• ই-পেপার

শাহবাগ ছাড়লেন আন্দোলনকারীরা

নতুন কুঁড়ি প্রথম আসরের জাতীয় পর্যায়ের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন কাল

অনলাইন ডেস্ক
নতুন কুঁড়ি প্রথম আসরের জাতীয় পর্যায়ের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন কাল
সংগৃহীত ছবি

দেশব্যাপী প্রতিভা অন্বেষণ কর্মসূচি ‘নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস’-এর চূড়ান্ত পর্বের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করবেন যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী মো. আমিনুল হক। মঙ্গলবার (২১ জুলাই) সকাল ১০টায় মিরপুর সুইমিং কমপ্লেক্সে সাঁতার ইভেন্ট উদ্বোধনের মাধ্যমে এই কর্মসূচির সূচনা করবেন তিনি।

দেশের ক্রীড়াঙ্গনে ভবিষ্যৎ তারকাদের গড়ে তোলার লক্ষ্যে ১০ থেকে ১৪ বছর বয়সী কিশোর-কিশোরীদের ওপর আলোকপাত করে এই প্রতিভা অন্বেষণ কর্মসূচির আয়োজন করা হয়েছে। এই কর্মসূচিতে ক্রিকেট, ফুটবল, কাবাডি, অ্যাথলেটিক্স, দাবা, ব্যাডমিন্টন, সাঁতার এবং মার্শাল আর্টসের মতো খেলাগুলো অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।

সোমবার সাঁতারের সাথে কাবাডি এবং ক্রিকেট খেলাতেও নিজেদের শ্রেষ্ঠত্ব প্রমাণে প্রতিযোগিতায় নামবেন কিশোর-কিশোরীরা। মোট ছয়টি ভেন্যু মিরপুর শেরেবাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়াম, শহীদ সোহরাওয়ার্দী ইনডোর স্টেডিয়াম, বাংলাদেশ আর্মি স্টেডিয়াম, শহীদ তাজউদ্দীন আহমদ ইনডোর স্টেডিয়াম, সৈয়দ নজরুল ইসলাম জাতীয় সুইমিং কমপ্লেক্স এবং দাবা ফেডারেশনে খেলাগুলো অনুষ্ঠিত হবে।

আগামী ২৭ জুলাই আর্মি স্টেডিয়ামে প্রতিযোগিতার সমাপনী দিনে উপস্থিত থেকে বিজয়ীদের হাতে পুরস্কার তুলে দেবেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। তবে আনুষ্ঠানিক উদ্বোধনের আগেই ক্রিকেট ইভেন্ট দিয়ে মাঠের লড়াই শুরু হয় সোমবার। মিরপুরে ক্রিকেট ইভেন্টে বালকদের বিভাগে কোয়ার্টার ফাইনালে উঠেছে রংপুর ও ঢাকা অঞ্চল।

যদিও বৃষ্টির কারণে খেলা না হওয়ায় ফলাফল নির্ধারিত হয়েছে টসের মাধ্যমে। ছেলেদের প্রথম ম্যাচে চট্টগ্রাম অঞ্চলকে হারিয়েছে রংপুর। দিনের অপর ম্যাচে খুলনাকে হারিয়ে কোয়ার্টার ফাইনাল নিশ্চিত করেছে ঢাকা অঞ্চল।

অন্যদিকে একইভাবে ফলাফল নির্ধারিত হয়েছে বালিকাদের বিভাগেও। এখানে রংপুরকে হারিয়ে শেষ ষোলোতে উঠেছে চট্টগ্রাম অঞ্চল। কোয়ার্টার ফাইনালে আগামী ২২ তারিখ তাদের প্রতিপক্ষ সিলেট।

