• ই-পেপার

নারী পাচারে টোপ ‘ভালো চাকরি’

  • ভারত, মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন দেশে অনৈতিক কাজে বাধ্য করা হচ্ছে
  • জড়িত আন্তর্জাতিক মানব পাচার চক্র
  • টার্গেট ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর নারী-কিশোরীরাও

ত্রয়োদশ সংসদ

প্রথম বাজেট অধিবেশন আজ

অনলাইন ডেস্ক
প্রথম বাজেট অধিবেশন আজ

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের দ্বিতীয় ও প্রথম বাজেট অধিবেশন বসছে আজ সোমবার (৭ জুন)। এর মধ্যে ১১ জুন সংসদে আগামী অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেট উপস্থাপন করবেন অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী, যা এমপিদের আলোচনা শেষে ৩০ জুন পাস হওয়ার কথা রয়েছে। সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো জানায়, চলতি অধিবেশনে বাজেট পাস ছাড়াও সংবিধান সংস্কারের বিষয়ে আলোচনা হতে পারে।

এদিকে বাজেট অধিবেশন ঘিরে ইতোমধ্যে সব প্রস্তুতি সম্পন্ন করেছে সংসদ সচিবালয়। রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন সংসদ অধিবেশন আহ্বানের পর থেকে এই প্রস্তুতি শুরু হয়।

সূত্র জানায়, আজ বেলা ৩টায় স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদের সভাপতিত্বে সংসদ অধিবেশন শুরু হবে। এর আগে সংসদের কার্যউপদেষ্টা কমিটির বৈঠকে অধিবেশনের মেয়াদ ও কার্যসূচি চূড়ান্ত হবে।

অধিবেশন সামনে রেখে সংসদ ভবন এলাকায় নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ (ডিএমপি) রাজধানীর বেশ কিছু এলাকায় গতকাল থেকে আগ্নেয়াস্ত্র বহনসহ সব ধরনের শোভাযাত্রা-বিক্ষোভ ও মিছিল-সমাবেশ নিষিদ্ধ ঘোষণা করেছে।

সংসদ সচিবালয়ের প্রকাশিত অধিবেশনের কার্যসূচি অনুযায়ী, প্রথম দিনে আজ অধিবেশনের শুরুতে সভাপতিমণ্ডলীর মনোনয়ন ও শোকপ্রস্তাব উত্থাপন করা হবে। এরপর প্রশ্নোত্তর পর্ব অনুষ্ঠিত হবে। তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়, শিল্প মন্ত্রণালয়, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগ এবং বিদ্যুৎ বিভাগের প্রশ্নোত্তর তালিকাভুক্ত রয়েছে। এ ছাড়া ‘জরুরি জনগুরুত্বসম্পন্ন বিষয়ে মনোযোগ আকর্ষণ (বিধি-৭১)’-এর আওতায় প্রাপ্ত নোটিসগুলো নিষ্পত্তি করা হবে। এর বাইরে জ্বালানি বিষয়ে করণীয় নির্ধারণে গঠিত বিশেষ কমিটির রিপোর্ট উপস্থাপন করবেন কমিটির সভাপতি এবং বিদ্যুৎ জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ।

সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো জানায়, চলতি অধিবেশনে বাজেট প্রস্তাবনা উত্থাপন ও পাস ছাড়াও সংবিধান সংস্কারের বিষয়ে আলোচনা হতে পারে। সংবিধান সংস্কারের লক্ষ্যে জাতীয় সংসদে বিশেষ কমিটি গঠনের কাজ শেষ করা হবে। এ ছাড়া সংসদীয় স্থায়ী কমিটিগুলো গঠনের কাজ শেষ করতে চান সংসদ নেতা ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। বাজেট আলোচনার আগেই কমিটি গঠনের কাজ শেষ হবে বলে সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন। 

চলতি জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশন গত ১২ মার্চ থেকে ২৫ কার্যদিবস অধিবেশন চলার পর ৩০ এপ্রিল শেষ হয়। এই অধিবেশনে মোট বৈঠক দিবস ছিল ২৫টি। অধিবেশনে মোট ৯৪টি বিল পাস হয়। আইন প্রণয়ন কার্যাবলি ছাড়াও প্রথম অধিবেশনে পাঁচটি স্থায়ী কমিটি এবং দুটি বিশেষ কমিটি গঠিত হয়।

সাক্ষাৎকার - শেখ রবিউল আলম, মন্ত্রী

আমূল পরিবর্তন আনার চেষ্টা করছি

অনলাইন ডেস্ক
আমূল পরিবর্তন আনার চেষ্টা করছি
শেখ রবিউল আলম

বিএনপি নেতৃত্বাধীন নতুন সরকারের ১০০ দিন পার হয়েছে। এমপি, মন্ত্রী ও মন্ত্রণালয়ের কার্যক্রম নিয়ে চলছে চুলচেরা বিশ্লেষণ। সবচেয়ে বেশি আলোচনায় ঢাকা-১০ আসন থেকে নির্বাচিত এমপি ও মন্ত্রী শেখ রবিউল আলম এবং তাঁর অধীনে থাকা গুরুত্বপূর্ণ তিন মন্ত্রণালয় সড়ক ও সেতু, নৌ এবং রেল। নতুন মন্ত্রীর কার্যক্রমে যেমন কিছু সাফল্য দৃশ্যমান তেমন দীর্ঘদিনের কাঠামোগত চ্যালেঞ্জগুলোও স্পষ্ট। দায়িত্ব গ্রহণের মাত্র এক মাসের মাথায় পবিত্র ঈদুল ফিতর এবং তারপর ঈদুল আজহা-দুই উৎসবে ঘরমুখো মানুষের জন্য নিরাপদ যাত্রা নিশ্চিত করা ছিল সবচেয়ে বড় পরীক্ষা। কোটি মানুষের ঈদযাত্রা নির্বিঘ্ন করতে মহাসড়কের ক্ষতিগ্রস্ত অংশ দ্রুত মেরামত করা, টোল প্লাজায় শৃঙ্খলা বজায় রাখা, ফেরিঘাটে বিশেষ ব্যবস্থা এবং আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সমন্বিত উদ্যোগে বৃহত্তম এই উৎসব দুটিতে মহাসড়ক সচল থাকায় দুর্ভোগের মাত্রা ছিল সহনীয়। সম্প্রতি বাংলাদেশ প্রতিদিনকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে এসব নিয়ে কথা বলেছেন তিন মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী শেখ রবিউল আলম।

