• ই-পেপার

এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের বদলি নিয়ে বড় সুখবর

বন্ধ হয়ে গেলো দেশের একমাত্র সচল রাডার

নিজস্ব প্রতিবেদক
বন্ধ হয়ে গেলো দেশের একমাত্র সচল রাডার
সংগৃহীত ছবি

বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তর পরিচালিত পাঁচটি আবহাওয়া রাডারের একমাত্র সচল রাডারটি বন্ধ হয়ে গেছে। গতকাল শনিবার (৪ জুলাই) রাত আটটা থেকে বন্ধ রয়েছে। বিষয়টি কালের কণ্ঠকে নিশ্চিত করেছেন আবহাওয়া অধিদপ্তরের ঊর্ধ্বতন যোগাযোগ প্রকৌশলী মো. আব্দুল মতিন।

তিনি বলেন, ‘মূলত বিদ্যুতের ভোল্টেজ সমস্যায় রাডারটি সাময়িক বন্ধ রাখা হয়েছে। বিদ্যুৎ বিভাগকে অবহিত করা হয়েছে। আশা করছি দ্রুত সমস্যা সমাধান হয়ে যাবে।’

এদিকে বঙ্গোপসাগরে গত বৃহস্পতিবার লঘুচাপ সৃষ্টি হয়েছে, যা ঘনীভূত হয়ে উত্তর-পশ্চিম বঙ্গোপসাগর ও তৎসংলগ্ন উত্তর উড়িষ্যা-পশ্চিমবঙ্গ উপকূলীয় এলাকায় অবস্থান করছে। সুস্পষ্ট লঘুচাপটি  একই এলাকায় মৌসুমি নিম্নচাপে পরিণত হয়েছে।

আবহাওয়ার এমন পরিস্থিতিতে আবহাওয়ার পূর্বাভাস দিতে বিকল্প মাধ্যমে ব্যবহার করতে হচ্ছে বলে জানান আবহাওয়াবিদরা।

আবহাওয়াবিদ তরিফুল নেওয়াজ কবির বলেন, বিদ্যুৎ ভোল্টেজের সমস্যার কারণে সাময়িক বন্ধ আছে। বিকল্প উপায়ে আবহাওয়ার পূর্বাভাস দেওয়া হচ্ছে।

পে স্কেল নিয়ে বৈঠকে বসছে সচিব কমিটি, চূড়ান্ত সিদ্ধান্তের অপেক্ষা

অনলাইন ডেস্ক
পে স্কেল নিয়ে বৈঠকে বসছে সচিব কমিটি, চূড়ান্ত সিদ্ধান্তের অপেক্ষা
ছবি: কালের কণ্ঠ

নবম জাতীয় পে স্কেল নিয়ে চলতি সপ্তাহেই বৈঠকে বসছে পে কমিশনের সুপারিশ পুনর্মূল্যায়নে গঠিত সচিব কমিটি। অনুষ্ঠিতব্য ওই বৈঠকেই নতুন পে স্কেলের রূপরেখার চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হতে পারে। অর্থ মন্ত্রণালয় সূত্র জানায়, সচিব কমিটির সভায় বেসামরিক প্রশাসন, বিচার বিভাগ এবং সশস্ত্র বাহিনীর জন্য কমিশনের সুপারিশ চূড়ান্ত করা হতে পারে। এরপর এ বিষয়ে একটি প্রতিবেদন অর্থ মন্ত্রণালয়ে জমা দেবে সচিব কমিটি। পরবর্তী সময়ে অর্থ মন্ত্রণালয় সেটি প্রধানমন্ত্রীর দপ্তরে পাঠাবে।

নাম প্রকাশ না করার শর্তে অর্থ মন্ত্রণালয়ের এক কর্মকর্তা বলেন, ‘চলতি সপ্তাহে সচিব কমিটির সভাটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কারণ এই বৈঠকেই বেতন বৃদ্ধি, ভাতার সমন্বয় এবং পে স্কেল বাস্তবায়নের ধাপসংক্রান্ত সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত করা হতে পারে।’

দুই ধাপে বাস্তবায়নের পরিকল্পনা

শুরুতে তিন ধাপে পে স্কেল বাস্তবায়নের পরিকল্পনা থাকলেও সেই অবস্থান থেকে সরে এসেছে পে স্কেলের সুপারিশ পর্যালোচনায় গঠিত সচিব কমিটি। সংশ্লিষ্টদের মতে, এখন এটি দুই ধাপে বাস্তবায়নের পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। প্রথম ধাপে এ জন্য প্রায় ৪৪ হাজার কোটি টাকা ব্যয় হতে পারে।

