• ই-পেপার

সরকারি কর্মচারীদের মহার্ঘ ভাতার সিদ্ধান্ত যৌক্তিক : প্রেসসচিব

পাউচ ও হিটেড টোব্যাকো বৈধকরণ জনস্বাস্থ্যেকে ক্ষতিগ্রস্ত করবে : বাটা ও বিএটিটিপি

নিজস্ব প্রতিবেদক
পাউচ ও হিটেড টোব্যাকো বৈধকরণ জনস্বাস্থ্যেকে ক্ষতিগ্রস্ত করবে : বাটা ও বিএটিটিপি
সংগৃহীত ছবি

প্রস্তাবিত বাজেটে তামাকজাত দ্রব্যের দাম কাঙ্ক্ষিত পরিমাণ বৃদ্ধি করা হয়নি বরং নতুন দুই ধরণের তামাক পণ্যকে করের আওতায় এনে বৈধতা দেওয়া হয়েছে। এভাবে নিকোটিন পাউচ ও হিটেড টোব্যাকোর (ই-সিগারেট, ভেপ ইত্যাদি) বৈধকরণ এবং তামাকজাত দ্রব্যের সামান্য মূল্য বৃদ্ধি জনস্বাস্থ্যকে মারাত্বক ক্ষতিগ্রস্ত করবে বলে মনে করছে বাংলাদেশ তামাক বিরোধী জোট (বাটা) ও তামাক কর বিষয়ক নলেজ হাব বাংলাদেশ নেটওয়ার্ক ফর টোব্যাকো ট্যাক্স পলিসি (বিএনটিটিপি)।

বৃহস্পতিবার (১১ জুন ) গণমাধ্যমে প্রেরিত তাৎক্ষণিক বাজেট প্রতিক্রিয়ায় এ সব তথ্য জানানো হয়েছে। আরো বলা হয়, প্রথমে আইন থেকে নিকোটিন পাউচ ও হিটেড টোব্যাকো পণ্য নিষিদ্ধের বিধান বাদ দেওয়া হয়েছে। তারপর জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞদের উদ্বেগ ও পরামর্শ উপেক্ষা করে করের আওতায় এনে এসব পণ্যকে বৈধতা দেওয়া হয়েছে। সরকারের এই সিদ্ধান্তে জনস্বাস্থ্য পরিস্থিতির ভয়াবহ অবনতিসহ দেশের কোটি কিশোর-তরুণ নতুন নেশার ফাঁদে আটকে পড়বে। শুধুমাত্র রাজস্ব আয় বিবেচনায় নিয়ে এমন ক্ষতিকর নেশাকে বৈধতা দেওয়ায় মানুষ হতাশ হয়েছে। 

প্রতিক্রিয়ায় বলা হয়েছে, জনস্বাস্থ্য বিবেচনায় তামাকজাত দ্রব্যে অ্যাডভেলরেমের পাশাপাশি সুনির্দিষ্ট করারোপের দাবি জানিয়েছিলেন দেশের জনস্বাস্থ্য ও তামাক নিয়ন্ত্রণ বিশেষজ্ঞরা। কিন্তু সরকার কেবল সিগারেটের যৎসামান্য মূল্য বাড়িয়েছে। সিগারেটের ১০ শলাকার মূল্য নিম্ন স্তরে ৬০ টাকা থেকে বাড়িয়ে ৬২ টাকা, মধ্যম স্তরে ৮০ টাকা থেকে ৯২ টাকা, উচ্চ স্তরে ১৪০ টাকা থেকে ১৬০ টাকা এবং অতিউচ্চ স্তরে ১৮৫ টাকা থেকে বাড়িয়ে ২১০ টাকা করা হয়েছে। বাজারে সিগারেটের প্রায় ৭৫ শতাংশ বিক্রি হয় নিম্ন স্তরের সিগারেট। এই স্তরের মূল্য মাত্র ২ টাকা বা ৩.৩ শতাংশ বৃদ্ধি করা হয়েছে। বর্তমানে দেশে গড় মূল্যস্ফীতি ৯ শতাংশের ওপরে। তাই সামান্য মূল্য বৃদ্ধি নিম্ন স্তরের সিগারেটকে আরো সহজলভ্য করবে। 

