• ই-পেপার

আগামী বছরই জাতীয় নির্বাচন!

বাজেটের প্রকৃত সার্থকতা নির্ভর করে সফল বাস্তবায়নের ওপর : অর্থমন্ত্রী

অনলাইন ডেস্ক
বাজেটের প্রকৃত সার্থকতা নির্ভর করে সফল বাস্তবায়নের ওপর : অর্থমন্ত্রী

অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেছেন, সাম্প্রতিক জাতীয় বাজেট দেশের সর্বস্তরের মানুষের কাছে সমাদৃত হয়েছে। তবে একটি বাজেট প্রণয়নই শেষ কথা নয়, এর প্রকৃত সার্থকতা নির্ভর করে সফল বাস্তবায়নের ওপর।

আজ বৃহস্পতিবার অর্থ মন্ত্রণালয়ে অর্থ বিভাগের কর্মকর্তাদের সঙ্গে প্রথম মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন। সভায় সভাপতিত্ব করেন অর্থ বিভাগের সচিব ড. মো. খায়েরুজ্জামান মজুমদার।

অর্থমন্ত্রী বলেন, গত দেড়-দুই মাসের সম্মিলিত প্রচেষ্টায় প্রণীত বাজেটটি সফলভাবে বাস্তবায়নে অর্থ বিভাগের সব কর্মকর্তা-কর্মচারীকে আন্তরিকতার সঙ্গে কাজ করতে হবে। তিনি আশা প্রকাশ করেন, সবার যৌথ উদ্যোগে বাজেটের লক্ষ্য অর্জন সম্ভব হবে।

তিনি বলেন, সাধারণ মানুষের মধ্যে আমলাতন্ত্র নিয়ে যে নেতিবাচক ধারণা রয়েছে, তা পরিবর্তন করতে হবে। গত চার মাসের অভিজ্ঞতায় তিনি উপলব্ধি করেছেন, সম্মিলিতভাবে কাজ করলে যেকোনো চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করা সম্ভব। পরিবর্তিত বিশ্বের সঙ্গে তাল মিলিয়ে প্রচলিত ধ্যান-ধারণার বাইরে এসে উদ্ভাবনী চিন্তা ও নতুন কর্মপদ্ধতি গ্রহণের আহ্বান জানান তিনি।

আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেন, দাপ্তরিক সভাগুলোকে একমুখী না রেখে কর্মকর্তাদের মুক্ত ও স্বতঃস্ফূর্ত মতামত দেওয়ার সুযোগ নিশ্চিত করতে হবে। মুক্ত আলোচনা, পারস্পরিক সহযোগিতা এবং প্রথাগত চিন্তার বাইরে গিয়ে উদ্ভাবনী উপায়ে কাজ করার ওপর গুরুত্বারোপ করে তিনি বলেন, কর্মপরিবেশকে একটি পরিবারের মতো গড়ে তুলতে হবে। শুধু সমস্যা চিহ্নিত না করে তার কার্যকর সমাধানও তুলে ধরতে হবে।

তিনি আরও বলেন, অনুবিভাগগুলো থেকে সঠিক ও বস্তুনিষ্ঠ মতামত পাওয়া গেলে নীতিনির্ধারণে সেগুলো ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে। দেশের অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডের কেন্দ্রবিন্দু হিসেবে অর্থ বিভাগকে আরো কার্যকর ভূমিকা পালন করতে হবে এবং দেশের স্বার্থে সবাইকে নিজ নিজ দায়িত্ব নিষ্ঠার সঙ্গে পালন করতে হবে।

পরে সচিবালয়ে কক্সবাজারের সমন্বিত উন্নয়ন পরিকল্পনা বিষয়ক সভা শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে অর্থমন্ত্রী বলেন, কক্সবাজারকে আন্তর্জাতিক ও আঞ্চলিক পর্যটন কেন্দ্র হিসেবে গড়ে তুলতে সরকার একটি সমন্বিত মাস্টারপ্ল্যান প্রণয়নের উদ্যোগ নিয়েছে।

