• ই-পেপার

বিদ্যুতের দাম বৃদ্ধি নিয়ে গণশুনানি চলছে

জনগণের প্রতি সরকার শতভাগ দায়বদ্ধ : প্রতিমন্ত্রী মীর হেলাল

নিজস্ব প্রতিবেদক
জনগণের প্রতি সরকার শতভাগ দায়বদ্ধ : প্রতিমন্ত্রী মীর হেলাল

প্রতিমন্ত্রী মীর হেলাল বলেছেন, জনগণের ভোটে নির্বাচিত সরকার জনগণের প্রতি শতভাগ দায়বদ্ধ। জনগণকে কিছু চাইতে হবে না, বরং দায়বদ্ধতার জায়গা থেকেই দেশের প্রতিটি উপজেলায় প্রয়োজনীয় উন্নয়ন কার্যক্রম বাস্তবায়নে সরকার দৃঢ়প্রতিজ্ঞ।

গতকাল বুধবার (১৫ জুলাই) রাঙ্গামাটির সীমান্তবর্তী বাঘাইছড়ি ও লংগদু উপজেলার বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত এবং নদীভাঙন এলাকা পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের সাথে মতবিনিময়কালে এসব কথা বলেন ভূমি ও পার্বত্য চট্টগ্রামবিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ব্যারিস্টার মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দিন।

পরিদর্শনকালে প্রতিমন্ত্রী বাঘাইছড়ি ও লংগদু উপজেলার বিভিন্ন ক্ষতিগ্রস্ত এলাকা ঘুরে দেখেন, ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের সঙ্গে কথা বলেন এবং তাদের মাঝে ত্রাণসামগ্রী বিতরণ করেন।

বাঘাইছড়ি উপজেলার বারোবিন্দু ঘাট এলাকা পরিদর্শনকালে প্রতিমন্ত্রী এই এলাকার ২ কিলোমিটার ভেঙে যাওয়া রাস্তা পুনর্নির্মাণ এবং দ্রুত কালভার্ট ও আশ্রয়কেন্দ্র নির্মাণের প্রতিশ্রুতি দেন। এ সময় তিনি পানি সম্পদ মন্ত্রীর সাথে ভিডিও কলে কথা বলে বাঘাইছড়ির নদীভাঙন রোধে দ্রুত কার্যকর প্রকল্প বাস্তবায়নের আহ্বান জানান।

পার্বত্য অঞ্চলের সার্বিক উন্নয়ন নিয়ে প্রতিমন্ত্রী মীর হেলাল বলেন, পার্বত্য চট্টগ্রামকে সমৃদ্ধশালী করতে সরকার নিরলস কাজ করছে। এই অঞ্চলের প্রতিটি উপজেলায় সমান উন্নয়ন হবে। এখানে আধুনিক ভূমি অফিস এবং ১০০ শয্যার হাসপাতাল পর্যায়ক্রমে বাস্তবায়ন করা হবে। 

প্রতিমন্ত্রী মীর হেলাল জানান, বাঘাইছড়ি ফায়ার সার্ভিস স্টেশনের জন্য ভূমি অধিগ্রহণের কাজ বর্তমানে চলমান রয়েছে এবং শিগগিরই এর নির্মাণকাজ শুরু হবে।

বন্যা ও প্রাকৃতিক দুর্যোগের মানবসৃষ্ট কারণগুলো উল্লেখ করে প্রতিমন্ত্রী মীর হেলাল বলেন, অপরিকল্পিত ঘরবাড়ি নির্মাণ, খাল-বিল ভরাট, অপরিকল্পিতভাবে ঘন ঘন কালভার্ট তৈরি এবং ময়লা-আবর্জনা ফেলে পানি চলাচলের পথ বন্ধ করে দেওয়ার কারণেই প্রাকৃতিক দুর্যোগগুলো মারাত্মক আকার ধারণ করছে।

টেকসই উন্নয়নের ওপর জোর দিয়ে প্রতিমন্ত্রী ব্যারিস্টার মীর হেলাল বলেন, আমাদের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ইতিমধ্যে দেশের প্রতিটি উপজেলায় ১০০ শয্যাবিশিষ্ট স্বাস্থ্যকমপ্লেক্স নির্মাণের ঘোষণা দিয়েছেন এবং সেই লক্ষ্যে কাজ শুরু হয়েছে। সরকার যেকোনো সংকটের স্থায়ী সমাধানের লক্ষ্যেই কাজ করছে বলে জানান তিনি। দুর্যোগকালীন সময়ে ৮ হাজার ৮৩৪ জন বানভাসি মানুষকে দ্রুত খাদ্য সহায়তা দেওয়ার জন্য বাঘাইছড়ি উপজেলা প্রশাসনকে ধন্যবাদ জানান প্রতিমন্ত্রী।