প্রধানমন্ত্রীর অর্থ ও পরিকল্পনা মন্ত্রণালয় বিষয়ক উপদেষ্টা রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর নিশ্চিত করেছেন যে নতুন পে স্কেলের বেতন ও ভাতা একসঙ্গে কার্যকর না করে কয়েকটি ধাপে সম্পন্ন করা হবে।

 

জানা গেছে, নতুন পে-স্কেল বাস্তবায়ন নিয়ে নীতিনির্ধারণী পর্যায়ে একাধিক প্রস্তাব নিয়ে আলোচনা হয়েছে। সরকারি হিসাবরক্ষণ পদ্ধতি বা আইবাস ডাবল প্লাস সফটওয়্যারে জটিলতা এড়াতে একবারেই মূল বেতন কার্যকর করাকে যৌক্তিক মনে করছে অর্থ বিভাগ। সে কারণেই পুরো প্রক্রিয়াটি দুই ধাপে সম্পন্ন করার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে।

এ পরিকল্পনা অনুযায়ী, প্রথম ধাপে চলতি অর্থবছর থেকেই শতভাগ মূল বেতন বৃদ্ধি কার্যকর করা হতে পারে। আর দ্বিতীয় ধাপে, অর্থাৎ ২০২৭-২০২৮ অর্থবছরে ভাতা ও অন্যান্য সুবিধা বৃদ্ধি করা হতে পারে।

জুলাইয়ের মাঝামাঝি গেজেটের সম্ভাবনা

অর্থ মন্ত্রণালয়ের সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে, সরকারি চাকরিজীবীদের জন্য দুই ধাপে বাস্তবায়নযোগ্য নবম পে স্কেলের গেজেট প্রধানমন্ত্রীর অনুমোদনের পর জারি করা হবে। এ সংক্রান্ত গেজেট জুলাইয়ের মাঝামাঝি প্রকাশ করতে পারে অর্থ মন্ত্রণালয়।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক অর্থ মন্ত্রণালয়ের আরেক কর্মকর্তা বলেন, ‘জুলাইয়ের মাঝামাঝি পে স্কেলের গেজেট জারি হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। মাঝামাঝি না হলে এর পরের সপ্তাহে গেজেট প্রকাশ করা হবে।’

নতুন পে স্কেলে কোন কোন ভাতা কমছে?

অন্তর্বর্তী সরকারের পে কমিশন বনাম বর্তমান কমিটির খসড়া ২০২৫ সালে সাবেক অর্থ সচিব জাকির আহমেদ খানের নেতৃত্বে গঠিত ‘জাতীয় বেতন কমিশন’ সরকারি কর্মচারীদের বেতন ১০০ থেকে ১৪০ শতাংশ পর্যন্ত বাড়ানোর সুপারিশ করেছিল। যেখানে বিদ্যমান সর্বনিম্ন স্কেল ৮,২৫০ টাকা থেকে বাড়িয়ে ২০,০০০ টাকা এবং সর্বোচ্চ ধাপ ১,৬০,০০০ টাকা করার প্রস্তাব দেওয়া হয়।

বাজেট বরাদ্দ ও অর্থনৈতিক বাস্তবতা

নতুন অর্থবছরের বাজেটে সরকারি কর্মচারীদের বেতন ও ভাতা বাবদ মোট ৮৯,৮৩৬ কোটি টাকা বরাদ্দ রাখা হয়েছে। পেনশন ও গ্রাচুইটিসহ এই বরাদ্দের পরিমাণ দাঁড়ায় ১,৪১,৪৩৪ কোটি টাকা। এর মধ্যে প্রায় ৪৪,০০০ কোটি টাকা মূলত সরকারি কর্মচারী, এমপিওভুক্ত শিক্ষক এবং পেনশনভোগীদের নতুন বেতন কাঠামোর আংশিক বাস্তবায়নের জন্যই রাখা হয়েছে।

 

বন্ধ দেশের একমাত্র সচল আবহাওয়া রাডার

নিজস্ব প্রতিবেদক
বন্ধ দেশের একমাত্র সচল আবহাওয়া রাডার
সংগৃহীত ছবি

বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তরের পাঁচটি আবহাওয়া রাডারের মধ্যে একমাত্র সচল রাডারটিও বন্ধ হয়ে গেছে। শনিবার রাত ৮টা থেকে রাডারটি সাময়িকভাবে বন্ধ রয়েছে।

বিষয়টি কালের কণ্ঠকে নিশ্চিত করেছেন বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তরের ঊর্ধ্বতন যোগাযোগ প্রকৌশলী মো. আব্দুল মতিন। তিনি বলেন, বিদ্যুতের ভোল্টেজজনিত সমস্যার কারণে রাডারটির কার্যক্রম সাময়িকভাবে বন্ধ রাখা হয়েছে। বিষয়টি বিদ্যুৎ বিভাগকে জানানো হয়েছে এবং দ্রুত সমস্যা সমাধানের আশা করা হচ্ছে।