পে স্কেল স্থগিতের পরামর্শ আইএমএফের, শক্ত অবস্থানে সরকার

অনলাইন ডেস্ক
পে স্কেল স্থগিতের পরামর্শ আইএমএফের, শক্ত অবস্থানে সরকার
সংগৃহীত ছবি

দেশের বর্তমান অর্থনৈতিক পরিস্থিতি বিবেচনায় সরকারি চাকরিজীবীদের জন্য নতুন পে স্কেল বাস্তবায়ন আপাতত স্থগিত রাখার পরামর্শ দিয়েছে আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল (আইএমএফ)। তবে সরকারের নীতিনির্ধারকরা এবার বাস্তবতার মুখোমুখি দাঁড়িয়ে আইএমএফের সেই পরামর্শকে খুব একটা আমলে নিচ্ছেন না। সরকারের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, বাজেটে ঘোষিত সিদ্ধান্ত অনুযায়ী নতুন পে স্কেল বাস্তবায়ন থেকে সরে আসার সুযোগ নেই।

অর্থ মন্ত্রণালয় সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, আইএমএফের বাংলাদেশ ও হংকংবিষয়ক মিশনপ্রধান ইভো ক্রজনারের নেতৃত্বে একটি ফ্যাক্ট-ফাইন্ডিং মিশন গত ১২ থেকে ১৬ জুলাই ঢাকা সফর করে। সফরকালে তারা অর্থ বিভাগ, অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগ (ইআরডি), বাংলাদেশ ব্যাংক, জাতীয় রাজস্ব বোর্ডসহ (এনবিআর) বিভিন্ন সংস্থার সঙ্গে বৈঠক করে।

বৈঠকে আইএমএফ নতুন পে স্কেলের অগ্রগতি ও এর সম্ভাব্য আর্থিক প্রভাব সম্পর্কে জানতে চায়। জবাবে অর্থ বিভাগ জানায়, গত ১২ বছর ধরে সরকারি চাকরিজীবীদের জন্য কোনো নতুন পে স্কেল ঘোষণা করা হয়নি। এ সময়ে জীবনযাত্রার ব্যয় উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়ে যাওয়ায় নতুন বেতন কাঠামো বাস্তবায়নের বিকল্প নেই।

অর্থ বিভাগ জানায়, পূর্ণাঙ্গভাবে নতুন পে স্কেল বাস্তবায়নে প্রায় ১ লাখ কোটি টাকা প্রয়োজন হতে পারে। তবে এটি একবারে নয়, দুই ধাপে বাস্তবায়নের পরিকল্পনা রয়েছে। ফলে শুরুতেই পুরো অর্থের প্রয়োজন হবে না।

আলোচনায় আইএমএফের পক্ষ থেকে বলা হয়, সরকার যখন নতুন ঋণের জন্য সংস্থাটির সহায়তা চাইছে, তখন বড় আকারের ব্যয় বৃদ্ধি আর্থিক চাপ বাড়াতে পারে। নতুন পে স্কেল বাস্তবায়নের ফলে সরকারের ঋণের প্রয়োজন আরো বাড়তে পারে। এ কারণে বাস্তবায়ন কিছু সময়ের জন্য স্থগিত রাখা সম্ভব কি না, সে বিষয়ে জানতে চায় আইএমএফ।

জবাবে অর্থ বিভাগ জানায়, সরকার নীতিগতভাবে জুলাই থেকে নতুন পে স্কেল কার্যকরের সিদ্ধান্ত নিয়েছে এবং বাজেটেও এ ঘোষণা দেওয়া হয়েছে। ফলে সরকারি চাকরিজীবীদের মধ্যে এ বিষয়ে প্রত্যাশা তৈরি হয়েছে। তাই এখন বাস্তবায়ন স্থগিত করা সম্ভব নয়।

নাম প্রকাশ না করার শর্তে অর্থ বিভাগের এক কর্মকর্তা বলেন, আইএমএফ সরাসরি পে স্কেল স্থগিতের কথা বলেনি। তবে আলোচনায় তারা এ সিদ্ধান্ত নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে। বিশেষ করে বাস্তবায়নে প্রয়োজনীয় অর্থের উৎস এবং এর ফলে মূল্যস্ফীতির ওপর সম্ভাব্য প্রভাব সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে চেয়েছে।

অর্থ বিভাগের মতে, নতুন পে স্কেল বাস্তবায়নের ফলে মূল্যস্ফীতির ওপর সাময়িক চাপ তৈরি হতে পারে। ২০১৫ সালে সর্বশেষ পে স্কেল কার্যকরের সময়ও এমন প্রভাব দেখা গিয়েছিল, যদিও তা প্রায় তিন মাস স্থায়ী ছিল।

