আগামী ৯ জুলাই চলতি জাতীয় সংসদের বাজেট অধিবেশন শেষ হবে। বাজেটের ওপরে ৪০ ঘণ্টা সাধারণ আলোচনা অনুষ্ঠিত হবে। আজ রবিবার (৭ জুন) জাতীয় সংসদের কার্য উপদেষ্টা কমিটির তৃতীয় বৈঠকে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। সংসদ সচিবালয় থেকে পাঠানো সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।
আরো পড়ুন
আপত্তি সত্ত্বেও শরীর প্রদর্শন, বিতর্ক নিয়ে কী বললেন জাহ্নবী?
কমিটির সভাপতি বাংলাদেশ জাতীয় সংসদের স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদের সভাপতিত্বে বৈঠকে আরো অংশগ্রহণ করেন কমিটি সদস্য, সংসদ নেতা ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান, বিরোধীদলীয় নেতা মো. শফিকুর রহমান, ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন, স্থানীয় সরকার মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, অর্থ ও পরিকল্পনা মন্ত্রী আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ, গয়েশ্বর চন্দ্র রায়, চিফ হুইপ মো. নূরুল ইসলাম, আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান, বিরোধী দলের উপনেতা সৈয়দ আব্দুল্লাহ মোহাম্মদ তাহের, এ টি এম আজহারুল ইসলাম, বিরোধী দলের চিফ হুইপ মো. নাহিদ ইসলাম এবং মুহাম্মদ নওশাদ জমির।
বৈঠকে স্পিকারের বিশেষ আমন্ত্রণে অংশগ্রহণ করেন জাতীয় সংসদের ডেপুটি স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামাল।
বৈঠকে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের বাজেট অধিবেশনের কার্যাদি নিষ্পন্নের জন্য সময় বরাদ্দকরণ ও অধিবেশনের স্থায়িত্বকাল নিয়ে আলোচনা করা হয়। বাজেট আলোচনার জন্য মোট ৪০ ঘণ্টা সময় নির্ধারণ করা হয়।
সরকারি ছুটির দিন ছাড়া প্রতিদিন বিকেল ৩টা থেকে অধিবেশন অনুষ্ঠিত হবে এবং ৯ জুলাই দ্বিতীয় অধিবেশন শেষ করার বিষয়ে সিদ্ধান্ত হয়। তবে প্রস্তাব করা হয়, ২৭-৩০ জুন এ চার দিন প্রতিদিন দুই বেলা বৈঠক অনুষ্ঠিত হতে পারে।
আরো পড়ুন
‘ভারত-নেপালের পারস্পরিক সম্পর্ক আরো শক্তিশালী হওয়ার সুযোগ তৈরি হয়েছে’
প্রয়োজনে অধিবেশনের সময় ও কার্যদিবস সম্পর্কিত যেকোনো বিষয় পরিবর্তনের ক্ষমতা স্পিকারকে প্রদান করা হয়। এ অধিবেশনে প্রধানমন্ত্রীর জন্য ১৯১টি ও অন্যান্য মন্ত্রীর জন্য ৩০৩৭টি প্রশ্নসহ মোট ৩২২৮টি প্রশ্ন পাওয়া গেছে। বিধি-৭১ এ মনোযোগ আকর্ষণের নোটিশ পাওয়া গেছে ৯৮টি এবং সিদ্ধান্ত-প্রস্তাবের সংখ্যায় (বিধি-১৩১) ২৯৩টি নোটিশ পাওয়া গেছে।