তিনি জানান, উপকূলীয় এলাকায় উন্নয়ন কার্যক্রমে দীর্ঘদিন ধরে বিদ্যমান ৫০ মিটার ও ৫০০ মিটারের বিধিনিষেধ পুনর্বিবেচনার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। পরিবেশের সুরক্ষা নিশ্চিত করেই পর্যটন এলাকায় হোটেল, মোটেল, রিসোর্ট ও অন্যান্য বিনোদনকেন্দ্র গড়ে তোলার সুযোগ সৃষ্টি করা হবে।

অর্থমন্ত্রী বলেন, কক্সবাজারকে ঘিরে সরকারের দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা রয়েছে। সেখানে আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর নির্মাণের কাজ এগিয়ে চলছে, রেল যোগাযোগ চালু হয়েছে এবং চট্টগ্রাম থেকে উন্নত সড়ক যোগাযোগ গড়ে তোলা হচ্ছে। এসব অবকাঠামোর সমন্বয়ে কক্সবাজারকে একটি আধুনিক ডিজিটাল পর্যটন নগরীতে রূপান্তর করা হবে।

তিনি বলেন, ২০৩৪ সালের মধ্যে বাংলাদেশকে এক ট্রিলিয়ন ডলারের অর্থনীতিতে উন্নীত করার লক্ষ্যে কক্সবাজারকে একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রবৃদ্ধি কেন্দ্র (গ্রোথ হাব) হিসেবে গড়ে তোলা হবে। পর্যটন, বাণিজ্য ও সেবাখাতের সম্প্রসারণের মাধ্যমে জাতীয় অর্থনীতিতে জেলার অবদান আরও বাড়বে।

কে সাংবাদিক, কে সাংবাদিক নয়, তা নির্ধারণে কর্তৃপক্ষ থাকা জরুরি : তথ্যমন্ত্রী

অনলাইন ডেস্ক
কে সাংবাদিক, কে সাংবাদিক নয়, তা নির্ধারণে কর্তৃপক্ষ থাকা জরুরি : তথ্যমন্ত্রী

কে সাংবাদিক আর কে সাংবাদিক নয়, তা নির্ধারণ করার জন্য যথাযথ কর্তৃপক্ষ থাকা জরুরি বলে মন্তব্য করেছেন তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন।

বৃহস্পতিবার (২৩ জুলাই) সচিবালয়ে তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের সম্মেলনকক্ষে প্রেস অ্যাক্রিডিটেশন কমিটির ৩৪তম এবং নবগঠিত কমিটির প্রথম সভায় দিকনির্দেশনামূলক বক্তব্যে তিনি এ মন্তব্য করেন।

তথ্যমন্ত্রী প্রেস অ্যাক্রিডিটেশন কমিটির সদস্যদের প্রতিটি সিদ্ধান্তে সংবিধান, প্রচলিত আইন ও বিধি-বিধানের যথাযথ প্রতিফলন নিশ্চিত করার পরামর্শ দেন। একই সঙ্গে তিনি সিদ্ধান্ত গ্রহণে দূরদর্শিতা, প্রজ্ঞা ও সর্বোচ্চ সংখ্যক মানুষকে ধারণ করার মানসিকতা নিশ্চিত করার আহ্বান জানান। পাশাপাশি সিদ্ধান্তগুলো যাতে সর্বজনগ্রাহ্য হয়‌ সে বিষয়টিও স্মরণ করিয়ে দেন তথ্যমন্ত্রী।

জহির উদ্দিন স্বপন বলেন, রাজনৈতিক দল হিসেবে নয়, বরং জনগণের ভোটে নির্বাচিত সরকারের দায়িত্বশীল প্রতিনিধি হিসেবে সব নাগরিকের প্রতি সমান দায়বদ্ধতা নিয়ে কাজ করতে হবে।

তিনি বলেন, গণমাধ্যম একটি বহুপক্ষীয় ক্ষেত্র। এখানে বিভিন্ন মত, দৃষ্টিভঙ্গি ও চিন্তার মানুষের সহাবস্থানের কোনো বিকল্প নেই। তাই কোনো সংকীর্ণ বা পক্ষপাতমূলক সিদ্ধান্ত নয়, বরং অন্তর্ভুক্তিমূলক সিদ্ধান্ত নেওয়ার মাধ্যমে সর্বোচ্চ সংখ্যক মানুষকে ধারণ করার নীতি অনুসরণ করতে হবে।