আরো বলা হয়, জনস্বাস্থ্য সুরক্ষায় তামাকের ব্যবহার কমিয়ে আনা ও রাজস্ব আয় বৃদ্ধির লক্ষ্যে প্রতিবছর সরকার তামাকজাত দ্রব্যের মূল্য ও কর হার বৃদ্ধি করে থাকে। কিন্তু নিম্ন স্তরের সিগারেটের নামমাত্র মূল্য বৃদ্ধিতে ধূমপানের হার বৃদ্ধি পাবে পাশাপাশি অন্যান্য স্তরের সিগারেটের ভোক্তারা নিম্ন স্তরের সিগারেট সেবন শুরু করবে। ফলে ধূমপানের প্রবণতা বৃদ্ধির মাধ্যমে জনস্বাস্থ্য পরিস্থিতির অবনতি ঘটবে। বহুল ব্যবহৃত সিগারেটের সামান্য মূল্য বৃদ্ধি সরকারের রাজস্ব বৃদ্ধির লক্ষ্যকেও পূরণ করবে না বরং সুনির্দিষ্ট কর আরোপ না করায় তামাক কোম্পানির মুনাফা অযাচিতভাবে বৃদ্ধি পাবে। একইসঙ্গে বাজেট প্রস্তাবনা থেকে ‘ও তদুর্ধ্ব’ শব্দটি বাতিল না করায় মূল্য কারসাজির মাধ্যমে তামাক কোম্পানির রাজস্ব ফাঁকি ও মুনাফা বৃদ্ধির সুযোগ থেকে যাবে।

প্রতিক্রিয়ায় বলা হয়, নিম্ন স্তরের সিগারেটের নামমাত্র মূল্য বৃদ্ধি, ই-সিগারেট ও নিকোটিন পাউচকে বৈধতা প্রদান, বিড়ি, জর্দা ও গুলের মূল্য বৃদ্ধি না করা জনস্বাস্থ্যে প্রশ্নে আমাদের পেছনের দিকে চলার উদাহারণ হয়ে থাকবে। এসব সিদ্ধান্ত অত্যন্ত হতাশাজনক এবং জনস্বাস্থ্য সুরক্ষার প্রশ্নে নেতিবাচক। তবে সিগারেটের ট্যাক্স স্ট্যাম্পে কিউআর কোড ব্যবহার, ডিজিটাল ট্রাক ও ট্রেস ব্যবস্থার প্রচলণ, সিগারেট ও বিড়ির কাগজের ব্যবসা নিয়ন্ত্রণসহ কয়েকটি প্রস্তাবের প্রশংসা করে তারা বলেন, এইসব পদক্ষেপ সিগারেটের অবৈধ বানিজ্য প্রতিরোধের মাধ্যমে কর ফাঁকি প্রতিরোধ ও সরকারের রাজস্ব আয় বৃদ্ধিতে কার্যকর অবদান রাখবে বলে আশা প্রকাশ করা হয়েছে।

১২ পুলিশ কর্মকর্তার বদলি

অনলাইন ডেস্ক
১২ পুলিশ কর্মকর্তার বদলি
সংগৃহীত ছবি

পঞ্চগড়, মৌলভীবাজার, নোয়াখালী, ঝিনাইদহ ও ফেনী জেলায় পুলিশ সুপারসহ (এসপি) একই পদমর্যাদার ১২ কর্মকর্তাকে বদলি করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার (১১ জুন) স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের পুলিশ-১ শাখা থেকে জারি করা এক প্রজ্ঞাপনে এই তথ্য জানানো হয়েছে।

প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) উপপুলিশ কমিশনার (ডিসি) আবু সাইমকে পঞ্চগড়ে, ডিএমপির ডিসি মনিরুল ইসলামকে মৌলভীবাজারে, ডিএমপির ডিসি এন এম নাসিরুদ্দিনকে নোয়াখালীতে, ডিএমপির ডিসি মিয়া মোহাম্মদ আশিস বিন হাছানকে ঝিনাইদহে এবং সিআইডির এসপি প্রত্যুষ কুমার মজুমদারকে ফেনী জেলার এসপি হিসেবে বদলি করা হয়েছে।

একই সঙ্গে পঞ্চগড়ের এসপি মিজানুর রহমান, মৌলভীবাজারের এসপি রিয়াজুল ইসলাম ও এসপি মোহাম্মদ মাহবুব আলম খানকে পুলিশ অধিদপ্তরে সংযুক্ত করা হয়েছে। এ ছাড়া নোয়াখালীর এসপি টি এম মোশাররফ হোসেনকে সিআইডিতে, ঝিনাইদহের এসপি মাহফুজ আফজালকে এপিবিএনে এবং পিবিআইয়ের এসপি রাজীব ফরহান ও ট্যুরিস্ট পুলিশের এসপি নিহাদ আদনান তাইয়ানকে রংপুর রেঞ্জ কার্যালয়ে সংযুক্ত করা হয়েছে।

আদ্-দ্বীন হাসপাতালের নিয়মিত কার্যক্রম অব্যাহত রাখতে চায় কর্তৃপক্ষ

অনলাইন ডেস্ক
আদ্-দ্বীন হাসপাতালের নিয়মিত কার্যক্রম অব্যাহত রাখতে চায় কর্তৃপক্ষ

সম্প্রতি ৬ নবজাতকের আকস্মিক মৃত্যুর ঘটনায় রাজধানীর মগবাজারে অবস্থিত আদ্-দ্বীন মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের লাইসেন্স বাতিলের আদেশ দিয়েছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। এ আদেশের বিরুদ্ধে সরকারের কাছে আপিল করার জন্য হাসপাতাল কর্তৃপক্ষকে ৩০ দিনের সময় দেওয়া হয়েছে। 

