• ই-পেপার

সামাজিক বনায়নের সুবিধাভোগীরা জলবায়ু ফান্ডের অর্থ পাবেন : রিজওয়ানা

মালয়েশিয়াগামী কর্মী ও রিক্রুটিং এজেন্টদের সতর্ক করে মন্ত্রণালয়ের জরুরি বিজ্ঞপ্তি

নিজস্ব প্রতিবেদক
মালয়েশিয়াগামী কর্মী ও রিক্রুটিং এজেন্টদের সতর্ক করে মন্ত্রণালয়ের জরুরি বিজ্ঞপ্তি
ছবি এআই দিয়ে তৈরি

মালয়েশিয়ায় কর্মী প্রেরণের আনুষ্ঠানিক প্রক্রিয়া শুরু হওয়ার আগে কোনো ধরনের আর্থিক লেনদেন, পাসপোর্ট সংগ্রহ বা মেডিক্যাল টেস্ট না করার জন্য কর্মী ও রিক্রুটিং এজেন্টদের সতর্ক করেছে প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়।

বুধবার (৮ জুলাই) মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে এ সংক্রান্ত একটি জরুরি বিজ্ঞপ্তি জারি করা হয়েছে।

বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয় থেকে মালয়েশিয়ায় কর্মী প্রেরণের বিষয়ে আনুষ্ঠানিক বিজ্ঞপ্তি জারি না করা পর্যন্ত কোনো ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে যোগাযোগ বা আর্থিক লেনদেন করা যাবে না। একই সঙ্গে প্রক্রিয়াটি আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু হওয়ার আগে কোনো ধরনের মেডিক্যাল টেস্ট বা এ বাবদ অর্থ লেনদেন থেকে বিরত থাকার জন্য স্পষ্ট নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

রিক্রুটিং এজেন্টদের উদ্দেশে বিজ্ঞপ্তিতে কঠোর হুঁশিয়ারি দিয়ে বলা হয়েছে, সরকারের পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিক বিজ্ঞপ্তি প্রকাশিত না হওয়া পর্যন্ত কোনো এজেন্সি মালয়েশিয়া গমনেচ্ছু কর্মীদের সঙ্গে কোনো ধরনের চুক্তিতে আবদ্ধ হতে পারবে না। এ ছাড়া কর্মীদের পাসপোর্ট সংগ্রহ, মেডিক্যাল টেস্ট করানো এবং যেকোনো ধরনের আর্থিক লেনদেন করা থেকে রিক্রুটিং এজেন্টদের সম্পূর্ণ বিরত থাকার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

মালয়েশিয়া গমন বা এ-সংক্রান্ত যেকোনো তথ্য ও অভিযোগের জন্য প্রবাসী কল্যাণ মন্ত্রণালয় যোগাযোগের ঠিকানা ও নম্বর প্রকাশ করেছে। দেশের ভেতর থেকে প্রবাসী কল সেন্টারের ১৬১৩৫ নম্বরে এবং বিদেশ থেকে +৮৮০৯৬১০১০২০৩০ নম্বরে যোগাযোগ করা যাবে।

এ ছাড়া মন্ত্রণালয়ের মালয়েশিয়া সংক্রান্ত ফোকাল পয়েন্ট কর্মকর্তা মো. হেদায়েতুল ইসলাম মন্ডলের সঙ্গে সরাসরি টেলিফোন +০২৪১০৩০২৪১, মোবাইল ০১৭১৬০৪৮১১৫ অথবা ইমেইলের [email protected] মাধ্যমে যোগাযোগ করার জন্য বিজ্ঞপ্তিতে অনুরোধ জানানো হয়েছে।

সরকারি খাসজমি অবৈধ দখলমুক্ত করা হবে : ভূমিমন্ত্রী

অনলাইন ডেস্ক
সরকারি খাসজমি অবৈধ দখলমুক্ত করা হবে : ভূমিমন্ত্রী
সংগৃহীত ছবি

সরকারি খাসজমি অবৈধ দখলমুক্ত করতে সরকার প্রয়োজনীয় সব ধরনের ব্যবস্থা গ্রহণ করবে বলে জানিয়েছেন ভূমিমন্ত্রী মিজানুর রহমান মিনু। তিনি বলেন, ‘ভূমিদস্যুমুক্ত সরকারি খাস জমি নিশ্চিত করতে সরকার কার্যকর পদক্ষেপ নিতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। একই সঙ্গে ভূমি মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন খাসজমি প্রকৃত ভূমিহীন মানুষের মধ্যে বিতরণেও সরকার অঙ্গীকারবদ্ধ।’

