• ই-পেপার

তিন বস্তা আলুর দামে মিলছে এক বস্তা বীজ

ব্যারিস্টার জমির উদ্দিন সরকারের মৃত্যুতে অর্থমন্ত্রীর শোক

অনলাইন ডেস্ক
ব্যারিস্টার জমির উদ্দিন সরকারের মৃত্যুতে অর্থমন্ত্রীর শোক

জাতীয় সংসদের সাবেক স্পিকার, সাবেক অস্থায়ী রাষ্ট্রপতি এবং প্রবীণ আইনজীবী ব্যারিস্টার জমির উদ্দিন সরকারের মৃত্যুতে গভীর শোক ও দুঃখ প্রকাশ করেছেন অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী।

রবিবার অর্থ মন্ত্রণালয় থেকে পাঠানো এক শোকবার্তায় অর্থমন্ত্রী বলেন, ব্যারিস্টার জমির উদ্দিন সরকার বাংলাদেশের রাজনৈতিক ও আইন অঙ্গনের এক উজ্জ্বল ব্যক্তিত্ব ছিলেন। তিনি সুপ্রিম কোর্টের একজন বিশিষ্ট সংবিধান ও আইন বিশেষজ্ঞ হিসেবে দীর্ঘ সময় দায়িত্ব পালন করেছেন এবং দেশের গণতান্ত্রিক ও সাংবিধানিক অগ্রযাত্রায় গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখেছেন।

শোকবার্তায় অর্থমন্ত্রী আরো উল্লেখ করেন, ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধের সময় মুক্তিযুদ্ধের পক্ষে সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবীদের সংগঠিত করতে ব্যারিস্টার জমির উদ্দিন সরকারের ভূমিকা ছিল অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ। স্বাধীনতার চেতনা ও গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ প্রতিষ্ঠায় তার অবদান জাতি শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করবে।

আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেন, ব্যারিস্টার জমির উদ্দিন সরকার ছিলেন বিএনপির অন্যতম প্রতিষ্ঠাতা সদস্য এবং দলের স্থায়ী কমিটির সদস্য হিসেবে দেশের রাজনৈতিক অঙ্গনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছেন। তার দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবন, প্রজ্ঞা ও নেতৃত্ব ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য অনুকরণীয় হয়ে থাকবে।

অর্থমন্ত্রী মরহুমের বিদেহী আত্মার মাগফিরাত কামনা করেন এবং শোকসন্তপ্ত পরিবারের সদস্যদের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান।

ব্যারিস্টার জমির উদ্দিন সরকারের মৃত্যুতে দেশের রাজনৈতিক, আইন ও সামাজিক অঙ্গনে শোকের ছায়া নেমে এসেছে। বিভিন্ন রাজনৈতিক দল, পেশাজীবী সংগঠন এবং বিশিষ্ট ব্যক্তিরা তার অবদানের কথা স্মরণ করে শোক প্রকাশ করেছেন।

উল্লেখ্য, ব্যারিস্টার জমির উদ্দিন সরকার আজ রবিবার ভোর ৪টা ১৯ মিনিটে রাজধানীর শ্যামলীতে বাংলাদেশ স্পেশালাইজড হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যুবরণ করেন। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৯৪ বছর। 

জমির উদ্দিন সরকারের মৃত্যুতে আইনমন্ত্রীর শোক

অনলাইন ডেস্ক
জমির উদ্দিন সরকারের মৃত্যুতে আইনমন্ত্রীর শোক

জাতীয় সংসদের সাবেক স্পিকার ও বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ব্যারিস্টার জমির উদ্দিন সরকারের মৃত্যুতে গভীর শোক ও দুঃখ প্রকাশ করেছেন আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান।

শোকবার্তায় আইনমন্ত্রী বলেন, ব্যারিস্টার জমির উদ্দিন সরকার ছিলেন দেশের একজন বর্ষীয়ান রাজনীতিবিদ, বিশিষ্ট আইনজীবী এবং সংসদীয় গণতন্ত্রের একজন নিবেদিতপ্রাণ ব্যক্তিত্ব। জাতীয় সংসদের স্পিকার হিসেবে তিনি দক্ষতা, প্রজ্ঞা ও নিরপেক্ষতার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করে দেশের সংসদীয় গণতন্ত্রকে সুদৃঢ় করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছেন। দীর্ঘ কর্মময় জীবনে তিনি দেশের রাজনীতি, আইনাঙ্গন এবং সংসদীয় কার্যক্রমে যে অবদান রেখে গেছেন, জাতি তা শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করবে। তার মৃত্যুতে দেশ একজন বরেণ্য রাজনৈতিক ব্যক্তিত্বকে হারাল। মহান আল্লাহ তাআলার কাছে তার বিদেহী আত্মার মাগফিরাত কামনা করছি এবং শোকসন্তপ্ত পরিবারের সদস্যদের প্রতি গভীর সমবেদনা জ্ঞাপন করছি।