তথ্যমন্ত্রী বলেন, রাজনৈতিক নেতৃত্বের প্রকৃত সক্ষমতা কঠিন ও সংবেদনশীল পরিস্থিতিতেও গ্রহণযোগ্য ও অন্তর্ভুক্তিমূলক সিদ্ধান্ত নেওয়ার মধ্যেই নিহিত।

জহির উদ্দিন স্বপন বলেন, তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয় রাষ্ট্রের অন্যতম রাজনৈতিকভাবে সংবেদনশীল মন্ত্রণালয়। এখানে সামান্য ভুল সিদ্ধান্তও ভবিষ্যতে বড় রাজনৈতিক ও সামাজিক প্রভাব ফেলতে পারে। তাই তাৎক্ষণিক বিষয়ের বাইরে গিয়ে দীর্ঘমেয়াদি প্রভাব বিবেচনা করে সিদ্ধান্ত নিতে হবে। কমিটির সদস্যদের প্রজ্ঞা, অভিজ্ঞতা ও দূরদর্শিতার ওপরই সিদ্ধান্তের গ্রহণযোগ্যতা নির্ভর করবে।

প্রধান তথ্য কর্মকর্তা সৈয়দ আবদাল আহমদের সভাপতিত্বে সভায় তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের সচিব (রুটিন দায়িত্ব) মো. শাহ আলমসহ মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা ও প্রেস অ্যাক্রিডিটেশন কমিটির সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।

মন্ত্রিসভায় বগুড়া উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ গঠনের অনুমোদন

অনলাইন ডেস্ক
মন্ত্রিসভায় বগুড়া উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ গঠনের অনুমোদন

বগুড়ায় উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ গঠন করতে এসংক্রান্ত আইনের খসড়ার চূড়ান্ত অনুমোদন দিয়েছে মন্ত্রিসভা।

বৃহস্পতিবার (২৩ জুলাই) সচিবালয়ে অনুষ্ঠিত মন্ত্রিসভা বৈঠকে এ অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

এতে বলা হয়, বগুড়া ও এর সন্নিহিত এলাকা সমন্বয়ে একটি পরিকল্পিত আধুনিক নগর প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে এ অঞ্চলের ভূ-প্রাকৃতিক পরিবেশ ও প্রতিবেশের ভারসাম্য বজায় রাখা, অপরিকল্পিত নগরায়ণ রোধ করা, দুর্যোগ সহনশীল নগর ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করা, তথ্য-প্রযুক্তি ও পর্যটন শিল্পের বিকাশ এবং উন্নত নাগরিক জীবন নিশ্চিত করার লক্ষ্যে ‘বগুড়া উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ আইন, ২০২৬’-এর খসড়া মন্ত্রিসভা-বৈঠকে উপস্থাপন করা হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে আরো বলা হয়, এ আইনের মাধ্যমে বগুড়া সিটি করপোরেশন ও সংলগ্ন এলাকা নিয়ে চেয়ারম্যান, সার্বক্ষণিক সদস্য ও বিভিন্ন সংস্থার প্রতিনিধি সমন্বয়ে বগুড়া উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (বউক) শিরোনামে একটি সংবিধিবদ্ধ সংস্থা প্রতিষ্ঠা করা হবে। এ কর্তৃপক্ষ গণশুনানি ও প্রাক-প্রকাশসহ বিধিবদ্ধ প্রক্রিয়ায় মহাপরিকল্পনা থেকে উন্নয়ন প্রকল্প ও স্থানীয় পরিকল্পনা পর্যন্ত একটি পর্যায়ভিত্তিক পরিকল্পনা কাঠামো নির্ধারণ করবে।

কর্তৃপক্ষের ছাড়পত্র ব্যতীত কোনো নির্মাণ বা প্রকল্প গ্রহণ করা যাবে না। নদী-নালা, জলাশয়, খেলার মাঠ ও উন্মুক্ত স্থান সুরক্ষায় কঠোর পরিবেশগত বিধিনিষেধ আরোপ, ভূমি পুনর্বিন্যাস ও ভূমি পুনঃউন্নয়নের মতো আধুনিক ভূমি ব্যবস্থাপনা কৌশল প্রবর্তন; অননুমোদিত নির্মাণ ও জলাধার ভরাটসহ বিভিন্ন অপরাধের জন্য কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ড নির্ধারণের পাশাপাশি নিজস্ব তহবিল, উন্নয়ন ফি ধার্য, ঋণগ্রহণ ও নিরীক্ষার বিধান এ আইনে অন্তর্ভুক্ত আছে।

