• ই-পেপার

কথা বলছেন এরিকসন, শিগগিরই হাসপাতাল থেকে ছাড়া পাবেন আশা চিকিৎসকদের

বিসিবি পরিচালক হওয়ার পরদিনই প্রতিমন্ত্রীর ছেলের পদত্যাগ

বগুড়া প্রতিনিধি
বিসিবি পরিচালক হওয়ার পরদিনই প্রতিমন্ত্রীর ছেলের পদত্যাগ
পদত্যাগপত্র জমা দিয়েছেন মীর সীমান্ত। ছবি : সংগৃহীত

বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) পরিচালক নির্বাচিত হলেও দায়িত্ব ছেড়ে দেবেন—কয়েক দিন আগে কালের কণ্ঠকে এ কথা জানিয়েছিলেন মীর শাকরুল আলম সীমান্ত। নির্বাচিত হওয়ার পর সেই কথা রাখলেন তিনি। 

বিসিবির নতুন পরিচালনা পর্ষদ গঠনের ২৪ ঘণ্টাও হয়নি। এরই মধ্যে পদত্যাগ করলেন মীর সীমান্ত। আজ সোমবার (৮ জুন) নতুন বোর্ডপ্রধান তামিম ইকবাল বরাবর পদত্যাগপত্র জমা দেন বগুড়ার এই ক্রীড়া সংগঠক। পদত্যাগের কারণ হিসেবে তিনি ব্যাবসায়িক ব্যস্ততার কথা উল্লেখ করেন। 

মীর সীমান্ত ক্ষমতাসীন বিএনপি সরকারের স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় (এলজিআরডি) প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলমের ছেলে। মীর শাহে আলম নতুন দায়িত্ব নেওয়ার পর পারিবারিক ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান ও লিমিটেড কম্পানির শেয়ারসহ সার্বিক দায়িত্ব পালন করছেন তার ছেলে মীর সীমান্ত।

বর্তমানে একাধিক ফিলিং স্টেশন, অটো রাইস মিল, পুষ্টি চালের কার্নেল ফ্যাক্টরি, আয়োডিন ফ্যাক্টরি, পুষ্টি মিশ্রণ ফ্যাক্টরি, মিনি কোল্ড স্টোরেজ, কৃষি খামার, প্রাণী খামার, ফ্লাওয়ার মিলসহ আরো কয়েকটি ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান সরাসরি তদারকি করছেন মীর সীমান্ত।

পদত্যাগপত্রে মীর সীমান্ত লিখেছেন, ‘বিসিবি নির্বাচনে রাজশাহী অঞ্চল থেকে আমি বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় পরিচালক নির্বাচিত হয়েছি। তবে আমার বাবা সরকারের প্রতিমন্ত্রী হওয়ায় বর্তমানে পারিবারিক ব্যবসা-বাণিজ্যের গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব আমার ওপর ন্যস্ত রয়েছে। এ কারণে বিসিবির মতো গুরুত্বপূর্ণ জাতীয় প্রতিষ্ঠানে পরিচালকের দায়িত্ব যথাযথভাবে পালন করা আমার পক্ষে সম্ভব হবে না।’

মীর সীমান্ত আরো উল্লেখ করেছেন, দায়িত্বশীলতার জায়গা থেকে এবং প্রতিষ্ঠানের স্বার্থ বিবেচনায় তিনি পরিচালকের পদ থেকে সরে দাঁড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। একই সঙ্গে তার পদত্যাগপত্র গ্রহণের জন্য বিসিবি সভাপতির (তামিম ইকবাল) প্রতি অনুরোধ জানিয়েছেন।

সাড়ে ৫ ঘণ্টায় ১৫ উইকেট হারিয়ে ভারতের কাছে বিধ্বস্ত আফগানিস্তান

ক্রীড়া ডেস্ক
সাড়ে ৫ ঘণ্টায় ১৫ উইকেট হারিয়ে ভারতের কাছে বিধ্বস্ত আফগানিস্তান
ছবি : বিসিসিআই

আফগানিস্তানকে একমাত্র টেস্টে আড়াই দিনে ইনিংস এবং ৩০০ রানের ব্যবধানে হারাল ভারত।  ভারতের টেস্ট ক্রিকেটের ইতিহাসে সবচেয়ে বড় ব্যবধানে জয় এটি। ভারতের ৫৬৪ রানের জবাবে আফগানিস্তান দুই ইনিংসে করেছে ১৫২ এবং ১১২ রান। অভিষেক টেস্টেই ম্যান অব দ্য ম্যাচের পুরস্কার পেয়েছেন মানব সুতার।