সাবেক রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের সময় জমির উদ্দিন সরকার গণপূর্ত ও নগর উন্নয়ন প্রতিমন্ত্রী ছিলেন। পরে রাষ্ট্রপতি আবদুস সাত্তারের মন্ত্রিসভায় পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন জমির উদ্দিন সরকার।

১৯৯১ সালে বিএনপি ক্ষমতায় এলে জমির উদ্দিন সরকার প্রথমে ভূমি প্রতিমন্ত্রী, পরে শিক্ষামন্ত্রীর দায়িত্ব পান। ২০০১ সালে বিএনপি ক্ষমতায় ফিরলে অষ্টম জাতীয় সংসদের স্পিকার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন জমির উদ্দিন সরকার।

উল্লেখ্য, ব্যারিস্টার জমির উদ্দিন সরকার আজ রবিবার ভোর ৪টা ১৯ মিনিটে রাজধানীর শ্যামলীতে বাংলাদেশ স্পেশালাইজড হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ইন্তেকাল করেন। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৯৪ বছর। 
 

জমির উদ্দিন সরকারের জানাজা বিকেলে, সমাহিত হবেন সংসদ প্রাঙ্গণে

অনলাইন ডেস্ক
জমির উদ্দিন সরকারের জানাজা বিকেলে, সমাহিত হবেন সংসদ প্রাঙ্গণে
সংগৃহীত ছবি

বাংলাদেশ জাতীয় সংসদের সাবেক স্পিকার ও বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ব্যারিস্টার জমির উদ্দিন সরকারের নামাজে জানাজা রবিবার (১২ জুলাই) বিকেলে  ৫টায় জাতীয় সংসদ প্রাঙ্গণে অনুষ্ঠিত হবে। জানাজা শেষে মরহুমের মরদেহ সংসদের নির্ধারিত চত্বরে সমাহিত করা হবে বলে সংসদ সচিবালয়ের গণসংযোগ অধিশাখা থেকে জানানো হয়েছে। 

বাংলাদেশ জাতীয় সংসদ সচিবালয়ের সহকারী পরিচালক (গণসংযোগ অধিশাখা-১) রাশেদ মিজান স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য জানানো হয়েছে।

এদিকে সাবেক স্পিকার ব্যারিস্টার জমির উদ্দিন সরকারের মৃত্যুতে গভীর শোক ও দুঃখ প্রকাশ করেছেন বাংলাদেশ জাতীয় সংসদের চিফ হুইপ নূরুল ইসলাম। এক শোক বার্তায় চিফ হুইপ মরহুমের বিদেহী আত্মার মাগফিরাত কামনা করেন এবং তার শোকসন্তপ্ত পরিবারের সদস্যদের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান। সাবেক এই স্পিকারের আকস্মিক প্রয়াণে সংসদীয় অঙ্গনসহ রাজনৈতিক মহলে গভীর শোকের ছায়া নেমে এসেছে বলেও জানিয়েছেন চিফ হুইপ।

এছাড়া আলাদা শোক বার্তায় জাতীয় সংসদের ডেপুটি স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামাল সাবেক স্পকার ব্যারিস্টার জমির উদ্দিন সরকারের মৃত্যুতে শোক প্রকাশ করেছেন। ডেপুটি স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামাল মরহুমের বিদেহী আত্মার মাগফেরাত কামনা করেন এবং তার শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি দুঃখ প্রকাশ ও গভীর সমবেদনা জ্ঞাপন করেন।

এছাড়া আলাদা শোক বার্তায় জাতীয় সংসদের ডেপুটি স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামাল সাবেক স্পকার ব্যারিস্টার জমির উদ্দিন সরকারের মৃত্যুতে শোক প্রকাশ করেছেন। ডেপুটি স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামাল মরহুমের বিদেহী আত্মার মাগফেরাত কামনা করেন এবং তার শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি দুঃখ প্রকাশ ও গভীর সমবেদনা জ্ঞাপন করেন।

