• ই-পেপার

নাহিদ-আসিফ উপদেষ্টা হওয়ার পর যা বললেন সারজিস

বাংলাদেশকে ‘উন্নয়নের উদাহরণ’ হিসেবে তুলে ধরতে চায় ইউএনএফপিএ

নিজস্ব প্রতিবেদক
বাংলাদেশকে ‘উন্নয়নের উদাহরণ’ হিসেবে তুলে ধরতে চায় ইউএনএফপিএ

বাংলাদেশের জনমিতিক সহনশীলতা, নারীর ক্ষমতায়ন, সর্বজনীন স্বাস্থ্যসেবা এবং অন্তর্ভুক্তিমূলক সামাজিক সুরক্ষা কর্মসূচির প্রশংসা করে আন্তর্জাতিক পরিসরে দেশের উন্নয়ন অভিজ্ঞতা তুলে ধরার অঙ্গীকার করেছে জাতিসংঘ জনসংখ্যা তহবিল (ইউএনএফপিএ)। একই সঙ্গে প্রজনন স্বাস্থ্য, যুব উন্নয়ন, জনসংখ্যা তথ্যব্যবস্থা, সুস্থ বার্ধক্য এবং উদ্ভাবনী অর্থায়নসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে বাংলাদেশের সঙ্গে সহযোগিতা আরো জোরদারের আশ্বাস দিয়েছে সংস্থাটি।

বৃহস্পতিবার (১৬ জুলাই) নিউইয়র্কে ইউএনএফপিএ সদরদপ্তরে প্রধানমন্ত্রীর অর্থ ও পরিকল্পনাবিষয়ক উপদেষ্টা ড. রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীরের নেতৃত্বে বাংলাদেশ প্রতিনিধিদলের সঙ্গে সংস্থাটির নির্বাহী পরিচালক ডিয়েনে কেইতার বৈঠকে এসব বিষয় উঠে আসে।

বৈঠকে পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী জোনায়েদ সাকি এবং সাধারণ অর্থনীতি বিভাগের (জিইডি) সদস্য ড. মনজুর হোসেনও উপস্থিত ছিলেন।

বৈঠকে ড. তিতুমীর সরকারের অগ্রাধিকার কর্মসূচির কথা তুলে ধরে বলেন, নারীকে কেন্দ্র করে জীবনচক্রভিত্তিক সর্বজনীন সামাজিক সুরক্ষা ব্যবস্থা গড়ে তোলার কাজ চলছে। পাশাপাশি ফ্যামিলি কার্ড কর্মসূচির সম্প্রসারণ, শিক্ষা ও স্বাস্থ্য খাতে বিনিয়োগ বৃদ্ধি, যুবদের দক্ষতা উন্নয়ন ও কর্মসংস্থান, সুস্থ বার্ধক্য নিশ্চিত করা, নির্ভরযোগ্য জনমিতিক তথ্যব্যবস্থা গড়ে তোলা এবং শক্তিশালী প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবা প্রতিষ্ঠায় সরকার বিশেষ গুরুত্ব দিচ্ছে।

তিনি বলেন, বাংলাদেশ মানবিক কারণে বর্তমানে ১২ লাখের বেশি রোহিঙ্গাকে আশ্রয় দিয়ে যাচ্ছে, যা দেশের অর্থনীতি, পরিবেশ ও নিরাপত্তার ওপর বড় চাপ সৃষ্টি করেছে। এ পরিস্থিতিতে রোহিঙ্গাদের দ্রুত, নিরাপদ ও মর্যাদাপূর্ণভাবে মিয়ানমারে প্রত্যাবাসনে ইউএনএফপিএর আরো সক্রিয় সহযোগিতা কামনা করেন তিনি। একই সঙ্গে প্রত্যাবাসনের পর তাদের অধিকার নিশ্চিত ও টেকসই জীবিকার সুযোগ তৈরির ওপরও গুরুত্বারোপ করেন।