সোমবার (৮ জুন) নিউ চণ্ডীগড়ে রেকর্ড জয়ে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিরুদ্ধে ইনিংস এবং ২৭২ রানে হারানোকে পেছনে ফেলল গাম্ভীরের শিষ্যরা। আর তৃতীয় স্থানে চলে গেল ২০১৮ সালে আফগানিস্তানের বিরুদ্ধে ইনিংস এবং ২৬২ রানের জয়।

তৃতীয় দিনের শুরুতে মাঠে নামার আগে ভারতের টেস্ট জয় ছিল সময়ের ব্যাপার। জয় নিয়ে কোনো সংশয় ছিল না ক্রিকেটপ্রেমীদেরও। তবে কত বড় ব্যবধানে জয় তুলে নেয় স্বাগতিকরা সেটাই ছিল দেখার বিষয়। 

তৃতীয় দিনে ৫ উইকেটে ১১৩ রান নিয়ে খেলা শুরু করে আফগানরা। ৪৩ রানে ব্যাট অপরাজিত রহমত শাহ ক্রিজে মাটি আকড়ে থাকলেও বাকি ছিল যাওয়া-আসার মিছিলে। ভারতীয় বোলিং আক্রমণে আজমতুল্লা (০), শরফুদ্দিন (১১), সালিম (০), জিয়াউর (৬) রানে আউট হন। ইনিংসে সর্বোচ্চ ৬০ রান করেন রহমত শাহ। তাতে ১৫২ রানে শেষ হয়ে যায় আফগানদের প্রথম ইনিংস। ভারতের সফলতম বোলার অভিষেককারী সুতার। প্রথম ইনিংসে ৩৩ রানে ৬ উইকেট নেন তিনি। এ ছাড়া ৩৭ রানে ৩ উইকেট প্রসিদ্ধ কৃষ্ণের। ২১ রানে ১ উইকেট নেন ওয়াশিংটন সুন্দর।

৪১২ রানে পিছিয়ে থাকা সফরকারীদের ফলোঅন করায় ভারত। দ্বিতীয় ইনিংসেও উল্লেখ লড়াই করতে পারেননি কোনো ব্যাটারই। ওপেনার সেদিকুল্লা অটল করেন ৪২। এছাড়া তিন নম্বরে নামা রহমানুল্লা গুরবাজের অবদান ২৪। বাকিরা কেউ দাঁড়াতেই পারেননি। আবদুল মালিক (৮), রহমত শাহ (১৩), হাসমতুল্লা শাহিদি (৫), আফসর জাজাই (৮), ওমরজাই (৪) রানে দ্রুত ফিরে যান সাজঘরে। ১০৬ রানে আফগানিস্তানের ৭ উইকেট পড়ে যাওয়ার পর ভারতের জয় ছিল সময়ের অপেক্ষা। তার ওপর চোটের জন্য ব্যাট করতে নামতে পারেনি আশরাফ।

স্কোর বোর্ডে আর কোনো রান যোগ করতে পারেননি শেষ ব্যাটসম্যান হিসেবে নামা পেসার সালিশ। তিনি ইনিংসের ৩৬তম ওভারে শূন্য রানে কুলদীপের বলে সুদর্শনের তালুবন্দি হলে ইনিংস ও ৩০০ রানের বিশাল ব্যবধানে হারে আফগানরা।
 
দ্বিতীয় ইনিংসে ভারতের সফলতম বোলার ওয়াশিংটন সুন্দর ৩৬ রানে তুলে নেন ৪ উইকেট। ৩০ রানে ৩ উইকেট নেন কুলদীপ যাদব। ২৯ রানে ১ উইকেট সুতারের। এ ছাড়া মহম্মদ সিরাজ ১১ রানে ১ উইকেট নিয়েছেন।

৪৫ বলে সেঞ্চুরি করে লিস্ট ‘এ’ ক্রিকেটে হাবিবুরের রেকর্ড

ক্রীড়া ডেস্ক
৪৫ বলে সেঞ্চুরি করে লিস্ট ‘এ’ ক্রিকেটে হাবিবুরের রেকর্ড
হাবিবুর রহমান সোহান। ছবি : ফেসবুক

ঢাকা প্রিমিয়ার লিগের (ডিপিএল) শিরোপা দৌড় থেকে অনেক আগেই ছিটকে গেছে লিজেন্ডস অব রূপগঞ্জ। তবে দলটির হয়ে ইতিহাস গড়লেন হাবিবুর রহমান সোহান। মাত্র ৪৫ বলে সেঞ্চুরি করেছেন তিনি, যা বাংলাদেশের লিস্ট ‘এ’ ক্রিকেটে দ্রুততম। 