ক্ষতিগ্রস্ত এলাকা পরিদর্শনকালে প্রতিমন্ত্রীর সাথে অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন জেলা বিএনপির সভাপতি দীপন তালুকদার দীপু, সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট মামুনুর রশিদ মামুন, বাঘাইছড়ি উপজেলা বিএনপির সভাপতি মো. ওমর আলী, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক মো. ইমরানুল হক ভূঁইয়া, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আমেনা মারজানসহ স্থানীয় প্রশাসন ও রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ।

সাম্প্রতিক টানা বর্ষণে বাঘাইছড়ি উপজেলার অন্তত ৩০টি গ্রাম প্লাবিত হয়ে সড়ক, কালভার্ট, কৃষিজমি, মাছের ঘের, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও শত শত বসতঘর মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

ঘনীভূত হতে পারে লঘুচাপ, জেলেদের গভীর সাগরে যেতে নিষেধ

অনলাইন ডেস্ক
ঘনীভূত হতে পারে লঘুচাপ, জেলেদের গভীর সাগরে যেতে নিষেধ

বঙ্গোপসাগরে লঘুচাপ আরো ঘনীভূত হতে পারে। তাই জেলেদের গভীর সাগরে যেতে নিষেধ করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার (১৬ জুলাই) এমন পূর্বাভাস দিয়েছে আবহাওয়া অফিস।

আবহাওয়াবিদ আফরোজা সুলতানা জানান, উত্তর পশ্চিম বঙ্গোপসাগর ও তৎসংলগ্ন উত্তর উড়িষ্যা-পশ্চিমবঙ্গ উপকূলীয় এলাকায় অবস্থানরত লঘুচাপটি একই এলাকায় অবস্থান করছে।

এটি ঘনীভূত হতে পারে। এর প্রভাবে সব সমুদ্র বন্দর, উত্তর বঙ্গোপসাগর ও তৎসংলগ্ন বাংলাদেশের উপকূলীয় এলাকার ওপর দিয়ে ঝোড়ো হাওয়া বয়ে যেতে পারে। চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, মোংলা ও পায়রা সমুদ্র বন্দরকে তিন নম্বর স্থানীয় সতর্কতা সংকেত দেখিয়ে যেতে বলা হয়েছে।

উত্তর বঙ্গোপসাগরে অবস্থানরত মাছ ধরার নৌকা ও ট্রলারগুলোকে উপকূলের কাছাকাছি থেকে সাবধানে চলাচল করতে বলা হয়েছে।

পে স্কেল বাস্তবায়নে ফের অপেক্ষা, জটিলতা কোথায়?

অনলাইন ডেস্ক
পে স্কেল বাস্তবায়নে ফের অপেক্ষা, জটিলতা কোথায়?

সরকারি চাকরিজীবীদের বহু প্রতীক্ষিত নবম পে স্কেল বাস্তবায়ন সংক্রান্ত সুপারিশমালা এখনো চূড়ান্ত করতে পারেনি গঠিত উচ্চপর্যায়ের সচিব কমিটি। বুধবার (১৫ জুলাই) মন্ত্রিপরিষদ সচিব নাসিমুল গনির নেতৃত্বে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের সম্মেলনকক্ষে এ সংক্রান্ত একটি গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক অনুষ্ঠিত হলেও সুপারিশমালা চূড়ান্ত করা সম্ভব হয়নি। জটিলতা কাটাতে আগামী সপ্তাহে সচিব কমিটির আবারও বৈঠকে বসার কথা রয়েছে।

অন্যদিকে, চলমান বৈশ্বিক প্রেক্ষাপট ও ডলার সংকটের মাঝে এই নতুন ও উচ্চ হারের বেতন কাঠামো বাস্তবায়নে আইএমএফ (আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল) আপত্তি তুলেছে।