বর্তমানে মূল্যস্ফীতি ৯ শতাংশের বেশি থাকায় এবার এর প্রভাব ছয় থেকে সাত মাস পর্যন্ত থাকতে পারে। এরপর পরিস্থিতি ধীরে ধীরে স্বাভাবিক হবে বলে সরকারের ধারণা। এ বিষয়ে প্রস্তুত করা একটি বিশ্লেষণপত্রও আইএমএফ প্রতিনিধিদলের কাছে উপস্থাপন করেছে অর্থ বিভাগ।

জানা গেছে, প্রথম থেকে ১০ম গ্রেডের কর্মকর্তাদের মূল বেতন ১০০ ভাগ এবং ১১তম থেকে ২০তম গ্রেডের কর্মচারীদের বেতন সর্বোচ্চ ১৪০ ভাগ পর্যন্ত বৃদ্ধির প্রস্তাব করা হয়েছে।

প্রান্তিক মানুষের স্বাস্থ্যসেবা আরো সহজলভ্য করার নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর

অনলাইন ডেস্ক
প্রান্তিক মানুষের স্বাস্থ্যসেবা আরো সহজলভ্য করার নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর
ছবি : পিএমও

প্রান্তিক মানুষের স্বাস্থ্যসেবা আরো উন্নত, সহজলভ্য ও কার্যকর করার নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। একই সঙ্গে রোগীদের চিকিৎসাসেবা দেওয়ার ক্ষেত্রে চিকিৎসকদের আরো আন্তরিক হওয়ার তাগিদ দিয়েছেন তিনি।

সোমবার (২০ জুলাই) বিকেলে সচিবালয়ে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ে সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে এক বৈঠকে তিনি এসব নির্দেশনা দেন। এই প্রথম কোনো প্রধানমন্ত্রী নিজে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের অডিটরিয়ামে গিয়ে এ ধরনের বৈঠক করলেন।

বৈঠকের শুরুতে বর্তমান সরকারের দায়িত্ব গ্রহণের পর গত পাঁচ মাসে স্বাস্থ্য খাতের অর্জন সম্পর্কে জানতে চান প্রধানমন্ত্রী। এ সময় স্বাস্থ্যমন্ত্রী বীর মুক্তিযোদ্ধা সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন এবং প্রতিমন্ত্রী এম এ মুহিত বিভিন্ন বিষয় উপস্থাপন করেন।

কর্মকর্তারা জানান, বিগত সরকারগুলো স্বাস্থ্য খাতকে একেবারে খাদের কিনারে নিয়ে গিয়েছিল। ফলে প্রান্তিক মানুষের যথাযথ স্বাস্থ্যসেবা পাওয়া কঠিন হয়ে পড়েছিল। সেই অবস্থা থেকে উত্তরণের জন্য তারা নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছেন।

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ও গণমাধ্যমে উপজেলা পর্যায়ে চিকিৎসকদের দায়িত্বে অবহেলার অভিযোগের বিষয়টি বৈঠকে তুলে ধরেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। উপজেলা পর্যায়ে চিকিৎসক থাকা সত্ত্বেও রোগীরা সন্তোষজনক চিকিৎসাসেবা পান না—এমন অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে দায়িত্বে অবহেলার বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থাসহ প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়ার নির্দেশ দেন তিনি।

তারেক রহমান বলেন, ‘যেভাবেই হোক গ্রামের মানুষের জন্য স্বাস্থ্যসেবা সহজ করতে হবে। তাদের জন্য সন্তোষজনক চিকিৎসাসেবা এবং পর্যাপ্ত ওষুধ নিশ্চিত করতে হবে। সরকারি হাসপাতালে গিয়ে যেন মানুষ বিনা ভোগান্তিতে সহজেই চিকিৎসাসেবা পায়। চিকিৎসার জন্য তাদের অন্য কোথাও যেতে না হয়। সরকারি হাসপাতালই যেন রোগীদের একমাত্র ভরসার জায়গা হয়।’