এদিকে, বঙ্গোপসাগরে সৃষ্ট লঘুচাপটি ঘনীভূত হয়ে উত্তর-পশ্চিম বঙ্গোপসাগর ও তৎসংলগ্ন উত্তর উড়িষ্যা-পশ্চিমবঙ্গ উপকূলীয় এলাকায় মৌসুমি নিম্নচাপে পরিণত হয়েছে।

এমন পরিস্থিতিতে রাডার বন্ধ থাকায় আবহাওয়ার পূর্বাভাস দিতে বিকল্প তথ্য-উপাত্ত ব্যবহার করছেন আবহাওয়াবিদরা।

আবহাওয়াবিদ তরিফুল নেওয়াজ কবির বলেন, বিদ্যুতের ভোল্টেজ সমস্যার কারণে রাডারটি সাময়িকভাবে বন্ধ রয়েছে। তবে বিকল্প উপায়ে আবহাওয়ার পর্যবেক্ষণ ও পূর্বাভাস কার্যক্রম চালিয়ে যাওয়া হচ্ছে।

ডোপ টেস্ট নিয়ে কারা অধিদপ্তরের কঠোর বিজ্ঞপ্তি

অনলাইন ডেস্ক
ডোপ টেস্ট নিয়ে কারা অধিদপ্তরের কঠোর বিজ্ঞপ্তি

কারা বিভাগকে মাদকমুক্ত এবং শৃঙ্খলাবাহিনী হিসেবে সুনাম অক্ষুণ্ন রাখতে সরকারের জারি করা ‘জৈব নমুনায় মাদকদ্রব্য শনাক্তকরণ পরীক্ষা (ডোপ টেস্ট) বিধিমালা, ২০২৬’ কঠোরভাবে বাস্তবায়নের নির্দেশ দিয়েছে কারা অধিদপ্তর।

সম্প্রতি কারা পরিদর্শক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল সৈয়দ মো. মোতাহের হোসেনের সই এক নির্দেশনায় বলা হয়েছে, কারা অধিদপ্তরের আওতাধীন বিভাগীয় দপ্তর ও দেশের সব কারাগারে কর্মরত সব পর্যায়ের কর্মচারীদের জন্য ডোপ টেস্ট সংক্রান্ত নতুন নির্দেশনা কার্যকর হবে।

নির্দেশনা অনুযায়ী, কারা বিভাগে নতুন চাকরিতে যোগদানের আগে ডোপ টেস্টে নেতিবাচক (নেগেটিভ) ফলাফল বাধ্যতামূলক। এ ছাড়া কর্মরত কোনো কর্মচারীর বিরুদ্ধে মাদক গ্রহণের প্রাথমিক সন্দেহ দেখা দিলে সংশ্লিষ্ট নিয়োগকারী বা নিয়ন্ত্রণকারী কর্তৃপক্ষ তাকে ডোপ টেস্টে পাঠাবে।

কোনো কর্মচারীকে ডোপ টেস্টের নির্দেশ দেওয়া হলে তা পালন করা বাধ্যতামূলক। পরীক্ষায় অংশ নিতে অস্বীকৃতি, নির্ধারিত স্থানে অনুপস্থিত থাকা বা পলায়ন করলে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির বিরুদ্ধে পলায়নসহ প্রযোজ্য বিধি অনুযায়ী শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

ডোপ টেস্টে পজিটিভ ফলাফল এলে নবনিয়োগপ্রাপ্ত ব্যক্তি চাকরির জন্য অযোগ্য বিবেচিত হবেন। অন্যদিকে, চাকরিরত কোনো কর্মচারীর ক্ষেত্রে ফলাফল পজিটিভ হলে তাকে ‘সরকারি কর্মচারী (শৃঙ্খলা ও আপিল) বিধিমালা, ২০১৮’ এবং ‘কারা বিধি’ অনুযায়ী গুরুতর অসদাচরণের অভিযোগে বিভাগীয় মামলার মুখোমুখি হতে হবে।

এ ছাড়া মাদকাসক্ত হিসেবে ঘোষিত কর্মচারীকে সরকারের নির্ধারিত পুনর্বাসন কেন্দ্রে চিকিৎসা গ্রহণের নির্দেশ দেওয়া যেতে পারে। নির্দেশিত চিকিৎসা বা পুনর্বাসন কার্যক্রমে অংশ নিতে অস্বীকৃতি বা অবহেলা করলেও তা পৃথক শাস্তিযোগ্য অপরাধ হিসেবে বিবেচিত হবে।

কারা অধিদপ্তর বিষয়টির গুরুত্ব বিবেচনায় সব কারাগারে রোলকল ও দরবারে বারবার নির্দেশনাটি পাঠ করে সংশ্লিষ্ট সবাইকে অবহিত করার নির্দেশ দিয়েছে।