বুধবার (৮ জুলাই) জাতীয় সংসদে স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ বীর বিক্রমের সভাপতিত্বে কার্যপ্রণালি বিধির ৭১ বিধিতে ভোলা-৪ আসনের সরকারি দলের সংসদ সদস্য মোহাম্মদ নুরুল ইসলামের উত্থাপিত জরুরি জনগুরুত্বসম্পন্ন মনোযোগ আকর্ষণ নোটিশের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন।

ভূমিমন্ত্রী বলেন, বর্তমান সরকার জনগণের কল্যাণে কাজ করছে। এ লক্ষ্যে ১৮০ দিনের কর্মসূচিতে সরকারি খাসজমি উদ্ধার কার্যক্রমকে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। একই সঙ্গে প্রকৃত ভূমিহীনদের মধ্যে ভূমি মন্ত্রণালয়ের খাসজমি বিতরণে সরকার প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।

তিনি আশ্বাস দিয়ে বলেন, কোনো এলাকায় ৪০ থেকে ৪৫ বছর ধরে বসবাসরত দরিদ্র পরিবারগুলোর মধ্যে জেলা প্রশাসকের (ডিসি) মাধ্যমে খাসজমি বন্দোবস্ত দেওয়া হবে।

মন্ত্রী বলেন, অতীতে দায়িত্বে থাকা কিছু কর্মকর্তার ব্যর্থতার কারণে এ পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে। নির্বাচনী অঙ্গীকার অনুযায়ী অসহায় ও দরিদ্র মানুষের পাশে দাঁড়ানো তার নৈতিক দায়িত্ব বলেও তিনি উল্লেখ করেন।

তিনি পূর্ববর্তী সরকারের কঠোর সমালোচনা করে বলেন, সে সময় আমলে স্থানীয় ভূমিদস্যুরা সরকারি সম্পত্তি দখল করেছে।

খাসজমির বিষয়ে তিনি বলেন, প্রয়োজন হলে প্রতিটি পরিবারকে এক থেকে দুই কাঠা করে জমি বন্দোবস্ত দেওয়ার উদ্যোগ নেওয়া হবে।

মন্ত্রী জানান, অবৈধভাবে দখল হওয়া সরকারি জমি উদ্ধার এবং উদ্ধারকৃত খাস জমি যোগ্য উপকারভোগীদের মধ্যে বিতরণের জন্য সরকার ১৮০ দিনের অগ্রাধিকারভিত্তিক কর্মপরিকল্পনা গ্রহণ করেছে।

সরকারের কঠোর অবস্থানের কথা তুলে ধরে মিজানুর রহমান মিনু বলেন, অবৈধভাবে দখল হওয়া সরকারি জমি উদ্ধার করতে কঠোর আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। এর মধ্যে রয়েছে সরকার ও স্থানীয় কর্তৃপক্ষের ভূমি ও ভবন (দখল পুনরুদ্ধার) অধ্যাদেশ, ১৯৭০, ভূমি অপরাধ প্রতিরোধ ও প্রতিকার আইন, ২০২৩ এবং ভূমি অপরাধ প্রতিরোধ ও প্রতিকার বিধিমালা, ২০২৪-এর বাস্তবায়ন।

তিনি আরো জানান, মাঠপর্যায়ে উদ্ধার অভিযান পরিচালনার জন্য জেলা প্রশাসকদের অনুকূলে প্রয়োজনীয় অর্থ বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি কার্যক্রমের কার্যকর বাস্তবায়ন নিশ্চিত করতে প্রয়োজনীয় নির্দেশনাও দেওয়া হয়েছে।

সেনাবাহিনীর আধুনিকায়নে ৮৬ হাজার কোটি টাকার পরিকল্পনা

অনলাইন ডেস্ক
সেনাবাহিনীর আধুনিকায়নে ৮৬ হাজার কোটি টাকার পরিকল্পনা
সংগৃহীত ছবি

দেশের সার্বভৌমত্ব, ভূখণ্ডগত অখণ্ডতা ও জাতীয় নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে আগামী ১০ বছরে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর আধুনিকায়নে প্রায় ৮৬ হাজার কোটি টাকার পরিকল্পনা নিয়েছে সরকার। একই সঙ্গে নৌবাহিনীতে আধুনিক ফ্রিগেট, করভেট, অফশোর প্যাট্রোল ভেসেল ও সাবমেরিন সংযোজন এবং বিমান বাহিনীতে চতুর্থ প্রজন্মের মাল্টি রোল কমব্যাট এয়ারক্রাফট (এমআরসিএ), অ্যাটাক হেলিকপ্টার, মাঝারি পাল্লার ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা, অ্যান্টি-ড্রোন প্রযুক্তি ও ইলেকট্রনিক ওয়ারফেয়ার সিস্টেম যুক্ত করার পরিকল্পনার কথা জানিয়েছে সরকার। 