আইএমএফের উদ্বেগ ও অর্থমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠক
গত ১২ জুলাই থেকে ঢাকা সফরে থাকা আইএমএফের একটি প্রতিনিধিদল অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরীর সঙ্গে বৈঠক করেছে। বৈঠকে প্রতিনিধিদলটি চলমান আর্থিক সংকটের মধ্যে নতুন পে স্কেল বাস্তবায়নের তীব্র বিরোধিতা করে। সংস্থাটি মনে করে, সুনির্দিষ্ট আয়ের উৎস ঠিক না করে এই বেতন কাঠামো পুরোপুরি বাস্তবায়ন করতে গেলে দেশের অর্থনৈতিক সংকট আরো গভীর হবে। বিশেষ করে সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের একাংশের ক্রয়ক্ষমতা হঠাৎ বেড়ে গেলে বাজারে মূল্যস্ফীতির চাপ সামলানো কঠিন হয়ে পড়বে।

বুধবারের বৈঠকে যা আলোচনা হলো
সূত্র জানায়, বুধবারের বৈঠকে পে স্কেল বাস্তবায়নের নানা প্রতিবন্ধকতা, সরকারের বর্তমান আর্থিক সক্ষমতা এবং বাস্তবায়নের বিভিন্ন ধাপ নিয়ে আলোচনা হয়েছে। পে কমিশনের প্রস্তাবিত ২০টি গ্রেডের বেতন কাঠামো নিয়েও আলোচনা হয়েছে। সেখানে গ্রেডের সংখ্যা কমিয়ে আনা বা সমন্বয়ের বিষয়েও একাধিক মতামত উঠে আসে।

মূল সুপারিশ অনুযায়ী:

  • সর্বনিম্ন (২০তম) গ্রেডের বেতন: ৪৮ হাজার ৪০০ টাকা।
  • সর্বোচ্চ (১ম) গ্রেডের বেতন: ১ লাখ ৬০ হাজার টাকা (নির্ধারিত)।

বৈঠক শেষে অর্থ বিভাগের সচিব ড. খায়েরুজ্জামান মজুমদার সাংবাদিকদের বলেন, ‘কমিটি কত সময় নেবে বা কয়টি বৈঠক করবে, সেটা তাদের এখতিয়ার। তারা কাজ করছেন। সচিব কমিটির সুপারিশ হাতে পেলে আমরা পরবর্তী প্রশাসনিক পদক্ষেপ নেব। এর জন্য সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের আরো কিছুটা সময় অপেক্ষা করতে হতে পারে।’

অর্থ বিভাগের একাধিক সূত্র নিশ্চিত করেছে যে, পূর্ববর্তী অন্তর্বর্তী সরকারের সময় পে স্কেলের ঘোষণা এলেও বর্তমান বিএনপি সরকার তা বাস্তবায়নে বেশ আন্তরিক। সদ্য শুরু হওয়া ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেটে সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বেতন-ভাতা বাবদ ৮৯ হাজার ৮৩৬ কোটি টাকা বরাদ্দ রাখা হয়েছে। এ ছাড়া পেনশন ও গ্র্যাচুইটিসহ মোট বরাদ্দ দাঁড়িয়েছে ১ লাখ ৪১ হাজার ৪৩৪ কোটি টাকায়। নতুন পে স্কেলের আংশিক বাস্তবায়ন, এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীদের সুবিধা ও পেনশনভোগীদের সমন্বিত সুবিধা দেওয়ার লক্ষ্যেই মূলত অতিরিক্ত ৪৪ হাজার কোটি টাকার আর্থিক ব্যবস্থা রাখা হয়েছে।

২০২৫ সালে অন্তর্বর্তী সরকারের সময় সাবেক অর্থসচিব জাকির আহমেদ খানের নেতৃত্বে গঠিত জাতীয় বেতন কমিশন সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বেতন ১০০ থেকে ১৪২ শতাংশ পর্যন্ত বাড়ানোর সুপারিশ করে। তখন সর্বনিম্ন মূল বেতন ৮ হাজার ২৫০ টাকা থেকে বাড়িয়ে ২০ হাজার এবং সর্বোচ্চ বেতন ১ লাখ ৬০ হাজার টাকা করার প্রস্তাব দেওয়া হয়। তবে বর্তমান অর্থনৈতিক বাস্তবতা বিবেচনায় বর্তমান সরকার সেই সুপারিশ হুবহু গ্রহণ করছে না।