তিনটি গুরুত্বপূর্ণ মন্ত্রণালয় চালানো কতটা চ্যালেঞ্জ বলে মনে করছেন-প্রশ্নে তিনি বলেন, কোনো চ্যালেঞ্জ নেই। কাজ করতে পারলে সবকিছু দায়িত্বের সঙ্গে করা যায়। মন্ত্রণালয়গুলোকে কার্যকর করতে যে দায়িত্ব রয়েছে সেগুলো যদি আপনি জানেন, বোঝেন তাহলে কোনো সমস্যা নেই। বর্তমান সরকারের যে নীতি রয়েছে সড়ক, রেল ও নৌপরিবহনকে সমন্বিতভাবে ফাংশন করার বিষয়টি একটা জায়গা থেকে সুপারভিশন ও নীতিনির্ধারণ হওয়া দরকার। প্রকল্প গ্রহণ ও তা বাস্তবায়ন করা দরকার। আমার ওপর যে তিনটি মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে শুরু থেকেই সেসব মন্ত্রণালয়ের প্রতিবন্ধকতাগুলো দূর করে যেসব গুরুত্বপূর্ণ প্রকল্প অগ্রাধিকারের সঙ্গে বাস্তবায়ন করা দরকার, সেটা স্বচ্ছতার সঙ্গে অপচয় রোধ করে সংশ্লিষ্টদের নিয়ে সমন্বয়ের মাধ্যমে করার চেষ্টা করছি। বেশ কিছু প্রকল্প আছে যেগুলো স্থবির হয়েছিল সেগুলো দ্রুততম সময়ের মধ্যে কীভাবে আবার সচল করা যায় সেটা প্রাধান্য পাচ্ছে। সরকারের ১৮০ দিনের একটি কর্মসূচি রয়েছে, পাশাপাশি নির্বাচনি ইশতেহারেও কিছু অঙ্গীকার রয়েছে সেগুলো সামনে রেখে অগ্রসর হচ্ছি।

প্রধানমন্ত্রীর গতির সঙ্গে তাল মিলিয়ে কাজ করতে কেমন লাগছে জানতে চাইলে শেখ রবিউল আলম বলেন, প্রধানমন্ত্রীর গতিটা একটু বেশি। কিন্তু সেই তুলনায় মন্ত্রণালয়গুলো ফাংশন ওভাবে করতে অভ্যস্ত না। কারণ এই গতিতে কাজ করতে আমাদের মন্ত্রণালয়ের যারা দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তারা আছেন সেটা আপনি টেকনিক্যাল বা ইঞ্জিনিয়ারিং সেকশন বলেন অথবা সিভিল সেকশন বলেন-তারা এভাবে অভ্যস্ত কম ছিল বলে আমার কাছে মনে হয়েছে। সেই গতিতে তাদের ফাংশন করানোটা একটু চ্যালেঞ্জ। কারণ আমরা দ্রুততম সময়ের মধ্যে প্রকল্প গ্রহণ ও বাস্তবায়ন করতে চাই। পাশাপাশি স্বচ্ছতার সঙ্গে, কম ব্যয়ে, অপচয় রোধ করে জনস্বার্থকে প্রাধান্য দিতে চাই। সেখানে যখন আমি যাচ্ছি তখন বেশ কিছু প্রাতিষ্ঠানিক জটিলতা দেখা যাচ্ছে। ধরেন- আন্তমন্ত্রণালয়ে বেশ কিছু কর্মকাণ্ড বা বেশ কিছু প্রতিবন্ধকতা থাকে যেগুলো ম্যানেজ করা অথবা সিদ্ধান্ত গ্রহণের ক্ষেত্রে প্রতিবন্ধকতা তৈরি করে। কোনো কোনো সময় সেই জায়গায় দীর্ঘসূত্রিতা দীর্ঘদিনের একটা প্রাকটিস। আমাদের এই মন্ত্রণালয়গুলোতে তাদেরকে গতিশীল করাটা একটা চ্যালেঞ্জ এবং সে লক্ষ্যে কাজ করছি। অনেকগুলো প্রকল্প ছিল যেগুলো ছোটখাটো সিদ্ধান্তের অভাবে দীর্ঘদিন ধরে বাস্তবায়ন হচ্ছিল না অথবা যারা পিডি ছিলেন অথবা প্রকল্পের দায়িত্বে যারা ছিলেন তাদের বেশ কিছুটা অদক্ষতা অথবা পরিস্থিতি বুঝে সফল হতে না জানা এরকমের কিছু ব্যত্যয় ছিল। সেগুলোকে এই তিন মাসের মধ্যে আলোচনা করে তাদেরকে দিয়ে সেই পরিস্থিতি উত্তরণ করাতে সক্ষম হয়েছি। যার ফলে আমি মনে করছি যে, ভালো চলছে এবং যে আস্থা জনগণ রেখেছে এবং যে দায়িত্ব প্রধানমন্ত্রী আমাকে দিয়েছেন সেটা বাস্তবায়ন করার ক্ষেত্রে শতভাগ দিয়ে চেষ্টা করছি। এসবের সুফল পাওয়া শুরু হয়েছে এবং এটা আরও বেগবান হবে। আরও বেশি দৃশ্যমান হবে।

