• ই-পেপার

কালান্তরের কড়চা

আওয়ামী লীগের আসল বিপদ

ফায়ার সার্ভিসের সুনাম বৃদ্ধিতে সচেষ্ট থাকার আহ্বান

নিজস্ব প্রতিবেদক
ফায়ার সার্ভিসের সুনাম বৃদ্ধিতে সচেষ্ট থাকার আহ্বান

স্বচ্ছতার সঙ্গে নিজ নিজ দায়িত্ব পালনের মাধ্যমে প্রতিষ্ঠানের সুনাম বৃদ্ধিতে সচেষ্ট থাকার আহ্বান জানিয়েছেন ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স অধিদপ্তরের মহাপরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মুহাম্মদ জাহেদ কামাল। 

আজ রবিবার সকাল ১০টার দিকে ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স সদর দপ্তরে সব পর্যায়ের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের নিয়ে আয়োজিত দরবার অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন। দরবারে পরিচালকগণ, প্রকল্প পরিচালকসহ ঢাকায় কর্মরত সব স্তরের কর্মকর্তা-কর্মচারীগণ সরাসরি উপস্থিত ছিলেন।

এ ছাড়া সব বিভাগের বিভাগীয় উপপরিচালক, জেলা কর্মকর্তা এবং ফায়ার স্টেশনের কর্মকর্তারা নিজ নিজ কর্মস্থল থেকে অনলাইনে দরবার অনুষ্ঠানে যুক্ত ছিলেন। 

মহাপরিচালক চাকরি শৃঙ্খলা বজায় রেখে স্বচ্ছতার সঙ্গে নিজ নিজ দায়িত্ব পালনের মাধ্যমে প্রতিষ্ঠানের সম্মান বজায় রাখার জন্য সবাইকে নির্দেশনা প্রদান করেন। তিনি আসন্ন নিয়োগ কার্যক্রমকে গত বছরের নিয়োগ প্রক্রিয়ার মতো স্বচ্ছ ও দুর্নীতিমুক্ত রাখতে সবার সহযোগিতা কামনা করেন।

নিয়োগসংক্রান্ত বিষয়ে বাহিনীর কোনো সদস্য যেন অনৈতিক কোনো কাজে জড়িত না হন সে জন্য তিনি সবাইকে সতর্ক থাকার নির্দেশনা দেন। একই সঙ্গে তিনি এসংক্রান্ত অধিদপ্তরের সব আদেশ-নির্দেশ বাহিনীর সব পর্যায়ের সদস্যদের অবহিত করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের সব স্তরে বদলির ক্ষেত্রে যে স্বচ্ছতা প্রতিষ্ঠা করা হয়েছে তা বজায় রাখার জন্য মহাপরিচালক সকলের আন্তরিক সহযোগিতা প্রার্থনা করেন। এ ছাড়া সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ব্যবহারের ক্ষেত্রে তিনি প্রচলিত আইন ও বিধি-বিধান অনুসরণের জন্য সবাইকে নির্দেশনা প্রদান করেন। 

বাহিনীর সুনাম ক্ষুণ্ণ হয়, আইনবহির্ভূত এমন কনটেন্ট প্রচারের ক্ষেত্রে বাহিনীর কোনো সদস্যের সংশ্লিষ্টতা থাকলে তার বিরুদ্ধে প্রচলিত আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে বলে তিনি সবাইকে অবহিত করেন। পাশাপাশি তিনি বিভিন্ন কল্যাণমূলক কাজের তথ্যও উপস্থাপন করেন।

জাতীয় সংসদের কার্য উপদেষ্টা কমিটির সভা অনুষ্ঠিত

অনলাইন ডেস্ক
জাতীয় সংসদের কার্য উপদেষ্টা কমিটির সভা অনুষ্ঠিত

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সভাপতিত্বে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের কার্য উপদেষ্টা কমিটির তৃতীয় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। রবিবার (৭ জুন) দুপুরে জাতীয় সংসদের ক্যাবিনেটকক্ষে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়। প্রধানমন্ত্রীর উপ-প্রেসসচিব জাহিদুল ইসলাম রনি এ কথা জানান।

সভায় সংসদের স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ (বীরবিক্রম), ডেপুটি স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামাল, স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, অর্থমন্ত্রী আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ, জামায়াতে ইসলামীর আমির ও সংসদ সদস্য শফিকুর রহমান প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