লেজিসলেটিভ ও সংসদ বিষয়ক বিভাগের ভেটিং-সাপেক্ষে ‘বগুড়া উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ আইন, ২০২৬’-এর খসড়া চূড়ান্ত অনুমোদন করা হয়েছে বলেও সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়।

মন্ত্রিসপরিষদ বৈঠকে বগুড়া উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ আইনের খসড়া অনুমোদন

বাসস
মন্ত্রিসপরিষদ বৈঠকে বগুড়া উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ আইনের খসড়া অনুমোদন

মন্ত্রিসপরিষদের ১৪তম সভায় বগুড়া উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ আইন-২০২৬ এর খসড়া নীতিগত ও চুড়ান্তভাবে অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (২৩ জুলাই) সচিবালয়ে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় আইনটির খসড়ায় অনুমোদন দেওয়া হয়। আইনটি প্রনয়ণের জন্য গৃহায়ণ ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয় উদ্যোগ নিয়েছে।

মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের তথ্য ও জনসংযোগ কর্মকর্তা মোল্লা কুতুবদ-দ্বীন বৈঠকের সারসংক্ষেপ জানান। বৈঠকে আইনটির প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরা হয়। বগুড়া ও এর সন্নিহিত এলাকার সমন্বয়ে একটি পরিকল্পিত ও আধুনিক নগর প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে এই অঞ্চলের ভূ-প্রাকৃতিক পরিবেশ ও প্রতিবেশের ভারসাম্য বজায় রাখা, অপরিকল্পিত নগরায়ন রোধ করা, দুর্যোগ সহনশীল নগর ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করা, তথ্য-প্রযুক্তি ও পর্যটন শিল্পের বিকাশ এবং উন্নত নাগরিক জীবন নিশ্চিত করার লক্ষ্যে ‘বগুড়া উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ আইন, ২০২৬’ খসড়ার অনুমোদন প্রয়োজন।

এ আইনের মাধ্যমে বগুড়া সিটি করপোরেশন ও সংলগ্ন এলাকা নিয়ে চেয়ারম্যান, সার্বক্ষণিক সদস্য ও বিভিন্ন সংস্থার প্রতিনিধি সমন্বয়ে ‘বগুড়া উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ’ শিরোনামে একটি সংবিধিবদ্ধ সংস্থা প্রতিষ্ঠা করা হবে। এ কর্তৃপক্ষ গণশুনানি ও প্রাক-প্রকাশসহ বিধিবদ্ধ প্রক্রিয়ায় মহাপরিকল্পনা থেকে উন্নয়ন প্রকল্প ও স্থানীয় পরিকল্পনা পর্যন্ত একটি পর্যায়ভিত্তিক পরিকল্পনা কাঠামো নির্ধারণ করবে, যেখানে কর্তৃপক্ষের ছাড়পত্র ব্যতীত কোনো নির্মাণ বা প্রকল্প গ্রহণ করা যাবে না। নদী-নালা, জলাশয়, খেলার মাঠ ও উন্মুক্ত স্থান সুরক্ষায় কঠোর পরিবেশগত বিধিনিষেধ আরোপ; ভূমি পুনর্বিন্যাস, ও ভূমি পুনঃউন্নয়নের মতো আধুনিক ভূমি ব্যবস্থাপনা কৌশল প্রবর্তন; অননুমোদিত নির্মাণ ও জলাধার ভরাটসহ বিভিন্ন অপরাধের জন্য কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ড নির্ধারণের পাশাপাশি নিজস্ব তহবিল, উন্নয়ন ফি ধার্য্য, ঋণগ্রহণ ও নিরীক্ষার বিধান এ আইনে অন্তর্ভুক্ত আছে।

লেজিসলেটিভ ও সংসদ বিষয়ক বিভাগের ভেটিং-সাপেক্ষে ‘বগুড়া উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ আইন, ২০২৬’-এর খসড়া চূড়ান্ত অনুমোদন করা হয়েছে।

আগামী বছরই জাতীয় নির্বাচন! | কালের কণ্ঠ