ্নের জবাবে প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রী জনাব আরিফুল হক চৌধুরী এসব তথ্য জানান। এ সময় সংসদ অধিবেশনে সভাপতিত্ব করেন ডেপুটি স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামাল।

আরো পড়ুন
হাসপাতালে যাওয়ার পথে অটোরিকশা উল্টে প্রাণ গেল বৃদ্ধের

হাসপাতালে যাওয়ার পথে অটোরিকশা উল্টে প্রাণ গেল বৃদ্ধের

 

সংসদ সদস্য আনিচুর রহমান তার প্রশ্নে দেশে বৈদেশিক কর্মসংস্থান উপযোগী দক্ষ জনশক্তি তৈরির জন্য কতটি কারিগরি প্রশিক্ষণ কেন্দ্র (টিটিসি) চালু রয়েছে এবং নতুন কেন্দ্র স্থাপনের পরিকল্পনা আছে কিনা, তা জানতে চান। 

জবাবে প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী সংসদকে জানান, প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের আওতাভুক্ত জনশক্তি কর্মসংস্থান ও প্রশিক্ষণ ব্যুরোর (বিএমইটি) অধীনে বর্তমানে ১০৪টি কারিগরি প্রশিক্ষণ কেন্দ্র (টিটিসি) এবং ৬টি ইনস্টিটিউট অব মেরিন টেকনোলজিসহ মোট ১১০টি প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠান চালু রয়েছে। 

এসব প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে ৫৫টি কর্মসংস্থান উপযোগী স্বল্প ও দীর্ঘমেয়াদি ট্রেড বা কোর্সে দক্ষতা উন্নয়ন প্রশিক্ষণ প্রদান করা হচ্ছে বলে জানান মন্ত্রী। 

আরিফুল হক চৌধুরী আরো বলেন, ‘এই প্রক্রিয়ায় বছরে ১২ লাখের অধিক প্রশিক্ষণার্থীকে প্রশিক্ষণ প্রদান করা হচ্ছে এবং প্রশিক্ষণপ্রাপ্তরা দেশে ও বিদেশে কর্মসংস্থানের সুযোগ পাচ্ছেন।’  

আরো পড়ুন
রক্তের দাগ অনুসরণ করে মিলল ব্যবসায়ীর মস্তকবিহীন দেহ

রক্তের দাগ অনুসরণ করে মিলল ব্যবসায়ীর মস্তকবিহীন দেহ

 

ভবিষ্যৎ পরিকল্পনার কথা তুলে ধরে মন্ত্রী জানান, দক্ষতা উন্নয়ন প্রশিক্ষণ কার্যক্রম সবার জন্য সহজলভ্য করার লক্ষ্যে উপজেলা পর্যায়ে কারিগরি প্রশিক্ষণ কেন্দ্র নির্মাণের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এর অংশ হিসেবে ‘৫০টি উপজেলায় ৫০টি কারিগরি প্রশিক্ষণ কেন্দ্র স্থাপন’ শীর্ষক একটি প্রকল্প গ্রহণ করা হয়েছে, যেখানে মাদারীপুর জেলার শিবচর উপজেলাকেও অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।

রাত ১০টা পর্যন্ত দোকানপাট খোলা রাখার দাবি ব্যবসায়ীদের

অনলাইন ডেস্ক
রাত ১০টা পর্যন্ত দোকানপাট খোলা রাখার দাবি ব্যবসায়ীদের

দুপুর ১২টায় খুলে রাত ১০টা পর্যন্ত দোকানপাট খোলা রাখার দাবি জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের কাছে চিঠি দিয়েছে বাংলাদেশ দোকান ব্যবসায়ী মালিক সমিতি। 