পাশাপাশি ‘মেইড ইন বাংলাদেশ’ প্রতিরক্ষা শিল্প গড়ে তুলতে দেশীয় প্রতিরক্ষা শিল্পনীতি, ডিফেন্স ইন্ডাস্ট্রিয়াল জোন (ডিআইজেড) এবং প্রযুক্তি হস্তান্তরের (টিওটি) মাধ্যমে সামরিক উৎপাদন সক্ষমতা বাড়ানোর উদ্যোগও নেওয়া হয়েছে। 

বুধবার (৮ জুলাই) বিকালে জাতীয় সংসদের দ্বিতীয় ও প্রথম বাজেট অধিবেশনের ২১তম প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত দুটি আলাদা প্রশ্নের লিখিত উত্তরে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান এসব তথ্য জানান।  

নেত্রকোনা-৫ আসনের সংসদ সদস্য মাছুম মোস্তফার প্রশ্নের উত্তরে প্রধানমন্ত্রী বলেন, “দেশের সার্বভৌমত্ব, ভূখণ্ডগত অখণ্ডতা ও জাতীয় নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর সক্ষমতা উন্নয়ন ও আধুনিকায়নকে অগ্রাধিকার দেওয়া হয়েছে। এই লক্ষ্যে তিন বছর ও পরবর্তী সাত বছর মেয়াদি পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে।”  

প্রধানমন্ত্রী জানান, পরিকল্পনা বাস্তবায়নের মাধ্যমে সেনাবাহিনীর সামগ্রিক যুদ্ধ সক্ষমতা উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পাবে। এর আওতায় নতুন ট্যাংক ও সাঁজোয়া যুদ্ধযান যুক্ত করে স্থলযুদ্ধ সক্ষমতা বাড়ানো হবে। একই সঙ্গে আধুনিক আর্টিলারি রকেট ব্যবস্থা, ট্যাংকবিধ্বংসী অস্ত্র, স্বল্প ও মধ্যম পাল্লার আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা সংযোজনের মাধ্যমে দূরপাল্লায় নির্ভুল আঘাত এবং আকাশ প্রতিরক্ষা সক্ষমতা আরো শক্তিশালী করা হবে। 

লিখিত উত্তরে আরো বলা হয়, সেনাবাহিনীতে আনম্যানড এরিয়াল ভেহিকল (ইউএভি), কাউন্টার ইউএভি এবং আধুনিক নজরদারি প্রযুক্তি সংযোজনের মাধ্যমে গোয়েন্দা তথ্য সংগ্রহ, পর্যবেক্ষণ ও পরিস্থিতি অনুধাবনের সক্ষমতা বাড়ানো হবে। পাশাপাশি বিমানযোগে অভিযান পরিচালনা, আকাশপথে সৈন্য ও সরঞ্জাম স্থানান্তর এবং নদীপথে পরিবহন সক্ষমতা বৃদ্ধি করে বাহিনীর কৌশলগত ও অপারেশনাল গতিশীলতা আরো সুসংহত করা হবে।  

প্রধানমন্ত্রী জানান, দীর্ঘমেয়াদি যুদ্ধ পরিচালনার সক্ষমতা নিশ্চিত করতে আর্টিলারি গোলাবারুদ, এমএলআরএস রকেট, ট্যাংকের গোলাবারুদ, অ্যান্টি-ট্যাংক গাইডেড মিসাইলসহ বিভিন্ন ধরনের অস্ত্র ও গোলাবারুদের প্রয়োজনীয় মজুদ গড়ে তোলার পরিকল্পনাও নেওয়া হয়েছে।  

তিনি বলেন, ‘প্রতিরক্ষা ক্ষেত্রে আত্মনির্ভরতা অর্জনের লক্ষ্যে ফিউজ ও প্রাইমার, আধুনিক অ্যাসল্ট রাইফেল, অ্যান্টি-ট্যাংক গাইডেড মিসাইল, বুলেটপ্রুফ জ্যাকেট, হেলমেটসহ বিভিন্ন সামরিক সরঞ্জামের দেশীয় উৎপাদন অবকাঠামো ও প্রযুক্তিগত সক্ষমতা গড়ে তোলা হবে। এতে বৈদেশিক নির্ভরতা কমবে এবং দেশের প্রতিরক্ষা শিল্পের বিকাশ ঘটবে।’  

প্রধানমন্ত্রী জানান, এসব লক্ষ্য বাস্তবায়নে আগামী ১০ বছরে প্রায় ৮৬ হাজার কোটি টাকার প্রয়োজন হবে। পরিকল্পনা বাস্তবায়িত হলে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী আরো প্রযুক্তিনির্ভর, বহুমাত্রিক, আত্মনির্ভর ও যুদ্ধোপযোগী বাহিনীতে পরিণত হবে।  