আপনি নিজেও গতির সঙ্গে পাল্লা দিয়ে কাজ করছেন-এমন প্রশ্নে শেখ রবিউল আলম বলেন, প্রথমত-প্রধানমন্ত্রী যে গতিতে এগোতে চাইছেন সেই গতিটা ধারণ করতে পারছি। সে গতিতে আমিও চলতে অঙ্গীকারবদ্ধ এবং অনেকটা অভ্যস্ত। কারণ যে আদর্শ ধারণ করে উনি রাজনীতি করেন আর যে প্রতিকূলতার মধ্যে উনি রাজনীতি করেছেন আর যে জনপ্রিয়তা নিয়ে প্রধানমন্ত্রী ক্ষমতায় এসেছেন ওটারও একটা অংশ আমি। কিন্তু আমি যখন মাঠ লেভেলে বা মন্ত্রণালয় লেভেলে কাজ করছি সেখানে তাদেরকে গতিতে আনতে তো আমার একটু সময় লাগছে। মন্ত্রণালয়ের সব ধরনের কর্মকর্তা যারা আছেন তারাও গতিশীল হতে সর্বাত্মক চেষ্টা করছে। হয়তো একটু সময় লাগছে।

সহকর্মী মন্ত্রী ও এমপিদের কাছ থেকে সড়ক নির্মাণ বা মেরামত নিয়ে কেমন অনুরোধ পাচ্ছেন, জানতে চাইলে শেখ রবিউল আলম বলেন, প্রচণ্ড রকমের আবেদন তাদের। ১৭ বছর ইনফ্রাস্ট্রাকচারে খুব বেশি ডেভেলপমেন্ট হয় নাই। প্রকল্পগুলো কাগজ-কলমে হয়েছে। সেই প্রকল্পগুলো কোনো কোনো ক্ষেত্রে জনবান্ধব হয়নি, কোনো কোনো ক্ষেত্রে বাস্তবায়ন হয়নি। যার ফলে যারা এবার নির্বাচিত হয়ে এসেছেন জনগণের কাছে তাদের অঙ্গীকার আছে। এ কারণে প্রচুর পরিমাণে ডিও দিচ্ছেন। কিন্তু সেই পরিমাণ ডিওকে আমলে নিয়ে প্রকল্প বাস্তবায়ন করাটা বেশ দুরূহ। কারণ আর্থিক সক্ষমতা অথবা বাজেটের তো একটা ব্যাপার আছে। তার মধ্যে থেকে সেটা শতভাগ বাস্তবায়ন করা বেশ কঠিন। এক্ষেত্রে জাতীয়ভাবে যেটা গুরুত্বপূর্ণ এবং এমপির ওই এলাকার জনগণের জন্য অগ্রাধিরকার ভিত্তিতে প্রয়োজন- সেটাকে গুরুত্ব দিচ্ছি। স্থানীয় জনগণের অর্থাৎ স্থানীয়ভাবে যিনি এমপি নির্বাচিত হয়েছেন তারও তো ১০টা অঙ্গীকার আছে। ১০টা রাস্তার প্রয়োজন আছে। কিন্তু আমার বাজেটের মধ্যে যদি মনে হয় যে না ১০টা এবারে করা সম্ভব হচ্ছে না, একবারে সব সম্ভব হবেও না, সর্বাধিক গুরুত্বপূর্ণ তিনটা চারটাকে বেছে নিয়ে আমরা কাজ করছি।

সুশাসন, টেকসই উন্নয়ন ও ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা উন্নয়ন প্রকল্পগুলোতে দুর্নীতি অনিয়ম এবং নিম্নমানের কাজের অভিযোগ কীভাবে ক্ষতিয়ে দেখছেন, জানতে চাইলে শেখ রবিউল আলম বলেন, এরই মধ্যে এসব খতিয়ে দেখা হয়েছে। সেগুলোর তদন্তও চলছে। আমার সবচেয়ে বড় অঙ্গীকার-এখন থেকে এসব আর হবে না- এটা আমি নিশ্চিত করব ইনশাল্লাহ। যে প্রক্রিয়ায় আগে প্রকল্প হতো-অপচয়, দুর্নীতি, অপ্রয়োজনীয়, জনবান্ধব না- সেই ধরনের প্রকল্প এখন এ সরকার নেবে না। এটা প্রধানমন্ত্রীর অঙ্গীকার। আর প্রধানমন্ত্রী যেটা অঙ্গীকার করেন, যে লক্ষ্যে দেশ পরিচালনা করতে চান তা বাস্তবায়ন করা হচ্ছে আমার কর্তব্য। আমার জন্য সেটা অবধারিত। এখন থেকে যে সব প্রকল্প হবে তাতে দুর্নীতি ও অপচয় হওয়ার কোনো সুযোগ নেই।