বৃহস্পতিবার (১১ জুন) আদ্-দ্বীন ফাউন্ডেশনের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। এতে স্বাক্ষর করেন আদ্-দ্বীন ফাউন্ডেশনের পরিচালক (কম্পানি অ্যাফেয়ার্স) তারিকুল ইসলাম মুকুল।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী নির্ধারিত সময়ের মধ্যে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ আপিল করবে। একই সঙ্গে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত না হওয়া পর্যন্ত রোগীদের স্বার্থ বিবেচনায় হাসপাতালের নিয়মিত কার্যক্রম অব্যাহত রাখার সুযোগ দেওয়ার জন্য সরকারের প্রতি আহ্বান জানানো হয়েছে।

আদ্-দ্বীন হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনার পরও হাসপাতালের সব ধরনের চিকিৎসাসেবা স্বাভাবিকভাবে চালু রয়েছে। বর্তমানে হাসপাতালে ৪১৬ জন রোগী ভর্তি আছেন। এছাড়া ১১ জুন প্রায় এক হাজার রোগীকে বহির্বিভাগে চিকিৎসাসেবা দেওয়া হয়েছে।

হাসপাতালের তথ্য অনুযায়ী, বর্তমানে নবজাতক নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্র (এনআইসিইউ)-তে ৬০ জন, নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্র (আইসিইউ)-তে ২০ জন এবং করোনারি কেয়ার ইউনিট (সিসিইউ)-তে ৪ জন রোগী চিকিৎসাধীন রয়েছেন।

এর আগে আজ বৃহস্পতিবার বিকেলে ৬ নবজাতকের মৃত্যুর ঘটনায় আদ্‌-দ্বীন মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের জবাব সন্তোষজনক না হওয়ায় হাসপাতালটির লাইসেন্স বাতিল করা হয়েছে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. প্রভাত চন্দ্র বিশ্বাস এ তথ্য জানিয়েছেন।

এর আগে গতকাল বুধবার ছয় শিশুর মৃত্যু নিয়ে আদ্‌-দ্বীন হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের দেওয়া ব্যাখ্যায় সন্তুষ্ট নন বলে জানান স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন।

গত ২৭ মে সকাল ৬টা থেকে ৯টার মধ্যে রাজধানীর মগবাজারের আদ্-দ্বীন হাসপাতালে ছয় নবজাতক মারা যায়। এ ঘটনায় একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়।

জ্বালানি খাতে দীর্ঘমেয়াদি সহযোগিতার আশ্বাস যুক্তরাষ্ট্রের

নিজস্ব প্রতিবেদক
জ্বালানি খাতে দীর্ঘমেয়াদি সহযোগিতার আশ্বাস যুক্তরাষ্ট্রের

বাংলাদেশকে জ্বালানি খাতে দীর্ঘমেয়াদি সহযোগিতা অব্যাহত রাখার আশ্বাস দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। ওয়াশিংটন ডিসিতে এক উচ্চপর্যায়ের দ্বিপক্ষীয় বৈঠকে এই আশ্বাস দেওয়া হয়।

বৃহস্পতিবার (১১ জুন) বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজসম্পদ মন্ত্রণালয় থেকে পাঠানো এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে জ্বালানি খাতে দীর্ঘমেয়াদি সহযোগিতা জোরদার, বৈশ্বিক সরবরাহ চেইনের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা এবং প্রযুক্তিগত অংশীদারি বৃদ্ধির লক্ষ্যে ওয়াশিংটন ডিসিতে এক উচ্চপর্যায়ের দ্বিপক্ষীয় বৈঠক হয়েছে।

এতে বলা হয়, বৈঠকে বাংলাদেশের পক্ষে নেতৃত্ব দেন বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজসম্পদ মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত। অন্যদিকে যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষে নেতৃত্ব দেন দেশটির নবনিযুক্ত আন্ডার সেক্রেটারি অব এনার্জি কাইল হাউসভিট। বৈঠকে যুক্তরাষ্ট্রে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত তারেক মো. আরিফুল ইসলামও ছিলেন।

বৈঠকে দুই দেশের জ্বালানি নিরাপত্তা, অবকাঠামোগত উন্নয়ন, জ্বালানি সরবরাহ ব্যবস্থার স্থিতিশীলতা এবং আধুনিক জ্বালানি প্রযুক্তির আদান-প্রদান নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়। এ সময় জ্বালানি খাতে দীর্ঘমেয়াদি সহযোগিতা অব্যাহত রাখার বিষয়ে আশ্বাস দেয় মার্কিন পক্ষ।

সরকারি কর্মচারীদের মহার্ঘ ভাতার সিদ্ধান্ত যৌক্তিক : প্রেসসচিব | কালের কণ্ঠ