ড. তিতুমীর আরো বলেন, বাংলাদেশের বৃহৎ তরুণ জনগোষ্ঠী দেশের জন্য জনমিতিক সুফল অর্জনের একটি বিরল সুযোগ সৃষ্টি করেছে। পাশাপাশি জনসংখ্যার বয়স কাঠামোর পরিবর্তনের ফলে তৈরি হওয়া দীর্ঘায়ুজনিত সম্ভাবনাকেও উন্নয়নের কাজে কার্যকরভাবে কাজে লাগাতে হবে।

পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী জোনায়েদ সাকি বলেন, সরকারের লক্ষ্য এমন একটি সমন্বিত প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবা ব্যবস্থা গড়ে তোলা, যেখানে দেশের প্রতিটি মানুষ, বিশেষ করে মা, শিশু ও প্রান্তিক জনগোষ্ঠী সহজে স্বাস্থ্যসেবা পাবে। তিনি জাতীয় পরিসংখ্যান ব্যবস্থাকে আরো শক্তিশালী করা, ইউএনএফপিএর পরবর্তী কান্ট্রি প্রোগ্রামকে সরকারের পঞ্চবার্ষিক কৌশলগত পরিকল্পনার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ করা এবং বাংলাদেশের উন্নয়ন অভিজ্ঞতাকে বৈশ্বিক সেরা অনুশীলনের উদাহরণ হিসেবে তুলে ধরতে ঘনিষ্ঠ সহযোগিতার আহ্বান জানান।

ইউএনএফপিএর নির্বাহী পরিচালক ডিয়েনে কেইতা বাংলাদেশের উন্নয়ন অগ্রযাত্রার প্রশংসা করে বলেন, জনমিতিক সহনশীলতা, প্রজনন স্বাস্থ্য, যুব উন্নয়ন, সুস্থ বার্ধক্য, জনসংখ্যা তথ্যব্যবস্থা এবং উদ্ভাবনী অর্থায়নের ক্ষেত্রে সহযোগিতা আরো জোরদার করা হবে।

তিনি বলেন, বাংলাদেশের অভিজ্ঞতা দেখিয়েছে যে, দৃঢ় রাজনৈতিক নেতৃত্ব এবং জাতীয় মালিকানাবোধ থাকলে টেকসই উন্নয়ন অভীষ্ট (এসডিজি) অর্জনের গতি উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়ানো সম্ভব। পাশাপাশি আন্তর্জাতিক অঙ্গনে বাংলাদেশের উন্নয়ন সাফল্য তুলে ধরতে ইউএনএফপিএ ভবিষ্যতেও সক্রিয় ভূমিকা পালন করবে বলেও তিনি অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন।

প্রধানমন্ত্রীর সভাপতিত্বে মন্ত্রিপরিষদের বৈঠক অনুষ্ঠিত

বাসস
প্রধানমন্ত্রীর সভাপতিত্বে মন্ত্রিপরিষদের বৈঠক অনুষ্ঠিত

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সভাপতিত্বে মন্ত্রিপরিষদের ১৩তম বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে। গতকাল বৃহস্পতিবার বিকেলে সচিবালয়ের জনপ্রশাসন সভাকক্ষে এ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।

বৈঠকে পূর্বের নিয়মে প্রতি বছর ১ নভেম্বর জাতীয় যুব দিবস উদযাপনের সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। এ ছাড়া প্রতি বছর ১২ আগস্ট আন্তর্জাতিক যুব দিবস আলাদাভাবে পালিত হবে। বৈঠক শেষে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, আগে প্রতি বছর ১ নভেম্বর জাতীয় যুব দিবস এবং ১২ আগস্ট আন্তর্জাতিক যুব দিবস উদযাপন করতো যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়। কিন্তু সাবেক অন্তর্বর্তী সরকারের উপদেষ্টা পরিষদের এক বৈঠকে জাতীয় ও আন্তর্জাতিক যুব দিবস একত্রে ১২ আগস্ট উদযাপনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। সে অনুযায়ী ২০২৫ সালে প্রথমবারের মতো দু’টি দিবস একই দিনে পালিত হয়।

