• ই-পেপার

হাতিয়া

জলাবদ্ধতায় হাসপাতালে নিতে না পেরে ঘরেই প্রসূতির মৃত্যু

নরসিংদী

চুন ফ্যাক্টরির আড়ালে গ্যাস চুরি, সংযোগ বিচ্ছিন্নের পরও বের হচ্ছে গ্যাস

রায়পুরা (নরসিংদী) প্রতিনিধি
চুন ফ্যাক্টরির আড়ালে গ্যাস চুরি, সংযোগ বিচ্ছিন্নের পরও বের হচ্ছে গ্যাস
ছবি: কালের কণ্ঠ

নরসিংদীর রায়পুরা উপজেলার হাসনাবাদ লেভেল ক্রসিং সংলগ্ন এলাকায় একটি চুন ফ্যাক্টরির আড়ালে জমি ভাড়া নিয়ে তিতাস গ্যাসের পাইপলাইন থেকে অবৈধভাবে গ্যাস সংযোগ নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে একটি চক্রের বিরুদ্ধে।

বিষয়টি জানার পর সংযোগ বিচ্ছিন্ন করার পরও ওই স্থান থেকে বর্তমানে গ্যাস বের হচ্ছে। এতে উপজেলার আমিরগঞ্জ ইউনিয়নের হাসনাবাদ এলাকার বাসিন্দাদের মধ্যে নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ দেখা দিয়েছে। দ্রুত পাইপলাইন মেরামত এবং জড়িতদের আইনের আওতায় আনার দাবি জানিয়েছেন এলাকাবাসী।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, তিন মাস আগে স্থানীয় তিন ব্যক্তি অলিউল্লাহ, আসাদ মিয়া ও মাসুদ মিয়ার কাছ থেকে ২৪ শতাংশ জমি ভাড়া নেন পাশের ডৌকারচর এলাকার এমরান মিয়া। পরে সেখানে দুই স্তরের টিনের বেড়া দিয়ে একটি চুন ফ্যাক্টরি নির্মাণ করা হয়। ফ্যাক্টরিটির নিচ দিয়ে তিতাস গ্যাসের পাইপলাইন চলে গেছে।

অভিযোগ উঠেছে, ফ্যাক্টরির আড়ালে মাটি খুঁড়ে পাইপলাইনের একটি অংশে ছিদ্র করে অবৈধভাবে গ্যাস সংযোগ নেওয়া হয়। ওই সংযোগ থেকে পাশের একটি ফ্যাক্টরিতেও গ্যাস সরবরাহ করা হচ্ছিল। বিষয়টি জানাজানি হলে তিন সপ্তাহ আগে তিতাস কর্তৃপক্ষ সেখানে মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করে অবৈধ গ্যাস সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে। তবে সংযোগ বিচ্ছিন্ন করা স্থানে বর্ষার পানি জমলে সেখানে গ্যাসের বুদবুদ উঠতে দেখা যায়।

মনির মিয়া নামে স্থানীয় এক বাসিন্দা জানান, ওই স্থান দিয়ে এখনো গ্যাস নির্গত হচ্ছে। হাসনাবাদ এলাকায় ঘনবসতি এবং শত শত শিল্পকারখানা থাকায় যেকোনো সময় অগ্নিকাণ্ড বা বড় ধরনের দুর্ঘটনার আশঙ্কা করা হচ্ছে। একই সঙ্গে গ্যাস নির্গমনের কারণে স্বাস্থ্যগত ঝুঁকিও তৈরি হয়েছ।

জমির মালিক অলিউল্লাহ বলেন, ‘আমিসহ তিনজনের কাছ থেকে এমরান মিয়া জমিটি ভাড়া নিয়েছিলেন। তিনি সেখানে পাথর ও নির্মাণসামগ্রীর ব্যবসা করবেন বলে জানিয়েছিলেন। কিন্তু আসাদ ও মাসুদ মিয়ার জমির অংশে মাটি খুঁড়ে তিতাসের পাইপলাইন থেকে অবৈধ গ্যাস সংযোগ নেওয়া হয়েছে। জমি ভাড়া নেওয়ার পর তারা বেশির ভাগ সময় রাতে কাজ করতেন। কীভাবে তারা এ কাজ করেছেন, তা আমরা দেখিনি। ঘটনার পর থেকে চুন ফ্যাক্টরির মালিক এমরান মিয়ার মোবাইল ফোন বন্ধ রয়েছে। তিনি বর্তমানে আত্মগোপনে আছেন বলে জানতে পেরেছি।’