আপনি যেহেতু তিনটা মন্ত্রণালয় এই মুহূর্তে দায়িত্বে আছেন। সেক্ষেত্রে তিনটা মন্ত্রণালয়ে আপনার উল্লেখ করার মতো বিশেষ প্রোগ্রাম কী নিয়েছেন বা বিশেষ ধরনের কী প্রকল্প নেওয়া হয়েছে? শেখ রবিউল আলম বলেন, রেল, নৌ এবং সড়ক যোগাযোগ ব্যবস্থাপনায় একটা আমূল পরিবর্তন আনতে চাচ্ছি। এজন্য নানা মেয়াদি কার্যক্রম এরই মধ্যে হাতে নেওয়া হয়েছে। তিনি বলেন, আগামীতে আমার এখানে উন্নয়ন প্রকল্পের মেয়াদ বাড়ার সুযোগ হবে না বলে আশা করছি। আমরা চাইব-অতীতের দায় যাদের আছে সেটা তাদের। আমাদের ক্ষেত্রে যাতে এটা না হয়।

সূত্র : বাংলাদেশ প্রতিদিনি

বিপদ শুধু বাড়ছেই

অনলাইন ডেস্ক
বিপদ শুধু বাড়ছেই

বিপদ থেকে মুক্ত হতে পারছে না সরকার। পাহাড়সম বোঝা নিয়ে সরকার গঠন করার পর একটার পর একটা বিপদে পড়ছে। কোনো কোনো বিপদ  অন্তর্বর্তী সরকারের সৃষ্ট। কোনো কোনো বিপদ প্রাকৃতিক। আবার কোনো বিপদ বৈশ্বিক। বর্তমান সরকার দায়িত্ব নেওয়ার ১১ দিনের মাথায় শুরু হয় আমেরিকা-ইরান যুদ্ধ। এ যুদ্ধের প্রভাব পড়েছে সরাসরি বাংলাদেশের অর্থনীতিতে। ১৫ মার্চ থেকে হামের সংক্রমণ ও উপসর্গ নিয়ে মারা গেছে ৬১৩ শিশু। জ্বালানি তেলের মূল্যবৃদ্ধির কারণে দেশের দ্রব্যমূলের ওপর প্রভাব পড়েছে। ঊর্ধ্বমুখী ব্যয়ে নাভিশ্বাস মানুষের। হামের মধ্যেই চোখ রাঙাচ্ছে ডেঙ্গু। অতীতের সব রেকর্ড ছাড়িয়ে যেতে পারে এবারের পরিস্থিতি। আশঙ্কাজনক হারে বেড়েছে শিশু নির্যাতন ও ধর্ষণ। ছিনতাইকারীর হাতে পথেঘাটে খুন হচ্ছে মানুষ। সামাজিক অস্থিরতা, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতিতে অস্থিরতা দেশজুড়ে। দেশের সীমান্তবর্তী এলাকায় পুশইনের চেষ্টা করছে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী (বিএসএফ)। সবকিছু মিলে বিপদ যেন বাড়ছেই। 

ভূরাজনীতির সংকট : বর্তমান সরকারের দায়িত্ব গ্রহণের পরপরই ভূরাজনৈতিক অস্থিরতার জেরে দেশজুড়ে তৈরি হয়েছে নজিরবিহীন সংকট। একের পর এক অভ্যন্তরীণ ও আন্তর্জাতিক ধাক্কায় সাধারণ মানুষের পিঠ এখন দেয়ালে ঠেকে গেছে। একদিকে বৈশ্বিক যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে আকাশছোঁয়া নিত্যপণ্যের বাজার, অন্যদিকে হাম ও ডেঙ্গুর মতো স্বাস্থ্যঝুঁকি। অর্থনীতির চাকা সচল করতে বড় বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে খেলাপি ঋণ। কোনোভাবেই এই ঋণ আদায় করা যাচ্ছে না। নতুন ঋণের জন্য এশিয়ান ডেভেলপমেন্ট ব্যাংক (এডিবি) এবং আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল (আইএমএফ) থেকেও ঋণের সাড়া মিলছে না। সব মিলিয়ে আরও ঘনীভূত হচ্ছে সমস্যা।

দ্রব্যমূল্যের চরম কশাঘাত : আমেরিকা-ইরান যুদ্ধের জেরে আন্তর্জাতিক বাজারে বাড়ানো হয়েছে জ্বালানি তেলের দাম। যার নেতিবাচক প্রভাব পড়েছে দেশের অভ্যন্তরীণ বাজারে। বাংলাদেশেও পেট্রোল, অকটেন, কেরোসিনের দাম বাড়ানো হয়েছে। বাড়ানো হয়েছে বিদ্যুতের দামও। এর ফলে পরিবহন খরচ বৃদ্ধি পাওয়ায় চাল, ডাল, তেলসহ প্রতিটি নিত্যপণ্যের দাম এখন সাধারণ মানুষের নাগালের বাইরে। বর্ধিত খরচের জাঁতাকলে পিষ্ট হয়ে মধ্যবিত্ত ও নিম্নবিত্ত মানুষ চরম বিপাকে। আয়ের সঙ্গে ব্যয়ের সামঞ্জস্য মেলাতে না পেরে হিমশিম খাচ্ছে কোটি পরিবার।