লোডশেডিংয়ের কারণ জানালেন বিদ্যুৎমন্ত্রী

অনলাইন ডেস্ক
লোডশেডিংয়ের কারণ জানালেন বিদ্যুৎমন্ত্রী
সংগৃহীত ছবি

বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজসম্পদ মন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ বলেছেন, ‘দেশে বিদ্যুৎ উৎপাদন ঘাটতির কারণে লোডশেডিং করার প্রয়োজন হয় না; বরং ঝড়-বৃষ্টি, প্রাকৃতিক দুর্যোগ কিংবা সঞ্চালন ও বিতরণ লাইনের রক্ষণাবেক্ষণের কারণে কোথাও কোথাও সাময়িক বিদ্যুৎবিভ্রাট ঘটে।’

রবিবার (৭ জুন) ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের দ্বিতীয় অধিবেশনের (বাজেট অধিবেশন) প্রথম দিনে যশোর-৪ আসনের সংসদ সদস্য মো. গোলাম রসুলের সম্পূরক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।

আরো পড়ুন
সাংবাদিকদের পড়াশোনার সীমা জানতে চান জয়নুল আবদিন ফারুক

সাংবাদিকদের পড়াশোনার সীমা জানতে চান জয়নুল আবদিন ফারুক

 

বিদ্যুৎমন্ত্রী বলেন, ‘চলমান গ্রীষ্ম মৌসুমে তাপমাত্রা অস্বাভাবিকভাবে বৃদ্ধি পাওয়ায় বিদ্যুতের চাহিদা উল্লেখযোগ্য হারে বেড়েছে। তবে সরকার পূর্বপরিকল্পনা অনুযায়ী চাহিদা মোকাবেলায় প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে। ২০২৬ সালের বিদ্যুৎ চাহিদার বিপরীতে উৎপাদন পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে এবং সে অনুযায়ী গ্যাস, কয়লা ও তরল জ্বালানির সরবরাহ নিশ্চিত করতে সমন্বিত কার্যক্রম পরিচালনা করা হচ্ছে।’

তিনি আরো বলেন, গ্যাসভিত্তিক, কয়লাভিত্তিক ও তরল জ্বালানিভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্রগুলোর সর্বোচ্চ উৎপাদন নিশ্চিত করতে নির্ধারিত রক্ষণাবেক্ষণ যথাযথ পরিকল্পনার মাধ্যমে সম্পন্ন করা হয়েছে। ফলে বিদ্যুৎকেন্দ্রগুলো উৎপাদনের জন্য প্রস্তুত রয়েছে।

ইকবাল হাসান মাহমুদ বলেন, বিদ্যুৎ উৎপাদন ঘাটতির কারণে লোডশেডিং করার প্রয়োজন হয় না। তবে বিদ্যুৎকেন্দ্রের জরুরি রক্ষণাবেক্ষণ, ঝড়-বৃষ্টি বা অন্যান্য প্রাকৃতিক দুর্যোগ এবং সঞ্চালন ও বিতরণ লাইনের নির্ধারিত বা অনির্ধারিত রক্ষণাবেক্ষণ কার্যক্রমের কারণে কখনো কখনো সাময়িক বিদ্যুৎবিভ্রাট দেখা দেয়।

যশোরের নওয়াপাড়া শিল্পাঞ্চল ও খুলনা বিভাগের গুরুত্বপূর্ণ বাণিজ্যিক এলাকাগুলোর বিদ্যুৎ পরিস্থিতি সম্পর্কে মন্ত্রী বলেন, বর্তমানে এসব এলাকায় কোনো লোডশেডিং নেই। যশোর পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি-২-এর আওতাধীন অভয়নগর উপজেলায় নওয়াপাড়া গ্রিডের বর্তমান বিদ্যুৎ চাহিদা ৪৬ মেগাওয়াট এবং একই পরিমাণ বিদ্যুৎ সরবরাহ করা হচ্ছে।

আরো পড়ুন
হামের উপসর্গে আরো ৭ শিশুর মৃত্যু

হামের উপসর্গে আরো ৭ শিশুর মৃত্যু

 

তিনি বলেন, গ্রিড থেকে প্রাপ্ত বিদ্যুৎ সুষমভাবে বণ্টনের মাধ্যমে সংশ্লিষ্ট এলাকায় চাহিদা অনুযায়ী বিদ্যুৎ সরবরাহ নিশ্চিত করা হয়েছে। চলতি সেচ মৌসুমে, অর্থাৎ ডিসেম্বর থেকে মে মাস পর্যন্ত, নওয়াপাড়া উপজেলায় চাহিদা অনুযায়ী বিদ্যুৎ সরবরাহ করা সম্ভব হয়েছে।