আজ সোমবার (৮ জুন) ইউল্যাব ক্রিকেট গ্রাউন্ডে সিটি ক্লাবের বিপক্ষে টস জিতে আগে ব্যাট করে ৩২২ রান করে লিজেন্ডস অব রূপগঞ্জ। বিধ্বংসী ব্যাটিংয়ে সেঞ্চুরি স্পর্শ করেন হাবিবুর।

এত দিন বাংলাদেশে লিস্ট ‘এ’ ক্রিকেটে দ্রুততম সেঞ্চুরির রেকর্ডটি ছিল যৌথভাবে মোসাদ্দেক হোসেন সৈকত ও হাবিবুর রহমান সোহানের নিজের। ২০২৩ সালে দুজনই ৪৯ বলে তিন অঙ্ক ছুঁয়েছিলেন। আজ সেই রেকর্ড একার করে নিয়েছেন হাবিবুর।

শেষ পর্যন্ত ৫৮ বলে ১৩০ রান করে থামেন হাবিবুর। আউট হওয়ার আগে মারেন ৮টি চার ও ১৩টি ছক্কা। বাংলাদেশের কোনো ব্যাটারের লিস্ট ‘এ’ ইনিংসে এটি দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ছক্কা। 

কদিন আগেও আলোচনায় এসেছিলেন হাবিবুর। মোহামেডান স্পোর্টিং ক্লাবের বিপক্ষে মাত্র ১৫ বলে ফিফটি পূরণ করেন তিনি, যা লিস্ট ‘এ’ ক্রিকেটে বাংলাদেশের কোনো ব্যাটারের দ্রুততম।

রান তাড়ায় করতে নেমে ২৪৮ রানে অলআউট হয়েছে সিটি ক্লাব। লিজেন্ডস অব রূপগঞ্জ জিতেছে ৭৪ রানে। সিটি ক্লাবের ওপেনার সাদিকুর রহমানের সেঞ্চুরি বৃথা গেছে। 

যুক্তরাষ্ট্রের রাগবি তারকার কাছ থেকে বিশেষ উপহার পেলেন মেসি

ক্রীড়া ডেস্ক
যুক্তরাষ্ট্রের রাগবি তারকার কাছ থেকে বিশেষ উপহার পেলেন মেসি
ছবি : মার্কা

যুক্তরাষ্ট্রের রাগবি দল টেক্সাস এ অ্যান্ড এমের কোয়ার্টারব্যাক মার্সেল রিড ফুটবল মহাতারকা লিওনেল মেসিকে একটি বিশেষ উপহার দিয়েছেন। গত ৬ জুন কাইল ফিল্ডে  হন্ডুরাসের বিপক্ষে আর্জেন্টিনার প্রীতি ম্যাচ শেষে দুই ক্রীড়াবিদ এই উপহার আদান-প্রদান করেন।

চোট থেকে পুরোপুরি ফিট না হওয়ায় সাইড বেঞ্চেই কাটাতে হয় এই মহাতারকাকে। খবর মার্কা

ম্যাচের পর রিড স্টেডিয়ামের ভেতরে মেসির সাথে দেখা করেন। তাকে পেছনে ‘রিড’ লেখা একটি মেরুন রঙের টেক্সাস এএন্ডএম জার্সি উপহার দেন। উভয়ই ১০ নম্বরধারী খেলোয়াড়ের এই বিশেষ মুর্হূত স্যোশাল প্ল্যাটফর্মে বেশ অলোড়ন তুলেছে।

 টেক্সাস এ অ্যান্ড এম অ্যাগিজের কোয়ার্টারব্যাক রিড জার্সির ১০ নম্বরের ওপর অটোগ্রাফ দেন। সেখানে তিনি মেসির উদ্দেশ্যে একটি বার্তা লিখে ন: ‘লিওকে, গিগ ‘এম’।

এই সাক্ষাৎকারের সময় এনএফএল তারকা ভন মিলার এবং রিডের সতীর্থ রানিং ব্যাক রুবেন ওয়েন্স ছাড়াও বেশ কয়েকজন খেলোয়াড় উপস্থিত ছিলেন।

হ্যামস্ট্রিংয়ের চোট থেকে সেরে ওঠার প্রক্রিয়ায় থাকায় কোচ লিওনেল স্কালোনি কোনো ঝুঁকি নেননি। ফলে মেসি এই ম্যাচে মাঠে নামেননি। তবে সাইডলাইনে উপস্থিত থেকে তিনি পুরো গ্যালারির ৯০,০০০ দর্শকের মাঝে ব্যাপক উন্মাদনা তৈরি করেন।