স্বাস্থ্য খাতে জোড়া আঘাত- হাম ও ডেঙ্গুর চোখ রাঙানি : অর্থনৈতিক সংকটের মধ্যেই দেশে দেখা দিয়েছে ভয়াবহ স্বাস্থ্য বিপর্যয়। ১৫ মার্চ থেকে শুরু করে গতকাল পর্যন্ত হাম ও হামের উপসর্গ নিয়ে সারা দেশে মারা গেছে ৬১৩ শিশু। সরকারি হিসাবে ৬১৩ শিশুর মৃত্যুর কথা বলা হলেও প্রকৃত সংখ্যা আরও অনেক বেশি হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। অন্তর্বর্তী সরকারের টিকা কেনায় অনাগ্রহের বলি হতে হচ্ছে অবুঝ শিশুদের। হামের এই ভয়াবহতার মধ্যেই নতুন আতঙ্ক হিসেবে যোগ হয়েছে ডেঙ্গু। স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞদের মতে, এবার ডেঙ্গুর পরিস্থিতি অতীতের সব রেকর্ড ছাড়িয়ে যাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। হাম ও ডেঙ্গুর এই জোড়া আক্রমণে অভিভাবকেরা তাঁদের সন্তানদের নিরাপত্তা নিয়ে চরম উৎকণ্ঠার মধ্যে দিন কাটাচ্ছেন। এখানেই শেষ নয়, আছে আগাম ঝুঁকিও। অন্তঃসত্ত্বা অনাগত সন্তানের ভবিষ্যৎ নিয়েও দুশ্চিন্তায় রয়েছেন। ভূমিষ্ঠ হওয়ার পরপরই শিশুরা যে রোগের থাবায় ভুগবে না, তার নিশ্চয়তা নেই।

সামাজিক অস্থিরতা ও আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি : অর্থনৈতিক ও স্বাস্থ্যসংকটের সমান্তরালে দেশে আশঙ্কাজনকভাবে বেড়েছে সামাজিক অস্থিরতা। সাম্প্রতিক সময়ে শিশু নির্যাতন ও ধর্ষণের মতো জঘন্য অপরাধের ঘটনা জ্যামিতিক হারে বেড়েছে, যা সুশীল সমাজকে গভীরভাবে উদ্বেলিত করেছে। শুধু শিশু ধর্ষণই নয়, নৃশংসভাবে গলা কেটে হত্যা করা হয়েছে। একই সঙ্গে দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির চরম অবনতি ঘটেছে। সাধারণ মানুষের জানমালের নিরাপত্তা এখন বিঘ্নিত। সড়ক-মহাসড়ক থেকে শুরু করে খোদ রাজধানীতে ছিনতাইকারীদের আনাগোনা ও সহিংসতা আশঙ্কাজনক পর্যায়ে পৌঁছেছে। সামান্য মোবাইল বা টাকার জন্য ছিনতাইকারীর হাতে প্রাণ হারাচ্ছে সাধারণ মানুষ। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর দৃশ্যমান তৎপরতা সত্ত্বেও অপরাধীদের এই দৌরাত্ম্য থামানো যাচ্ছে না।

সুখবর নেই অর্থনীতিতেও : আইএমএফের সঙ্গে চলমান ৫ দশমিক ৫ বিলিয়ন ডলার ঋণ চুক্তির সর্বশেষ দুই কিস্তিু ছাড় করছে না। বরং নতুন একটি ঋণ কর্মসূচি নিয়ে আলোচনার আহ্বান জানিয়েছে। সংকট সামলাতে এডিবির কাছেও ১ বিলিয়ন ডলার বাজেট সহায়তা চেয়েছে সরকার। সেখানেও ইতিবাচক সাড়া মেলেনি। একইভাবে আসছে ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেটে সুদ পরিশোধের লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে ১ লাখ ২৭ হাজার ৫০০ কোটি টাকা। যা মোট জিডিপির প্রায় ২ শতাংশ। চলতি অর্থবছর এ খাতে বরাদ্দ রাখা হয়েছিল ১ লাখ ২২ হাজার কোটি টাকা। কিন্তু সংশোধিত বাজেটে তা বাড়িয়ে নির্ধারণ করা হয় ১ লাখ ২৭ হাজার কোটি টাকা। অর্থাৎ চলতি বাজেটে প্রাক্কলনের চেয়েও ৫ হাজার কোটি টাকা বেশি সুদ পরিশোধ করতে হচ্ছে। এতে করে দেশের সামষ্টিক অর্থনীতিতে অতিরিক্ত চাপের সৃষ্টি হচ্ছে বলে মনে করেন বিশ্লেষকরা।

অর্থনীতি অগগ্রতির বড় বাধা খেলাপি ঋণ : দুর্বল ঋণ আদায় ও সুশাসনের অভাবের মধ্যে ২০২৬ সালের প্রথম তিন মাস পর ব্যাংক খাতে খেলাপি ঋণ মোট ঋণের ৩২ দশমিক ২৬ শতাংশে পৌঁছেছে। বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, মার্চের শেষে মোট শ্রেণীকৃত ঋণের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ৫ লাখ ৮৮ হাজার ৭০৪ কোটি টাকায়। গত ডিসেম্বরে এই পরিমাণ ছিল ৫ লাখ ৫৭ হাজার ২১৭ কোটি টাকা। সে হিসাবে এই তিন মাসে খেলাপি ঋণ বেড়েছে ৩১ হাজার ৪৮৭ কোটি টাকা। সব মিলিয়ে ব্যাংকগুলোর মোট বিতরণকৃত ঋণের পরিমাণ ১৮ লাখ ২৪ হাজার ৬৬৮ কোটি টাকা। বাংলাদেশ ব্যাংকের বিশেষ নীতিগত সহায়তা কর্মসূচির আওতায় ব্যাপক পরিমাণ ঋণ পুনঃ তফসিলের ফলে গত বছরের শেষে খেলাপি ঋণের হার ৩৬ শতাংশ থেকে কমে প্রায় ৩১ শতাংশে নেমে এসেছিল। 