তবে মৌসুমি ঝড়-বৃষ্টির কারণে কিছু এলাকায় মাঝে মাঝে বিদ্যুৎবিভ্রাটের ঘটনা ঘটে উল্লেখ করে মন্ত্রী বলেন, আবহাওয়া পরিস্থিতি স্বাভাবিক হওয়ার পর দ্রুততম সময়ের মধ্যে সমস্যা সমাধান করে বিদ্যুৎ সরবরাহ পুনরায় সচল করা হয়।

সাংবাদিকদের পড়াশোনার সীমা জানতে চান জয়নুল আবদিন ফারুক

অনলাইন ডেস্ক
সাংবাদিকদের পড়াশোনার সীমা জানতে চান জয়নুল আবদিন ফারুক
সংগৃহীত ছবি

দেশের প্রায় সব উপজেলা, এমনকি ইউনিয়ন পর্যায়েও সাংবাদিকতার কার্ড পাওয়া যাচ্ছে। অথচ অনেকেরই সাংবাদিকতা বিষয়ে কোনো প্রাতিষ্ঠানিক জ্ঞান নেই; কেউ রিপোর্টারও নন, এমনকি মেট্রিক পাসও না। ইউটিউবসহ বিভিন্ন মাধ্যমে যা খুশি তাই প্রচার করা হচ্ছে। কারা এসব সাংবাদিকতার কার্ড দিচ্ছে, এদের লেখাপড়া কতটুকু এবং কারা সেই পরিচয় ব্যবহার করছে—এসব বিষয় তদন্ত করা দরকার বলে দাবি জানিয়েছেন নোয়াখালী-২ আসনের সংসদ সদস্য জয়নুল আবদিন ফারুক।

আরো পড়ুন
বিমানবাহিনী প্রধানের সঙ্গে জাতিসংঘের আবাসিক সমন্বয়কারীর সাক্ষাৎ

বিমানবাহিনী প্রধানের সঙ্গে জাতিসংঘের আবাসিক সমন্বয়কারীর সাক্ষাৎ

 

রবিবার (৭ জুন) জাতীয় সংসদে বাজেট অধিবেশনে প্রশ্নোত্তর পর্বে অংশ নিয়ে তিনি তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের দৃষ্টি আকর্ষণ করে এসব কথা বলেন। 

সংসদ সদস্য জয়নুল আবদিন ফারুক বলেন, ‘এ বিষয়গুলো তথ্য মন্ত্রণালয়ের আওতায় এনে কার্যকর কোনো নীতিমালা বা সিদ্ধান্ত নেওয়া যায় কি না, তা গুরুত্ব সহকারে বিবেচনা করা প্রয়োজন। এসব অনিয়ন্ত্রিত কর্মকাণ্ড বন্ধ না হলে গণমাধ্যমের বিশ্বাসযোগ্যতা ক্ষতিগ্রস্ত হবে। একই সঙ্গে উন্নয়ন ও গণতান্ত্রিক পরিবেশও বাধাগ্রস্ত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।’

তার প্রশ্নের জবাবে তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী ইয়াসের খান চৌধুরী সংসদে বলেন, ‘আমরা মিসইনফরমেশন (ভুল তথ্য) ও ডিসইনফরমেশন (অপতথ্য) নিয়ে কাজ করছি। যারা সাংবাদিক হিসেবে নিবন্ধিত নয়, মূলত তারাই সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে বিভিন্ন মিসইনফরমেশন ও ডিসইনফরমেশন উপস্থাপন করেন।’

আরো পড়ুন
হামের উপসর্গে আরো ৭ শিশুর মৃত্যু

হামের উপসর্গে আরো ৭ শিশুর মৃত্যু

 

প্রতিমন্ত্রী আরো জানান, এ ধরনের অপতৎপরতা বন্ধে ইতোমধ্যে একটি বিশেষ টিম গঠন করা হয়েছে। এই টিম পুরো বিষয়টি মনিটর করছে এবং যারা জড়িত, তাদের আইনের আওতায় আনা যায় কি না, সে বিষয়ে কার্যক্রম চলছে। শিগগিরই এই মনিটরিং টিমের পরিধি ও বিস্তারিত কার্যক্রম সবার সামনে আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা করা হবে বলেও তিনি সংসদকে আশ্বস্ত করেন।

আওয়ামী লীগের আসল বিপদ | কালের কণ্ঠ