মন্ত্রিপরিষদ সচিব নাসিমুল গনির নেতৃত্বে গঠিত উচ্চপর্যায়ের কমিটি দেশের বর্তমান রাজস্ব আয়, মূল্যস্ফীতি, বাজেট ঘাটতি ও সামগ্রিক অর্থনৈতিক পরিস্থিতি বিবেচনা করে নতুন একটি খসড়া প্রস্তুত করছে। সেই খসড়ার ভিত্তিতেই এগিয়ে চলছে গেজেট চূড়ান্তের কাজ।

আফগানিস্তানে জাতিসংঘ মিশনের প্রধান ও বিশেষ দূত হলেন রাবাব ফাতিমা

অনলাইন ডেস্ক
আফগানিস্তানে জাতিসংঘ মিশনের প্রধান ও বিশেষ দূত হলেন রাবাব ফাতিমা
রাবাব ফাতিমা

আফগানিস্তানে জাতিসংঘের সহায়তা মিশনের (ইউএনএএমএ) প্রধান ও আফগানিস্তানবিষয়ক বিশেষ দূত হিসেবে বাংলাদেশের কূটনীতিক রাবাব ফাতিমাকে নিয়োগ দিয়েছেন জাতিসংঘের মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেস। 

বার্তাসংস্থা আনাদোলুর এক প্রতিবেদনে জানা যায়, গতকাল বুধবার (১৫ জুলাই) জাতিসংঘের মুখপাত্রের দপ্তর থেকে প্রকাশিত এক বিবৃতিতে এ তথ্য জানানো হয়। বিবৃতিতে বলা হয়, রাবাব ফাতিমা কিরগিজস্তানের রোজা ওতুনবায়েভার স্থলাভিষিক্ত হচ্ছেন।

বিবৃতিতে বলা হয়, জাতীয় ও আন্তর্জাতিক প্রশাসনে রাবাব ফাতিমার ৩০ বছরের বেশি অভিজ্ঞতা রয়েছে। তার কর্মজীবনে দ্বিপক্ষীয় ও বহুপক্ষীয় কূটনীতি, নীতিনির্ধারণ, অ্যাডভোকেসি, কর্মসূচি পরিকল্পনা এবং বাস্তবায়নের মতো গুরুত্বপূর্ণ ক্ষেত্র অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।

রাবাব ফাতিমা ২০২২ সালের জুন থেকে জাতিসংঘের আন্ডার-সেক্রেটারি-জেনারেল এবং স্বল্পোন্নত দেশ (এলডিসি), স্থলবেষ্টিত উন্নয়নশীল দেশ (এলএলডিসি) ও উন্নয়নশীল ক্ষুদ্র দ্বীপরাষ্ট্রগুলোর (এসআইডিএস) উচ্চ প্রতিনিধি হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।

এর আগে তিনি নিউইয়র্কে জাতিসংঘে বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি ও রাষ্ট্রদূত এবং জাপানে বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। ২০১৯ সালের ডিসেম্বরে তিনি জাতিসংঘে বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি হিসেবে দায়িত্ব নেন।

জাতিসংঘে দায়িত্ব পালনকালে তিনি শান্তিবিনির্মাণ কমিশনের সভাপতি, ইউএন উইমেনের নির্বাহী বোর্ডের সভাপতি এবং জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৭৬তম অধিবেশনের সহসভাপতির দায়িত্ব পালন করেছেন। এ ছাড়া ইউনিসেফের নির্বাহী বোর্ডের সভাপতি এবং ইউএনডিপি, ইউএনএফপিএ ও ইউএনওপিএসের নির্বাহী বোর্ডের সহসভাপতির দায়িত্বও পালন করেছেন।

১৯৮৯ সালে বাংলাদেশ পররাষ্ট্র ক্যাডারে যোগ দেন রাবাব ফাতিমা। কর্মজীবনে তিনি পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মহাপরিচালক ছাড়াও নিউইয়র্ক ও জেনেভায় জাতিসংঘে বাংলাদেশের স্থায়ী মিশন এবং কলকাতা ও বেইজিংয়ে বাংলাদেশ মিশনে বিভিন্ন দায়িত্ব পালন করেছেন। এ ছাড়া কমনওয়েলথ সচিবালয় ও আন্তর্জাতিক অভিবাসন সংস্থা (আইওএম)-এও বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পদে কাজ করার অভিজ্ঞতা রয়েছে তার।

বিদ্যুতের দাম বৃদ্ধি নিয়ে গণশুনানি চলছে | কালের কণ্ঠ