সংকটে ব্যবসায়ীরা : ঋণের উচ্চ সুদহার, ডলারসংকট, জ্বালানিসংকট, নিরাপত্তাহীনতা, মামলা-হামলাসহ নানান রকম সংকটে থাকা ব্যবসায়ীরা এখন অসহায়। এমন পরিস্থিতিতে কোনো ধরনের সহায়তা না পেয়ে শিল্পমালিকরা অনেকটা কিংকর্তব্যবিমূঢ়। হাজার হাজার কোটি টাকা বিনিয়োগ করে গড়ে তোলা শিল্পকারখানা নিয়ে এখন চরমভাবে শঙ্কিত, উদ্বিগ্ন ব্যবসায়ীরা। তাঁরা বলেছেন, নতুন করে বিনিয়োগ হচ্ছে না। বিনিয়োগ না হলে কর্মসংস্থান হবে না। বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের চাপিয়ে দেওয়া নানা রকম সিদ্ধান্তের কারণে আমরা বর্তমানে প্রতিকূল পরিস্থিতির মধ্য দিয়ে যাচ্ছি। রাষ্ট্রীয় পৃষ্ঠপোষকতায় ব্যাংক লুট করা হয়েছে। ডলারসহ নানান সংকটে সবদিকে কেবলই শূন্যতা তৈরি করে রেখে গেছে শেখ হাসিনা সরকার। ফলে ভোগান্তিতে পড়েছেন ব্যবসায়ীরা। ছোট, মাঝারি ও বৃহৎ সব ধরনের ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানই কমবেশি এই সমস্যার প্রভাব অনুভব করছে। ফলে ব্যবসা পরিচালনা, কর্মসংস্থান ধরে রাখা এবং লাভজনক অবস্থায় টিকে থাকা দিন দিন কঠিন হয়ে উঠছে।

রাজধানী ও বিভিন্ন জেলার ব্যবসায়ীরা জানান, ব্যাংকঋণের উচ্চ সুদহারও তাদের জন্য বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে। নতুন বিনিয়োগে অনীহা তৈরি হচ্ছে এবং অনেক প্রতিষ্ঠান তাদের সম্প্রসারণ পরিকল্পনা স্থগিত রেখেছে। বিশেষ করে ক্ষুদ্র ও মাঝারি উদ্যোক্তারা অর্থসংকটে বেশি ভুগছেন। বাজার বিশ্লেষকরা বলছেন, ব্যবসায়িক পরিবেশ স্থিতিশীল রাখতে হলে মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণ, সহজ শর্তে ঋণ প্রদান এবং সরবরাহ ব্যবস্থার উন্নয়ন জরুরি। পাশাপাশি ব্যবসায়ীদের জন্য নীতিগত সহায়তা বৃদ্ধি করলে তাঁরা সংকট মোকাবিলা করে অর্থনীতিতে আরও কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারবেন।

পুশইনের চেষ্টা : দেশের বিভিন্ন সীমান্ত এলাকায় গত কয়েক দিন ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনীর (বিএসএফ) অবৈধভাবে মানুষ ঠেলে পাঠানোর (পুশইন) অপচেষ্টা ঠেকানোর কথা জানিয়েছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)। একই সঙ্গে এ ধরনের সম্ভাব্য ‘পুশইন’ প্রতিরোধে সীমান্ত এলাকায় বিজিবি গোয়েন্দা নজরদারিসহ টহল কার্যক্রম জোরদার করেছে। সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, বিজিবি দ্ব্যর্থহীন ভাষায় জানাচ্ছে, সীমান্ত দিয়ে কোনো ব্যক্তি বা গোষ্ঠীকে অবৈধভাবে বাংলাদেশে ঢুকতে দেওয়া হবে না। আন্তর্জাতিক সীমান্ত ব্যবস্থাপনা, বিদ্যমান আইন ও দ্বিপক্ষীয় সমঝোতার পরিপন্থি যেকোনো পুশইন করার প্রচেষ্টা কঠোরভাবে প্রতিহত করা হবে। সীমান্তে বিজিবির গোয়েন্দা নজরদারি, টহল ও অপারেশনাল কার্যক্রম জোরদার করা হয়েছে।

সূত্র : বাংলাদেশ প্রতিদিন

একনজরে আজকের কালের কণ্ঠ (৭ জুন)

অনলাইন ডেস্ক
একনজরে আজকের কালের কণ্ঠ (৭ জুন)
সংস্কারে প্যাঁচ কষে প্রবাসে আলী রীয়াজ

সংস্কারে প্যাঁচ কষে প্রবাসে আলী রীয়াজ

দেশের অর্থনৈতিকসহ নানা সংকটের মধ্যে বাড়তি আশঙ্কা বাড়াচ্ছে সংবিধান সংস্কারসহ অন্তর্বর্তী সরকারের রেখে যাওয়া...

 

বিচার দেখতে চায় ভুক্তভোগী সবাই

বিচার দেখতে চায় ভুক্তভোগী সবাই

আট বছরের শিশু রামিসা আক্তারকে ধর্ষণ ও হত্যার বিচার শেষে মামলার রায় হচ্ছে মাত্র ২০ দিনে। ক্ষোভ-বিক্ষোভে ফেটে পড়া...

 

দুই বাসার তিন ফুটেও শিশুদের নিরাপত্তা নেই : রামিসার বাবা

দুই বাসার তিন ফুটেও শিশুদের নিরাপত্তা নেই : রামিসার বাবা

রাজধানীর পল্লবীতে শিশু রামিসা ধর্ষণের পর হত্যার মামলায় প্রধান আসামি সোহেল রানা এবং তাঁর স্ত্রী স্বপ্না...

 

বিদ্যুতের মূল্যবৃদ্ধিতে কমবে রপ্তানি সক্ষমতা

বিদ্যুতের মূল্যবৃদ্ধিতে কমবে রপ্তানি সক্ষমতা

বৈশ্বিক বাজারে ক্রেতাদের মূল্যচাপ, কাঁচামাল ও পরিবহন ব্যয় বৃদ্ধি এবং দেশের ভেতরে জ্বালানিসংকটের মধ্যে নতুন করে...