সোমবার (৮ জুন) সংগঠনটির সভাপতি নাজমুল হাসান এ তথ্য জানিয়েছেন।

চিঠিতে বলা হয়েছে, ‘আমরা বাংলাদেশ দোকান ব্যবসায়ী মালিক সমিতির পক্ষ থেকে দেশের কোটি কোটি ভোক্তা এবং প্রায় ৭০ লাখ দোকান ব্যবসায়ী, কর্মচারী ও তাদের পরিবারের জীবিকা নির্বাহের স্বার্থে এই আবেদন।’

চিঠিতে আরো বলা হয়েছে, ‘বাংলাদেশের খুচরা ব্যবসা দেশের অর্থনীতির একটি গুরুত্বপূর্ণ খাত। দেশের শহর, মফস্বল ও গ্রামাঞ্চলের অসংখ্য দোকান, মার্কেট ও শপিংমলকে কেন্দ্র করে লখো মানুষের কর্মসংস্থান সৃষ্টি হয়েছে। বর্তমান সময়ে ব্যাবসায়িক ব্যয়, দোকান ভাড়া, বিদ্যুৎ বিল, ব্যাংক ঋণের কিস্তি, কর্মচারীদের বেতন-ভাতা এবং অন্যান্য খরচ ক্রমাগত বৃদ্ধি পাওয়ায় ব্যবসায়ীরা অত্যন্ত সংকটের মধ্যে রয়েছেন। সন্ধ্যা ৭টার পর দোকান বন্ধ রাখার বর্তমান সিদ্ধান্ত দেশের খুচরা ব্যবসার ওপর মারাত্মক নেতিবাচক প্রভাব ফেলছে।’

‘অনেক ক্রেতা কর্মব্যস্ততার কারণে দিনের বেলায় কেনাকাটা করতে পারেন না এবং বিকেল বা সন্ধ্যার পর বাজারে আসেন। ফলে দোকান ও শপিংমল রাত ১০টা পর্যন্ত খোলা রাখার সুযোগ না থাকলে ব্যবসায়ীরা তাদের প্রত্যাশিত বিক্রয় থেকে বঞ্চিত হন। এতে ব্যবসার পরিমাণ কমে যায়, কর্মসংস্থান হুমকির মুখে পড়ে এবং দেশের অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডও ক্ষতিগ্রস্ত হয়।’

বাংলাদেশ দোকান ব্যবসায়ী মালিক সমিতির চিঠিতে আরো বলা হয়েছে, ‘দেশের অর্থনীতি সচল রাখা, ব্যবসায়ীদের জীবিকা রক্ষা করা এবং সাধারণ জনগণের কেনাকাটার সুবিধার কথা বিবেচনা করে আমরা বিনীতভাবে আবেদন জানাচ্ছি যে, সরকারের বিবেচনায় নির্ধারিত সময় অনুযায়ী প্রতিদিন দুপুর ১২টা বা সরকারের উপযুক্ত মনে হওয়া যেকোনো সময় থেকে রাত ১০টা পর্যন্ত দেশের সকল দোকান, শপিং মল, মার্কেট ও ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান খোলা রাখার অনুমোদন প্রদান করা হোক।’

চিঠিতে বলা হয়, এ সিদ্ধান্ত বাস্তবায়ন হলে প্রায় ৭০ লাখ দোকান ব্যবসায়ী ও কর্মচারীর জীবিকা সুরক্ষিত হবে, ব্যবসা-বাণিজ্য সম্প্রসারিত হবে; সরকারের রাজস্ব আয় বৃদ্ধি পাবে; সাধারণ জনগণ সুবিধাজনক সময়ে কেনাকাটার সুযোগ পাবেন; দেশের অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড আরও গতিশীল ও শক্তিশালী হবে।

চিঠিতে আরো বলা হয়, অন্যথায় বিপুল সংখ্যক ক্ষুদ্র, মাঝারি ও বড় ব্যবসায়ী আর্থিক সংকটে পড়ে ব্যবসা বন্ধ করতে বাধ্য হতে পারেন, যার নেতিবাচক প্রভাব জাতীয় অর্থনীতির ওপর পড়বে।