নৌবাহিনী প্রসঙ্গে লিখিত উত্তরে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘দেশের সার্বভৌমত্ব, জাতীয় নিরাপত্তা এবং সমুদ্রে নজরদারি জোরদারে বর্তমানে নৌবাহিনীর যুদ্ধজাহাজ ও আকাশযান সার্বক্ষণিক দায়িত্ব পালন করছে এবং ভবিষ্যতেও এই কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।’  

তিনি জানান, নৌবাহিনীর আধুনিকায়নের অংশ হিসেবে আধুনিক ফ্রিগেট, করভেট, অফশোর প্যাট্রোল ভেসেল এবং সাবমেরিন সংযোজনের পরিকল্পনা রয়েছে। পাশাপাশি বিভিন্ন ধরনের মনুষ্যবিহীন প্ল্যাটফর্ম যুক্ত করা, নতুন নৌঘাঁটি নির্মাণ, বিদ্যমান ঘাঁটির উন্নয়ন, দেশীয় জাহাজ নির্মাণ সক্ষমতা বৃদ্ধি, নৌসদস্যদের উন্নত প্রশিক্ষণ এবং আন্তর্জাতিক সহযোগিতা ও যৌথ মহড়া বাড়ানোর পরিকল্পনাও রয়েছে। 

অনার্স পর্যন্ত মেয়েদের শিক্ষা ফ্রি করতে চান প্রধানমন্ত্রী

অনলাইন ডেস্ক
অনার্স পর্যন্ত মেয়েদের শিক্ষা ফ্রি করতে চান প্রধানমন্ত্রী
সংগৃহীত ছবি

বেগম খালেদা জিয়ার সরকার মেয়েদের শিক্ষার ব্যবস্থা ইন্টারমিডিয়েট পর্যন্ত ফ্রি করেছিলেন উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, ‘আমরা এবার অনার্স পর্যন্ত মেয়েদের শিক্ষা ফ্রি করতে চাই।’  বুধবার (৮ জুলাই) বিকেলে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের দ্বিতীয় ও প্রথম বাজেট অধিবেশনের ২১তম দিনে সংসদ সদস্য হেলেন জেরিন খানের সম্পূরক প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘বর্তমান বিএনপি সরকার নারীশিক্ষার পাশাপাশি নারীদের এমপাওয়ারমেন্ট, অর্থাৎ অর্থনৈতিকভাবেও যাতে তারা শক্তিশালী হতে পারে, এমপাওয়ার হতে পারে সে জন্য ফ্যামিলি কার্ড চালু করেছে। আমরা একই সঙ্গে আরেকটি পরিকল্পনা গ্রহণ করেছি—বেগম খালেদা জিয়া সরকার মেয়েদের শিক্ষার ব্যবস্থা ইন্টারমেডিয়েট পর্যন্ত ফ্রি করেছিল। আমরা এবার অনার্স পর্যন্ত মেয়েদের শিক্ষার ব্যবস্থা ফ্রি করতে চাই। ডিগ্রি বা অনার্স পর্যন্ত।’

তিনি আরো বলেন, ‘আজ আমাদের সঙ্গে গ্যালারিতে অনেক নারী শিক্ষার্থী উপস্থিত আছেন। তারাও সরাসরি এই সংসদ অধিবেশনটি দেখছেন। আমরা অনার্স পর্যন্ত নারীদের শিক্ষা ফ্রি করব এবং তাদের মধ্যে যারা ভালো রেজাল্ট করবে তাদের স্কলারশিপ দিতে চাই।’ 

মহিলা আসনের সংসদ শাম্মী আক্তারের সম্পূরক প্রশ্নের জবাবে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আমরা ক্লাস ওয়ান থেকে ক্লাস ফাইভ পর্যন্ত প্রাইমারি স্কুলের বাচ্চাদের স্কুল ড্রেস প্রদানের পরিকল্পনা গ্রহণ করেছি। একই সঙ্গে তাদের স্কুল ব্যাগও দেব। আমি সব সংসদ সদস্যকে আশ্বস্ত করে বলতে চাই, আমরা পর্যায়ক্রমিকভাবে সমগ্র বাংলাদেশের সরকারি প্রায় ৬৫ হাজার প্রাথমিক বিদ্যালয় আছে। এসব বিদ্যালয়ে প্রায় এক কোটি ২০ লাখের মতো বাচ্চা আছে। আমরা পর্যায়ক্রমিকভাবে ক্লাস ওয়ান থেকে ফাইভ পর্যন্ত সব বাচ্চাদের কাছেই পৌঁছানোর চেষ্টা করব।’

সামাজিক বনায়নের সুবিধাভোগীরা জলবায়ু ফান্ডের অর্থ পাবেন : রিজওয়ানা | কালের কণ্ঠ