বৈঠকে কিডনি রোগীদের চিকিৎসার বিষয়ে বিশেষ গুরুত্বারোপ করেন প্রধানমন্ত্রী। রোগীদের দুর্ভোগ লাঘবে জেলা পর্যায়ে ৫০ শয্যার ডায়ালাইসিস সেন্টার স্থাপনের কথা জানান তিনি।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘জেলা পর্যায়ে যেখানে বর্তমানে ১০ শয্যার ডায়ালাইসিস সেন্টার রয়েছে, সেগুলো ৫০ শয্যায় সম্প্রসারণ করা হবে। আগামী তিন বছরের মধ্যে পর্যায়ক্রমে সারা দেশের উপজেলা পর্যায়ে ডায়ালাইসিস সেন্টার স্থাপন করা হবে।’

এ জন্য দ্রুত প্রয়োজনীয় দক্ষ জনবল গড়ে তোলা এবং লজিস্টিক সহায়তা নিশ্চিত করারও নির্দেশনা দেন তারেক রহমান।

এ ছাড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সগুলোকে ৫১ থেকে ১০১ শয্যায় উন্নীতকরণে বর্তমান সরকারের নেওয়া উদ্যোগ নিয়েও বৈঠকে বিস্তারিত আলোচনা হয়। ১০১ শয্যায় উন্নীতকরণের জন্য প্রয়োজনীয় জনবল ও অবকাঠামো নির্মাণের বিষয়ে আলোচনার একপর্যায়ে গণপূর্ত অধিদপ্তরের প্রকৌশলীরা অবকাঠামোর নকশাসহ বিভিন্ন বিষয় উপস্থাপন করেন।

বৈঠকে স্বাস্থ্যমন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী ছাড়াও মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা এবং ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল ও বাংলাদেশ মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়সহ ঢাকার বিভিন্ন হাসপাতালের পরিচালক ও শীর্ষ কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

যুগপৎ আন্দোলনের শরিক নেতাদের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর শুভেচ্ছা বিনিময়

বাসস
যুগপৎ আন্দোলনের শরিক নেতাদের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর শুভেচ্ছা বিনিময়
সংগৃহীত ছবি

ফ্যাসিবাদবিরোধী যুগপৎ আন্দোলনে শরিক নেতাদের সঙ্গে রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় শুভেচ্ছা বিনিময় করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। সোমবার (২০ জুলাই) সন্ধ্যা ৭টা ২৭ মিনিটে রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবনে যুগপৎ আন্দোলনের শরিক দলের নেতাদের জন্য প্রস্তুত করে রাখা উন্মুক্ত প্রাঙ্গণে নির্দিষ্ট স্থানে আসেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

সেখানে তিনি প্রতিটি টেবিল ঘুরে ঘুরে যুগপৎ আন্দোলনের নেতাদের সঙ্গে কুশল বিনিময় করেন। এ সময় তার সঙ্গে ছিলেন বিএনপি মহাসচিব ও স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। পরে সন্ধ্যা ৭টা ৪০ মিনিটে কুরআন তিলাওয়াতের মাধ্যমে আনুষ্ঠানিকভাবে পারস্পরিক শুভেচ্ছা বিনিময় অনুষ্ঠান শুরু হয়।

ফ্যাসিস্ট সরকারের পতনের আন্দোলনে শরিক ৪১টি দলের নেতাকে এই অনুষ্ঠানে আমন্ত্রণ জানানো হয়।

অনুষ্ঠানে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য, আন্দোলনের সময়ে গঠিত লিয়াজোঁ কমিটির সদস্যরা অনুষ্ঠানে উপস্থিত হন।

১২ ফেব্রুয়ারি ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনে সংখ্যাগরিষ্ঠ আসনে সরকার গঠনের পর এটি আন্দোলনে শরিক দলের নেতাদের সঙ্গে প্রথম আনুষ্ঠানিক সাক্ষাৎ অনুষ্ঠান।

গণতন্ত্র মঞ্চ, ১২ দলীয় জোট, সমমনা জাতীয়তাবাদী জোট, গণতান্ত্রিক বাম জোট, ইসলামী ঐক্যজোটসহ ইসলামী দলগুলোকে এই অনুষ্ঠানে আমন্ত্রণ জানানো হয়।