এ বিষয়ে জানতে তিতাস গ্যাস ট্রান্সমিশন অ্যান্ড ডিস্ট্রিবিউশন পিএলসির ম্যানেজার (অপারেশন) প্রকৌশলী আল আমিনের সঙ্গে একাধিকবার মুঠোফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি। এ কারণে তার বক্তব্য নেওয়া সম্ভব হয়নি।

রায়পুরা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. মাসুদ রানা বলেন, ‘তিতাস গ্যাসের পাইপলাইন থেকে অবৈধভাবে গ্যাস সংযোগ নেওয়ার কারণেই এ লিকেজের ঘটনা ঘটেছে বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে। এর আগে একই স্থানে তিতাস গ্যাস কর্তৃপক্ষ মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করে অবৈধ সংযোগ বিচ্ছিন্ন করেছিল। তবে পরবর্তীতে সেখানে আবারও গ্যাস লিকেজ দেখা দিয়েছে। বিষয়টি তিতাস গ্যাস কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে এবং তারা আগামী শুক্রবার অথবা শনিবারের মধ্যে পাইপলাইন মেরামতের কাজ করবে।’

বোয়ালখালীতে লবণ কারখানায় বিদ্যুতের শর্ট সার্কিটের আগুনে দগ্ধ ১০

চট্টগ্রাম, বোয়ালখালী প্রতিনিধি
বোয়ালখালীতে লবণ কারখানায় বিদ্যুতের শর্ট সার্কিটের আগুনে দগ্ধ ১০

 

 

চট্টগ্রামের বোয়ালখালীতে কনফিডেন্স লবণ কারখানায় বিদ্যুতের শর্ট সার্কিট থেকে আগুন লেগে ১০ শ্রমিক দগ্ধ হয়েছেন। তাদের উদ্ধার করে চট্টগ্রাম মেডিক্যাল কলেজ (চমেক) হাসপাতালের বার্ন ও সংশ্লিষ্ট ওয়ার্ডে ভর্তি করা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (১৬ জুলাই) সকাল ১১টার দিকে পৌরসভার পশ্চিম গোমদণ্ডী এলাকার কারখানায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।

দগ্ধরা হলেন- বোয়ালখালীর দিদারুল আলম (৩২), মোহাম্মদ জাহিদ হোসেন (৩৮) ও নূর নবী (২৫), রাঙ্গুনিয়ার উজ্জ্বল দাশ (৫৩), সদরঘাটের মোহাম্মদ লিটন (২৮), লোহাগাড়ার সিরাজুল ইসলাম (৩৪), রাউজানের জাহিদুল আলম (৪২), পটিয়ার মোহাম্মদ আলম (৪৫), মাহামুদুল হক (৪৫) এবং চন্দনাইশের সেলিম উদ্দিন (৩০)।

জানা গেছে, শ্রমিকরা কাজ করার সময় হঠাৎ বিদ্যুতের শর্ট সার্কিট থেকে আগুনের সূত্রপাত হলে তারা দগ্ধ হন। আহতদের মধ্যে পাঁচ থেকে ছয়জনের অবস্থা আশঙ্কাজনক বলে চিকিৎসকরা জানিয়েছেন।

চট্টগ্রাম মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ নুরুল আলম আশেক বলেন, কনফিডেন্স লবণ কারখানায় অগ্নিকাণ্ডে দগ্ধ ১০ জনকে চমেক হাসপাতালে আনা হয়েছে। তাদের চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে।

আহতদের মধ্যে পাঁচ থেকে ছয়জনের দগ্ধের মাত্রা বেশি হওয়ায় অবস্থা আশঙ্কাজনক।

চট্টগ্রাম

বড় পর্দায় খেলা দেখার সময় ছুরিকাঘাতে যুবক আহত

নিজস্ব প্রতিবেদক, চট্টগ্রাম
বড় পর্দায় খেলা দেখার সময় ছুরিকাঘাতে যুবক আহত
ফাইল ছবি