কিন্তু বর্ষাকালে একসঙ্গে দুই দিবস উদযাপন করায় যুব র‌্যালি, যুব সমাবেশ ও যুবমেলার মতো কর্মসূচি সফলভাবে আয়োজন করা সম্ভব হয়নি। ফলে, যুব উদ্যোক্তারা তাদের উৎপাদিত পণ্য প্রদর্শন ও বিক্রয়ের ক্ষেত্রে নানা সমস্যায় পড়েন।

সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে আরো বলা হয়, জাতীয় যুব দিবস ছাড়া অন্য সময়ে যুবমেলার আয়োজন করলে কাঙ্ক্ষিত জনসম্পৃক্ততা ও বাণিজ্যিক সাফল্য অর্জিত হয় না। অন্যদিকে জাতীয় যুব দিবস সরকারি অর্থায়নে উদযাপিত হলেও আন্তর্জাতিক যুব দিবস সাধারণত সরকারি ও বেসরকারি সংস্থা এবং উন্নয়ন সহযোগীদের সহযোগিতায় পালিত হয়।

এসব বিষয় বিবেচনায় নিয়ে মন্ত্রিসভা জাতীয় ও আন্তর্জাতিক যুব দিবস একত্রে ১২ আগস্ট উদযাপনের পরিবর্তে পৃথকভাবে ১২ আগস্ট আন্তর্জাতিক যুব দিবস এবং ১ নভেম্বর জাতীয় যুব দিবস উদযাপনের প্রস্তাব অনুমোদন দিয়েছে।

প্রবৃদ্ধি নিয়ে আইএমএফের সতর্কতা, সংস্কারে জোর

৬-৬.৫ বিলিয়ন ডলারের নতুন কর্মসূচির প্রস্তাব ঢাকার আগের কর্মসূচির শর্তে নমনীয়তার অনুরোধ ও সংস্কার ধাপে ধাপে করতে চায় সরকার

অনলাইন ডেস্ক
প্রবৃদ্ধি নিয়ে আইএমএফের সতর্কতা, সংস্কারে জোর

সংস্কার কার্যক্রম সঠিক পথে না এগোলে চলতি বছর শেষে প্রবৃদ্ধি ৩ শতাংশের নিচে যেতে পারে বলে সতর্কবার্তা দিয়েছে আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল (আইএমএফ)। এজন্য পাঁচ দিনের সফর শেষে সংস্থাটির একটি প্রতিনিধিদলের ঢাকা ছাড়ার আগে মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণ, বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ শক্তিশালী করা, রাজস্ব আয় বাড়ানোসহ পাঁচটি বিষয়ের ওপর জোর দেওয়ার পরামর্শ দিয়ে একটি বিবৃতি দিয়েছে সংস্থাটি।

বাংলাদেশ প্রতিদিনের প্রতিবেদনে বলা হয়, আইএমএফের সঙ্গে নতুন ঋণ কর্মসূচির চুক্তি আগামী ডিসেম্বরে সম্পন্ন করার লক্ষ্য নিয়ে এগোচ্ছে সরকার। আওয়ামী লীগ সরকারের সময় অনুমোদিত ৫ দশমিক ৫ বিলিয়ন ডলারের ঋণ কর্মসূচি কার্যত আর এগোচ্ছে না। এর পরিবর্তে বর্তমান অর্থনৈতিক বাস্তবতা বিবেচনায় বাংলাদেশ ৬ থেকে সাড়ে ৬ বিলিয়ন ডলারের নতুন একটি ঋণ কর্মসূচির প্রস্তাব দিয়েছে। ১২ থেকে ১৬ জুলাই পর্যন্ত বাংলাদেশ সফরকালে আইএমএফের প্রতিনিধিদল সরকারের অর্থ বিভাগ, বাংলাদেশ ব্যাংক, জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) এবং সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোর সঙ্গে ধারাবাহিক বৈঠক করেছে। বৈঠকে সামষ্টিক অর্থনীতির বর্তমান অবস্থা, বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ, রাজস্ব আহরণ, বাজেট ব্যবস্থাপনা, ব্যাংকিং খাতের সংস্কার, রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংকের সুশাসন, খেলাপি ঋণ, ভর্তুকি, সরকারি ব্যয় এবং নতুন পে-স্কেলসহ অর্থনীতির প্রায় সব গুরুত্বপূর্ণ বিষয় নিয়ে আলোচনা করেছে। সফর শেষে গতকাল ঢাকা ছাড়ার আগে মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণ, বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ শক্তিশালী করা, রাজস্ব আয় বাড়ানো, সরকারের উন্নয়ন ব্যয় বাস্তবায়নের সক্ষমতা বৃদ্ধি এবং ব্যাংকিং খাতের সংকট দ্রুত সমাধানের ওপর জোর দিয়ে আইএমএফ একটি পর্যবেক্ষণ দিয়েছে।