 

শূন্যরেখা থেকে বেশ কজনকে ফিরিয়ে নিয়েছে বিএসএফ

শূন্যরেখা থেকে বেশ কজনকে ফিরিয়ে নিয়েছে বিএসএফ

বাংলাদেশের উত্তর ও পশ্চিমাঞ্চলীয় সীমান্ত এলাকাগুলোতে হঠাৎ করেই ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী বা বিএসএফ কর্তৃক...

 

রোহিঙ্গা সমস্যা সমাধানে দুই দেশ একসঙ্গে কাজ করবে

রোহিঙ্গা সমস্যা সমাধানে দুই দেশ একসঙ্গে কাজ করবে

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন ঢাকা সফররত তুরস্কের পররাষ্ট্রমন্ত্রী হাকান ফিদান।...

 

উপকারভোগী নির্বাচনই চ্যালেঞ্জ

উপকারভোগী নির্বাচনই চ্যালেঞ্জ

দারিদ্র্য, মূল্যস্ফীতি ও আয়বৈষম্যের চাপ মোকাবেলায় সামাজিক সুরক্ষাকে নতুন কাঠামোয় ঢেলে সাজাচ্ছে সরকার। আগামী...

 

সংসদ সদস্যদের প্রতিটি সিদ্ধান্ত ও বক্তব্য হতে হবে গণমুখী

সংসদ সদস্যদের প্রতিটি সিদ্ধান্ত ও বক্তব্য হতে হবে গণমুখী

বিরোধীদলীয় নেতা ও বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান বলেছেন, জনগণের প্রতিনিধি হিসেবে সংসদ সদস্যদের...

 

ফাইনাল হারের হতাশা বাংলাদেশের

ফাইনাল হারের হতাশা বাংলাদেশের

যে ছন্দোময় ফুটবলের খোঁজে ছিলেন বাংলাদেশের মেয়েরা, তা পাওয়া গেল টুর্নামেন্টের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ফাইনালে এসে।...

 

হতাশা কাটানোর সুযোগ ফ্রান্সের

হতাশা কাটানোর সুযোগ ফ্রান্সের

কাতারের লুসাইল স্টেডিয়ামের সেই রাতের কথা সহজে ভুলতে পারার কথা নয় ফ্রান্সের। ফুটবল বিশ্বকাপের ইতিহাসে সেরা...

 

জীবনভর দিয়েথুয়ে শেষবেলায় নিঃস্ব

জীবনভর দিয়েথুয়ে শেষবেলায় নিঃস্ব

হুমায়ুন কবীর (ছদ্মনাম) অবসরপ্রাপ্ত সরকারি চাকরিজীবী। তাঁর স্ত্রী নেই। দুই চাকরিজীবী ছেলের একজন যুক্তরাজ্যে,...

 

উন্মাদনার প্রতিফলন পতাকায়

উন্মাদনার প্রতিফলন পতাকায়

গ্রামের নাম বড়হাতিয়া। নামে যেমন, তেমনি কাজেও বিশাল কিছু ঘটিয়ে ফেলেছেন এই গ্রামের ফুটবলপাগল মানুষ। বিশ্বকাপ...

 

উপকূলীয় নারীদের প্রজনন স্বাস্থ্যঝুঁকি বাড়ছে

উপকূলীয় নারীদের প্রজনন স্বাস্থ্যঝুঁকি বাড়ছে

জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে তাপপ্রবাহ, ডেঙ্গু, পানিবাহিত রোগ ও প্রজনন স্বাস্থ্যঝুঁকি বাড়ছে। তবে এ পরিস্থিতিতে...

 

মবে নির্যাতনের দুই দিন পরও কোনো গ্রেপ্তার নেই

মবে নির্যাতনের দুই দিন পরও কোনো গ্রেপ্তার নেই

দিনদুপুরে শত শত মানুষের সামনে মাদক বিক্রির অভিযোগে স্ত্রী ও মায়ের সামনে একজন মানুষকে মব সৃষ্টি করে বর্বরোচিত...

 

ইসরায়েল নিয়ে বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্রের বেশির ভাগ মানুষের মনোভাব নেতিবাচক

ইসরায়েল নিয়ে বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্রের বেশির ভাগ মানুষের মনোভাব নেতিবাচক

বিশ্বের ৩৬টি দেশের বেশির ভাগ সংখ্যাগরিষ্ঠ মানুষ ইসরায়েলের প্রতি নেতিবাচক মনোভাব পোষণ করেন। সেই সঙ্গে দেশটির...

 

সাদামাটা নির্বাচনেও চমকের প্রত্যাশা

সাদামাটা নির্বাচনেও চমকের প্রত্যাশা

আজ বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) পরিচালনা পর্ষদের নির্বাচন। মিরপুরের বিসিবি কার্যালয়ে সকাল ১০টা থেকে বিকেল...

 

জাবিতে নতুন দুই প্রোভিসি

জাবিতে নতুন দুই প্রোভিসি

জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে (জাবি) দুজন নতুন প্রো ভাইস চ্যান্সেলর (প্রোভিসি) নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।...

 

ফ্যামিলি কার্ড থেকে খাল খনন রাষ্ট্র গড়ার প্রথম ১০০ দিন

ফ্যামিলি কার্ড থেকে খাল খনন রাষ্ট্র গড়ার প্রথম ১০০ দিন

বাংলাদেশের রাজনীতিতে প্রথম ১০০ দিন একটি প্রতীকী সময়। এই সময়কে ঘিরে জনগণের প্রত্যাশা থাকে আকাশছোঁয়া, সমালোচকদের...