বন্যা ও পাহাড়ধস

পাঁচ জেলায় মৃত্যু ৪৩, ক্ষতিগ্রস্ত সাড়ে ৮ লাখ মানুষ

অনলাইন ডেস্ক
পাঁচ জেলায় মৃত্যু ৪৩, ক্ষতিগ্রস্ত সাড়ে ৮ লাখ মানুষ

টানা বর্ষণ ও পাহাড়ি ঢলে চট্টগ্রামের পাঁচ জেলায় এখন পর্যন্ত ৪৩ জনের মৃত্যু হয়েছে। আহত হয়েছেন আরও অন্তত ৩৯ জন। এসব জেলায় ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন ৮ লাখ ৬৭ হাজার মানুষ। আশ্রয়কেন্দ্রে অবস্থান করছেন ৩৭ হাজারের বেশি মানুষ।

সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, মৃতদের মধ্যে চট্টগ্রামে ১১ জন, কক্সবাজারে ২৩ জন, রাঙামাটিতে ৩ জন এবং বান্দরবানে ৬ জন রয়েছেন। আহতদের মধ্যে চট্টগ্রামে ১২ জন, কক্সবাজারে ২৪ জন, খাগড়াছড়িতে ১ জন এবং বান্দরবানে ২ জন। দুর্যোগে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে চট্টগ্রাম জেলা। যেখানে ৬ লাখ ৬২ হাজারের বেশি মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন। কক্সবাজারে ১ লাখ ৫৮ হাজার ২৭ জন, রাঙামাটিতে ৩ হাজার ৮২০, খাগড়াছড়িতে ৩৪ হাজার ৪১৭ এবং বান্দরবানে ৮ হাজার ৩৫০ জন ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন। 

এ পাঁচ জেলায় এক হাজার ৭২৭টি আশ্রয়কেন্দ্র খোলা হয়েছে। এসব আশ্রয়কেন্দ্রে এখন পর্যন্ত ৩৭ হাজার ৫৫ জন মানুষ আশ্রয় নিয়েছেন। চট্টগ্রামে ৬৭০টি, কক্সবাজারে ৬৪০টি, রাঙ্গামাটি পার্বত্য জেলায় ৪৭টি, খাগড়াছড়িতে ১৫০টি এবং বান্দরবান পার্বত্য জেলায় ২২০টি আশ্রয়কেন্দ্র চালু রয়েছে। আশ্রয় নেওয়া মানুষের মধ্যে চট্টগ্রামে ২২ হাজার ৬০০ জন, কক্সবাজারে ২ হাজার ৯৭৪ জন, রাঙ্গামাটিতে ৩ হাজার ৮২০ জন, খাগড়াছড়িতে ২ হাজার ৯১৬ জন এবং বান্দরবানে ৪ হাজার ৭৪৫ জন রয়েছেন। 

এখন পর্যন্ত এক হাজার ৯১ দশমিক ৬ মেট্রিক টন চাল, ৯১ দশমিক ১ লাখ টাকা এবং ৩৪ হাজার ৪৭০ প্যাকেট শুকনো খাবার বিতরণ করা হয়েছে। এছাড়া বিভিন্ন জেলায় রান্না করা খাবার, শিশু খাদ্য, ডায়াপার ও স্যানিটারি ন্যাপকিনও বিতরণ করা হয়েছে।

বন্যায় ফসলের ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। চট্টগ্রামে ৯ হাজার ৪৩ দশমিক ৫ হেক্টর আউশ ধান, ৯৬০ দশমিক ৬৬ হেক্টর আমন, ৫ হাজার ৯০৭ হেক্টরের বেশি গ্রীষ্মকালীন সবজি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। কক্সবাজারে ২ হাজার ৬২০ হেক্টর আউশ ধান, ৪৭০ হেক্টর আমন বীজতলা, ৯৫৫ হেক্টর সবজি এবং ১৫৬ হেক্টর পান বরজ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। রাঙামাটিতে ৭১৭ হেক্টর আউশ ধান, আমন বীজতলা ১৫৮ হেক্টর, গ্রীষ্মকালীন সবজি ৯৮৭ ও আদা ৭৪৩ হেক্টর সবজি, হলুদ ৬৪৮ হেক্টর  জমি ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে।  খাগড়াছড়ি ও বান্দরবানেও আউশ ধান, আমন বীজতলা এবং সবজি চাষে বড় ধরনের ক্ষতির তথ্য পাওয়া গেছে।

তিন বস্তা আলুর দামে মিলছে এক বস্তা বীজ | কালের কণ্ঠ