এতে বলা হয়েছে, মধ্যপ্রাচ্যের চলমান সংঘাতের কারণে বৈশ্বিক জ্বালানি ও পণ্যবাজারে নতুন চাপ সৃষ্টি হয়েছে। এর ফলে মূল্যস্ফীতি আবারও বাড়ার ঝুঁকি তৈরি হয়েছে। একই সঙ্গে উচ্চ আমদানি ব্যয়, ভর্তুকির চাপ এবং সীমিত রাজস্ব আহরণের কারণে সরকারি অর্থ ব্যবস্থাপনার ওপর চাপ বেড়েছে। সংস্থাটির মতে, প্রবাসী আয় ইতিবাচক থাকলেও বৈদেশিক খাত এখনো ঝুঁকিমুক্ত নয়। অন্যদিকে খেলাপি ঋণ এবং দুর্বল ব্যাংক ব্যবস্থাপনা দেশের আর্থিক স্থিতিশীলতার জন্য বড় ঝুঁকি হয়ে রয়েছে।

আইএমএফের মূল্যায়নে বাংলাদেশের অর্থনীতি নিয়ে উঠে এসেছে সতর্কবার্তা। সংস্থাটির পূর্বাভাস অনুযায়ী, বর্তমান পরিস্থিতিতে ২০২৭ অর্থবছরে প্রবৃদ্ধি ৩ দশমিক ৫ শতাংশে নেমে আসতে পারে। তবে রাজস্ব আহরণ বাড়ানো, ব্যাংকিং খাতের পুনর্গঠন, ভর্তুকি সংস্কার এবং আর্থিক খাতের প্রয়োজনীয় সংস্কার বাস্তবায়ন না হলে মধ্যমেয়াদে প্রবৃদ্ধি ৩ শতাংশেরও নিচে নেমে যাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। এদিকে গতকাল আইএমএফের প্রতিনিধদলটির সঙ্গে বিদায়ী বৈঠক শেষে অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী সাংবাদিকদের বলেন, সংস্কার কার্যক্রম এগিয়ে নেওয়াই হচ্ছে বর্তমান নির্বাচিত সরকারের অগ্রাধিকার। অর্থমন্ত্রী বলেছেন, নতুন ঋণ কর্মসূচির আওতায় সংস্কার বাস্তবায়ন করা হলেও তা হবে নির্বাচিত সরকারের অগ্রাধিকার ও প্রয়োজনের ভিত্তিতে। তিনি আরও বলেন, অন্তর্বর্তী সরকার এমন কোনো দীর্ঘমেয়াদি সিদ্ধান্ত নিতে চায়নি, যা ভবিষ্যতের নির্বাচিত সরকারের নীতিনির্ধারণের সুযোগকে সীমিত করে। একটি নির্দিষ্ট কর্মসূচির ভিত্তি নিয়ে ইতোমধ্যে আলোচনা হয়েছে এবং আগে চিহ্নিত নীতিগত বিষয়গুলোর ওপরই নতুন কর্মসূচি দাঁড়াবে। একই সঙ্গে আগের কর্মসূচির কয়েকটি কঠোর শর্ত বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে নমনীয়তা চেয়েছে সরকার।  ঢাকায় অবস্থান করে আইএমএফের প্রতিনিধিদলটি সরকারের সঙ্গে নতুন ঋণ কর্মসূচি নিয়ে প্রাথমিক আলোচনা শেষ করেছে।