 

শ্রেষ্ঠত্বের বিতর্ক নয়, বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রয়োজন মানসম্পন্ন গবেষণা

শ্রেষ্ঠত্বের বিতর্ক নয়, বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রয়োজন মানসম্পন্ন গবেষণা

সাম্প্রতিক সময়ে একজন রাজনৈতিক নেতা (মন্ত্রী) এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের একজন অধ্যাপকের মধ্যে যে বক্তব্য ও...

 

মশার উপদ্রব বন্ধ হোক

মশার উপদ্রব বন্ধ হোক

বর্তমান বাংলাদেশের বিভিন্ন শহরে মশার প্রকোপ আশঙ্কাজনকভাবে বৃদ্ধির ফলে ডেঙ্গু, চিকুনগুনিয়া ইত্যাদি গুরুতর...

 

সব হারিয়ে নিঃস্ব মমতা!

সব হারিয়ে নিঃস্ব মমতা!

শূন্য থেকে তৃণমূল কংগ্রেস (টিএমসি) গড়ে তোলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এখন তিনি সবচেয়ে কঠিন পরীক্ষার মুখোমুখি।...

 

ভারতে ককরোচ জনতা পার্টির বিক্ষোভ, আটক ৬

ভারতে ককরোচ জনতা পার্টির বিক্ষোভ, আটক ৬

ভারতের রাজধানী নয়াদিল্লির যন্তর-মন্তরে গতকাল শনিবার ককরোচ জনতা পার্টি (সিজেপি) বিক্ষোভ করেছে। এতে শত শত...

 

ইজারা নিয়ে জলাশয়ে বাণিজ্যিক পার্ক

ইজারা নিয়ে জলাশয়ে বাণিজ্যিক পার্ক

কুষ্টিয়ার ভেড়ামারায় বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ডের (পাউবো) গঙ্গা-কপোতাক্ষ (জিকে) সেচ প্রকল্পের অধীনে থাকা ৫০ একরের...

 

লামায় বিনামূল্যে তিন মাসের সেলাই প্রশিক্ষণ শুরু

লামায় বিনামূল্যে তিন মাসের সেলাই প্রশিক্ষণ শুরু

বান্দরবানের লামায় গত শুক্রবার দরিদ্র, সুবিধাবঞ্চিত ও সমাজের পিছিয়ে পড়া নারীদের স্বাবলম্বী করার লক্ষ্যে লামা...

 

কনটেন্ট ক্রিয়েটরদের আয় করমুক্ত

কনটেন্ট ক্রিয়েটরদের আয় করমুক্ত

ফেসবুক, ইউটিউবসহ বিভিন্ন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম থেকে অর্থ আয় করেন কনটেন্ট ক্রিয়েটররা। তাঁদের আয় থেকে ৭.৫০ শতাংশ...

 

বৈদ্যুতিক গাড়িতে চীনের গর্ব ‘বিওয়াইডি’

বৈদ্যুতিক গাড়িতে চীনের গর্ব ‘বিওয়াইডি’

বিওয়াইডিকে বলা হয় টেসলা কিলার। কম্পানিটিকে কেন টেসলা কিলার বলা হয় তা জানতে হলে ফিরে যেতে হবে ২০১১ সালে। টেসলা সে...

 

উচ্চ করে নবায়নযোগ্য জ্বালানিতে পিছিয়ে দেশ

উচ্চ করে নবায়নযোগ্য জ্বালানিতে পিছিয়ে দেশ

দেশের জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে আমদানিনির্ভর জীবাশ্ম জ্বালানির পরিবর্তে নবায়নযোগ্য জ্বালানিকে জাতীয়...

 

সরকারি দর মিলছে না রাজারহাটে

সরকারি দর মিলছে না রাজারহাটে

কোরবানির ঈদের পর দেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের বৃহত্তম কাঁচা চামড়ার মোকাম যশোরের রাজারহাটে দুটি বড় হাট অনুষ্ঠিত...

 

ফেরত যাচ্ছে ৬১ কোটি টাকার স্ক্র্যাপ জাহাজ

ফেরত যাচ্ছে ৬১ কোটি টাকার স্ক্র্যাপ জাহাজ

চট্টগ্রামের শিপব্রেকিং শিল্পে ভাঙার জন্য আমদানি করা প্রায় ৬১ কোটি টাকা মূল্যের মেমেই নামের একটি স্ক্র্যাপ...

 

গ্রামবাংলার সঞ্চয়ে ভর করে এগোচ্ছে এজেন্ট ব্যাংকিং

গ্রামবাংলার সঞ্চয়ে ভর করে এগোচ্ছে এজেন্ট ব্যাংকিং

দেশের গ্রামীণ ও প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর মধ্যে ব্যাংকিং সেবার বিস্তার এজেন্ট ব্যাংকিং খাতকে নতুন উচ্চতায় পৌঁছে...

 

স্কুল-কলেজে পড়ুয়া দরিদ্রদের জন্য জাকাতের অর্থ ব্যয়

স্কুল-কলেজে পড়ুয়া দরিদ্রদের জন্য জাকাতের অর্থ ব্যয়

যদি কেউ প্রকৃতপক্ষে গরিব হয়, অর্থাৎ তার কাছে নিসাব পরিমাণ সম্পদ না থাকে এবং তার পড়াশোনা ও মৌলিক প্রয়োজন পূরণের...

 
নারী পাচারে টোপ ‘ভালো চাকরি’ | কালের কণ্ঠ