চট্টগ্রাম নগরীর দুই নম্বর গেইট এলাকায় বড় পর্দায় আর্জেন্টিনা-ইংল্যান্ডের বিশ্বকাপ সেমিফাইনালের খেলা দেখার সময় আসাদুল হক (২১) নামে এক যুবককে ছুরিকাঘাত করা হয়েছে। গতকাল বুধবার রাত দুইটার দিকে এ ঘটনা ঘটে। তবে কেন বা কারা তাকে ছুরিকাঘাত করেছে, তা জানা যায়নি। 

আসাদুল চট্টগ্রাম নগরীর পাঁচলাইশ এলাকায় বসবাস করেন। তার গ্রামের বাড়ি চট্টগ্রামের বাঁশখালী উপজেলায়। 

পুলিশ সূত্র জানায়, পাঁচলাইশের বাসা থেকে বন্ধুদের সঙ্গে খেলা দেখতে ২ নম্বর গেইট এলাকায় গিয়েছিলেন আসাদুল। তিনি অন্যান্য দর্শকদের সঙ্গে খেলা দেখছিলেন। এ সময় ভিড়ের মধ্যে হঠাৎ তাকে ছুরিকাঘাত করা হয়। পরে তার বন্ধুরা তাকে উদ্ধার করে চট্টগ্রাম মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যান। বর্তমানে তিনি চট্টগ্রাম মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আছেন। 

পাঁচলাইশ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জাহেদুল ইসলাম কালের কণ্ঠকে বলেন, ‘দুই নম্বর গেইটে খেলা দেখার সময় ভিড়ের মধ্যে আসাদুলের পায়ে ছুরিকাঘাত করা হয়। আমরা তার সঙ্গে কথা বলেছি। তবে কী কারণে বা কারা তাকে ছুরিকাঘাত করেছে, সে এ বিষয়ে কিছুই বলতে পারছে না। বর্তমানে আসাদুল শঙ্কামুক্ত আছেন। ঘটনাটি তদন্ত করে দেখা হচ্ছে।’

নাফ নদীপথে পাচারের সময় আড়াই লাখ ইয়াবা উদ্ধার

বিশেষ প্রতিনিধি, কক্সবাজার
নাফ নদীপথে পাচারের সময় আড়াই লাখ ইয়াবা উদ্ধার
সংগৃহীত ছবি

কক্সবাজারের উখিয়ায় নাফ নদীপথে মিয়ানমার থেকে পাচারের সময় মালিকবিহীন ২ লাখ ৫০ হাজার পিস ইয়াবা উদ্ধার করেছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)। তবে এ ঘটনায় জড়িত তিন চোরাকারবারি নাফ নদীতে ঝাঁপ দিয়ে সাঁতরে মিয়ানমারে পালিয়ে যান।

বৃহস্পতিবার (১৬ জুলাই) উখিয়া ব্যাটালিয়ন (৬৪ বিজিবি)থেকে এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য নিশ্চিত করেন।

বিজিবি জানায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে বুধবার (১৫ জুলাই) রাত আনুমানিক ৯টা ৪০ মিনিটে উখিয়া পালংখালী বিওপির একটি বিশেষ টহল দল সীমান্ত পিলার বিআরএম-১৮-এর প্রায় সাড়ে ৩ কিলোমিটার উত্তর-পূর্বে এবং শূন্যরেখা থেকে ১০ গজ বাংলাদেশের অভ্যন্তরে কাটাখাল এলাকায় অভিযান চালায়। এ সময় তিন ব্যক্তি বস্তা হাতে মিয়ানমার থেকে বাংলাদেশের দিকে প্রবেশ করছে দেখে বিজিবি সদস্যরা তাদের চ্যালেঞ্জ করলে তারা বস্তা ফেলে নাফ নদীতে ঝাঁপ দিয়ে সাঁতরে মিয়ানমারের অভ্যন্তরে পালিয়ে যান।

বিজিবি আরো জানায়, ঘটনাস্থলে তল্লাশি চালিয়ে দুটি বস্তার ভেতরে খাকি রঙের নীল বায়ুরোধী ২৫টি প্যাকেটে রাখা ২ লাখ ৫০ হাজার পিস ইয়াবা উদ্ধার করা হয়। উদ্ধার অভিযানের সময় আশপাশে আরো তল্লাশি চালানো হলেও অন্য কোনো অবৈধ মালামাল পাওয়া যায়নি।