আগামী নভেম্বরে সংস্থাটির উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিদল আবার ঢাকায় এসে চূড়ান্ত আলোচনা করবে। এর পর ডিসেম্বরে নতুন ঋণ কর্মসূচির চুক্তি সইয়ের লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে। এখানে উল্লেখ্য, আগামী অক্টোবরে থাইল্যান্ডে অনুষ্ঠিতব্য বিশ্বব্যাংক ও আইএমএফের বার্ষিক সভার ফাঁকে বাংলাদেশের নতুন ঋণ কর্মসূচি নিয়ে উচ্চপর্যায়ের বৈঠক হবে। সেখানে কর্মসূচির কাঠামো, অর্থায়নের পরিমাণ, সংস্কারের সময়সূচি এবং অর্থ ছাড়ের রূপরেখা নিয়ে আরও অগ্রগতি হবে বলে আশা করা হচ্ছে। এরপর নভেম্বরে আইএমএফের উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিদল ঢাকায় এসে চূড়ান্ত পর্যায়ের আলোচনা করবে। 

অর্থ মন্ত্রণালয়, বাংলাদেশ ব্যাংক এবং সংশ্লিষ্ট একাধিক সূত্র জানিয়েছে, নতুন কর্মসূচির আওতায় অর্থায়নের পরিমাণ, সংস্কারের রূপরেখা এবং বাস্তবায়নের সময়সূচি নিয়ে আলোচনা শুরু হয়েছে। সরকার চাইছে এমন একটি কর্মসূচি, যা একদিকে অর্থনীতিকে স্থিতিশীল করবে, অন্যদিকে বাস্তবায়নযোগ্য হবে এবং ভবিষ্যতের নির্বাচিত সরকারের জন্যও গ্রহণযোগ্য থাকবে।

দুপুরের মধ্যে ৮ জেলায় ঝড়ের শঙ্কা, সতর্ক সংকেত

অনলাইন ডেস্ক
দুপুরের মধ্যে ৮ জেলায় ঝড়ের শঙ্কা, সতর্ক সংকেত

দেশের আট জেলায় দুপুরের মধ্যে ৬০ কিলোমিটার বেগে ঝোড়ো হাওয়া বয়ে যেতে পারে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অফিস। একইসঙ্গে বৃষ্টি বা বজ্রসহ বৃষ্টিরও আশঙ্কা রয়েছে।

শুক্রবার (১৭ জুলাই) দেশের অভ্যন্তরীণ নদীবন্দরগুলোর জন্য ভোর ৫টা থেকে দুপুর ১টা পর্যন্ত আবহাওয়া অধিদপ্তরের দেওয়া সতর্কবার্তায় এ তথ্য জানানো হয়।  

এতে বলা হয়েছে, খুলনা, বরিশাল, পটুয়াখালী, নোয়াখালী, কুমিল্লা, চট্টগ্রাম, কক্সবাজার এবং সিলেট অঞ্চলগুলোর ওপর দিয়ে দক্ষিণ বা দক্ষিণ-পূর্ব দিক থেকে ঘণ্টায় ৪৫ থেকে ৬০ কিলোমিটার বেগে অস্থায়ীভাবে দমকা বা ঝড়ো হাওয়া বয়ে যেতে পারে।

এসব অঞ্চলেও বৃষ্টি অথবা বজ্রসহ বৃষ্টি হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। তাই এসব এলাকার নদী বন্দরগুলোকে ১ নম্বর সতর্ক সংকেত দেখাতে বলা হয়েছে।

নাহিদ-আসিফ উপদেষ্টা হওয়ার পর যা বললেন সারজিস | কালের কণ্ঠ